Al Jami - আল জামী

Al Jami - আল জামী We produce educational content to help you lead more fulfilling lives and leave a positive imprint in your community.

শায়খ সালেহ আল-উসাইমি (হাফিযাহুল্লাহ)-তার দারসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে মাঝেমধ্যে শিক্ষনীয় কিছু হাস্যকর ঘটনা বলে থাকেন। সেদিনও...
12/05/2026

শায়খ সালেহ আল-উসাইমি (হাফিযাহুল্লাহ)-তার দারসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে মাঝেমধ্যে শিক্ষনীয় কিছু হাস্যকর ঘটনা বলে থাকেন। সেদিনও এরকম একটি সত্য ঘটনা তিনি বর্ণনা করেন। ঘটনাটি হচ্ছে:
একবার এক ব্যক্তি কোন এক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার ব্যাপারে খুব দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে গিয়েছিল। তখন সে মনে মনে বলল, 'আমি কুরআন মাজিদ খুলব, আর আমার চোখ যে আয়াতের ওপর পড়বে, সেই অনুযায়ী আমি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেব।' তখন সে কুরআন খুলল এবং তার চোখ পড়ল সূরা ত্বহা-এর এই আয়াতাংশের ওপর-
خذها ولا تخف
'এটি ধরুন এবং কোনোভাবে ভীতসন্ত্রস্ত হবেন না' (সুরা ত্বহা, আয়াত: ২১)
এটি দেখে সে খুব আনন্দিত হলো। এবং বিষয়টিকে সে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা নির্দেশ হিসেবে ধরে নিল এবং ঐ মেয়েকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব দিয়ে দিলো। কিন্তু এই মিসকিনটা আসলে এটি জানত না যে, আয়াতের এই অংশটি মূলত 'সাপ' সম্পর্কে বলা হয়েছিল। অর্থাৎ আল্লাহ তা'য়ালা মুসা আ. কে তাঁর লাঠিটি ধরতে বলেছিলেন, যা মূলত একটি সাপে রূপান্তরিত হয়ে গিয়েছিল

05/03/2025

"হাদিসটা পড়ুন, খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহপাক যে কত মহান!

হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ
হে প্রভু! আমার অনুসারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় পাপি?"

আল্লাহর উত্তরঃ "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার অনুসারীদের মধ্যে বড় পাপি"

আল্লাহর কথানুযায়ী হযরত মুসা (আঃ) বসে দেখছেন, কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি ছোট একটি ছেলেকে কোলে করে পথ অতিক্রম করছে।
হযরত মুসা (আঃ) বুঝে ফেললেন এই সেই বড় পাপি

হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ কে বললেনঃ হে"প্রভু, এখন আমাকে সবচেয়ে নেকী মানুষটিকে দেখান।"

আল্লাহর উত্তরঃ "সূর্য ডুবার সাথে সাথে যে লোকটি তোমার পূর্বস্থান দিয়ে চলে যাবে সেই হইলো সবচেয়ে নেকী"

হযরত মুসা (আঃ) সূর্য ডুবার বেশ আগের থেকে বসে রইলেন যেই সূর্য ডুবছিলো দেখলেন সে সকালের ঐ ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরে যাচ্ছে।

মুসা (আঃ) হতভম্ব হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ "প্রভু একই ব্যক্তি মহা পাপি আবার মহা নেকী" .

আল্লাহ বললেনঃ "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন কোলের ছেলেটি বাবাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা!
এই জঙ্গল কতবড়?
বাবা উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা! ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে?
সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়। ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা!

তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?
তখন বাবাটি চিৎকার দিয়ে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো আমার পাপ থেকেও অনেক অনেক বড় আমাদের আল্লাহর রহমত।

হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতোই পছন্দ হয়েছে যে সবচেয়ে পাপি ব্যক্তিকে সবচেয়ে' নেককার ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।
মনে রেখো আমার শাস্তির হাত থেকে ক্ষমার হাত বহুগুন বড়।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে সামনের দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান করুন"
আমিন

রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন,যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
আবু দাউদঃ ৫১৫

30/10/2024

এই হাদিসটি আমি আগে কখনই পড়িনি!

ধরুন, আপনি কাউকে দুই মাসের জন্য ১ হাজার টাকা ধার দিলেন। তো হাদিসের ভাষ্যমতে আপনি এখন এই দুই মাস পর্যন্ত প্রতিদিন ১ হাজার টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন। কী দারুণ তাই না? আরো ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল, দুইমাস পর যদি ঋণগ্রহীতা টাকা ফেরত দিতে অপারগ হয় এবং আপনি যদি বলেন, যাও! আরো কিছুদিন সময় দিলাম। যখন সামর্থ হয় ফেরত দিও। তাহলে দুই মাস পর থেকে পরে যতদিন সময় বাড়বে তার বিনিময়ে প্রতিদিন ২ হাজার টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন। কী অবাক হলেন?
আসুন এবার হাদিসখানা একটু পড়ে নিই।

عَنْ بريدة، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ:

হযরত বুরায়দা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি আল্লাহর রাসুল থেকে বলতে শুনেছি....

" مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلُهُ صَدَقَةٌ ".

যে ব্যক্তি কোনো অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] অবকাশ দিবে সে প্রতিদিন ওই পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে...

قَالَ: ثُمَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ : " مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلَيْهِ صَدَقَةٌ"

হযরত বুরায়দা রা. বলেন, অতঃপর আমি আল্লাহর রাসুলকে [আবার] বলতে শুনলাম, যে ব্যক্তি কোনো অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] সুযোগ দিবে সে প্রতিদিন উক্ত ঋণের দিগুণ পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে...
قُلْتُ : سَمِعْتُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَقُولُ: " مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلُهُ صَدَقَةٌ "، ثُمَّ سَمِعْتُكَ تَقُولُ : " مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلَيْهِ صَدَقَةٌ"

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনাকে একবার বলতে শুনলাম, যে ব্যক্তি অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] অবকাশ দিবে সে প্রতিদিন ওই পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে। এরপর আবার বলতে শুনলাম, যে ব্যক্তি অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] সুযোগ দিবে সে প্রতিদিন উক্ত ঋণের দিগুণ পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে। [এর ব্যাখ্যা কী?]
قَالَ لَهُ : " بِكُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ قَبْلَ أَنْ يَحِلَّ الدَّيْنُ، فَإِذَا حَلَّ الدَّيْنُ فَأَنْظَرَهُ فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلَيْهِ صَدَقَةٌ ".

তখন আল্লাহর রাসুল বললেন, ঋণের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন ঋণের সমপরিমাণ দানের সাওয়াব হবে। অতঃপর যখন মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যাবে—কিন্তু ঋণ আদায়ে অক্ষমতা প্রকাশ করবে—তখন যদি আবার সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে প্রতিদিন ডবল দানের সাওয়াব হবে।
[মুসনাদে আহমাদ: ২৩০৪৬]

~ সংগৃহীত: Ishtiak Ahmad Tushar (Hafi.)

26/10/2023

নামাজের পর যে আমলগুলো করা জরুরি❤️

24/10/2023

আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক🙂

21/10/2023

এই তিনটি কাজ করলে আপনাকে ইবাদতের দ্বার থেকে আপনাকে কেউ গুলি করেও সরাতে পারবে না💜

17/10/2023

ফাতেমা (রা:) জীবনী❤️❤️

16/10/2023

Four things a wife loves in her husband and four things a husband loves in her wife💜✨

15/10/2023

আল্লাহ তাদের সহায় হোক🥺🤲

14/10/2023

রোগ হলে নাকি গুনাহ মাফ হয়,তাহলে মানুষ রোগ থেকে রক্ষা পেতে চায় কেনো?!!
শায়খ❤️

Address

Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Jami - আল জামী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category