Non Cadre

Non Cadre

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Non Cadre, Education, www. Facebook. com, Dhaka.

30/11/2025

নতুন কমিশনও নন-ক্যাডার নিয়োগ জটিলতা নিয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কিছু করতে পারেনি। ৪৩তম বিসিএসে মাত্র ৬৪২ জনকে সুপারিশ করায় চাকরিপ্রার্থীরা আন্দোলনে নেমেছেন। পিএসসি জানিয়েছে, নিয়োগ বিধিমালা ২০২৩ সংশোধনের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়ে ফাইল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সাড়া মেলেনি।

রহমান খলিল নামের একজন চাকরিপ্রার্থী বলেন, ‘যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি, কিন্তু চাকরি পাচ্ছি না। অথচ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে এখন ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য।’

এক বছরে সরকারি কর্ম কমিশন কী করল https://share.google/FIoPksbbrfDkerYfz

সরকারি চাকরির নিয়োগে অস্থিরতা: চার মাসে চাকরিপ্রত্যাশীদের যত আন্দোলন 24/11/2025

সরকারি চাকরির নিয়োগে অস্থিরতা: চার মাসে চাকরিপ্রত্যাশীদের যত আন্দোলন চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলন এখন নিত্যদিনের দৃশ্য। স্মারকলিপি, অবস্থান কর্মসূচি, মানববন্ধন, অনশন থেকে শুরু করে সড়.....

05/11/2025

সোহরাব কমিশনও কখনো ছাত্রদের গায়ে হাত তোলার সাহস করেনি!!!

02/11/2025

দাবি না মানলে আরো কঠোর কর্মসূচি আসবে।

02/11/2025

বিগত কমিশনকে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি

02/11/2025

বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগে কেন এমন সংকট তৈরি হলো
তারিক মনজুর
02 Nov 2025, 13:35
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির ক্যাডার এবং কারিগরি বা পেশাগত পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে থাকে। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় নিয়োগ পরীক্ষা। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এই পরীক্ষার চাহিদা ও আকর্ষণ গত দুই-আড়াই দশকে অনেকটা বেড়েছে। বিসিএস দিয়ে নিয়োগ পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ আগেও ছিল; কিন্তু এখন রীতিমতো একাডেমিক পড়াশোনা বাদ দিয়ে বিসিএসের প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়!

বর্তমান প্রক্রিয়ায় আবেদনকারী প্রার্থীকে প্রথমে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এখান থেকে বিজ্ঞাপিত শূন্য পদের কয়েক গুণ প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়। এরপর লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম শতকরা ৫০ ভাগ নম্বরপ্রাপ্তদের ডাকা হয় মৌখিক পরীক্ষার জন্য। তিন ধাপের পরীক্ষা পার হওয়ার পর নির্ধারিত ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি; কিন্তু এর বিপরীতে মৌখিক পরীক্ষা পর্যন্ত পার হয়েও অসংখ্য প্রার্থী চাকরি পান না। তাঁদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে ২০১০ সালে নন-ক্যাডার বিশেষ বিধিমালা করা হয়।

এই বিধির ফলে এক বিসিএস দিয়েই প্রার্থীরা নবম গ্রেডের ক্যাডার এবং ৯ থেকে ১২তম গ্রেডের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পেতে থাকেন। সিদ্ধান্তটি চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে খুবই ইতিবাচক ছিল। কারণ, এতে তাঁদের আবেদনের খরচ এবং বারবার পরীক্ষা দেওয়ার ঝামেলা কমে যায়; কিন্তু সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর থেকে বেশিসংখ্যক চাহিদা না দেওয়ার কারণে ২৮তম থেকে ৩৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণ প্রায় ১৯ হাজার প্রার্থী কোনো চাকরি পাননি। বিসিএস পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া পার হয়েও পদের অভাবে চাকরি না পাওয়াটা প্রার্থীদের জন্য ছিল হতাশার। সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণির পদেও বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রতিবছরই হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে। বিসিএস পরীক্ষা নিয়মিত হলে এবং ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা গেলে প্রার্থীদের অকারণ অপেক্ষা করতে হয় না
৩৪তম বিসিএস থেকে প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য হারে নন-ক্যাডার পদ পেতে থাকেন। ৩৪তম থেকে ৪১তম বিসিএস পর্যন্ত দুই হাজারের কাছাকাছি থেকে চার হাজারের বেশি প্রার্থী নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পান। যেমন ৪১তম বিসিএসে নন-ক্যাডার থেকে ৩ হাজার ১৬৪ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এর আগের ৪০তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ছিলেন ৪ হাজার ৩২২ জন। কিন্তু ৪৩তম বিসিএসে এই সংখ্যা নেমে হয় ৬৪২। মূলত এখান থেকেই সংকটের শুরু।

৪৩তম বিসিএসের আগের পরীক্ষাগুলোতে প্রথমে ক্যাডার পদের ফল প্রকাশ করা হতো। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চাহিদা অনুযায়ী নন-ক্যাডারের ফল দেওয়া হতো। এর দরুন বেশি সংখ্যক প্রার্থী চাকরির সুযোগ পেতেন। কিন্তু ২০২৩ সালের নন-ক্যাডার বিধিতে ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের চূড়ান্ত ফল একসঙ্গে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তা ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে নন-ক্যাডার শূন্য পদ উল্লেখের নিয়মও যুক্ত হয়েছে। এর বিরোধিতা করে একদল প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, এভাবে পদ উল্লেখের কারণে নির্ধারিত পদের বাইরে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। অথচ আগের নিয়মে তালিকায় থাকা বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরবর্তী বিসিএসের আগপর্যন্ত চাহিদামতো নিয়োগের সুযোগ পেতেন।

আন্দোলনকারীদের দাবি অনুযায়ী, ২০২৩-এর নন-ক্যাডার বিধি বাতিল করে আগের বিধি পুনর্বহাল করা যেতে পারে। তা ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার শূন্য পদ উল্লেখ না করে পদ তৈরির সুযোগ উন্মুক্ত রাখাই ভালো। স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে ক্যাডারের ফলের সঙ্গে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ কিন্তু পদস্বল্পতার কারণে ক্যাডার হিসেবে সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের মেধাভিত্তিক তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা যায়। তাহলে এখান থেকেই নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে।

একেকটি বিসিএসে লাখ লাখ আবেদনকারীর মধ্য থেকে খুব সীমিতসংখ্যকই চূড়ান্ত নিয়োগের সুপারিশ পান। সর্বশেষ চূড়ান্ত ফল ঘোষিত ৪৩তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯০ জন। এর মধ্য থেকে লিখিত পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয় ১৫ হাজার ২২৯ প্রার্থীকে। লিখিত পরীক্ষায় পাস করেন ৯ হাজার ৮৪১ জন। শেষ পর্যন্ত চাকরির জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন মাত্র ২ হাজার ৮০৫ জন। এভাবে প্রতিটি বিসিএসেই দেখা যায়, আবেদনকারী মোট প্রার্থীর বিপরীতে মাত্র শূন্য দশমিক ৪৫ থেকে শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রার্থী চাকরির সুযোগ পান।

পিএসসি ১২তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগ দিয়ে থাকে। ১৩তম থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগ দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। পিএসসির সাবেক কোনো কোনো সদস্য মনে করেন, সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সরাসরি নিয়োগ কমিয়ে নন-ক্যাডার নিয়োগ বাড়ানো যেতে পারে। এর ফলে বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থীদের একটি অংশ ক্যাডার হতে না পারলেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরে চাকরির সুযোগ পাবেন। বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগের ফলে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ-বাণিজ্য কমে আসবে। এই প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা বেশি হারে সুযোগ পাবেন এবং তাঁদের সময়, অর্থ ও পরিশ্রম কমবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান বলছে, সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনে ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য আছে। তবে একসঙ্গে এত পদ পূরণ করা সম্ভব নয়, এমনকি তা উচিতও হবে না। কারণ, প্রতিবছরই হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট চাকরির বাজারে প্রবেশ করছেন। বিসিএস পরীক্ষা নিয়মিত হলে এবং ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা গেলে প্রার্থীদের অকারণ অপেক্ষা করতে হয় না।

তারিক মনজুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

Photos from Non Cadre's post 02/11/2025

৪৩তম ও ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার ও ক্যাডার প্রত্যাশী প্রার্থীদের সংবাদ সম্মেলন ও মশাল মিছিলের আহ্বান
গতকাল ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ন্যাক্কারজনক পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটে।
রাষ্ট্রীয় বাহিনীর এই অযৌক্তিক ও অপ্ররোচিত আক্রমণে আমাদের বহু সহযোদ্ধা মারাত্মকভাবে জখম হন—কারও হাত-পা ফেটে যায়, কারও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
এমনকি কয়েকজনকে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করা হয়, যা ছিল সম্পূর্ণ অমানবিক ও অন্যায় আচরণ।
আমরা এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানাই।

তবুও আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি—
ন্যায়ের আন্দোলনকে দমন করা যায় না। আমাদের দাবি ছিল, আছে এবং থাকবে সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও সংবিধানসম্মত।

আমাদের দাবিসমূহ

১. “নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২৫” (২০২৩-এর নন-ক্যাডার বিধির সংশোধিত রূপ) অবিলম্বে প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষর ও অনুমোদনের মাধ্যমে গেজেট আকারে প্রকাশ করে ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডারের নামে অধিযাচিত শূন্য পদে দ্রুত সুপারিশের পাশাপাশি চলমান (৪৪, ৪৫, ৪৬ ও ৪৭তম) সকল বিসিএস থেকে সর্বাধিক সংখ্যক নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ করতে হবে।

২. অবিলম্বে ৪৪তম বিসিএসের নামে অধিযাচিত ৮৭০টি ক্যাডার পদ বৃদ্ধিসহ পুনঃফলাফল সামগ্রিক মেধার ভিত্তিতে প্রকাশ করতে হবে এবং পরবর্তী সকল বিসিএসে পদ বৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন: বিকেল ৩:৩০ মিনিট
স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে
মশাল মিছিল: সন্ধ্যার পর

এসো,
ন্যায়ের মশাল হাতে একসাথে দাঁড়াই—
যেখানে অন্যায়, সেখানেই প্রতিরোধ।

আয়োজন-৪৩তম ও ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার ও ক্যাডার প্রত্যাশী প্রার্থীবৃন্দ

01/11/2025
যমুনা অভিমুখে বিসিএস নন-ক্যাডার ও পদ প্রত্যাশীরা, পুলিশের ধাওয়া | খবরের কাগজ 01/11/2025

যমুনা অভিমুখে বিসিএস নন-ক্যাডার ও পদ প্রত্যাশীরা, পুলিশের ধাওয়া | খবরের কাগজ ৪৩ ও ৪৪ তমসহ বিসিএসসহ চলমান সব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে চাকরি প্রত্যাশী প্রার্থী....

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Www. Facebook. Com
Dhaka