Science Care

Science  Care বিজ্ঞান বিষয়ে পরিপূর্ণ প্রস্তুতির সেরা প্রতিষ্ঠান।

25/07/2023
এস.এস.সি পরীক্ষা- ২০২৩ এর সময়সূচি। ৩০ এপ্রিল পরিক্ষা শুরু হবে ি_পরীক্ষা_২০২৩_এর_সময়সূচি।
20/02/2023

এস.এস.সি পরীক্ষা- ২০২৩ এর সময়সূচি।
৩০ এপ্রিল পরিক্ষা শুরু হবে
ি_পরীক্ষা_২০২৩_এর_সময়সূচি।

এসএসসি রসায়ন  #খনিজ_সম্পদ_জীবাশ্ম  #জৈব_রসায়ন
31/01/2023

এসএসসি রসায়ন
#খনিজ_সম্পদ_জীবাশ্ম #জৈব_রসায়ন

রসায়ন  জারণ- বিজারণ  #রসায়ন  #জারণ_বিজারণ
13/12/2022

রসায়ন জারণ- বিজারণ
#রসায়ন #জারণ_বিজারণ

২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরিক্ষার পাঠ্যসূচি প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি।
20/09/2022

২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরিক্ষার পাঠ্যসূচি প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি।

HSC-2022 পরীক্ষার সময় সূচি আগামী ৬ ই নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে৷ ীক্ষার_সময়_সূচি
12/09/2022

HSC-2022 পরীক্ষার সময় সূচি
আগামী ৬ ই নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে৷
ীক্ষার_সময়_সূচি

২০২২ সালের মাধ্যমিক স্কুল  সার্টিফিকেট( এসএসসি) পরিক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি।
03/09/2022

২০২২ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট( এসএসসি) পরিক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি।

25/08/2022

ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA) একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে। একটি সম্ভাব্য ব্যতিক্রম হচ্ছে কিছু ভাইরাস গ্রুপ যাদের আরএনএ জিনোম রয়েছে, তবে ভাইরাসকে সাধারণত জীবন্ত প্রাণ হিসেবে ধরা হয় না। কোষে ডিএনএর প্রধান কাজ দীর্ঘকালের জন্য তথ্য সংরক্ষণ। জিনোমকে কখনও নীলনকশার সাথে তুলনা করা হয় কারণ, এতে কোষের বিভিন্ন অংশে যেমন: প্রোটিন ও আরএনএ অণু, গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি থাকে। ডিএনএর যে অংশ এ জিনগত তথ্য বহন করে তাদের বলে জিন, কিন্তু অন্যান্য ডিএনএ ক্রমের গঠনগত তাৎপর্য রয়েছে অথবা তারা জিনগত তথ্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

18/08/2022

পাখার বাতাসে ঠাণ্ডা লাগে কেন জানেন?

#পাখার_বাতাসে_ঠাণ্ডা_লাগে_কেন_জানেন?

পাখাগুলো বাতাস জমিয়ে রাখে কই? পাখাটা নাড়া দিলে বাতাস কোথা থেকে বের হয়?
পাখা থেকে বাতাস আসা লাগবে কেন? বাতাস তো সবসময়ই আছে। পাখা নাড়ালেও আছে, না নাড়ালেও আছে। এই বাতাস না থাকলে তো আমরা মারাই পরতাম। আমরা যে অক্সিজেন নিই নাকের ভিতর দিয়ে শ্বাসের মাধ্যমে তা তো এই বাতাসই। যখন পাখাটাকে আমরা নাড়াচাড়া করি তখন আমাদের আশেপাশের বাতাসগুলো এদিক-সেদিক হতে পারে, নড়াচড়া করতে পারে। আর নড়াচড়া করার মাধ্যমেই আমরা অনুভব করি ঠাণ্ডা, আরাম।
তবে এমন কেন হয়? দেখা যাক পাখার বাতাসের সময় কী ঘটনা ঘটে। আমাদের শরীরের ভেতরটা অনেক গরম। সারাক্ষণ সেখানে রক্ত চলাচল করছে। তাতে শরীর হয় গরম। আর আমরা যে খাবার খাই তা হজম হতে গিয়েও শরীর হয়ে যায় অনেক গরম। আমরা যে অক্সিজেন গ্রহণ করি, তা সে খাবারকে পরিপাক করতে কাজে লাগে। আর জানোই তো অক্সিজেনের কাহিনী মানেই আগুন, অক্সিজেন মানেই গরম, অক্সিজেনের বিক্রিয়া মানেই দহন। নাইট্রোজেন নামক একটা প্রায় নিষ্ক্রিয় এবং দারুণ উপকারী গ্যাসের প্রভাবে আমাদের শরীরে এই অক্সিজেনের বিক্রিয়ার সময় আগুন জ্বলে না। নইলে কবে অক্সিজেন সাহেব আমাদের পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতো!
যখন আমাদের শরীরের চারপাশের বাতাস স্থির থাকে তখন আমাদের শরীরের গরমে এই বাতাস গরম হয়ে ওঠে। আর জানোই তো বাতাস তাপের তেমন একটা ভাল পরিবাহী নয়। বাতাস তাপ পরিবহনে দারুণ বাধা দেয়। যখন আমাদের গায়ের আশে পাশে থাকা বাতাসগুলো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তখন সে উত্তপ্ত বাতাস আমাদের শরীর থেকে উত্তাপ হারাতে বাঁধা প্রদান করে। যখনি আমরা পাখা দিয়ে বাতাস করি তখন আর কিছুই ঘটে না গায়ের আশপাশে থাকা গরম বাতাসগুলো সরে যায় আর নতুন অনুত্তপ্ত বাতাস শরীরের সংস্পর্শে আসে। আর অনুতপ্ত ঠাণ্ডা বাতাস শরীরের কাছে এলে আবার শরীর তার থেকে তাপ ত্যাগ করতে পারে। এরকম তাপ ত্যাগ করার মাধ্যমেই ঠাণ্ডা অনুভব করি।

এছাড়া কোনো দুই বস্তুর মাঝে তাপের আদান প্রদান হতে হলে তাপমাত্রার পার্থক্য থাকতে হবে। যখন ঠাণ্ডা বাতাসের সংস্পর্শে শরীর আসে তখন বাতাসের তাপমাত্রার সাথে শরীরের তাপমাত্রার পার্থক্য হয়। বাতাস থেকে ঠাণ্ডা চলে আসে শরীরে আর শরীর থেকে গরম চলে যায় বাতাসে। যখন এই বাতাসটাও আবার গরম হয়ে ওঠে তখন আর তাপ পরিবহণ করতে পারে না। করবে কি করে? তখন যে বাতাসও শরীরের মতোই গরম হয়ে ওঠে। আর সে গরম হওয়া তাপের কুপরিবাহী বাতাস শরীরকে অন্য দিকে তাপ হারাতে বাঁধা প্রদান করে। আর তখুনি আমাদের শরীরে লাগে অস্বস্তিকর গরম। সে গরম থেকে বেঁচে সস্তি পেতে হলে বাতাস করতে হবে ক্রমাগত। এভাবেই শরীর থেকে তাপ হারানোর উপায় করে পাখা আমাদের ঠাণ্ডা প্রদান করে। দেখা গেল তো পাখার মাঝে আসলে বাতাসের কিছু নাই, বাতাস জমানো নাই। সে শুধুমাত্র বাতাসকে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঠেলে দেয়।

আমাদের শরীর ঠাণ্ডা থাকার কারণ হিসেবে আরেকটা দারুণ জিনিস আছে। সেটা মাটির কলসির মত। আমাদের শরীর থেকে প্রতিনিয়ত ঘাম বের হচ্ছে। ঘাম শরীরের উপরে জমে থাক না থাক বের হচ্ছে প্রতিনিয়তই। আর এই ঘাম নামক পানিকণা বাষ্প হয়ে বের হয়ে যায় শরীর থেকে। যখনি বাষ্প হয়ে বের হয়ে যায় তখন শরীর থেকে টেনে নেয় প্রচুর তাপ। আর তাপ শোষণ করে নিয়ে আমাদের শরীরকে রাখে ঠাণ্ডা। আর আমরা ভোগ করি আরাম।

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Science Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share