29/12/2021
LearnValy.Com
Let's Build Your Bright Career
29/12/2021
ইংলিশ ট্রান্সলেশনের সময় যে ভুল গুলো আমরা প্রায় সময় করে থাকি।
100 Common errors in translation :
Post: S M Shamim Ahmed.
Errors in Nouns
আমাকে একটু জায়াগা দিন তো – Please make a little room for me. (place নয়)
আমার একটি জরুরি কাজ আছে – I have an urgent piece of business.(an urgent business নয়)
আমার চুল কোঁকড়ানো – I have curly hair.(hairs নয়)
আমার ধন্যবাদ গ্রহণ করুন – Please accept my thanks. (thank নয়)
আমি ফল খাই না – I do not take fruit. (fruits নয়)
তুমি কখন আহার কর - When do you take your meals. (meal নয়)
তুমি পড়াশুনায় অবহেলা কর কেন? – Why do you neglect your studies? (study নয়)
বাংলাদেশের দৃশ্যাবলী অতি মনোহর – The scenery of Bangladesh is very charming (sceneries নয়)
বাবা আমাকে অনেক উপদেশ দিলেন – Father gave me much advice. (many নয়, advices নয়)
লোকটির নৈতিক চরিত্র ভাল নয় – He is a man of very low morals. (moral নয়)
সে আড়াইটার গাড়িতে গিয়েছিল – He went by the 2:30 train. (2:30 o’clock নয়)
সে বোডিং এ থাকে – He lives in a boarding-house. (শুধু boarding নয়)
মাসুদের পাঁচ জোড়া বলদ আছে – Masud has five yoke of oxen. (yokes নয়)
Errors In Pronoun
-------------------------------------
আমাদের কেউ উপস্থিত ছিল না – Neither of us was present. (not were)
আমাদের মধ্যে কেউই ফরসা নয় – None of us are fair-complexioned. (not is)
এসো তুমি আর আমি কাজটা করি – Let you and me do it. (not I)
আমি তাকে বিশ্বস্থ লোক বলে জানি – He is a man who I know is trust-worthy. (not whom)
প্রত্যেকেরই দেশকে ভালোবাসা উচিত – One should love one’s country. (not his)
Errors in pronouns
---------------------------------
রহিম ও আমি এটা করেছি – Rahim and I have done it. (not myself)
সে আমার কাছ থেকে বিদায় নিল – He took leave of me. (not my)
Errors in adjective
অর্থের চেয়ে বিদ্যা শ্রেষ্ঠ – Learning is preferable to wealth. (more preferable ও to এর জায়গায় than হবে না)
এ জিনিসটি ঐটির চেয়ে নিকৃষ্ট – This thing is inferior to that. (not than)
কেউই কাজটা করল না – No one could do it. (anybody could not নয়)
মানুষ অমর নয় – Man is not immortal. (a man নয়)
শক্ত মাংস আমি খেতে পারি না – I cannot eat rough meat. (hard বা stiff নয়)
সে কী রকমের মানুষ? – What kind of man he is? (a man নয়)
Errors in verb
---------------------------
আমার কথা শোন – Listen to me. (hear নয়)
এই পেনসিলটা কাট - Please sharpen this pencil. (mend নয়)
চাঁদের দিকে তাকাও – Look at the moon. (see নয়)
আমি তাকে চোর বলে জানি – I knew him to be a thief. (to be বাদ হবে না)Raisul Islam Hridoy
তিনি আমাকে অপেক্ষা করতে বললেন – He told me to wait. (said নয়)
পুরষ্কারটা লাভ করা কঠিন – The prize is hard to win. (to be নয়)
ব্যাপারটা আমাকে জানানো হয়েছিল – I was informed of the matter.
মনে হয় রোগী মারা যাবে – I am afraid the patient will die. (think or hope নয়)
সে কেবল ঘুমাত আর কেছুই করত না – He did nothing but sleep.
সে আমাকে মিথ্যাবাদী বলল- He called me a liar. (told নয়)
সে কখনও মিথ্যা কথা বলেনা – He never tells lies. (speak or says নয়)
সে সত্য কথা বলেছিল – He spoke the truth. (said নয়)
রাকিব আমার হাত ধরল – Rakib took hold of my hand. (caught নয়)
Errors in adverb
----------------------
আমি এখনই আসছি – I am coming presently. (just now নয়)
এটা কিছু পরিমাণে সত্য – This is partly true. (somewhat নয়)
ঘরটি আমাদের জন্য নিতান্তই ছোট - The room is much too small tor us. (too much নয়)
তুমি কি সিনেমায় যাচ্ছ – Are you going to cinema? Certainly! (Of course নয়)
প্রবন্ধটি সংক্ষেপে লিখ – Write the essay briefly. (shortly নয়)
Errors in preposition
আপনি কার কথা বলেছেন? – Whom are you speaking of? (of whom নয়)
আমার মুখ বাবার মুখের মত দেখতে – My face resembles my fathers. (to my father নয়)
আমি তাকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলাম – I warned him of this. (against or about নয়)
আমি খেলার চেয়ে পড়তে ভালোবাসি – I prefer reading to writing. (to read than to write নয়)
এতে কোন সন্দেহ নাই – It admits of no doubt. (of বাদ হবে না)
তুমি কি বইখানা পড়ে শেষ করেছ – Have you finished reading the book. (to read নয়)
তুমি কোথায় গিয়েছিলে? – Where had you been? (to নয়)
তোমার উপদেশে আমার উপকার হলো – I profited by your advice. (from নয়)
তোমার উপরে আমার কোন বিশ্বাস নাই – I have no confidence in you. (on or upon নয়)
রাজশাহী কি জন্য প্রসিদ্ধ? – What is Rajshashi noted for?
সাফল্যের জন্য তোমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি – I congratulate you on your success. (for নয়)
সে দশখানা বইয়ের অর্ডার দিয়েছে – He has ordered ten books. (ordered for নয়)
হেডমাস্টারের কাছে আমার হয়ে একটু সুপারিশ করে দেবেন – Please recommend me to the headmaster. (for me নয়)
২৯ মে পরীক্ষা আরম্ভ হবে- The examination will begin on the 29th May. (from নয়)
সন্ন্যাসীর কাছে রাজা ও ফকির সমান – To a hermit a king and a beggar are alike. (equal নয়)
Errors in conjunctions
চেষ্টা না করলে সফল হবে না – Unless you try, you will never succeed. (unless you do not try হবে না)
তুমি যতক্ষণ না ফের, ততক্ষণ আমি অপেক্ষা করব – I shall wait until you come back. (until you do not নয়)
সে আমার মত ইংরেজি বলতে পারে না – He cannot speak English as I can. (like I হবে না)
সে কোন দেশের লোক? – What country does he belong to. (belongs নয়)
Miscellaneous Errors
আমার যখন পাঁচ বছর তখন আমার বাবা মারা যান – My father died when I was a child five years old. (of হবে না)
কখন যাবে বল – Tell me when you are going.
গতকাল আমি তাকে লিখেছিলাম – I wrote to him yesterday or I wrote him a letter yesterday. (I wrote him yesterday হবে না)
তার নাম কি আমি জানি না – I don’t know what his name is. (what is his name হবে না)
তোমার মত মারুফও বুদ্ধিমান – Maruf as well as you is intelligent. (are নয়)
পঞ্চাশ হাজার টাকা তো অনেক টাকা – Fifty thousand taka is a large sum. (are নয়)
বারটার মধ্যে কাজ শেষ করবে – You must finish your work by 12 o’clock. (within নয়)
ভাত ও তরকারি আমাদের খাদ্য – Rice and curry is our food. (are নয়)
বিসিএস লিখিত পরীক্ষার নম্বরপ্রাপ্তি নিয়ে কিছু কথা……………
বাংলা ১ম পত্র
ব্যাকরণঃ আগের বছরের প্রশ্নগুলো, গাইড বই, নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ, হায়াৎ মামুদের ভাষা-শিক্ষা, সৌমিত্র শেখরের দর্পণ থেকে সিলেবাসের টপিক অনুযায়ী পড়ে নিন। ৬টি বাক্যে প্রবাদ-প্রবচনের নিহিতার্থ প্রকাশ লেখার সময় নিজের মত করে সহজ ভাষায় লিখুন। এটিতে উদাহরণ দেয়ার দরকার নেই। এই অংশটা উত্তর করতে ৩০ মিনিটের বেশি সময় লাগার কথা না।
সারমর্মঃ ২-৩টি সহজ সুন্দর বিমূর্ত বাক্যে এটি লিখতে হবে। সময় লাগতে পারে ২০ মিনিট। এই অংশটির জন্য সাজেশনস রেডি করে বিভিন্ন বই থেকে নোট করে পড়লে খুব ভাল হয়।
ভাব–সম্প্রসারণঃ আগের বছরের প্রশ্নগুলো, গাইড বই, সৌমিত্র শেখরের দর্পণ, বাংলাদেশের আর কলকাতার কিছু লেখকদের বই থেকে এই অংশটা দেখতে পারেন। খুব প্রাসঙ্গিক ২০টি বাক্যে এটি লিখতে হয়। এই ২০টি বাক্য সময় নিয়ে লিখুন। উদাহরণ আর উদ্ধৃতি দিতে পারেন। লাগুক ৪০ মিনিট; খেয়াল রাখবেন, প্রত্যেকটি বাক্যের গাঁথুনি যেন খুবই চমৎকার হয়।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য– বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরঃ আগের বছরের প্রশ্নগুলো খুব ভালভাবে স্টাডি করে কী কী ধরণের প্রশ্ন হয় না সেটা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিন। এরপর গাইড বই, লাল-নীল দীপাবলি, মাহবুবুল আলমের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস এই বইগুলো থেকে বাদ দিয়ে বাদ দিয়ে পড়ুন। এই অংশটি সবার শেষে উত্তর করতে পারেন। উদ্ধৃতি ছাড়া অবশ্যই লিখবেন না।
বাংলা ২য় পত্র
অনুবাদঃ এই অংশটি ইংরেজি পার্ট-বি’তেও আছে। মোট নম্বর ১৫+২৫+২৫=৬৫। আগের প্রশ্নগুলো পর্যালোচনা করলে দেখবেন, খুব একটা সহজ অনুবাদ বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণত আসে না। এই অংশটা একটু ভিন্নভাবে পড়তে পারেন। প্রথম আলো, ইত্তেফাক, দ্য ডেইলি স্টার, দি ইন্ডিপেনডেন্ট, দ্য ফাইনানশিয়াল এক্সপ্রেস ইত্যাদি পত্রিকার সম্পাদকীয়কে নিয়মিত অনুবাদ করুন। কাজটি করাটা কষ্টকর, কিন্তু খুবই ফলপ্রসূ।
কাল্পনিক সংলাপঃ বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে ধারণা বাড়াতে হবে। নিয়মিত পেপারে চোখ রাখুন (বিশেষ করে, গোলটেবিল বৈঠকগুলোর মিনিটস), টকশো দেখুন, গাইড বই থেকে বিভিন্ন টপিক ধরে নিজের মত করে সহজ ভাষায় লেখার প্র্যাকটিস করুন।
পত্রলিখনঃ আগের বছরগুলোর প্রশ্নের ধরণ দেখে হায়াৎ মামুদের ভাষা-শিক্ষা আর গাইড বই থেকে পড়তে পারেন। আপনি যে যে ধরণের পত্র লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সেগুলোর উপরেই প্রিপারেশন নেবেন। যেমন, ব্যক্তিগত পত্র লিখতে চাইলে ভাষার ব্যবহারের দিকটা মাথায় রাখতে হবে। এই অংশে লেখার ফরম্যাটের উপর আলাদা মার্কস বরাদ্দ থাকে।
গ্রন্থ–সমালোচনাঃ সিলেবাসে এই অংশ নিয়ে কোন সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়া নেই। তবে আমার ধারণা, বিখ্যাত এবং পরিচিত ৩০-৪০টা বইয়ের পরিচিতি জেনে গেলে ‘কমন’ পড়ার কথা। কমন না পড়লেও “এই অমর সৃষ্টিটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য সংযোজন।” টাইপের কথাবার্তা লিখে দিয়ে আসুন। পরীক্ষায় ০ পাওয়ার চাইতে ০.৫ পাওয়াও ভাল।
রচনাঃ এই অংশটির পড়ার সময় ইংরেজি এসেই, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর বড় প্রশ্নের সাথে মিলিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারেন। আগের বছরের প্রশ্ন দেখে কোন কোন প্যাটার্নের রচনা আসে, সেটি সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যেকোনো ৩টি প্যাটার্নের উপর প্রস্তুতি নিন। সাজেশনস রেডি করে ইন্টারনেট, গাইড বই, রেফারেন্স বই থেকে পড়বেন। মাইন্ড-ম্যাপিং করে পয়েন্ট ঠিক করতে থাকুন, আর যত বেশি সম্ভব তত লিখতে থাকুন। প্রচুর উদ্ধৃতি দিন।
ইংরেজি
Stop smoking.
Stop to smoke.
পার্থক্য কোথায়? Stop’য়ের পর কি সবসময়ই verb+(-ing) হবেই? এটা বুঝতে কী লাগে? Grammar? নাহ! Commonsense লাগে।
ইংরেজিতে ভাল করার মূলমন্ত্র ২টিঃ
– এক। বানান ভুল করা যাবে না।
– দুই। গ্রামাটিক্যাল ভুল করা যাবে না।
এই ২টি ব্যাপার মাথায় রেখে একেবারে সহজ ভাষায় লিখে যান, মার্কস আসবেই। ফেসবুকে সহজ ইংরেজিতে একটু বড় বড় স্ট্যাটাস আর কমেন্ট লিখলে কাজে লাগবে।
ইংরেজি পার্ট–এ
রিডিং কম্প্রিহেনশনঃ
এ) একটা আনসিন প্যাসেজ দেয়া থাকবে। এটা সাম্প্রতিক বিষয়ের উপর হতে পারে। বেশি বেশি করে ইংরেজি পত্রিকার আর্টিকেলগুলি পড়বেন, সাথে অবশ্যই সম্পাদকীয়। এটা লিখিত পরীক্ষার অন্যান্য বিষয়েও কাজে লাগবে। কম্প্রিহেনশন আনসার করার সহজ বুদ্ধি হল, প্যাসেজটা আগে না পড়ে প্রশ্নগুলি আগে পড়ে ফেলা, অন্তত ৩ বার। প্রশ্নে কী জানতে চেয়েছে, সে কিওয়ার্ডটা কিংবা কিফ্রেসটা খুঁজে বের করে আন্ডারলাইন করুন। এরপর প্যাসেজটা খুব দ্রুত পড়ে বের করে ফেলতে হবে উত্তরটা কোথায় কোথায় আছে। একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন। প্যাসেজ পড়ার সময় প্যাসেজের ডিফিকাল্ট ওয়ার্ড কিংবা ইডিয়মের অর্থ খুঁজতে যাবেন না। এসব দেয়াই হয় পরীক্ষার্থীর সময় নষ্ট করার জন্য। এরপর নিজের মত করে প্রশ্নের উত্তর করে ফেলুন। এই অংশটি আইএলটিএস’য়ের রিডিং পার্টের টেকনিকগুলো অনুসরণ করে প্র্যাকটিস করলে খুব খুব ভাল হয়। বাজারের রিডিংয়ের বই কিনে পড়া শুরু করুন।
বি) গ্রামার এবং ইউসেজের উপর প্রশ্ন আসবে। কয়েকটি গাইড বই থেকে প্রচুর প্র্যাকটিস করুন। অক্সফোর্ড অ্যাডভান্সড লার্নারস ডিকশনারি, লংম্যান ডিকশনারি অব কনটেম্পোরারি ইংলিশ, মাইকেল সোয়ানের প্রাক্টিক্যাল ইংলিশ ইউসেজ, রেইমন্ড মারফির ইংলিশ গ্রামার ইন ইউজ সহ আরো কিছু প্রামাণ্য বই হাতের কাছে রাখবেন। এসব বই কষ্ট করে উল্টেপাল্টে উত্তর খোঁজার অভ্যেস করুন, অনেক কাজে আসবে। যেমন, এনট্রাস্ট শব্দটির পর ‘টু’ হয়, আবার ‘উইথ’ও হয়। ডিকশনারির উদাহরণ দেখে এটা লিখে লিখে শিখলে ভুলে যাওয়ার কথা না।
সামারিঃ একটা প্যাসেজ দেয়া থাকবে। ওটা ভালভাবে অন্তত ৫ বার খুব দ্রুত পড়বেন। পড়ার সময় কঠিন শব্দ দেখে ভয় পাবেন না। কঠিন অংশগুলোতে সাধারণত মূল কথা দেয়া থাকে না। মূল কথা কোথায় কোথায় আছে, দাগিয়ে ফেলুন।পুরো প্যাসেজটাকে ৩-৪টি ভাগে ভাগ করে ফেলুন। এরপর প্রতিটি ভাগের কয়েকটি বাক্যকে একটি করে বাক্যে লিখুন। প্যাসেজ থেকে হুবহু তুলে দেবেন না। একটু এদিকওদিক করে নিজের মত করে লিখুন। এখানে উদাহরণ-উদ্ধৃতি দেবেন না। ভাল কথা, শুরুতেই সামারির টাইটেল দিতে ভুলবেন না। এই অংশের জন্য নিয়মিত পেপারের সম্পাদকীয় আর আর্টিকেলগুলোকে সামারাইজ করার চেষ্টা করুন।
লেটারঃ একটা প্যাসেজ কিংবা একটা স্টেটমেন্ট দেয়া থাকবে। সেটির উপর ভিত্তি করে কোন একটি ইস্যু নিয়ে পত্রিকার সম্পাদক বরাবর একটি পত্র লিখতে হবে। এই অংশের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য নিয়মিত পত্রিকার লেটার টু দি এডিটর অংশটি পড়ুন, সাথে কিছু গাইড বই। লেটার অংশে নিয়মকানুনের উপর মার্কস বরাদ্দ থাকে। লেটারের ভাষা হবে খুব ফর্মাল।
ইংরেজি পার্ট–বি
এসেইঃ নির্দিষ্ট শব্দসংখ্যার মধ্যে একটি রচনা লিখতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যা, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল, কিছু আন্তর্জাতিক পত্রিকা ইত্যাদি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখুন৷ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় বিভিন্ন লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, ইন্টারনেট, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা, বিভিন্ন রেফারেন্স থেকে উদ্ধৃতি দিলে মার্কস বাড়বে৷ এই অংশগুলো লিখতে নীল কালি ব্যবহার করলে সহজে পরীক্ষকের চোখে পড়বে৷ কোটেশন ছাড়া রচনা লেখার চিন্তাও মাথায় আনবেন না। এসেই কমন পড়বে না, এটা মাথায় রেখে সাজেশনস রেডি করে প্রস্তুতি নিন। নিজের মত করে সহজ ভাষায় বিভিন্ন টপিক নিয়ে ননস্টপ লেখার প্র্যাকটিস করুন।
অনুবাদঃ এটি নিয়ে বলেছি।
গাণিতিক যুক্তি
১২টি প্রশ্ন দেয়া থাকবে, যেকোন ১০টির উত্তর দিতে হবে। যেকোন তিনটি গাইড বই কিনে ফেলুন। প্রতিরাতে কিছু না কিছু ম্যাথস্ প্র্যাকটিস না করে ঘুমাবেন না। শর্টকাটে ম্যাথস্ করবেন না, প্রতিটি স্টেপ বিস্তারিতভাবে দেখাবেন। কোন সাইডনোট, প্রাসঙ্গিক তথ্য যেন কিছুতেই বাদ না যায়। কিছু ছোটখাট বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখবেন; এই যেমন, সাইডনোট লেখার সময় তৃতীয় বন্ধনীর আগে একটা সেমিকোলন দেয়া। ম্যাথসের প্রিপারেশন ঠিকমতো নিলে এ বিষয়ে ৫০য়ে ৪৯ পাওয়াও খুব কঠিন। আপনি যদি ১ মার্কসও কম পান, তবে আপনি হবেন বিরলতম হতভাগ্য ক্যান্ডিডেটদের একজন। একটু বুঝেশুনে পড়লে অংকে ফুলমার্কস পেতে সায়েন্সের স্টুডেন্ট হতে হয় না।
সরলঃ আগের বছরের প্রশ্ন, গাইড বই। সরল উত্তর করবেন সবার শেষে।
বীজগাণিতিক রাশিমালা, বীজগাণিতিক সূত্রাবলী, উৎপাদকে বিশ্লেষণ, একমাত্রিক ও বহুমাত্রিক সমীকরণ, একমাত্রিক ও বহুমাত্রিক অসমতা, সমাধান নির্ণয়, পরিমিতি, ত্রিকোণমিতিঃ আগের বছরের প্রশ্ন, গাইড বই। চাইলে ৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ গণিতের সংশ্লিষ্ট অধ্যায়টি সলভ করে নিতে পারেন।
ঐকিক নিয়ম, গড়, শতকরা, সুদকষা, লসাগু, গসাগু, অনুপাত ও সমানুপাত, লাভক্ষতি, রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য, পিথাগোরাসের উপপাদ্য, অনুসিদ্ধান্তসমূহঃ আগের বছরের প্রশ্ন, গাইড বই
সূচক ও লগারিদম, সমান্তর ও জ্যামিতিক প্রগমন, স্থানাংক জ্যামিতি, সেটতত্ত্ব, ভেনচিত্র, সংখ্যাতত্ত্বঃ গাইড বই এবং ৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ গণিতের সংশ্লিষ্ট অধ্যায়
বিন্যাস ও সমাবেশঃ গাইড বই, ১১শ শ্রেণীর বীজগণিতের সংশ্লিষ্ট অধ্যায়
সম্ভাবনাঃ গাইড বই, ১২শ শ্রেণীর বিচ্ছিন্ন গণিতের সংশ্লিষ্ট অধ্যায়
মানসিক দক্ষতা
এ অংশের প্রশ্নগুলো একটু ট্রিকি হওয়ারই কথা। মাথা ঠাণ্ডা রেখে, ভালভাবে প্রশ্ন পড়ে, পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে উত্তর করতে হবে। এ অংশের প্রশ্ন হবে সহজ, এতোটাই সহজ যে কঠিনের চাইতেও কঠিন। ৩-৪ সেট গাইড বই কিনুন, সাথে ৩-৪টা আইকিউ টেস্টের বই। এ অংশে ফুল মার্কস পাবেন না, এটা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিন।
ভার্বাল রিজনিং: কিছু ঘোরানো কথাবার্তা দিয়ে একটা প্রশ্ন দেয়া থাকবে। ইতিহাস, ভূগোল, সাহিত্য, বিজ্ঞান কিংবা অন্য যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত একটা স্টেটমেন্ট দেয়া থাকতে পারে, যেটা পড়ে বের করতে হবে ওই স্টেটমেন্টের কোন অংশটা মিসিং। এক্ষেত্রে কমনসেন্স, গ্রামার এবং ল্যাঙ্গুয়েজ স্কিল কাজে লাগবে।
অ্যাবস্ট্র্যাক্ট রিজনিং: কিছু ডায়াগ্রাম দেয়া থাকবে যেখানে কোন অবজেক্ট কিংবা আইডিয়ার বদলে যাওয়ার ধরণটা ভালভাবে খেয়াল করে ওই অবজেক্ট কিংবা আইডিয়ার পরবর্তী অবস্থানটা দেখাতে বলা হবে।
স্পেস রিলেশনসঃ একটা অবজেক্ট বিভিন্ন দিকে সরে গেলে কিংবা অবস্থান বদলালে সেটির মাঝামাঝি কিংবা শেষ অবস্থান সম্পর্কিত; কিংবা বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে সেগুলোতে লেটার কিংবা নাম্বারের অবস্থান সম্পর্কিত কোয়ালিটেটিভ কিংবা কোয়ানটিটেটিভ প্রশ্ন হতে পারে।
নিউমারিক্যাল অ্যাবিলিটিঃ এটি মূলত ম্যাথস, তবে একটু ভিন্ন ধাঁচের। এতে কোন সিরিজে/ ছকে/ ডায়াগ্রামে মিসিং নাম্বার বের করতে হবে। এটি করার জন্য কিছু সিম্পল ম্যাথস আর কমনসেন্স কাজে লাগবে।
মেকানিক্যাল রিজনিং: কিছু ছবি কিংবা ডায়াগ্রাম দেয়া থাকবে। সেগুলো সম্পর্কিত কিছু কথা লিখে প্রশ্ন করা হবে। প্রশ্ন দু’ধরণের হতে পারেঃ মাথায় করা যায় এরকম সিম্পল ম্যাথস কিংবা ডায়াগ্রামগুলোর বিভিন্ন অবস্থান কল্পনা করে উত্তর দেয়া যায় এরকমকিছু।
গাইড বই, আইকিউ টেস্টের বই, আর গুগলে ইংরেজিতে ‘ভার্বাল/ অ্যাবস্ট্র্যাক্ট/ মেকানিক্যাল রিজনিং/ স্পেস রিলেশনস/ নিউমারিক্যাল অ্যাবিলিটি প্র্যাকটিস’ কিংবা ‘ভার্বাল/ অ্যাবস্ট্র্যাক্ট/ মেকানিক্যাল রিজনিং/ স্পেস রিলেশনস/ নিউমারিক্যাল অ্যাবিলিটি টেস্ট’ লিখে সার্চ করে বিভিন্ন সাইটে ঢুকে নিয়মিত সলভ করুন। এ অংশে প্রশ্ন ‘কমন’ আসার কথা নয়, তাই ভাল করতে হলে অনেক বেশি প্র্যাকটিস করার কোন বিকল্প নেই।
স্পেলিং অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজঃ ভুল বানানে, ভুল ব্যাকরণে, ভুল যতিচিহ্নে কিছু শব্দ কিংবা বাক্য দেয়া থাকবে। সেগুলোকে ঠিক করতে হবে। কিংবা কিছু এলোমেলো বর্ণ কিংবা শব্দ ব্যবহার করে অর্থপূর্ণ শব্দ কিংবা বাক্য গঠন করতে হবে। ইংলিশ গ্রামারের প্রস্তুতি এখানেও কাজে লাগবে। গাইড বই, আইকিউ টেস্টের বই এবং অনলাইনে বিভিন্ন টেস্ট নিয়মিত দিলে খুব কাজে লাগবে।
সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
এই অংশের জন্য আগের বছরের প্রশ্নগুলো আর গাইড বইয়ের সাজেশনসের প্রশ্নগুলো প্রথমেই খুব ভালভাবে যথেষ্ট সময় নিয়ে কয়েকবার পড়ে ফেলুন। বিজ্ঞানের প্রস্তুতি নেয়ার সময় আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র কিংবা ছাত্র না, এটা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেবেন না। বিজ্ঞানে মনের মাধুরী মিশিয়ে সাহিত্যরচনা না করলেই ভাল হয়। এ অংশে প্রয়োজনীয় চিহ্নিত চিত্র, সংকেত, সমীকরণ দিতে পারলে আপনার খাতাটা অন্য দশজনের খাতার চাইতে আলাদা হবে। এসব জিনিস লিখে লিখে শিখতে হয়। ১০ মার্কসের একটা প্রশ্ন উত্তর করার চাইতে ৪+৩+৩=১০ মার্কসের ৩টা প্রশ্নের উত্তর করা ভাল।
পার্ট–এঃ সাধারণ বিজ্ঞান
আলো, শব্দ, চৌম্বকবিদ্যাঃ গাইড বই, ৯ম-১০ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান, ১১শ-১২শ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান ১ম ও ২য় পত্র
অম্ল, ক্ষারক, লবণঃ ৯ম-১০ম শ্রেণীর রসায়নবিজ্ঞান, ১১শ-১২শ শ্রেণীর রসায়নবিজ্ঞান ১ম পত্র
পানি, আমাদের সম্পদসমূহ, পলিমার, বায়ুমণ্ডল, খাদ্য ও পুষ্টি, জৈবপ্রযুক্তি, রোগব্যাধি ও স্বাস্থ্যের যত্নঃ গাইড বই, ইন্টারনেট, ৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণীর ভূগোল
পার্ট–বিঃ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ গাইড বই, ইন্টারনেট, পিটার নরটনের ইন্ট্রোডাকশন টু কম্পিউটারস, উচ্চমাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা ১ম ও ২য় পত্র
পার্ট–সিঃ ইলেকট্রিকাল এবং ইলেকট্রনিক টেকনোলজিঃ গাইড বই+ উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্রের বই
সিলেবাস দেখে টপিক ধরে ধরে কোনটা কোনটা দরকার, শুধু ওইটুকুই ওপরের বইগুলো থেকে পড়বেন (গাইডেও অনেককিছু দেয়া থাকে যেগুলোর কোন দরকারই নেই)। চাইলে পুরো বই না কিনে যতটুকু দরকার শুধু ততটুকু ফটোকপি করে নিতে পারেন। ইন্টারনেটে টপিকগুলোকে গুগল করে করে পড়লে খুবই ভাল হয়।
বাংলাদেশ বিষয়াবলী
অন্তত ৩-৪ সেট গাইড বই কিনে ফেলুন। বিভিন্ন রেফারেন্স বই, যেমন মোজাম্মেল হকের উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যাসম্বলিত বই, মুক্তিযুদ্ধের উপর বই, নীহারকুমার সরকারের ছোটোদের রাজনীতি, আকবর আলী খানের পরার্থপরতার অর্থনীতি ইত্যাদি বই পড়ে ফেলুন। বিসিএস পরীক্ষার জন্য যেকোনো বিষয়ের রেফারেন্স পড়ার একটা ভালো টেকনিক হচ্ছে, জ্ঞান অর্জনের জন্য না প’ড়ে, মার্কস্ অর্জনের জন্য পড়া৷ এটা করার জন্য বিভিন্ন বছরের প্রশ্ন স্টাডি করে খুব ভালভাবে জেনে নেবেন কোন কোন ধরণের প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে না। রিটেনের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে দেখে, এরপর রেফারেন্স বই ‘বাদ দিয়ে বাদ দিয়ে’ পড়ুন৷
৪ ঘণ্টা না বুঝে স্টাডি করার চাইতে ১ ঘণ্টা প্রশ্ন স্টাডি করা অনেক ভালো। তাহলে ৪ ঘণ্টার পড়া ২ ঘণ্টায় পড়া সম্ভব। বেশি বেশি প্রশ্নের প্যাটার্ন স্টাডি করলে, কীভাবে অপ্রয়োজনীয় টপিক বাদ দিয়ে পড়া যায়, সেটা শিখতে পারবেন। এটা প্রস্তুতি শুরু করার প্রাথমিক ধাপ। এর জন্যে যথেষ্ট সময় দিন। অন্যরা যা যা পড়ছে, আমাকেও তা-ই তা-ই পড়তে হবে—এই ধারণা ঝেড়ে ফেলুন। সবকিছু পড়ার সহজাত লোভ সামলান। একটি অপ্রয়োজনীয় টপিক একবার পড়ার চেয়ে প্রয়োজনীয় টপিকগুলো বারবার পড়ুন৷
অনলাইনে ৪-৫টা পেপার পড়বেন। পেপার পড়ার সময় খুব দ্রুত পড়বেন। পুরো পেপার না পড়ে বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় টপিকের আর্টিকেলগুলোই শুধু পড়বেন। একটা পেপারে এ ধরণের দরকারি লেখা থাকে খুব বেশি হলে ২-৩টা। প্রয়োজনে সেগুলোকে ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করে রাখুন, পরে পড়ে ফেলুন।
পেপার পড়ার সময় পেপারের কলামগুলো পড়ে পড়ে বুঝে নেবেন কোন কোন টপিক থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন হতে পারে। বাংলাদেশ বিষয়াবলীতে সময়ের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা অনুসারে প্রশ্নের ধরণ বদলাতে পারে। বিভিন্ন কলাম পড়ার সময় কোন কলামিস্ট কোন বিষয় নিয়ে লেখেন, এবং কোন স্টাইলে লেখেন, সেটা খুব খুব ভাল করে খেয়াল করুন এবং নোটবুকে লিস্ট করে কলামিস্টের নাম, এর পাশে এরিয়া অব ইন্টারেস্ট, স্টাইল লিখে রাখুন। পরীক্ষার খাতায় উদ্ধৃতি দেয়ার সময় এটা খুব কাজে লাগবে।
প্রয়োজনীয় চিহ্নিত চিত্র ও ম্যাপ আঁকুন৷ যথাস্থানে বিভিন্ন ডাটা, টেবিল, চার্ট, রেফারেন্স দিন৷ পেপার থেকে উদ্ধৃতি দেয়ার সময় উদ্ধৃতির নিচে সোর্স এবং তারিখ উল্লেখ করে দেবেন। পরীক্ষার খাতায় এমন কিছু দেখান, যেটা আপনার খাতাকে আলাদা করে তোলে। যেমন ধরুন, বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে সোর্সসহ রেফারেন্স দিতে পারেন। উইকিপিডিয়া কিংবা বাংলাপিডিয়া থেকে উদ্ধৃত করতে পারেন। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে কে কী বললেন, সেটা প্রাসঙ্গিকভাবে লিখতে পারেন। পেপারের সম্পাদকীয় থেকে ফর্মাল উপস্থাপনার স্টাইল শিখতে পারেন।
লেখা সুন্দর হলে ভালো, না হলেও সমস্যা নেই৷ লিখিত পরীক্ষায় অনেক বেশি দ্রুত লিখতে হয়৷ তাই প্রতি ৩-৫ মিনিটে ১ পৃষ্ঠা লেখার প্র্যাকটিস্ করুন৷ খেয়াল রাখবেন, যাতে লেখা পড়া যায়৷ সুন্দর উপস্থাপনা মার্কস বাড়ায়৷
বিভিন্ন রেফারেন্স, টেক্সট ও প্রামাণ্য বই অবশ্যই পড়তে হবে৷ বিসিএস পরীক্ষায় অনেক প্রশ্নই কমন পড়েনা৷ এসব বই পড়া থাকলে উত্তর করাটা সহজ হয়৷ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় বিভিন্ন লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, ইন্টারনেট, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা, বিভিন্ন রেফারেন্স থেকে উদ্ধৃতি দিলে মার্কস বাড়বে৷ এই অংশগুলো লিখতে নীল কালি ব্যবহার ক’রলে সহজে পরীক্ষকের চোখে পড়বে৷ চেষ্টা করবেন, প্রতি পেজে অন্তত একটা কোটেশন, ডাটা, টেবিল, চার্ট কিংবা রেফারেন্স, কিছু না কিছু দিতে। ভালো কথা, পুরো সংবিধান মুখস্থ করার কোনো দরকারই নাই। যেসব ধারাগুলো থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সেগুলোর ব্যাখ্যা খুব ভালভাবে বুঝে বুঝে পড়ুন। সংবিধান থেকে ধারাগুলো হুবহু উদ্ধৃত করতে হয় না।
নোট করে পড়ার বিশেষ কোনো প্রয়োজন নেই৷ এতটা সময় পাবেন না৷ বরং কোন প্রশ্নটা কোন সোর্স থেকে পড়ছেন, সেটা লিখে রাখুন৷ রিভিশন দেয়ার সময় কাজে লাগবে৷ বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যা, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল, কিছু আন্তর্জাতিক পত্রিকা ইত্যাদি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখুন৷ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে রাখুন৷ প্রয়োজনমত পরীক্ষার খাতায় রেফারেন্স উল্লেখ করে উপস্থাপন করুন৷
কোনভাবেই কোনো প্রশ্ন ছেড়ে আসবেন না৷ উত্তর জানা না থাকলে ধারণা থেকে অন্তত কিছু না কিছু লিখে আসুন৷ ধারণা না থাকলে, কল্পনা থেকে লিখুন। কল্পনায় কিছু না এলে প্রয়োজনে জোর করে কল্পনা করুন! আপনি প্রশ্ন ছেড়ে আসছেন, এটা কোন সমস্যা না৷ সমস্যা হল, কেউ না কেউ সেটা উত্তর করছে৷
মাঝে মাঝে বিভিন্ন টপিক নিয়ে ননস্টপ লেখার প্র্যাক্টিস করুন৷ বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার অভ্যাস বাড়ান৷ এতে আপনার লেখা মানসম্মত হবে৷ কোনো উত্তরই মুখস্থ করার দরকার নেই৷ বরং বারবার পড়ুন, বিভিন্ন সোর্স থেকে৷ ধারণা থেকে লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন৷ কেউই সবকিছু ঠিকঠাক লিখেটিখে ক্যাডার হয় না। রিটেনে সবাই-ই বানিয়ে লেখে। এটা কোনো ব্যাপার না! বরং ঠিকভাবে বানিয়ে লেখাটাও একটা আর্ট।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর গাইড বই কিনে ফেলুন ৪-৫ সেট। আগের বছরের প্রশ্নগুলো খুব ভালভাবে স্টাডি করে বোঝার চেষ্টা করুন কোন কোন ধরণের প্রশ্ন বেশি আসে। কিছু কিছু প্রশ্ন সময়ের সাথে সাথে প্রাসঙ্গিকতা হারায়। সেগুলো বাদ দিন। প্রতিদিন অনলাইনে ৪-৫টি পেপার পড়ার সময় খেয়াল করুন কোন কোন বিষয়সমূহ বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেগুলোকে আলাদা করে ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করে রাখতে পারেন। গাইড বইয়ের সাজেশনস আর পেপারের বিভিন্ন আর্টিকেল অনুযায়ী নিজের সাজেশনস নিজেই রেডি করুন। সাজেশনসে বিভিন্ন সময়ে কিছু প্রশ্ন অ্যাড কিংবা রিমুভ করে ৪-৫ সেট সাজেশনস রেডি করবেন। এরপর সাজেশনস ধরে ধরে প্রশ্নগুলো গাইড থেকে, রেফারেন্স বই থেকে, পেপার থেকে পড়ে ফেলুন। সবচাইতে ভাল হয় যদি টপিকগুলো গুগলে সার্চ করে করে পড়েন। প্রয়োজনে টপিকের নাম বাংলায় টাইপ করে সার্চ করুন। গুগলে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর মোটামুটি সব প্রশ্নের উত্তরই পাবেন। উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, বিভিন্ন সংস্থার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে প্রশ্নের উত্তর পড়লে সময় বেঁচে যাবে, মার্কসও ভাল আসবে। পেপারে দৈনিক এবং সাপ্তাহিক আন্তর্জাতিক পাতাটি, দ্য হিন্দু, দি ইকনোমিস্ট, টাইমস অব ইন্ডিয়া, টাইম সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পত্রিকা থেকে প্রয়োজনীয় আর্টিকেলগুলো পড়তে পারেন।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে যাঁরা লেখেন, এরকম ১৫-২০টি নাম ডায়রিতে লিখে রাখুন। পাশে ছোট করে লিখে ফেলুন কে কোন ধরণের বিষয় নিয়ে লেখেন। উদ্ধৃতি দেয়ার সময় কাজে লাগবে। ইন্টারনেট ঘেঁটে বিভিন্ন বিষয়ের উপর বিশ্লেষণধর্মী মন্তব্য, সমালোচনা পড়ে নিন। প্রয়োজনমত প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় প্রাসঙ্গিকভাবে ব্যবহার করলে উপস্থাপনা সুন্দর হবে। বিভিন্ন ম্যাপ, ডাটা, চার্ট, টেবিল, পর্যালোচনা, নিজস্ব বিশ্লেষণ, সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে সেটির প্রাসঙ্গিকতা ইত্যাদির সাহায্যে লিখলে আপনার খাতাটি আলাদা করে পরীক্ষকের চোখে পড়বে।
প্রশ্ন অতো কমন পড়বে না। তাই রিডিং হ্যাবিট বাড়ানো ছাড়া এ অংশে ভাল করা কঠিন। কিছু মুখস্থ করার দরকার নেই। বারবার দাগিয়ে দাগিয়ে পড়বেন। পরীক্ষার হলে নিজের মত করে বানিয়ে লিখে দেবেন। চেষ্টা করবেন, প্রতি পেজে অন্তত একটা উদ্ধৃতি, ডাটা, টেবিল, চার্ট কিংবা রেফারেন্স, কিছু না কিছু দিতে। এই অংশগুলো লিখতে নীল কালি ব্যবহার করতে পারেন। লেখা সুন্দর হলে ভালো, না হলেও সমস্যা নেই, পড়া গেলেই চলবে৷ লিখিত পরীক্ষায় অনেক বেশি দ্রুত লিখতে হয়৷ তাই প্রতি ৩-৫ মিনিটে ১ পৃষ্ঠা লেখার প্র্যাকটিস্ করুন৷
শর্ট কনসেপচুয়াল নোটসঃ আগের বছরের প্রশ্ন, রেফারেন্স বই, গাইড বই, পেপার ঘেঁটে ঘেঁটে কী কী টীকা আসতে পারে লিস্ট করুন। এরপর সেগুলো গুগল করে ইন্টারনেট থেকে পড়ে ফেলুন। সাথে পেপার-কাটিং, ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করা পেপারের আর্টিকেল, গাইড বই আর রেফারেন্স বই তো আছেই। এ অংশে উত্তরের শেষে আপনার নিজের বিশ্লেষণ দিলে মার্কস বাড়বে।
অ্যানালাইটিক্যাল কোয়েশ্চেনসঃ যত বেশি সম্ভব তত পয়েন্ট দিয়ে প্যারা করে করে লিখবেন। এ অংশে ১টি ১৫ মার্কসের প্রশ্ন উত্তর করার চাইতে ৪+৬+৫=১৫ মার্কসের প্রশ্ন উত্তর করাটা ভাল। প্রশ্নের প্রথম আর শেষ প্যারাটি সবচাইতে আকর্ষণীয় হওয়া চাই। নীল কালি দিয়ে প্রচুর কোটেশন দিন। বিভিন্ন কলামিস্টের দৃষ্টিকোণ থেকে কোন ইস্যুকে ব্যাখ্যা করে উত্তরের শেষের দিকে নিজের মত করে উপসংহার টানুন। কোন মন্তব্য কিংবা নিজস্ব মতামত থাকলে সেটিও লিখুন।
প্রবলেম সলভিং কোয়েশ্চেনঃ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ইস্যু, বাণিজ্য, চুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, বিদেশি সাহায্য সহ সাম্প্রতিক নানান গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে কিছু কথা লেখা থাকবে কিংবা কোন একটা সমস্যার কথা দেয়া থাকবে। সেটিকে বিশ্লেষণ করে নানা দিক বিবেচনায় সেটার সমাধান কী হতে পারে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক এবং আপনার নিজের মতামত ইত্যাদি পয়েন্ট আকারে লিখুন। এটিতে ভাল করার জন্য নিয়মিত পেপার পড়ার কোন বিকল্প নেই।
শেষ কথা
লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করার আগে দুটো ব্যাপার মাথায় রাখুন। এক। বিসিএস পরীক্ষায় কী কী পড়বেন, সেটা ঠিক করার চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল, কী কী পড়বেন না, সেটা ঠিক করা। দুই। মুখস্থ করার দরকার নেই; শতভাগ শিখেছি ভেবে তার ষাটভাগ ভুলে গিয়ে বাকী চল্লিশভাগকে ঠিকমতো কাজে লাগানোই আর্ট৷
কোচিংয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন আর যা-ই করেন, প্রতিদিন বাসায় পড়াশোনা করবেন অন্তত ৮-১০ ঘণ্টা। যাঁদের অন্য চাকরি করতেই হচ্ছে, উনারা চাকরির পাশাপাশি কমপক্ষে ৪-৫ ঘণ্টা পড়াশোনার পেছনে সময় দেবেন।
যে চাকরিটা অন্তত ৩০ বছর আরাম করে করবেন বলে ঠিক করে রেখেছেন, সেটার জন্য ৩ মাস নাওয়াখাওয়া বাদ দিয়ে পড়াশোনা করবেন না, এরকম বেকুব তো নিশ্চয়ই আপনি নন!
গুড লাক!
///
Collected
#সুত্রঃ ""দৈনিক প্রথম আলো""
#প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রস্তুতি নেবেন যেভাবেঃ
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অধীন সহকারী শিক্ষকেরা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫–এর ১৩তম গ্রেডে এবারই প্রথম সরাসরি নিয়োগ পাবেন।
☞☞ বাংলা বিষয়ের প্রস্তুতিঃ
বাংলা বিষয়কে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়— ক. বাংলা সাহিত্য, খ. বাংলা ব্যাকরণ।
ক। বাংলা সাহিত্যের জন্য লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিকের পরিচিতিতে গুরুত্বারোপ করতে হবে, বিশেষ করে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক, বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামাল, হুমায়ূন আহমেদ, জাহানারা ইমাম, ফররুখ আহমেদ, জসীমউদ্দীন, জীবনানন্দ দাশ প্রমুখ) সাহিত্যের যুগ পরিবর্তন, উপাধি, ছদ্মনাম, পত্রিকার সম্পাদক, ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস/নাটক/গল্প এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস/নাটক/গল্প। এসব জ্ঞান আহরণের জন্য পঞ্চম-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত NCTB বাংলা বোর্ড বই অনুসরণ করে চর্চা করা সর্বোত্তম।
খ। বাংলা ব্যাকরণের জন্য বর্ণ বা ধ্বনি, দ্বিরুক্তি শব্দ, সন্ধি, কারক ও বিভক্তি, সমাস, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, শব্দ, বিপরীত শব্দ, সমার্থক শব্দ, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, প্রবাদ-প্রবচন, পদ প্রকরণ, উপসর্গ ও অনুসর্গ এবং যতিচিহ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা ব্যাকরণের জন্য নবম ও দশম শ্রেণির রচিত NCTB বাংলা ২য় পত্র বোর্ড বই অধিক গুরুত্বসহকারে অনুশীলন করতে হবে।
☞☞ ইংরেজির প্রস্তুতিঃ
ইংরেজি বিষয়কে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়—A. English Literature, B. English Grammar। এখানে English Literature খুবই কম আসে। তবুও basic অংশ জানলে প্রস্তুতিতে সহায়ক হয়। B. Grammar অংশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো হলো Tense, Voice, Narration, Number, Gender, Preposition/Appropriate Preposition, Participle, Right Form of Verb etc. এ ছাড়া Grammar–এর বাইরে Spelling, Synonym, Antonym, Idioms & Phrase, One word Substitution, translation, Proverbs ইত্যাদি। সহায়ক বই হিসেবে ষষ্ঠ-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত NCTB English Grammar Board বই এবং P.C Das রচিত Applied English Grammar & Composition বইয়ের অনুশীলন প্রস্তুতিকে আরও বেগবান করবে।
☞☞ গণিত প্রস্তুতিঃ
গণিত একটি বিমূর্ত বিষয়। গণিত বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে অধিক অনুশীলনে চাকরিপ্রাপ্তির সম্ভাবনা বেশি থাকে। গণিত বিষয়টি তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে— ক) পাটিগণিত, খ) বীজগণিত এবং গ) জ্যামিতি।
ক। পাটিগণিতের জন্য মূলদ ও অমূলদ সংখ্যা, মৌলিক সংখ্যা, ভগ্নাংশ, শতকরা, ঐকিক নিয়ম, লাভ-ক্ষতি, সুদ-কষা, গড়, ধারা, লসাগু এবং গসাগু। পাটিগণিত অনুশীলনীর জন্য পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণির NCTB গণিত বোর্ড বই অনুশীলন অনেক কাজে লাগে।
খ। বীজগণিতের জন্য বীজ গাণিতিক রাশি, মাননির্ণয়, উৎপাদক বিশ্লেষণ, সরল সমীকরণ, সূচক, লগারিদম, সেট, ফাংশন ইত্যাদি অনুশীলনীর জন্য ষষ্ঠ-নবম শ্রেণির NCTB গণিত বোর্ড বই অনুশীলন করলে ভালো করা যায়।
গ। জ্যামিতিক অংশে রেখা ও কোন, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত এবং ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি পরীক্ষায় আসে, যা অনুশীলনীর জন্য ষষ্ঠ-নবম শ্রেণির NCTB জ্যামিতিক অংশ বোর্ড বই অনুশীলন করলে ভালো করা যায়
☞☞ সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতিঃ
অংশটির নাম সাধারণ জ্ঞান হলেও এর পরিধি বিশাল। এখানে বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, বিজ্ঞান, কম্পিউটার অংশ থেকে প্রশ্ন আসে। বাংলাদেশ বিষয়াবলির জন্য বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, আয়তন, সীমানা, জনসংখ্যা, উপজাতি, বাংলাদেশের ঐতিহ্য, স্থাপনা, নিদর্শন, প্রাচীন বাংলার ইতিহাস, ব্রিটিশ শাসন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান, প্রশাসনিক কাঠামো, পুরস্কার, খেলাধুলা, বাংলাদেশের জনপদ, নদ-নদী, প্রাকৃতিক সম্পদ, বিখ্যাত স্থান, জাতীয় দিবস ইত্যাদি অনুশীলনের জন্য NCTB বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ভূগোল, অর্থনীতি পৌরনীতি (৯ম-১০ম শ্রেণি) সম্যক জ্ঞান আহরণের জন্য যথেষ্ট।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির ক্ষেত্রে ভৌগোলিক উপন্যাস, সীমারেখা, প্রণালি, দ্বীপ, সাগর, মহাসাগর, চুক্তি, সম্মেলন, সংগঠন, সংস্থা, দেশ, মুদ্রা, রাজধানী, আন্তর্জাতিক দিবস, জাতিসংঘ, পুরস্কার ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। যেহেতু সাধারণ জ্ঞান নিয়ত পরিবর্তনশীল, তাই মাসিক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এবং ‘আজকের বিশ্ব’ সাধারণ জ্ঞানের জন্য অনেক সহায়ক হবে। এ ছাড়া বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য ৫ম-৯ম শ্রেণির NCTB বিজ্ঞান বোর্ড বাই এবং ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণির NCTB ICT বোর্ড বইটি অনুশীলন সর্বোচ্চ নম্বর পেতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য শেয়ার করে রাখতে পারেন -
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
১ প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা ভাষার পরিধি কত সাল থেকে শুরু হয়েছে ?
উঃ ১৮০১ সাল থেকে। (প্রস্তুতিপর্বঃ ১৮০০-১৮৬০, বিকাশপর্বঃ ১৮৬০-১৯০০, রবীন্দ্রপর্বঃ ১৯০০-১৯৩০, রবীন্দ্রোত্তরঃ ১৯৩০-১৯৪৭ ও বাংলাদেশঃ ১৯৪৭-)
২ প্রশ্ন: বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন শতাব্দীতে?
উঃ সপ্তম শতাব্দী।
৩ প্রশ্ন: পানিনি রচিত গ্রন্থের নাম কি?
উঃ ব্যাকরণ অষ্টাধয়ী।
৪ প্রশ্ন: পানিণি কোন ভাষার ব্যাকরণকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেন?
উঃ সংস্কৃত ভাষা।
৫ প্রশ্ন: বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি?
উঃ বৈদিক।
৬ প্রশ্ন: বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যিক নিদর্শন কি?
উঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
৭ প্রশ্ন: বাংলা ভাষা কোন আদি বা মূল ভাষা গোষ্ঠীর অর্ন্তগত?
উঃ ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠী।
৮ প্রশ্ন: বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটে কোন দশকে?
উঃ খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে।
৯ প্রশ্ন: ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীন রূপ কোথায় পাওয়া যায়?
উঃ প্রাচীন গ্রন্থ ঋগে¦দের মন্ত্রগুলোতে।
১০ প্রশ্ন: বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় কখন থেকে?
উঃ আধুনিক যুগে।
১১ প্রশ্ন: বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় কখন থেকে?
উঃ আধুনিক যুগে।
১২ প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে খ্রীষ্টপূর্ব কত পর্যন্ত বাংলা ভাষার অস্তিত্ব ছিল?
উঃ পাঁচ হাজার বছর।
১৩ প্রশ্ন: আর্য ভারতীয় গোষ্ঠীর প্রাচীনতম সাহিত্যেক ভাষার নাম কি?
উঃ বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা।
১৪ প্রশ্ন: বৈদিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষা পর্যন্ত বিবর্তনের প্রধান তিনটি ধারা কি কি?
উঃ প্রচীন ভারতীয় আর্য, মধ্য ভারতীয় আর্য ও নব্য ভারতীয় আর্য।
১৫ প্রশ্ন: কোন ভাষা বৈদিক ভাষা নামে স্বীকৃত?
উঃ আর্যগণ যে ভাষায় বেদ-সংহিতা রচনা করেছেন।
১৬ প্রশ্ন: কোন ব্যাকরণবিদের কাছে সংস্কৃত ভাষা চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়?
উঃ ব্যাকরণবিদ পানিনির হাতে।
১৭ প্রশ্ন: সংস্কৃত ভাষা কত অব্দে চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়?
উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ দিকে।
১৮ প্রশ্ন: কোন ভাষাকে প্রাকৃত ভাষা বলে?
উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ খ্রীঃ দিকে বৈদিক ভাষা বির্বতনকালীণ সময়ে জনসাধারন যে ভাষায় নিত্য নতুন কথা বলত।
১৯ প্রশ্ন: প্রাকৃত ভাষা বিবর্তিত হয়ে শেষ যে স্তরে উপনীত হয় তার নাম কি?
উঃ অপভ্রংশ।
২০ প্রশ্ন: সুনীত কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভর কোন অপভ্রংশ থেকে কোন সময় কালে?
উঃ পূর্ব ভারতে প্রচলিত মাগবী অপভ্রংশ এবং খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়।
২১ প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎস কোন অপভ্রংশ থেকে?
উঃ গৌড় অপভ্রংশ থেকে।
২২ প্রশ্ন: কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি?
উঃ মাগধী প্রাকৃত।
২৩ প্রশ্ন: প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার স্তর কয়টি?
উঃ তিনটি।
২৪ প্রশ্ন: বৈদিক ভাষা হতে বাংলা ভাষায় বিবর্তনের প্রধান ধারা কয়টি?
উঃ তিনটি।
২৫ প্রশ্ন: বাংলা ভাষা কোন গোষ্ঠীর বংশধর?
উঃ হিন্দ-ইউরোপী গোষ্ঠীর।
২৬ প্রশ্ন: কোন যুগে বাংলা লিপির গঠনকার্য স্থায়ীরূপ লাভ করে?
উঃ প্রাচীন যুগে।
২৭ প্রশ্ন: বাংলার প্রথম মুদ্রন প্রতিষ্ঠানের নাম কি ?
উঃ শ্রীরামপুর মিশন।
২৮ প্রশ্ন: কত সালে ‘শ্রীরামপুর মিশন’ প্রতিষ্ঠিত হয় ?
উঃ ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে।
২৯ প্রশ্ন: বাংলা ছাড়া ব্রাহ্মী লিপি থেকে আর কোন লিপির উদ্ভদ ঘটেছে ?
উঃ সিংহলী, শ্যামী, নবদ্বীপি, তিব্বতী ইত্যাদি।
৩০ প্রশ্ন: বাংলা অক্ষর বা বর্ণমালা কোন সময়ে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার লাভ করে ?
উঃ খ্রিঃ দশম ও একাদশ শতাব্দীর মধ্যে।
৩১ প্রশ্ন: ব্রাহ্মী লিপির বিবর্তনের ধারায় কোন বর্নমালা থেকে বাংলা বর্নমালার উৎপত্তি ?
উঃ পূর্ব ভারতীয় বর্ণমালা কুটিল থেকে।
৩২ প্রশ্ন: ব্রাহ্মী লিপির পূর্ববর্তী লিপি কোনটি?
উঃ খরোষ্ঠী লিপি।
৩৩ প্রশ্ন: ভারতীয় লিপিশালার প্রাচীনতম রূপ কোনটি?
উঃ দুইটি।
৩৪ প্রশ্ন: খ্রিষ্টপূর্ব ৩য় শতকে কোন শাসকের শাসনমালা ব্রাহ্মী লিপিতে উৎকীর্ন পাওয়া যায়?
উঃ সম্রাট অশোক।
৩৫ প্রশ্ন: বাংলা লিপি ও বর্ণমালার উদ্ভব হয়েছে কোন লিপি থেকে?
উঃ কুটিল লিপি।
৩৬ প্রশ্ন: ব্রাহ্মী লিপির পূর্ববর্তী লিপি কোনটি ?
উঃ খরোষ্ঠী লিপি।
৩৭ প্রশ্ন: কোন যুগে বাংলা লিপি ও অক্ষরের গঠনকার্য শুরু হয় ?
উঃ সেন যুগে।
৩৮ প্রশ্ন: কোন কোন লিপির উপর বাংলা লিপির প্রভাব বিদ্যমান ?
উঃ উড়িষ্যা মৈথিলি ও আসামী লিপির উপর।
৩৯ প্রশ্ন: বাংলা গদ্যের বিকাশে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে-?
উঃ সাময়ীক পত্র।
৪০ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন কি?
উঃ চর্যাপদ।
৪১ প্রশ্ন: চর্যাপদ রচনা করেন কারা ?
উঃ বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ।
৪২ প্রশ্ন: চর্যাপদ কোন যুগের নিদর্শন?
উঃ আদি/ প্রাচীন যুগ।
৪৩ প্রশ্ন: চর্যাপদের পুঁথিকে কোথা কে এবং কখন আবিস্কার করেন?
উঃ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭।
৪৪ প্রশ্ন: চর্যাপদের রচনা কাল কত?
উঃ সপ্তম -দ্বাদশ শতাব্দী।
৪৫ প্রশ্ন: চর্যাপদ কোন ভাষায় রচিত হয়?
উঃ বঙ্গকামরুপী ভাষায়।
৪৬ প্রশ্ন: চর্যাপদ কোথায় পাওয়া যায়?
উঃ নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগারে।
৪৭ প্রশ্ন: টীকাকার মুনিদত্তের মতানুসারে চর্যাপদের নাম কি ?
উঃ আশ্চর্য চর্যাচয়।
৪৮ প্রশ্ন: নেপালে প্রাপ্ত পুঁথিতে পদগুলির কি নাম দেযা হয়েছে ?
উঃ চর্যাচর্য বিনিশ্চয়।
৪৯ প্রশ্ন: বাংলা ভাষার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায় কোন ভাষার?
উঃ মুন্ডা ভাষার।
৫০ প্রশ্ন: কোন লিপি থেকে বাংলা লিপির উদ্ভব ঘটেছে?
উঃ ব্রহ্মী লিপি।
৫১ প্রশ্ন: ভারতীয় লিপিমালার প্রাচীনতম রূপ কয়টি ও কি কি?
উঃ দুইটি ক. খরোষ্ঠী, খ. বাহ্মী।
৫২ প্রশ্ন: ভারতের মৌলিক লিপি কোন লিপিকে বলা বলে?
উঃ ব্রাহ্মী লিপি।
৫৩ প্রশ্ন: চর্যাপদের ভাষাকে কে বাংলা ভাষা দাবি করেছেন?
উঃ অধ্যাপক সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যয়।
৫৪ প্রশ্ন: আধুনিকের পন্ডিতগণের মতে, নেপালে প্রাপ্ত চর্যাপদের পুঁথির নাম কি ?
উঃ চর্যাগীতি কোষ।
৫৫ প্রশ্ন: চর্যার প্রাপ্ত কোন সংখ্যক পদটি টীকাকার কর্তৃক ব্যাখ্যা হয় নি ?
উঃ ১১ সংখ্যক পদ।
৫৬ প্রশ্ন: চর্যার প্রাপ্ত পুঁথিতে কোন কোন সংখ্যক পদে সম্পূর্ন পাওয়া যায় নি ?
উঃ ২৪, ২৫, ৪৮ সংখ্যক পদ।
৫৭ প্রশ্ন: চর্যার প্রাপ্ত কোন পদটির শেষাংশে পাওয়া যায় নি ?
উঃ ২৩ সংখ্যক পদ।
৫৮ প্রশ্ন: চর্যাগীতিকা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক কবে প্রকাশিত হয়েছিল ?
উঃ ১৯১৬ সালে।
৫৯ প্রশ্ন: চর্যা সংগ্রহটিতে সর্বসমেত কয়টি চর্যাগীতি ছিল?
উঃ ৫১ টি।
৬০ প্রশ্ন: চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ কে আবিস্কার করেন?
উঃ ডঃ প্রবোধচন্দ্র বাগচী।
৬১ প্রশ্ন: চর্যাপদের ভাষায় কোন অঞ্চলের নমুনা পরিলক্ষিত হয়?
উঃ পশ্চিম বাংলার প্রাচীনতম কথ্য ভাষার।
৬২ প্রশ্ন: ডঃ সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যয় কবে চর্যাপদে ভাষা বাংলা বলে প্রমান করেন?
উঃ ১৯২৬ সালে।
৬৩ প্রশ্ন: চর্যাপদের প্রতিপাদ্য বিষয় কি?
উঃ চর্যাপদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাদের গুহ্য সাধনতত্ত্ব এবং তৎকালীন সমাজ ও জীবনের পরিচয়।
৬৪ প্রশ্ন: চর্যাপদ কোন ছন্দে রচিত ?
উঃ মাত্রাবৃত্তে ছন্দে।
৬৫ প্রশ্ন: চর্যাপদের পুঁথি নেপালে যাবার কারন কি?
উঃ তুর্কী আক্রমনকারীদের ভয়ে পন্ডিতগণ তাদের পুুথি নিয়ে নেপালে পালিয়ে গিয়ে শরনার্থী হয়েছিলেন।
৬৬ প্রশ্ন: কীর্তিলতা পুরুষ পরীক্ষা বিভাগসার প্রভৃতি সাহিত্যকর্মের রচয়িতা কে?
উঃ মিথিলার কবি বিদ্যাপতি।
৬৭ প্রশ্ন: কবীন্দ্রবচন সমুচ্চয় ও সদুক্তি কর্ণামৃত কাব্য কোন যুগে রচিত?
উঃ সেনযুগে।
৬৮ প্রশ্ন: সর্বসমেত কয়টি চর্যাগীতি পাওয়া গিয়েছে?
উঃ সাড়ে ছেচল্লিশটি।
৬৯ প্রশ্ন: সবচেয়ে বেশী পদ কে রচনা করেছেন ?
উঃ কাহ্নপা-১৩ টি।
৭০ প্রশ্ন: চর্যাপদের রচয়িতা কে বা কারা ?
উঃ কাহ্নপা, লুইপা, কুক্কুরীপা, ভুসুকু, সরহপাদ সহ মোট ২৪ জন।
৭১ প্রশ্ন: চর্যাপদ কোন সময়ে রচিত হয় ?
উঃ সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে।
৭২ প্রশ্ন: চর্যাপদের পদগুলো কোন কোন ভাষায় রচিত বলে দাবি করা হয়?
উঃ বাংলা, হিন্দী, মৈথিলী, অসমীয় ও উড়িয়া ভাষায়।
৭৩ প্রশ্ন: রাজা লক্ষন সেনের রাজসভার পঞ্চরত কে কে ছিলেন?
উঃ উমাপতিধর, শরণ, ধোয়ী, গোবর্ধন আচার্য ও জয়দেব।
৭৪ প্রশ্ন: বাংলা ছাড়া কোন কোন বাব্যগ্রন্থে বাঙালী জীবনের চিত্র রয়েছে?
উঃ গাথা সপ্তপদী ও প্রাকৃত পৈঙ্গলের।
৭৫ প্রশ্ন: চন্ডীদাস সমস্যা কি?
উঃ বাংলা সাহিত্য একাধিক পদকর্তা নিজেকে চন্ডীদাস পরিচয় দিয়ে যে স মস্যা সৃষ্টি করেছেন তাই চন্ডীদাস সমস্যা ।
৭৬ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত চন্ডীদাস কয়জন?
উঃ তিনজন। বড়ু চন্ডিদাস, দীন চন্ডিদাস এবং দ্বীজ চন্ডিদাস।
৭৭ প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্য কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়?
উঃ পশ্চিম বঙ্গের বাকুড়া জেলার কাকিলা গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ীর গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করেন।
৭৮ প্রশ্ন: বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কে?
উঃ বড়ু চন্ডিদাস।
৭৯ প্রশ্ন: আদি যুগে লোকজীবনের কথা বিধৃত সর্বপ্রথম সাহিত্যক নিদর্শন কোনটি?
উঃ ডাক খনার বচন।
৮০ প্রশ্ন: মধ্যযুুগের বাংলা সাহিত্যর প্রধান দুটি ধারা কি ?
উঃ ১। কাহিনীমূলক ও ২। গীতিমূলক।
৮১ প্রশ্ন: শ্রী চৈতন্যর নামানুসারে মধ্যযুগের বিভাজন কিরূপ?
উঃ চৈতন্য পূর্ববর্তী যুগ (১২০১-১৫০০ খ্রিঃ), চৈতন্য যুগ (১৫০১-১৬০০) ও চৈতন্য পরবর্তী যুগ (১৬০১-১৮০০)
৮২ প্রশ্ন: গীত গোবিন্দ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতার নাম কি ?
উঃ জয়দেব।
৮৩ প্রশ্ন: ব্রজবুলি ভাষার বিখ্যাত সাহিত্যিকের/শ্রেষ্ঠ কবি নাম কি?
উঃ বিদ্যাপতি এবং জয়দেব।
৮৪ প্রশ্ন: চৈতন্য পরবর্তী যুগ বা মধ্যযুগের শেষ কবি কে?
উঃ ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর।
৮৫ প্রশ্ন: আধুনিক যুগের উদগাতা কে?
উঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
৮৬ প্রশ্ন: কোন যুগকে অবক্ষয়ের যুগ বলা হয় ?
উঃ ১৭৬০-১৮৬০সাল পর্যন্ত।
৮৭ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যর আধুনিক যুগের সময়কাল কয়পর্বে বিভক্ত ও কি কি?
উঃ চারটি পর্বে বিভক্ত। যেমন- ১. প্রস্তুতি পর্ব (১৮০১-১৮০৫)খ্রিঃ, ২. বিকাশ পর্ব (১৮৫১-১৯০০) খ্রিঃ, ৩.রবীন্দ্র পর্ব (১৯০১-১৯৪০) খ্রিঃ ও ৪.অতি-আধুনিক যুগ (১৯০১ বর্তমান কালসীমা)।
৮৮ প্রশ্ন: আধুনিক যুগ কোন সময় পর্যন্তু বিস্তৃত?
উঃ ১৮০১ সাল থেকে বর্তমান।
৮৯ প্রশ্ন: যুগ সন্ধিক্ষনের কবি কে ?
উঃ ঈশ্বরচন্দ্র দত্ত।
৯০ প্রশ্ন: ব্রজবুলী ভাষার উদ্ভব কখন হয়?
উঃ কবি বিদ্যাপতি যখন মৈথিল ভাষায় রাধাকৃষ্ণ লীলার গীতসমূহ রচনা করেন।
৯১ প্রশ্ন: ব্রজবুলি ভাষা কোন জাতীয় ভাষা?
উঃ মৈথলী এবং বাংলা ভাষার মিশ্রনে যে ভাষার সৃষ্টি হয়।
৯২ প্রশ্ন: ব্রজবুলি কোন স্থানের উপভাষা ?
উঃ মিথিলার উপভাষা ।
৯৩ প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় রামায়ন কে অনুবাদ করেন?
উঃ কৃত্তিবাস।
৯৪ প্রশ্ন: রামায়নের আদি রচয়িতা কে?
উঃ কবি বাল্মীকি।
৯৫ প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় মহাভারত কে অনুবাদ করেন?
উঃ কাশীরাম দাস।
৯৬ প্রশ্ন: মহাভারতের আদি রচয়িতা কে?
উঃ বেদব্যাস।
৯৭ প্রশ্ন: গীতি কাব্যের রচয়িতা কে?
উঃ গোবিন্দ্রচন্দ্র দাস।
৯৮ প্রশ্ন: পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবি কে?
উঃ ফকির গরিবুল্লাহ।
৯৯ প্রশ্ন: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
উঃ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
১০০ প্রশ্ন: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যর প্রাচীনতম শাখা কোনটি?
উঃ কাব্য।
১০১ প্রশ্ন: বাংলা গদ্য সাহিত্য কখন শুরু হয়?
উঃ আধুনিক যুগে।
১০২ প্রশ্ন: আলাওল কোন যুগের কবি?
উঃ মধ্য যুগের।
১০৩ প্রশ্ন: মধ্যযুগের অবসান ঘটে কখন?
উঃ ঈশ্বর গুপ্তের মৃত্যুর সঙ্গে।
১০৪ প্রশ্ন: উনিশ শতকের সবচেয়ে খ্যাতনামা বাউল শিল্পী কে?
উঃ লালন শাহ।
১০৫ প্রশ্ন: বাংলা গদ্যের জনক কে?
উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১০৬ প্রশ্ন: আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ প্রতিভু কে?
উঃ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১০৭ প্রশ্ন: বাংলা ভাষার আদি কবি ?
উঃ কানা হরিদত্ত।
১০৮ প্রশ্ন: বাংলা গদ্যর উৎপত্তি কখন?
উঃ আঠার শতকে।
১০৯ প্রশ্ন: কাঙ্গাল হরিনাথ কখন আবির্ভূত হন?
উঃ উনিশ শতকের শেষার্ধে।
১১০ প্রশ্ন: বিষাদসিন্ধু কোন যুগের গ্রন্থ?
উঃ আধুনিক যুগের।
১১১ প্রশ্ন: মধ্যযুগের অন্যতম সাহিত্য নিদর্শন কি?
উঃ পদ্মাবতী ও অন্নদামঙ্গল।
১১২ প্রশ্ন: চন্ডীদাস কোন যুগের কবি ?
উঃ মধ্যযুগের।
১১৩ প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা গীতি কবিতার সূত্রপাত?
উঃ টপ্পাগান।
১১৪ প্রশ্ন: টপ্পা গানের জনক কে?
উঃ নিধুবাবু (রামনিধি গুপ্ত)।
১১৫ প্রশ্ন: মীর মোশাররফ সাহিত্য ক্ষেত্রে আবির্ভূত হন?
উঃ উনিশ শতকের শেষার্ধে।
১১৬ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্য ধারার অন্যতম মহাকবি?
উঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
১১৭ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে গীতিকাব্য ধারার প্রথম কবি?
উঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী।
১১৮ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নির্দশন কি?
উঃ শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন।
১১৯ প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কীর্তনকাব্য কে রচনা করেন?
উঃ বড়– চন্ডীদাস।
১২০ প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্য কোন যুগের নিদর্শন?
উঃ চৈতন্যপূর্ব যুগ।
১২১ প্রশ্ন: বড়– চন্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্য কে উদ্ধার করেন?
উঃ বসন্তরঞ্জন রায়, ১৯০৯।
১২২ প্রশ্ন: উনিশ শতকের নাট্য সাহিত্য ধারার অন্যতম রূপকার?
উঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
১২৩ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
উঃ আলালের ঘরের দুলাল।
১২৪ প্রশ্ন: ‘আলালের ঘরের দুলাল’ এর রচয়িতা কে?
উঃ প্যারীচাদ মিত্র।
১২৫ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্য কথ্যরীতির প্রবর্তক কে?
উঃ প্রমথ চৌধুরী।
১২৬ প্রশ্ন: ছোটগল্পের আরম্ভে ও উপসংহারে কোন গুনটি প্রধান?
উঃ নাটকীয়তা ।
১২৭ প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় প্রথম সামাজিক নাটক কোনটি ?
উঃ কুলীনকুল সর্বস্ব।
১২৮ প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক ও নাট্যকার কে?
উঃ ভদ্রার্জুন- তারাচরণ সিকদার।
১২৯ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যর প্রথম সার্থক নাট্যকার কে?
উঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
১৩০ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যর প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক কোনটি ?
উঃ কৃষ্ণকুমারী।
১৩১ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মূদ্রিত গ্রন্থ কোনটি?
উঃ ‘কথোপকথন’।
১৩২ প্রশ্ন: বাংলা উপন্যাস সাহিত্য ধারার জনক?
উঃ বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
১৩৩ প্রশ্ন: রোমান্টিক প্রনয় উপাখ্যান ধারার অন্যতম কবি?
উঃ শাহ মুহাম্মদ সগীর।
১৩৪ প্রশ্ন: রোমান্টিক প্রণয় উপখ্যান ধারার অন্যতম গ্রন্থ?
উঃ ইউসূফ- জুলেখা।
১৩৫ প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যর ধারার অন্যতম কবি?
উঃ মুকুন্দরাম
১৩৬ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্য ছোটগল্পের প্রকৃত জনক?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৩৭ প্রশ্ন: ‘কথোপকথন’ এর রচয়িতা কে?
উঃ উইলিয়াম কেরি।
১৩৮ প্রশ্ন: ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
উঃ নীল দর্পন।
১৩৯ প্রশ্ন: কোরআন শরীফ প্রথম বাংলায় অনুবাদ কে করেন?
উঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।
১৪০ প্রশ্ন: বাংলা সনেটের জনক কে?
উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
১৪১ প্রশ্ন: সনেটের জনক কে?
উঃ ইটালীর পেত্রাক।
১৪২ প্রশ্ন: ‘গাজীকালু ও চম্পাবতী’ কোন ধরনের সাহিত্য?
উঃ পুঁথি সাহিত্য।
১৪৩ প্রশ্ন: বাংলাদেশের লোক সাহিত্যের বিখ্যাত গবেষক কে?
উঃ আশরাফ সিদ্দিকী।
১৪৪ প্রশ্ন: রূপকথা কে সংগ্রহ করেছিলেন?
উঃ দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।
১৪৫ প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রধানত কয়টি যুগে ভাগ করা?
উঃ তিনটি। (প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও অধুনিক যুগ)
১৪৬ প্রশ্ন: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীন যুগের পরিধি কত পর্যন্ত বিস্তৃৃত ছিল?
উঃ ৬৫০-১২০০ সাল পর্যন্তু।
১৪৭ প্রশ্ন: মধ্য যুগের বাংলা ভাষার পরিধি কত সাল পর্যন্ত বিস্তৃৃত ছিল?
উঃ ১২০১-১৮০০ সাল পর্যন্তু।
১৪৮ প্রশ্ন: বাংলা ভাষার মূল উৎস কোন ভাষা?
উঃ বৈদিক ভাষা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Panthapath
Dhaka
1205