I will not immediately but definitely.
In-sha-Allah.
My Lawyer
I think that every man have to a personality,,See My page Add:http://www.facebook.com/knownmyself
যৌন উত্তেজনা তো নর-নারী উভয়ের মাঝেই বিদ্যমান। তাহলে মুরগী দৌড় দেয় কেন?
পিতার সম্পত্তি ভাগ করার সময়
শরিফ জীবনেও শরীফা বলে পরিচয় দিবে না।
কারণ: শরিফ পাবে ১০০% আর শরীফা পাবে ৫০%।।
★জমির হিসাব :
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা = ১৪৮২০ কাঠা = ১০৬৭০৪০০ বর্গফুট = ৯৯১৬৭২ বর্গমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার =
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা = ১৪৮.২কাঠা = ১০৬৭০৪ বর্গফুট = ৯৯১৩ বর্গমিটার = ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
জেনে নিন
খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ = ৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ = ১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ হেক্টর = ৭.৪১ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২ কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার = ৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
08/01/2024
পুলিশের আটকের বিশেষ ক্ষমতা:-
১. ধারা ৫৫: থানার যে কোন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিনা পরোয়ানায় ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
২. ধারা ৫৬: কোন পুলিশ অফিসার তার কোন অধস্তনকে বিনা পরোয়ানায় কাউকে গ্রেফতার করার কর্তৃত্ব অর্পণ করতে পারবেন এবং উক্ত অধস্তন অফিসার তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন।
৩. ধারা ৫৭: যখন কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকার করে অথবা এইরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা প্রকাশ করে যা উক্ত অফিসারের নিকট যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা বলে মনে হয়, তখন তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন।
৪. ধারা ৫৯: যে কোন বেসরকারি ব্যক্তি তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলিয়া ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
৫. ধারা ৬৫: যখন কোন নির্বাহী বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাদের উপস্থিতিতে ও তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে যে কোন সময়ে এরূপ যে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে অথবা গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন।
29/10/2022
একটা জটিল জমিজমার মোকদ্দমা আপিলেট ডিভিশন পর্যন্ত গড়িয়েছে কিন্তু এই জটিল বিষয়টি কোন আইনজীবীই ঠিকমত সমাধান করতে পারছেন না। তাই বাদিপক্ষ ৪০+ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন সিভিল প্র্যাক্টিশনার সিনিয়র আইনজীবীর শরণাপন্ন হলেন।
বিজ্ঞ আইনজীবী মোকদ্দমার সকল নথি ও মূল কাগজপত্র পর্যালোচনা করলেন, সকল পর্চা, খতিয়ান, বায়া দলিলসমূহ, নিম্ন আদালতের প্রতিটি আদেশ থেকে শুরু করে সর্বশেষ হাই কোর্টের আদেশ সমূহ পর্যন্ত সব ডিটেইলে স্টাডি করে একটি পিটিশিন লেখতে শুরু করলেন।
১০ মিনিটে পিটিশনটি ড্রাফট করার পর বললেন তাদের নিযুক্ত আইনজীবীর মাধ্যমে তা কোর্টে দাখিল করতে এবং উক্ত বিষয়ে শুনানি করতে। আপিলেট ডিভিশনে উক্ত মোকদ্দমার তারিখে পিটিশনটি দাখিল করে শুনানি করার পর জজ সাহেবরা সন্তুষ্ট হয়ে বাদিপক্ষে পূর্ববর্তী রায় বহাল রাখলেন, যা বাদিপক্ষের জন্য আনন্দের বারতা বয়ে এনেছে।
কিছুদিন পর বাদিপক্ষ মক্কেলের কাছে সিনিয়র আইনজীবী তার ড্রাফটের ফিস বাবদ ৬ লাখ টাকা চেয়ে একটি ইনভয়েস পাঠালেন।
মক্কেল তার এই ফিস এর কথা শুনে বললেন 'কি??'
'আপনি তো কিছুই করলেন না, শুধু ১০ মিনিটে এক পাতার একটা পিটিশন লেখে দিলেন! এই ছোট্ট একটা কাজের জন্য এতো টাকা কেমনে চাচ্ছেন?'
বিজ্ঞ আইনজীবী খুব ঠান্ডা মাথায় উত্তর দিলেনঃ
"হিসাব টা খুব সরল। লেখার চার্জ- ১০০০ টাকা, কিন্তু কি লেখতে হবে আর কতটুকু লেখতে হবে তা জানার চার্জ- পাঁচ লক্ষ নিরানব্বই হাজার টাকা। একজন মানুষের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মর্ম উপলব্ধি করা জরুরি। কারন সেটা হচ্ছে তার বছরের পর বছরের সংগ্রাম ও গবেষণার ফল। আমি কাজটি ১০ মিনিটে সম্পন্ন করতে পারি কারন আমি ৪০ বছর পার করেছি এটা শিখতে শিখতে কিভাবে সেই কাজটি ১০ মিনিটে সম্পন্ন করা যায়। আপনি আমার পারিশ্রমিক কত মিনিটে কাজটি সম্পন্ন করেছি তা দিয়ে বিবেচনা না করে আমি কতটা বছর ব্যয় করেছি এই কাজটা কয়েক মিনিটে সম্পন্ন করতে তা দিয়ে বিবেচনা করুন।"
১-খতিয়ান'' কি?
২-সি এস খতিয়ান'' কি?
৩-এস এ খতিয়ান'' কি?
৪-আর এস খতিয়ান'' কি?
৫-বি এস খতিয়ান'' কি?
৬-দলিল” কাকে বলে?
৭-খানাপুরি” কাকে বলে?
৮-'নামজারি'' কাকে বলে ?
৯-তফসিল” কাকে বলে?
১০দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
১১-ছুটা দাগ” কাকে বলে?
১২-পর্চা'' কাকে বলে ?
১৩-চিটা'' কাকে বলে ?
১৪-দখলনামা'' কাকে বলে ?
১৫-খাজনা” ককে বলে?
১৬-বয়নামা'' কাকে বলে ?
১৭-জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
১৮-দাখিলা'' কাকে বলে ?
১৯-DCR'' কাকে বলে ?
২০-কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
২১-ফারায়েজ” কাকে বলে?
২২-ওয়ারিশ” কাকে বলে?
২৩-হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
২৪-জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
২৫-মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
২৬-আমিন” কাকে বলে?
২৭-কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
২৮-সিকস্তি” কাকে বলে ?
২৯-পয়ন্তি” কাকে বলে?
১-খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
২- সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
৩- এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
৪- আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
৫- বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
৬- “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
৭- “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
৮- নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
৯- “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
১০- “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
১১- “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
১২- পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
১৩- চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
১৪- দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
১৫- “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
১৬- বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
১৭- জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
১৮- দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
১৯- DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
২০-“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
২১- “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
২২- “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
২৩- হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
২৪- জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
২৫- “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
২৬- “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
২৭- “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
২৮ “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
২৯- “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে
আপনার বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
07/09/2020
হার হামেশাই অকপটে নির্দ্বিধায় অবিচল ভাবেই পুরো বিশ্বসহ মুসলিম অমুসলিম প্রত্যেকেই স্বীকার করে যে পশ্চিমা বিশ্ব আই মিন ইউরোপ কান্ট্রি গুলোই জ্ঞান, বিজ্ঞান,প্রযুক্তি, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি,সামরিক,অর্থনীতি ইত্যাদি সবকিছুতেই স্বর্বসেরা ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী!
আমিও একমত! এদের তুলনায় অন্যান্য দেশগুলো চুনোপুঁটির ন্যায়! কিন্তু ইতিহাস সবসময় সাক্ষ্য দেয় যে কোন অভূতপূর্ব অগ্রগতির পশ্চাতে থাকে একটা কঠিন ও অপ্রিয় সত্যের ইতিহাস। কিন্তু সেই ইতিহাসটা কি? আর এ সত্য ও ধামাচাপা ইতিহাসের উত্থান খুজতেই অনুসন্ধিৎসা মন শত উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা নিয়ে ছুটে চলে অনবরত! সেই ইতিহাসটা কোন ইহুদি খ্রিস্টান ও অমুসলিমদের ইতিহাস নয় সেটা হচ্ছে মুসলমানদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও অপূর্ব সোনালী ইতিহাস!
৭৫০--১২৫৮ যুগটা ছিল মুসলমানদের এক গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস! কালের বিবর্তনে পশ্চিমারা এ যুগকে আখ্যা দিয়েছে অন্ধকার ও বর্বর যুগ! কালিমালিপ্ত ও কলঙ্কিত করেছে তারা এ যুগকে! আর আমারও তা মেনে নিয়েছি কোন রকম তথ্য উপাত্ত আর গবেষণা ছাড়াই। অথচ মধ্যযুগের মুসলমানদের অক্লান্ত পরিশ্রম সৃষ্টি আর গবেষণার উপরেই দাঁড়িয়ে আছে বর্তমান বিশ্ব ও বিজ্ঞান! তখন মুসলমানরা ছিল সমগ্র বিশ্বের প্রভু!
খুব অবাক হচ্ছেন! তাইনা। এগুলো কোন রূপকথার গল্প কিংবা গ্রিক মিথলজি নয়। এটাই নির্মম সত্যের বাস্তব ইতিহাস । মানুষ ইতিহাস ভুলে যেতে পারে কিন্তু ইতিহাস মানুষকে চিনতে ভুল করে না। পশ্চিমা ইউরোপীয়রা মুসলমানদের ইতিহাসকে কিভাবে বিকৃতি করেছে চলুন একটু দেখে নেই। ইবনে সিনার পুরো নাম আল হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সিনা। কিন্তু ল্যাটিন ভাষায় তার নাম আভিসিনা (Avicenna)
বীজগণিতের জনক খাওয়ারিজমের পূর্ণ নাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল খাওয়ারিজমি। ল্যাটিন ভাষায় তার নাম এলগোরিজম (Algorism) ইবনে বাজ্জ্বাহর পুরো নাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহিয়া ইবনে আল সায়িগ। কিন্তু ল্যাটিন ভাষায় তার নাম অ্যাভামপেস (Avempace) আল ফরগানি আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাছির হলো আল ফরগানির পূর্ণ নাম। কিন্তু ল্যাটিন ভাষায় তার নাম আলফ্রাগানাস (Alfragunas) পৃথিবীর প্রথম মানচিত্র অঙ্কনকারী আল ইদ্রিসীর পুরো নাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস আল শরীফ আল ইদ্রিসী। কিন্তু ল্যাটিন ভাষায় তিনি দ্রেসেস (Dreses) নামে পরিচিত! সাধারণত যে কোন রাইটারের বই বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হয় কিন্তু রাইটারের নাম পৃথিবীর ইতিহাসে কখনো অনুবাদ হওয়া সম্ভব নয়। কারণ নাম সবসময়ই অপরিবর্তনশীল। অন্য কোন কবি,সাহিত্যিক বিজ্ঞানীদেরকে এভাবে বিকৃতি করা হয়নি যে ভাবে করা হয়েছে মুসলমান বিজ্ঞানীদেরকে!
শুধু ইবনে সিনা, ইবনে বাজ্জ্বাহ,আল ফারগনি কিংবা আল ইদ্রিসী নয় সব মুসলিম মহাবিজ্ঞানীদের প্রতি ল্যাটিন ইউরোপ এ অবিচার ও অপপ্রচার চালিয়েছে! শুধু মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম বিকৃত করেই পশ্চিমারা খ্যান্ত হননি তাদের বংশ পরিচয়,জীবন ও কর্মভারকে এমনভাবে বিকৃত করেছে যে কোন মানুষ দেখলে বুঝতেই পারবেনা যে এরা মুসলিম বিজ্ঞানী নাকি অমুসলিম বিজ্ঞানী। আভিসিনা,এলগোরিজম,এভামপেস,আলফ্রাগানাস,দ্রেসেস এরা যে মুসলিম বিজ্ঞানী তা বোঝার কোন উপায় নেই!
এমনকি আরও কতভাবে বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান অস্বীকার অথবা তাদের অবদানকে খাটো করার হীন চক্রান্ত চালানো হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। আমরা সবাই একনামে কোপারর্নিকাস,গ্যালিলিও ও নিউটনের মতো ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের চিনি। চিনি না কেবল তাদের গুরু ইবনে বাজ্জ্বাহ, ইবনে রুশদ অথবা নাসির উদ্দীন তুসিকে! আমরা না চিনলেও ইতিহাস থেকে তারা হারিয়ে যাবে না। বিজ্ঞান যতদিন টিকে থাকবে মুসলিম বিজ্ঞানীরাও ততদিন ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবে!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1219