iDEAL Consultancy

iDEAL Consultancy

Share

iDEAL Consultancy Work For Student Visa, Work Permit ,Immigration Visa,Visit Visa,
Trusted Company.

24/05/2024

অনেকের কাছেই আমরা শুনে থাকি, আমেরিকায় যাওয়া খুবই কঠিন, এমনকি সহজে ভিসা পাওয়া যায় না! 🤔

👉 আসলে বাস্তবতা হলো আমেরিকার ৫ (পাঁচ) বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা (B1-B2) বাংলাদেশ থেকে পাওয়া খুবই সহজ, যদি আপনি সঠিক পন্থায় এবং সঠিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেন! 🇺🇸🇺🇸🇺🇸

✨ আমরা অনেকেই আমেরিকার ভিসার জন্য আবেদন করতে ভয় পাই, কারণ আমরা মনে করে থাকি অন্য সব উন্নত দেশগুলোর মতো ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এর সময় অনেক ডকুমেন্টস সাবমিট করতে হয়, পূর্বেই বায়োমেট্রিক্স নেয়া হয় এবং পরে ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে ভিসা ইস্যু অথবা রিফিউস করা হয়।

কিন্তু আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার (B1-B2) ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি সম্পূর্ণই ভিন্ন এবং সহজ! 💖
এই ভিসা পাওয়ার জন্য অনেক বেশী কাগজপত্র দরকার নেই! এমনকি আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা এসেট ভ্যালুয়েশনও চাইবে না! এছাড়াও আপনার যদি একাধিক দেশ ভিজিট করা থাকে তাহলে সেটা নিঃস্বন্দেহে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে বিভিন্ন দেশ ভিজিট করা থাকলেই আপনি আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন। 🇺🇸 🗽

✅ আপনার যদি সঠিক কৌশল জানা থাকে তাহলে সাদা পাসপোর্টেও সহজেই আপনি আমেরিকার ভিসা পেতে পারেন!🇺🇸💖

🗽 আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার প্রথম দুইটি ধাপ হলোঃ
১। সিজিআই প্রোফাইল তৈরি করা।
২। ভিসা ফি এর রিসিপ্ট প্রিন্ট আউট করে ইস্টার্ন ব্যাংকের (EBL) যে কোনো ব্রাঞ্চে অফলাইনে জমা দেওয়া |আর আপনার যদি (EBL) ব্যাংকে একাউন্ট থাকে তাহলে (EBL) ব্যাংকের APP-এর মাধ্যমে অনলাইন-এ ভিসা ফি জমা দিতে পারবেন।

✨ বর্তমানে জনপ্রতি ভিসা ফি হচ্ছে $১৮৫ ডলার যা বর্তমান বাজারের ডলার মূল্য অনুযায়ী হচ্ছে ২১,০৯০ টাকা। 💵

✅ আমেরিকান মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা বাংলাদেশ থেকে সাধারণত ৫ বছরের জন্য দেওয়া হয় এবং এই ভিসাটি মূলতো ২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।
✨ প্রথমত : DS-160: Online Nonimmigrant এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
✨ দ্বিতীয়ত : ভিসা অফিসারের সাথে একটি শর্ট ইন্টারভিউ এর উপর।

✅ DS -160 ফর্ম কেন গুরুত্বপূর্ণ ?
- যেহেতু আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসা ব্যক্তিগত তথ্য ও ইন্টারভিউ ভিত্তিক, তাই DS-160 ফর্মে সকল ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য নির্ভুল ও সঠিকভাবে প্রদান করতে হয়। একটা বিষয় মনে রাখবেন, সঠিকভাবে DS-160 এপ্লিকেশন ফর্মটি পূরণ করলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা ৭০% নিশ্চিত হয়ে যাবে।

✅ ভিসা অফিসারের সাথে ইন্টারভিউ কেমন হবে?
- ভিসা অফিসারদের বেশিরভাগ প্রশ্ন আপনাদের দেওয়া DS-160 ফর্ম এর উপর ভিত্তি করেই হয়ে থাকে। ইন্টারভিউয়ের উপর মূলত বাকী ৩০% সম্ভবনা নির্ভর করে। এছাড়া সাক্ষাৎকারের সময়কাল মূলত ২-৩ মিনিটের হয়ে থাকে (কারো কারো ক্ষেত্রে ৫-১০ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ হয়)। এই অল্প সময়ে ভিসা অফিসারগণ মূলত আপনাদের সাইকোলজিকালি পরীক্ষা করে। আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, বাচনভঙ্গি, ড্রেস আপ থেকে শুরু করে আপনি কিভাবে কনসুলার অফিসারদের প্রতিটি প্রশ্নের সু-ব্যাখ্যা সংক্ষেপে দিতে পারছেন সবকিছুর উপর বিবেচনা করে তারা তাৎক্ষণিকভাবে একটি সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়াও আপনি কেন আমেরিকা যাবেন তার সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে হবে। ইন্টারভিউ এর সময় ভিসা অফিসারদের বুঝাতে হবে যে, আপনার আমেরিকা যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হবে।

✅ তাই, আপনি যখন আমেরিকার ট্যুরিস্ট ভিসার (B1+B2) জন্য আবেদন করবেন, তখন অবশ্যই আপনার DS-160 ফর্মটি কোন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হাতে পূরণ করতে হবে। কেননা, DS-160 ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করতে না পারলে এটি শুধুমাত্র আপনার রিফিউজ এর কারণই হবেনা, বরং পরবর্তীতে আবেদন করার সময়েও জটিলতা সৃষ্টি করবে।

♨️ সতর্কতাঃ অনেক এজেন্সি বা ব্যক্তিবর্গ আপনাকে কন্ট্রাক্টে ভিসা নিশ্চয়তার প্রলোভন দেখিয়ে আমেরিকায় যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে পারে। সবসময়ই মনে রাখবেন আমেরিকান ভিসা কখনই কন্ট্রাক্টে অথবা চুক্তিভিত্তিক হয় না। তাই এ ধরনের লোভনীয় ফাঁদে না পড়ে অবশ্যই বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান এবং দক্ষ ব্যক্তি দ্বারা আবেদন করুন।

🎯 আমাদের প্রতিষ্ঠানেই কেন আসবেন?
⭐️ বাংলাদেশে আমরাই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যারা সুদীর্ঘ ২ বছর ধরে সততা এবং সুনামের সাথে শুধুমাত্র আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার (B1-B2) প্রসেসিং করে থাকি।
⭐️ আমরা সিজিআই প্রোফাইল তৈরি এবং DS-160 ফর্ম সঠিক ও নির্ভুল ভাবে পূরণ করে থাকি |
⭐️ আমরা আপনাকে অভিজ্ঞ কাউন্সিলরের মাধ্যমে ইন্টারভিউ এর সম্পুর্ণ গাইডলাইন ও ট্রেনিং দিবো যা আপনার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এবং ইন্টারভিউতে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিবে।
⭐️ এখানে রিশিডিউল এর মাধ্যমে আপনার ইন্টারভিউ ডেট এগিয়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা রয়েছে ।
⭐️ আমরা রিফিউস ফাইল গুলো খুব ভালো ভাবে এনালাইস এবং সংশোধন করে পরবর্তীতে ভিসা পাওয়ার চ্যান্স বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম |
⭐️ আমরা (B1-B2) ভিসা সম্পর্কিত সকল ধরণের টেকনিকাল সাপোর্ট দিয়ে থাকি।

🔈তাই আর দেরী না করে, বিস্তারিত জানতে আজই আমাদের অফিসে যোগাযোগ করুন। 🥰

বিস্তারিত জানতে কল করুন -

📢 অফিস সময় ও কল করার সময় -- শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ০৯:০০টা 🕘 থেকে বিকাল ৫:০০ টা 🕔 পর্যন্ত ।

14/01/2024

আমেরিকা একটি বিশাল দেশ। নিউ ইয়র্ক' মানেই " USA" না। শুধুমাত্র "নিউইয়র্ক" দিয়ে USA কে বিচার করবেন না, নতুন যারা USA আসছেন, দয়া করে New York এ স্হায়ী বসবাসের চিন্তা করবেন না। জীবনে অনেক পিছিয়ে যাবেন। সেজন্যই বলছি, সবকিছুর আগে Driving শিখুন, learn how to do parallel parking. সম্ভব বলে বাংলাদেশ থেকেই driving শিখে আসুন। driving শুধু ১ জনের শিখলে হবে না। ১৮ বৎসর বা তার উপরের পরিবারের প্রতিটি (each and everyone) সদস্যকেও গাড়ী চালানো শিখতে হবে।আমেরিকাতে যতটি মাথা, তার চেয়ে গাড়ীর সংখ্যা আরও বেশী। কারণ প্রতিটি লোকের অন্তত ১টি করে গাড়ী আছে, কারো কারো প্রতিজনের ৩/৪টি বা তারও বেশী গাড়ী রয়েছে। এখন আন্দাজ করুন গাড়ীর সংখ্যাটি কত হতে পারে। New York ছাড়া অন্য stateগুলোতে স্হায়ী বসবাসের চিন্তা করুন। আমেরিকাকে ভালভাবে চিনতে হলে New York থেকে বের হয়ে আসুন।

আরেকটি জিনিস মনে রাখবেন ঢাকা যেমন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং ঢাকাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের সবকিছু। কিন্তু আমেরিকাতে এরকম নয়। New York আমেরিকার সবচেয়ে বড় শহর, এটা সত্য কিন্তু আমেরিকার সবকিছু New York কেন্দ্রিক নয়। New York এ যেসব সুযোগ সুবিধা, আমেরিকার সব stateএই এগুলো রয়েছে (শুধুমাত্র পরিবহন ব্যবস্হা ছাড়া)। যেমন আমেরিকার ৫০টি stateএই বিশ্বমানের হাসপাতাল থেকে শুরু করে, বিশ্বমানের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালযসহ সবকিছুই রয়েছে। তাই আমেরিকার যে কেন stateএ নির্ভয়ে থাকতে পারেন। সব state এর নিরাপত্তা ব্যবস্হা একই রকম। বাংলাদেশে যেমন ভাল চিকিৎসা এবং ভাল পড়াশুনাসহ সবকিছুর জন্য ঢাকা আসতে হয়, আমেরিকাতে এগুলোর জন্য New York আসতে হবে না।সুতরাং feel free to stay anywhere in USA.

সস্তা বাড়ীঘরের জন্যঃ Ohio, Indiana, Texas, Georgia, Buffalo (New York), Minnesota, Wisconsin

মোটামুটি সস্তা বাড়ীঘরের জন্যঃ Arizona, Oregon, Michigan, North Carolina, South Carolina, Florida, Tennessee.

দামী বাড়ীঘরের জন্যঃ New York City, New Jersey, California, Seattle (Washington), Maryland, Virginia, Massachusetts, Connecticut. Total eastern side of America are expensive.

Lot of Bangladeshi people lives: New York City, Michigan, Texas, Maryland, Virginia, Florida, California,

Asheville (North Carolina) is a beautiful city but you can rarely find any Bangladeshi there. It’s scenic beauty is wonderful.

The states where only few Bangladeshis but these states are beautiful and living costs could be low:
Utah, Iowa, Montana, Idaho, Kansas, Kentucky, Arkansas, Oklahoma, North Dakota and South Dakota.

গরম আবহাওয়ার জন্যঃ Florida, Arizona, Georgia, Tennessee, Alabama, Texas, Arkansas.

ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্যঃ Buffalo( New York), Michigan, Minnesota, New York City, New Jersey and entire eastern side of America, Chicago, Ohio, Indiana, Pennsylvania, Wisconsin.

For job: Almost all states have jobs available but I live in Michigan and I know Michigan has a lot of jobs available. But I don’t have any clear idea about the jobs in other states. But no states are bad about jobs.

আমেরিকা খুব একটি সুন্দর দেশ, মানবাধিকারের দেশ, আইনের শাসনের দেশ, সুচিকিৎসার দেশ, ভালোমানের পড়াশুনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দেশ, সত্য কথা বলার দেশ, প্রচুর চাকুরী পাবার দেশএবং কঠোর পরিশ্রমের দেশ।আপনি যদি সৎ থাকেন, পুরো আমেরিকা আপনার জন্য। অসৎ, অলস এবং আরামপ্রিয়দের জন্য আমেরিকাতে না আসাই ভাল। আরামপ্রিয়দের জন্য সর্বোত্তম স্হান হলো বাংলাদেশ। তবে আমেরিকাতেও কিছু দুর্নীতি আছে কিন্তু কোন রকম দুর্নীতির জন্য যদি একবার ধরা পড়েন, তাহলে জীবন শেষ।

ধন্যবাদ।

25/12/2023

🇧🇩২০২৩ সালে…
দেশ ছেড়ে প্রবাসী হয়েছে,
১২ লক্ষ ৫ হাজার বাংলাদেশি!

24/12/2023

#কানাডা এক্সপ্লোর করুন 🇨🇦✈️
ট্রিপ নেস্ট ট্রাভেল এর মাধ্যমে কানাডায় একটি অবিস্মরণীয় যাত্রা শুরু করুন!

আপনার কানাডিয়ান ভিসার জন্য যা প্রয়োজন তা এখানে:

*কমপক্ষে ২টি দেশ পরিদর্শন ✈️
*ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট: ৮ লাখ 💰
*শুরুতেই শুধু এম্বাসির ফি দিতে হবে- বাকিটা ভিসা অনুমোদনের পর! 🌐

রাজকীয় রকি পর্বত থেকে টরন্টোর প্রাণবন্ত শহর জীবন পর্যন্ত কানাডার মনোমুগ্ধকর ল্যান্ডস্কেপগুলি ঘুরে দেখুন। ট্রিপ নেস্ট আপনার ভ্রমণের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করবে ইন শা আল্লাহ্!

আজ আপনার কানাডিয়ান অভিজ্ঞতার জন্য বুক করুন!

24/12/2023

Ireland জব ভিসা ও Student ভিসা পেতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

02/12/2023

ভিজিট ভিসায় কানাডায় এসে আমি কি কাজ করতে পারব? ভিজিট ভিসায় কানাডায় এসে আমি কি স্থায়ী ভাবে লিগ্যাল হতে পারব? ভিজিট ভিসায় কানাডায় এসে আমি কি আমার পরিবারকে কানাডায় নিয়ে আসতে পারব? কতদিন লাগবে এসব করতে?
যারা মেসেন্জারে বারবার নক করে এই বিষয়গুলো জানতে চান তাদের জন্য এই লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ। এই লেখাটি পড়লে ভিজিট ভিসায় কানাডায় আসতে আগ্রহী মানুষরা মোটামুটি ভিজিট ভিসাধারীদের কানাডা আগমনের পরের একটি ভাল ধারনা পাবেন।
লেখাটি শুরুর আগে একটি কথা বলি যা তৃণমূল ভাবে ভিজিটর ভিসাধারীদের বেলায় সব দেশেই প্রযোজ্য। ইউরোপ, আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের প্রতিটি দেশেই বিভিন্ন দেশের মানুষের এসাইলাম ক্লেইমের সুযোগ আছে। কিন্তু এই দেশগুলোয় এসাইলাম ক্লেইম করে কোন দেশের মানুষই সবাই ঢালাওভাবে সেটল্ডমেন্টের সুযোগ পান না।
এবার আসি ভিজিট ভিসায় কানাডায় আসার পরে কি হবে? প্রথমত ভিজিট ভিসায় আপনি টুরিস্ট স্ট্যাটাস নিয়ে কানাডায় প্রবেশ করলেন। এই স্ট্যাটাসে আপনার কাজের কোন অনুমোদন নেই। এখন আপনি যদি কানাডায় স্থায়ী ভাবে থেকে যেতে চান তাহলে আপনাকে দুটি বিষয় মাথায় নিয়ে সামনে এগোতে হবে।
১/ ভিজিট ভিসাকে ওয়ার্কপারমিটে ডাইভার্ট করা। অর্থাৎ ভিজিট ভিসাকে ওয়ার্ক পারমিটে ডাইভার্ট করলে আপনি কাজ ও থাকার অনুমোদন দুটিই পাবেন। একটি নির্দিষ্ট সময় অর্থাৎ তিন-চার বছর পরে আপনি স্থায়ী রেসিডেন্সি কার্ডও পেয়ে যাবেন। এ প্রক্রিয়ায় আপনি আপনার পরিবারকেও চার-পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডায় নিয়ে আসতে পারবেন। ব্যস, কিচ্ছা, কাহীনি শেষ।
তবে ভিজিট ভিসা থেকে ওয়ার্কপারমিটে যেতে গেলে কোন কোম্পানি অথবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আপনাকে ওয়ার্কপারমিট দিতে হবে। এজন্য কোম্পানিগুলোর কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত আইনি কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। যে কোম্পানি অথবা ব্যবসার রেকর্ড ভাল শুধুমাত্র তারাই এ কাজটি করে থাকে। তবে বাংলাদেশী সাধারন মানুষদের জন্য কানাডায় ওয়ার্কপারমিট পাওয়া খুব একটা কঠিন প্রক্রিয়া বলে মনে হয়।
বাংলাদেশ থেকে কানাডার ভিজিট ভিসা পাওয়া যতটা কঠিন এখানে এসে ভিজিট ভিসা থেকে ওয়ার্কপারমিটে যাওয়াটা তার চেয়েও অনেক বেশী কঠিন। এটি হলো জেনারেল মানুষদের কথা। তবে আপনি যদি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ভাল কোন কাজ জানেন অথবা করে থাকেন তাহলে ভিন্ন কথা। এজন্য আপনাকে অবশ্যই অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেটের দরকার হবে।
২/ ভিজিট ভিসায় এসে কানাডায় থেকে যাওয়া এবং কাজ করে জীবিকা নির্বাহের সহজ পথ হলো এসাইলাম ক্লেইম করা। আপনি কানাডায় এসে একজন ভালো আইনজীবী ধরে দেশে গেলে আপনার জীবননাশের হুমকি আছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আপনি কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন, রিফিউজি এন্ড সিটিজেনশীপ বোর্ডে একটি এসাইলাম ক্লেইম করতে পারেন। এরপর এই এসাইলামটি কোর্ট প্রক্রিয়ায় ইমিগ্রেশন এন্ড রিফিউজি বোর্ডের একজন জাজের মাধ্যমে বিচারিক সমাধানের জন্য নথিভুক্ত করা হয়।
এসাইলাম ক্লেইমের একমাস পরে আপনি ওয়ার্কপারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপর আপনি চাইলে কাজকর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। তবে এসাইলাম ক্লেইমের পর কানাডিয়ান সরকার প্রত্যেক রিফিউজিকে কানাডায় বসবাসের জন্য কিছু ওয়েলফেয়ার গ্রান্ট করে থাকে। সরকার আপনাকে প্রতিমাসে থাকা খাওয়া বাবদ সাত-আটশো ডলারের মত ওয়েলফেয়ার দিয়ে থাকে। এই টাকা দিয়ে আপনি যাতে কানাডায় এভারেজ জীবন যাপন করতে পারেন সেটিই তার লক্ষ্য।
এখন প্রশ্ন হলো এসাইলাম ক্লেইমের পর আমি কাজের পারমিশন পেয়ে গেলাম তাহলে কি আমি কানাডায় স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমোদন পেয়ে গেলাম?
এর উত্তরে বলব জি না। আপনি এসাইলাম ক্লেইমের পর এটি ফাইল আকারে রিফিউজি বোর্ডের কাছে শুধুমাত্র একটি দরখাস্ত দাখিল হয়েছে মাত্র। এরপর রিফিউজি বোর্ড আপনার বিষয়টি একজন ইমিগ্রেশন অফিসারের হস্তগত করবে। এই ইমিগ্রেশন অফিসার এক থেকে তিন বছরের ভিতরে আপনার এসাইলামটি সঠিক কি না সেটি যাচাইবাচাইয়ের জন্য একজন জাজকে দিয়ে এসাইলামটি কোর্টে হিয়ারিং করবে। আপনি আপনার আইনজীবী নিয়ে কোর্ট হিয়ারিং এ উপস্থিত হবেন।
এরপর কি হবে? কোর্ট হিয়ারিং-এ জাজ যদি মনে করেন আপনি দেশে ফিরলে আপনার জীবননাশের সম্ভাবনা আছে তাহলে আপনার এসাইলামটি গ্রান্ট হয়ে গেল। আপনি কানাডায় স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমোদন পেয়ে গেলেন। এরপর আপনি স্থায়ী রেসিডেন্স কার্ডের জন্য এপ্লাই করবেন। দুচার বছরের মধ্যে আপনার কার্ড এসে যাবে। আপনার সবকিছু ঠিক হয়ে গেল। এটি হলো শতকরা ৩০-৪০% এসাইলাম ক্লেইমের ঘটনা।
কানাডায় এসাইলাম ক্লেইমের একটা গড় ধারনা দেই। এখানে শতকরা ত্রিশ-চল্লিশ পার্সেন্ট মানুষ রিফিউজি বোর্ডের প্রথম হিয়ারিং এ সরাসরি এসাইলাম কেইসটি জিতে যান। এরপর এরা পুরোপুরি লিগ্যাল হয়ে গেলেন।
বাকী রইল ষাট-সত্তর পার্সেন্ট? এই ষাট-সত্তর পার্সেন্টের সবাইকে একটির পর আরেকটি অর্থাৎ কয়েকটি ধাপে তিনটির মত আপিল করে যেতে হয় এসাইলাম & রিফিউজি বোর্ডে। এই প্রক্রিয়াগুলো শেষ হতে আরও তিন-চার বছর লেগে যায়। এর মধ্যে ভাগ্য ভাল হলে আপিল বোর্ডে কারো কারো কেইস এক্সেপ্ট হয়ে যায়।
যদি রেজাল্ট ভাল না হয় এরপর সবাইকে হিউম্যান রাইটসে গিয়ে কানাডায় থাকার জন্য আবেদন করতে হয়। এ জন্য আইনজীবীদের পিছনে সবাইকে বছরের পর বছর সময় ব্যয় করতে হয়। এছাড়া প্রচুর টাকাপয়সাও খরছ করতে হয় এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে।
এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে গিয়ে কারো কারো আরো পাঁচ-সাত এমনকি আট-দশ বছর সময় লেগে যায়। এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করার সময়ে আরো বিশ-ত্রিশ পার্সেন্ট মানুষ কানাডায় স্থায়ী ভাবে বসবাসের অনুমোদন পেয়ে যান। তার মানে ষাট-সত্তর পার্সেন্ট মানুষ কানাডায় প্রবেশের দশ-বারো-পনেরো বছরের মধ্যে কোন না কোন ভাবে স্থায়ীভাবে থাকার অনুমোদন পেয়ে যান।
এবার রিফিউজড হওয়া সর্বশেষ ত্রিশ-চল্লিশ পার্সেন্ট মানুষের পরিসংখ্যান বলি। এদের আপিল চলাকালিন অনেকের উপরই ইমিগ্রেশন, রিফিউজি এন্ড সিটিজেনশীপ বোর্ড ডিপোর্টেশনের অর্ডার দিয়ে দেয়। এই ডিপোর্টেশনের অর্ডার নিয়ে এদেরকে নানা কষ্টকর পরিস্থিতিতে কানাডায় থাকতে হয়। এরপর এদের কারো কারো ইলিগ্যাল স্ট্যাটাসে বিরক্তি এসে গেলে নিজ থেকে এরা অনেকেই

25/11/2023

আলহামদুলিল্লাহ
নতুন আরেকটি ভিসার এপ্রুভাল পেলাম

24/11/2023

🇮🇹 ইতালি ইজ বিউটি ।,
একজন অভিবাসী হিসাবে
ফ্যামিলি নিয়ে বসবাসের জন্য, ইতালির বিকল্প নাই

17/11/2023

কানাডা: তূলনামূলক সহজে যদি PR পেতে চান তাহলে কানাডায় যাওয়া সঠিক সিদ্বান্ত হতে পারে I
আমেরিকা: যদি টাকা কামানো উদ্দেশ্য হয় তাহলে আমেরিকা আপনার গন্তব্য হতে পারে I
এটি হচ্ছে একটি সাধারণ মতামত I আপনার ভিন্নমত থাকতেই পারে এবং সবার ক্ষেত্রে একইরকম নাও হতে পারে

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka Bangladesh Moddo Badda 211/A 4th Floor Dhaka
Dhaka
1229