Work For Jannah

Work For Jannah

Share

The aim of this page is to spread true messages of Islam to all the people.

22/04/2026

যা কিছু আপনাকে কষ্ট দেয়, তার সবকিছুই আপনাকে ক্ষতি করার জন্য নয়। কখনও কখনও, আল্লাহ এমন কিছু সরিয়ে দেন যা আপনাকে ধ্বংস করে দিত, যদিও আপনার হৃদয় তার প্রতি আকৃষ্ট থাকত। আর আপনি যদি এখনও সেই প্রজ্ঞা উপলব্ধি করতে না পারেন, তাতেও কোনো সমস্যা নেই।

আল্লাহ হলেন আল-হাকিম; পরম প্রজ্ঞাময়। তিনি এমন সব কিছু গুছিয়ে নিচ্ছেন যা আপনি দেখতে পান না, এমন সব কিছু বন্ধ করে দিচ্ছেন যেখানে আপনার প্রবেশ করা উচিত নয়, এবং এমন সব কিছু বিলম্বিত করছেন যা আপনার জন্য প্রস্তুত নয়। সুতরাং, আল্লাহ যা ধীরে ধীরে উন্মোচন করছেন, তার জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না।

11/03/2026

আসসালামু আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।”

অর্থ: হে নবী, আপনার ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। (সহিহ বুখারি, হাদিস ৮৩১)

11/03/2026

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়াসাল্লিম।”

অর্থ: হে আল্লাহ, মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন। (সুনান তিরমিজি, হাদিস: ৩১৪

11/03/2026
11/03/2026

**“হয়তো আপনি ভাবছেন, আপনি আল্লাহকে ডাকছেন। অথচ বাস্তবে—
তিনিই আপনাকে তাঁর দরবারে ডাকছেন।
কারণ আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকেই তিনি দু‘আর পথে পরিচালিত করেন।
তাই যখন হৃদয়ে দু‘আর শব্দ জেগে ওঠে, বুঝে নিন—
এটা শুধু আপনার ইচ্ছা নয়,
এটা আপনার রবের দেওয়া এক অপূর্ব নিয়ামত।”**













10/03/2026

সালাতুত তাসবিহ নামাজ।

সালাতুত তাসবিহ ৪ রাকাতে সর্বমোট ৩০০ বার নিম্নের দোয়াটি পড়তে হয়।

(سبحان الله، والحمدُ لله، ولا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَالله أكبر)

উচ্চারণঃ- সুবহানাল্লাহ, ওয়াল'হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার।

- এই নামাজ যেকোনো সময় পড়া যায়, তবে জুম্মার রাত (শুক্রবার রাত) ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাতগুলোতে পড়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)।

- সামনে রমজান আসতেছে রমজান মাসে এই নামাজ কেউ মিস করবেন না।

সালাতুত তাসবিহ হলো ৪ রাকাত সুন্নত নামাজঃ-যেখানে প্রতি রাকাতে বিশেষ একটি তাসবিহ পড়া প্রয়োজন।

(সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার)

মোট ৭৫ বার পড়া হয়, যার ফলে ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হয়ে থাকে; এটি সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পাঠের পর এবং রুকু, সিজদাসহ বিভিন্ন ধাপে নির্দিষ্ট সংখ্যায় পড়তে হয়।

নামাজের নিয়ম:-

★ নিয়ত: ৪ রাকাত সালাতুত তাসবিহের নিয়ত করুন।

প্রথম রাকাত:- 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করুন।

প্রথমে 'ছানা' পড়ুন (সুবহানা...)-এর পর, সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ুন, এরপর ১৫ বার তাসবিহ পড়ুন:

◆ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার (15 বার)।

◇রুকুর তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার)

'সামিআল্লাহ লিমান হামিদাহ' বলার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।

প্রখম সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দুই সিজদার মাঝে বসে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সেজদার তাজবীদ শেষ করে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাত: একই নিয়মে প্রত্যেক রাকাতে এভাবে ৭৫ বার করে তাসবিহ পাঠ করুন।

* মোট তাসবিহ: ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হবে (৭৫ বার × ৪ রাকাত)।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:- গণনা: জোরে জোরে বা আঙুল গুনে তাসবিহ পড়া অনুচিত; মনে মনে বা আঙুল চেপে গণনা করতে পারেন।

ভুলে গেলে: কোনো ধাপে তাসবিহ পড়া বাদ গেলে, পরের ধাপে সেই সংখ্যা যোগ করে নিন অথবা পরের রাকাতের শুরুতে তা পরণ করে নিন।

ফজিলত:- এই নামাজে জীবনে সব গুনাহ মাফের বড় ফজিলত রয়েছে, নেক আশা পূরণের ফজিলত রয়েছে এবং এটি প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে বা জীবনে অন্তত একবার পড়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

09/03/2026

🌿 বাকিয়াতুস সালিহাত কী কী?
হাদিসে এসেছে, এগুলো হলো এই যিকিরগুলো:
সুবহানাল্লাহ (سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ)
আলহামদুলিল্লাহ (ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ)
আল্লাহু আকবার (ٱللَّٰهُ أَكْبَرُ)
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
🌸 এগুলো এমন আমল যা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত সওয়াব রেখে যায় —
দুনিয়ার ধন-সম্পদের মতো শেষ হয়ে যায় না।

09/03/2026

🔲 লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান করার বিজোড় রাত সমূহঃ-

🔸 ২১ তম রাত্রি - ১০ ই মার্চ - মঙ্গলবার [দিবাগত রাত]

🔹 ২৩ তম রাত্রি - ১২ ই মার্চ - বৃহস্পতিবার [দিবাগত রাত]

🔸 ২৫ তম রাত্রি - ১৪ ই মার্চ - শনিবার [দিবাগত রাত]

🔹 ২৭ তম রাত্রি - ১৬ ই মার্চ - সোমবার [দিবাগত রাত]

🔸 ২৯ তম রাত্রি - ১৮ ই মার্চ - বুধবার [দিবাগত রাত]

দিবাগত রাত মানে হচ্ছে দিন শেষ হয়ে যেই রাতটি আসে।

⭕ আরবী মাসের দিন শুরু হয় রাতের মাধ্যমে অর্থাৎ প্রথমে রাত আসে, এরপরে দিন। উদাহরণস্বরূপঃ- আগামীকাল যদি ২৫ তম রোজা হয়ে থাকে, তাহলে ২৫ তম রোজার রাতটি শুরু হবে আজকে মাগরিব থেকে। অর্থাৎ ২৪ তম রোজার দিন শেষ হয়ে যেই রাতটি আসবে সেই রাতটিই হচ্ছে ২৫ তম রোজার রাত 💝✅

🔲 রাসূল সল্লাল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'য়ালার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের আশায় ক্বদরের রাত্রিতে জাগ্রত থেকে ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে রাত্রি যাপন করবে, মহান আল্লাহ তা'য়ালা তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ্‌ সমূহ ক্ষমা করে দিবেন। [বুখারী- ৩৫]

⭕ আয়িশাহ (র.) বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি যদি ক্বদরের রাত পেয়ে যাই তাহলে আমি কোন দু'আটি পাঠ করবো.? তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি পাঠ করবে-

« اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي »

উচ্চারণঃ- “আল্ল-হুম্মা ইন্নাকা 'আফুউউন কারীম, তুহি্ব্বুল 'আফওয়া ফা'আফু 'আন্নী”

অর্থঃ- “হে আল্লাহ, আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন।”
[তিরমিযী- ৩৬১৩, ইবনে মাজাহ- ৩৮৫০]

🔲 অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি দোয়া, দোয়াটি ক্বদরের রাত ব্যতীত অন্য যেকোনো সময়ও ইস্তিগফার হিসেবে পাঠ করা যাবে। তাই আমাদের যাদের দোয়াটি মুখস্থ নেই, তারা এখুনি দোয়াটি মুখস্থ করে নিবো ইন শা আল্লাহ... 💝✅

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
1219