29/05/2025
৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) সার্কুলার প্রকাশিত ।
📌সহকারী সার্জন পদ : ২৭০০ জন ।
📌সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদ : ৩০০ জন ।
পড়াশোনা, চাকরি, সহ শিক্ষনীয় পোষ্ট পড়তে আমাদের পেজ ভিজিট করুন
29/05/2025
৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) সার্কুলার প্রকাশিত ।
📌সহকারী সার্জন পদ : ২৭০০ জন ।
📌সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদ : ৩০০ জন ।
শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা।
পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস।
৪৭তম বিসিএস পরিক্ষা ৮ আগষ্ট অনুষ্ঠিত হবে।
সোর্চ- পিএসসি জনসংযোগ শাখা।।
"তিনবারের বেশি বিসিএস পরীক্ষা দেয়া যাবে না প্রসঙ্গে আমার কিছু কথা"
লিখেছেন: Md.Ryad Hossain sir
প্রথমত,
যারা ফ্রেশার আছেন তাদের আগে যারা দুই/তিন/চার বিসিএস যারা টিকে আছেন তাদের সাথেই কম্পিটিশন করতে হবে যেটা একদমই ফেয়ার না।
আর যদি আগের পরীক্ষাগুলোও কাউন্ট হয় তাহলে অনেকে আছেন যারা ছাত্র অবস্থায় প্রিপারেশন ছাড়া বিসিএস দিয়েছেন এদের সাথেও বিষয়টা একদমই ফেয়ার হবে না।
দ্বিতীয়ত,
যারা তিন/চার/পাঁচটি বিসিএস দিয়ে ফেলেছেন, চাকরির বয়স দুই বছর বৃদ্ধির কারণে এরা আরও তিনটি বিসিএস দিতে পারবে সে ক্ষেত্রেও ফেয়ার কম্পিটিশন হবে না।
তৃতীয়ত,
আমরা জানি, সরকারি চাকুরীতে নিয়োগের প্রায় ৯০ শতাংশই বিসিএস ও নন-ক্যাডারের মাধ্যমে হয় এবং অভিন্ন একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই।
সেহেতু মাত্র তিনটি বিসিএস দেওয়ার সুযোগ শুধু ক্যাডার হওয়ার সুযোগই সীমিত করে না বরং প্রায় সকল সরকারি চাকুরীতে নিয়োগের সুযোগ সীমিত করে। যেটা নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার হনন করার মত।
চতুর্থত,
গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পরে ফ্রেশার চাকুরি প্রত্যাশীরা কনফিডেন্স এর অভাবে দুই তিন বছর প্রস্তুতি নেওয়ার পর পরীক্ষায় বসবে।
কারণ অনেকেই আগে গ্রাজুয়েশন শেষ করে সময় নিয়ে ভালো প্রিপারেশন নিয়ে পরীক্ষায় বসবে। যেটা ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যারিয়ারের দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি করবে।
ঠিক আগের মতই। পার্থক্য হলো আগে পরীক্ষা দিয়ে দীর্ঘসূত্রিতা হতো এখন হবে পরীক্ষা ছাড়া প্রিপারেশন নিয়ে।
তবে আগে একটি ভালো দিক ছিল, অনেকেই এক দুইবার এটেম্পট নিয়ে তার দুর্বলতা বুঝে মুভ করার ডিসিশন নিতো। কিন্তু এখন অনেকে সুযোগ মিস হওয়ার ভয়ে এটেম্পট নিতেই দেরি করবে।
পঞ্চমত,
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে আর্থিকভাবে দুর্বল ও অসচ্ছল প্রার্থীরা দীর্ঘ সময় ধরে প্রিপারেশন নিয়ে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে না। কারণ এই সময়ের আগেই নানা পারিবারিক দায়-দায়িত্ব তাদের কাঁধে চাপে।
ষষ্ঠত,
তিনবারের সীমা থাকলে প্রার্থীরা প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক অসামঞ্জস্যতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
একটা উদাহরণ দেই, বুয়েটের স্টুডেন্ট এবং অন্যকোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে এবং এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিলে বুয়েটের স্টুডেন্টরাই ভালো করবে।
তাছাড়া বিসিএসের সিলেবাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বিজ্ঞান ব্যাকগ্রাউন্ডের স্টুডেন্টদের সিলেবাস আয়ত্ত করা সহজ হয়।
কারণ, গণিত,বিজ্ঞান এসব বিষয়ে আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্রদের দক্ষতা অর্জন করতে সময় বেশি লাগে। সে ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না। যেহেতু এটা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা সেহেতু এতে সকল নাগরিকদের প্রবেশের সমান সুযোগ ও ক্ষেত্র থাকা আবশ্যক।
সপ্তমত,
অনেকেই একাধিকবার চেষ্টা করে সঠিক প্রস্তুতি নেন এবং সফল হন। পরীক্ষার চাপে পড়ে কিছু পরীক্ষার্থী তাদের প্রথম বা দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রচেষ্টায় সেরা ফলাফল দেখাতে পারেন না।
তাছাড়া বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সংখ্যা সীমিত হলে, অনেক যোগ্য প্রার্থী ছিটকে পড়তে পারে এবং প্রতিযোগিতার মান কমে যেতে পারে।
যদি পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের পর্যাপ্ত সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে প্রশাসন দক্ষ ও সেরা মেধাবী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ হারাবে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের সুশাসনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
অষ্টমত,
প্রার্থীর জীবনে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যার কারণে কোনও নির্দিষ্ট বছরে প্রস্তুতি ঠিকমতো নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, একজন প্রার্থী অসুস্থ হলে বা পারিবারিক সমস্যার সম্মুখীন হলে, তার একটি সুযোগ হারাতে পারে। তিনবারের সীমা থাকলে, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার কারণে একজন যোগ্য প্রার্থী তার ন্যায্য সুযোগ হারাবে।
সবশেষে কিছু কথা, বিসিএস এর ক্রেজ কমানোর জন্য প্রবেশের সুযোগ সীমিত করা কোনো ভালো পরিকল্পনা হতে পারে নয়।
বরঞ্চ, বিসিএস ক্যাডারদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা, দুর্নীতি বন্ধ করা, তাদের কাজ দায়িত্বের সাথে পালন করানো এবং তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা গেলে বিসিএস এর ক্রেজ এমনিতেই কমে যাবে এবং আমি মনে করি, বিসিএস এর ক্রেজ কমানোর এটিই সঠিক এবং কার্যকরী পন্থা।
©
ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত মহিলা সদস কত?
ক। ২
খ। ৩
গ। ৪
ঘ। ৯
ঢাকার পূর্ব নাম জাহাঙ্গীরনগর, ঢাবেক্কা বা ঢুক্কা।
বলতে হবে চন্দ্রদ্বীপ ছাড়া বরিশালের পূর্বনাম কি?
চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা।
বলতে হবে তাঁর পদ সংখ্যা কতটি?
*চর্যাপদের বাঙালি কবি কে?
*তিনি কতটি ও কি কি পদ রচনা করেন?
(কমেন্টে উত্তর দেখুন)
প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যের প্রধান শাখা কয়টি ও কী কী?
উত্তর: ৩ টি। যথাঃ মনসামঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল ও অন্নদামঙ্গল।
(লাইক কমেন্ট করে উৎসাহ দিন)
কিছু শুদ্ধ বানান জেনে রাখিঃ
(এগুলো থেকেই পরিক্ষায় বার বার আসে)
সমীচীন
শীতাতপ
মরীচিকা
ভাগীরথী
নিরীক্ষণ
তিন্তিড়ী
নিশীথিনী
প্রতীচী
শিরীষ
ঈপ্সিত
মুমূর্ষূ
স্বায়ত্বশাসন
দূরীভূত
কিম্ভূত
(🙏ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে আমাদের উৎসাহ দিবেন🙏)
ক
চ
ট
ত
প
শ
ষ
স
এগুলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
পড়া হলে লাইক দিন