18/10/2022
আসসালামু আলাইকুম।
আশা করছি ভালো আছেন সবাই।
যারা জব এক্সাম & BCS এর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে চান তাদের জন্য Zoom App এ নতুন ব্যাচ শুরু হচ্ছে আগামী বুধবার রাত ৮টা থেকে।
মোট ক্লাস ২২টি। কোর্স শেষে ২টি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট।
কেউ ক্লাস করতে আগ্রহী হলে জানাতে পারেন।
23/05/2022
বাংলা ১ম পত্রের ১০ জন লেখকের বইয়ে উল্লেখিত সাহিত্যকর্ম।
⭕--------রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর------⭕
🔴 উপন্যাস:-- ঘরে বাইরে চর্তুদিক থেকে চোখের গোরায় বালি আসায় শেষে আর যোগাযোগ করতে পারি নাই
🔴 কাব্যগ্রন্থ:-- মানসী ও বলাকার জন্মদিনে চিত্রা নদীতে সোনার তরীতে বসে ক্ষণিক সময়ে পুনশ্চ দিয়েই লেখা শেষ করলাম।
নাটক:-- মুক্তধারার রাজা রক্তকরবী এবার ডাকঘর অচল করে দিলো।
⭕-----বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়----⭕
🔴উপন্যাস:-- দুর্ভাগা সীতা ও চন্দরাজ আনন্দ দেবে, মৃ কৃষ্ণের কপালে বিষ
🔴প্রবন্ধ:-- কমলাকান্তের লোকে বলে বিভিন্ন বিজ্ঞানরহস্য ও কৃষ্ণচরিত্র নাকি সমান।
⭕------বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় -----⭕
🔴উপন্যাস:-- পথে পথে অরণ্য ও দেব ইছামতি ও অপরাজিতার উপর বারবার দৃষ্টি দিলো।
🔴গল্পগ্রন্থ :-- মেঘের মধ্যেই মোরী ও কিন্নর দল যাত্রা শুরু করলো।
⭕------কাজী নজরুল ইসলাম---⭕
🔴উপন্যাস:-- মৃত্যু -ক্ষুধায় কুহেলিকা বাঁধনহারা হইলো।
🔴গল্পগ্রন্থ :-- শিউলি রক্তের ব্যাথায় পাগল হইলো।
🔴প্রবন্ধগ্রন্থ:-- যুগ যুগ ধরেই দুর্দিনে রৌদ্রের মাঝেই রাজবন্দীদের জবানবন্দি নেওয়া হয়।
🔴কাব্যগ্রন্থ:-- সন্ধ্যাবেলার প্রলয়ে বাশি বেজে উঠলো, অগ্নিতে চরচর করে সকল সিন্ধু হিন্দোল পুড়ে সব সর্বহারা হইলো।
⭕--------মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় -------⭕
🔴উপন্যাস :-- পদ্মানদীর দিনেরাতের পুতুলনাচের সেই চিহ্নের কথা এখন ও জনে জনে জানে।
🔴গল্পগ্রন্থ:-- এইতো আজ কাল ছোট ছোট বকুলপুরের হারানের নাতজামাইর বৌ এর সমুদ্রের সুস্বাদু সরীসৃপ ও হলুদপোড়া টিকটিকি খেয়ে ঐতিহাসিক কুষ্ঠরোগ ভালো হলো।
⭕---------আখতারুজ্জামান ইলিয়াস----⭕
🔴গল্পগ্রন্থ :-- খোয়ারি অন্য ঘর থেকে দুধভাত খেয়ে ঘুমিয়ে বেজাল স্বপ্নে দোজখের ওম দেখলো।
⭕---------জীবনানন্দ দাশ-------⭕
🔴কাব্যগ্রন্থ :-- বেলা অবেলায় বলিতে চাই ধূসর এই মহাপৃথিবীতে ঝরা পালকের ন্যায় সুন্দরী রুপসী বাংলার বনলতা সেন।
⭕--------আহসান হাবীব-------⭕
🔴কাব্যগ্রন্থ :-- আহসান হাবীব সারাদুপুর বিদীর্ণ দর্পণে মুখ দেখে বলে চৈত্রে যাবো,
যেখানে রাত্রিশেষে ছায়াহরিণ ২ মাথায় ২ আদিম পাথর নিয়ে ঘুরে।
⭕---------শামসুর রহমান------⭕
🔴কাব্যগ্রন্থ :-- শামসুর রহমান নিজ বাসভূমে বন্দি থেকে বিধ্বস্ত নীলিমার নীচে রৌদ্র করোটীতে বসে দিব্যরথে লিখছে প্রথম গান" ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাটা,কেননা উটের পিঠে চলছে দেশ,,আমার বুক ভরা এই বাংলাদেশ"।
⭕---------সৈয়দ শামসুল হক------⭕
🔴কাব্যগ্রন্থ :-- রজ্জুপথে বৈশাখে রচিত পঙতিমালা প্রাণের গহীন ভিতরে ইর্ষার প্রতিধ্বনি হয়, শামসুল হক এখন এখানে এসে গণনায়ক নূরলদীনের সারাজীবনের পায়ের আওয়াজ শুনতে পায়।
19/05/2022
Translation: Bangla to English
16/05/2022
পদ প্রকরণ (পর্ব-২)
অব্যয় পদ
18/07/2021
সকল ছড়া স্বরবৃত্ত ছন্দে রচিত।
রোকনুজ্জামান খানের ৫২ লাইনের 'হাট্টিমা টিম টিম' ছড়া।
'টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনলো কিনে
মস্ত একটা ডিম।
বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।
সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।
উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।
সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।
উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।
চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।
বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বারি
নিজের মাথায় মারে।
শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।
গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।
মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে
গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।
হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমা টিম টিম।'
01/06/2021
বাংলা সাহিত্যকে তিনটি যুগে ভাগ করা যায় ।
1.প্রাচীন যুগ (৯৫০-১২০০)
2.মধ্যযুগ(১২০১-১৮০০)
3.আধুনিক যুগ (১৮০১-বর্তমান)
* ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব সপ্তম শতকে।
* ডঃ সুনীতিকুমারের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব দশম শতকে।
* ১২০১-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দের কোন সাহিত্য রচনার প্রমাণ পাওয়া যায় নি বলে এই যুগকে অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগ বলা হয় ।
* ১৭৬০-১৮৬০ খ্রিস্টাব্দ সময়কে বলা হয় বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণ।।
📓 প্রাচীন যুগ
একমাত্র নিদর্শন-চর্যাপদ
চর্যাপদ রচিত হয় পাল আমলে বৌদ্ধ সহজিয়াদের দ্বারা ।এটি একটি গানের সংকলন।
চর্যাপদ রচিত-মাত্রাবৃত্ত ছন্দে
চর্যাপদে প্রবাদ-ছয়টি
ভাষা-সান্ধ্য ভাষা
রচয়িতারা-দ্বাদশ শতাব্দীর
চর্যাপদের আদি কবি-লুইপা
চর্যাপদের বেশি পদ রচয়িতা-কাহ্নপা(১৩ টি পদ)
প্রাচীন কবি- শবরপা
মহিলা কবি-কুক্করীপা
মোট রচয়িতা-২৪ জন।
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় -১৯০৭ সালে।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কার করেন। আবিষ্কৃত পদসংখ্যা সাড়ে ৪৬ টি।
মোট পদসংখ্যা-৫১ টি।।
07/05/2021
বিষয়:- বাংলা ২য়
টপিক:- দ্বিরুক্ত শব্দ
#কোনটা_কি_অর্থে_ব্যবহৃত:-
১. আমি আজ জ্বর জ্বর বোধ করছি।
[সামান্য অর্থে]
ব্যাখা:- জ্বর জ্বর বোধ করছি মানে, হালকা জ্বর অনুভূত হচ্ছে।
২. সে বাড়ি বাড়ি হেটে চাঁদা তুলছে।
[ধারাবাহিকতা অর্থে]
ব্যাখা:- এক বাড়ির পর আরেক বাড়িতে গিয়ে চাঁদা তুলছে [সিরিয়ালি]
৩. আমার সঙ্গী সাথী কেউ নাই।
[অনুরুপ কিছু]
ব্যাখা:- আমার সঙ্গী সাথীর মত কিছু নেই। অর্থাৎ, অনুরুপ কিছু নেই।
৪. সে স্যার স্যার বলে কাঁদছে।
[আগ্রহ অর্থে]
ব্যাখা:- স্যারের প্রতি আগ্রহ বুঝাচ্ছে।
৫. ভাল ভাল আম নিয়ে এসো।
[আধিক্য অর্থে]
ব্যাখা:- আমরা যখন দোকানে গিয়ে বলি, "ভাল ভাল আম দিন", তার মানে বেশি বেশি করে ভাল আম দিন বুঝায়।
৬. নরম নরম হাতে গরম গরম জিলাপি।
[তীব্রতা/সঠিকতা অর্থে]
ব্যাখা:- নরম নরম, গরম গরম → এগুলা দ্বারা কোনো বস্তুর তীব্রতা বা একজাক্টলি কেমন, সেটা বুঝায়।
৭. মেয়েটার উড়ু উড়ু ভাব।
[সামান্য অর্থে]
ব্যাখা:- অর্থাৎ, মেয়েটা সামান্যই উড়ছে। এখনই লাগাম ধরতে হবে।
৮. দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এল।
[স্বল্পকাল স্থায়ী বুঝাতে]
ব্যাখা:- দেখতে দেখতে - মানে চোখের পলকে বা খুব দ্রুত। অর্থাৎ, স্বল্পকাল স্থায়ী।
৯. ডেকে ডেকে হয়রান।
[পৌনঃপুনিকতা বুঝাতে]
ব্যাখা:- পৌনঃপুনিকতা মানে বারবার। "ডেকে ডেকে" মানে, বারবার ডাকা বুঝাচ্ছে।
১০. লোকটা হাড়ে হাড়ে শয়তান।
[আধিক্য বুঝাতে]
ব্যাখা:- লোকটা যে কত বেশি শয়তান, সেটা বুঝাতে দ্বিরুক্ত।
১১. শিশুটিকে চোখে চোখে রেখো।
[সতর্কতা অর্থে]
ব্যাখা:- চোখে চোখে রাখা- মানে দেখেশুনে রাখা। অর্থাৎ, সতর্কতা বুঝাচ্ছে।
১২. শিশুটি থেকে থেকে কাঁদছে।
[কালের বিস্তার/সময়ের ব্যবধান অর্থে]
ব্যাখা:- থেকে থেকে কাঁদা - মানে বিরতি দিয়ে দিয়ে কাঁদা। অর্থাৎ, এখানে সময়ের ব্যবধান বা কালের বিস্তার বুঝাচ্ছে।
#দ্বিরুক্ত_শব্দের_গঠন:-
দ্বিরুক্ত শব্দ গঠনের দুইটি উপায় আছে।
ক) অনুরুপ শব্দযোগে:-
যেমন- চোর চোর, মিট মিট, কলম কলম, রিফাত রিফাত, তুলি তুলি, ভাল ভাল
অর্থাৎ, একই শব্দ দুইবার হবে। শব্দের কোনো চেঞ্জ না করেই রিপিট হবে।
খ) সামান্য পরিবর্তন করে/যুগ্মরীতিতে:-
যেমন-
১. আদি স্বরের পরিবর্তন করে:-
মিটমাট [মি → মা]
২. অন্ত্য স্বরের পরিবর্তন করে:-
হাতাহাতি [তা → তি]
৩. ব্যঞ্জনের পরিবর্তন করে:-
কলম-টলম [ক → ট]
চোর-টোর [চ → ট]
ভয়-টয় [ভ → ট]
৪. সমার্থক শব্দযোগে:-
চোর - ডাকাত
ভয় - ডর
৫. বিপরীতার্থক শব্দযোগে:-
জন্ম - মৃত্যু
আদান - প্রদান
ছোট - বড়
৬. ভিন্নার্থক শব্দযোগে:-
তালা - চাবি
ডাল - ভাত
🔎 ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
ধ্বন্যাত্মক অব্যয়
অনুকার দ্বিরুক্তি
অনুকার অব্যয় 🔍
জিনিস একটাই। কিন্তু নাম ৪ টা। এগুলা তৈরি হয় ধ্বনি থেকে।
উদাহরণ:-
১| মানুষ : হি হি, ভেউ ভেউ
২| জীবজন্তু : কা কা, ম্যা ম্যা, ঘেউ ঘেউ
৩| বস্তু : মড় মড় [গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ]
হু হু [বাতাস প্রবাহের শব্দ]
৪| অনুভূতি : ছম ছম [ভয়], খাঁ খাঁ [শূন্যতা]
#কোনটা_কোন_পদ:-
১| বৃষ্টির ঝমঝমানি আমার ভালো লাগে না।
[ঝমঝমানি → বিশেষ্য]
সূত্র:- শব্দের শেষে "আনি" থাকলে → বিশেষ্য
২| কলকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ।
[কলকলিয়ে → ক্রিয়া]
সূত্র:- শব্দের শেষে "ইয়া", "ইবে", "ইতে", "ইল" থাকলে → ক্রিয়া
৩| সে ছল ছল চোখে তাকিয়ে আছে।
[ছল ছল → এখানে বিশেষণ]
সূত্র:- কিরকম চোখে তাকিয়ে আছে? ছলছল চোখে। অর্থাৎ, অবস্থা বুঝাচ্ছে। এজন্য বিশেষণ।
৪| তার চোখ ছলছল করছে।
[ছলছল → এখানে ক্রিয়া বিশেষণ]
সূত্র:- "ছলছল" একটা বিশেষণ। আর "করছে" একটা ক্রিয়া। পাশাপাশি দুটো বসলে হয়ে যায়, ক্রিয়া বিশেষণ।