22/03/2021
৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ১ম সপ্তাহ ২০২১
অ্যাসাইনমেন্ট শুরু
সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য ঃ
১. সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী । এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।
২. সাধু ভাষার উচ্চারণ গুরুগন্তীর।
৩. সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রুপ পূর্ণাঙ্গ ।
৪. সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ৷
৫. সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
৬. সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের সেংস্কৃত শব্দ) প্রয়োগ বেশি ।
৭. সাধু ভাষা বক্তৃতা ও নাট্য সংলাপের অনুপযোগী ।
উল্লিখিত পাঠ থেকে বিভিন্ন পদের দৃষ্টান্ত চিহ্নিতকরণঃ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলো।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ক্রিয়াপদ অব্যয় ও তৎসম শব্দ গুলোর দৃষ্টান্ত নিম্নে চিহ্নিত করা হলোঃ
সর্বমান ঃ তাহা
ক্রিয়াঃ পাইলাম, আসিয়া, দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।
অব্যয়ঃ সহিত, ইতোমধ্যে
তৎসম শব্দঃ সাক্ষাৎ, ক্ষুদ্র, হৃদয়।
সাধু ভাষার যোক্তিকতা ঃ
আমরা জানি সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় । অনুচ্ছেদটিতেও সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে যেমন -তাহা, আসিয়া, করিয়া ইত্যাদি । সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণাপ রূপ ব্যবহৃত হয় । অনুচ্ছেদটিতে দিয়া অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে ।
এছাড়াও উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে কিছু তৎসম শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় যেমন - সাক্ষাৎ, ক্ষুদ, হৃদয়। যেগুলো দেখে আমরা খুব সহজেহ বুঝতে পারি, উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় লিখিত হয়েছে।
অর্থাও উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত।
উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যোক্তিকতা নিরূপণ করা হলো।