22/11/2025
গবেষকদের জন্য ৬টি EFFECTIVE TOOL - Six EFFECTIVE tool for RESEARCHERS #Research #highereducation
1.Prevenive care expert
2. Good beside manner
3. Family practice professional
4. quality assurance of course medical students enjoy their lives
22/11/2025
গবেষকদের জন্য ৬টি EFFECTIVE TOOL - Six EFFECTIVE tool for RESEARCHERS #Research #highereducation
29/09/2024
ড.ইউনুস! বাংলার ইতিহাসে গত ৯০ বছরে জন্ম নেয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস। শতকরা ৮৩% লোকই জানেন না কে ড.মোহাম্মদ ইউনুস!
পৃথিবীতে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার নোবেল, সেটা নিশ্চয়ই জানেন? সম্মানসূচক হিসেবে নোবেলের পরে কোন পুরস্কারের অবস্থান তা কি জানেন? সম্মানসূচকে,
১.নোবেল
২.অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড
৩.মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড
পৃথিবীর ইতিহাসে উপরের ৩ টা পুরস্কারই জিতেছেন এমন মানুষ আছে বা ছিলেন ১২ জন!বুঝতেই পারছেন পরের লাইনটা কি হবে,
হ্যা, সেই ১২ জনের একজন প্রফেসর ড.মোহাম্মদ ইউনুস 🧡
মেসিকে নিশ্চয়ই চিনেন! যদি বলি এই লিওনেল মেসি লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন প্রফেসর ডা ইউনুসের জন্য,বিশ্বাস হয়,না হলেও সত্য!
'অলিম্পিক গেমস' পৃথিবীর সম্মানজনক প্রতিযোগিতার একটি। আর অলিম্পিকে সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন মশাল বাহক, জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ অলিম্পিকে মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস💖
বর্তমানে বিশ্বের লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোনো তালিকায় টপ ১০ এর ভিতরে থাকেন ডা.ইউনুস। মুসলিম বিশ্বে নোবেল বিজয়ী ইউনুসের বিকল্প খুজে পাওয়া টা খুবি কঠিন,কিন্তু তিনি আমাদের বাংলাদেশের! এদেশে আর এমন ইউনুস জন্মাবে কিনা আজও সন্দেহ!
১. মাইক্রোসফটের বিল গেটস নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে প্রফেসর ইউনুসকে পুরো সিলিকন ভ্যালি শহর দেখিয়েছিলেন।
২. কোর্ট-কাছাড়ির ৮ তলার এজলাশে তাঁকে যখনই হাজিরা দিতে হত সেসময় কোর্ট বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ করে দেয়া হত। ৮২ বছরের অশিতিপর এই আসামীকে প্রতিবারই হেঁটে হেঁটে ৮ তলায় যেতে হত। এবং এই ঘটনা নাকি ৪০ বারের মত ঘটেছে।
শাকুর মজিদ
নাট্যকার,লেখক,স্থপতি।
সারা পৃথিবীর ১০৭টা ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটা করেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁর মাইক্রো-ফাইনান্স। যেটা তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীন ব্যাংকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার এনে দিয়েছিল।
ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রীভাবে 'সুদখোর' ঢাকা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে- মুহাম্মদ ইউনূসকে যারা পছন্দ করেন তাদের বেশীরভাগও জানেন না, মুহাম্মদ ইউনূসের সুদের ব্যবসা নাই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীন ব্যাংকে তাঁর এক টাকার মালিকানাও নাই, শেয়ারও নাই। কখনোই ছিল না।
জিনিসটা আপনার-আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সত্যি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইনান্সের ধারণার মূল ভিত্তিই হচ্ছে এটা।
এই ব্যবসার কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক।
এটাকে বলে সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নাই। জনগণই এর মালিক।
বাইর থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তার এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরীব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ড মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরী করতেন।
তিনি যে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি তা না, কোম্পানীকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ এর একক মালিক হতে না পারে। কোম্পানী অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।
শুধু যে গ্রামীন ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সরোস, টেলিনরদের এনে তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায় টেলিনর বাংলাদেশে আসে। তাঁর কথায় তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরীবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। সেটাও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না গ্রামীন টেলিকমকে নন ফর প্রফিট কোম্পানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। তিনি চাইলে ইজিলি ১০-১৫ পার্সেন্ট মালিকানা নিজের জন্য রেখে দিতে পারতেন। অথচ লাভের এক টাকাও যাতে নিজের কাছে না আসে, সেটা নিশ্চিত করেন তিনি।
তাঁর প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সুদের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। অথচ স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হবে গ্রামীন ব্যাংকের মত সুদ বোধহয় কেউ নেয় না। আর নিশ্চয় এই টাকায় প্রফিট করেন ড ইউনূস!
আসলে আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারেন না, একজন মানুষ ব্যবসা করবে অথচ সেখান থেকে নিজে কোনো লাভ করবে না। এমন কথা আমরা ভাবতেই পারিনা। আমরা ভাবতে পারি কেবল টাকা কামানোর কথা।
যেমনভাবে ড মুহাম্মদ ইউনূস বলেন- টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি। ওনার ভাষায় 'নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।'
মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরীব আরো গরীব হয়ে যাবে, ধনী আরো ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই ওনি সব ননপ্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরী করে গেছেন, নিজের কোনো মালিকানা রাখেননি।
এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? আপনি বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানী দেখেন, তাদের সব নিজেদের মালিকানা।
কোম্পানীর কথা বাদ দেন, এনজিও ব্র্যাক দেখেন! মালিকানা ফজলে হাসান আবেদের পরিবারের। বড় বড় পদে পরিবারের সদস্যরা আছে।
কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস সেটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের বা পরিবারের কাউকে রাখেননি।
অথচ ড মুহাম্মদ ইউনূস চাইলে এসব ব্যবসায় নিজের মালিকানা রেখে ইজিলি বিলিয়নিয়ার হয়ে যেতে পারতেন। খুব ইজিলি।
তাঁর প্রায় সব বন্ধুবান্ধব বিলিয়নিয়ার, মাল্টি বিলিয়নিয়ার। তিনি সেদিকে যাননি।
অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড মুহাম্মদ ইউনূসের আয়ের উৎস কী?
আমি নিশ্চিত, এটাও অনেকে জানেন না।
ড মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন পৃথিবীর ওয়ান অব দ্যা হায়েস্ট পেইড স্পীকার। স্পীচ দেয়ার জন্য ওনাকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার মত। কখনো আরো বেশী।
বিশ্বের নামীদামী প্রতিষ্ঠান গুলো ওনাকে নিয়ে যান ওনার বক্তব্য শুনতে।
ওনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্যও ডাকা হয়।
২০২৪ সালের ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির ৩ জনের একজন হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাঁখ্রো।
২০২৬ ইতালী অলিম্পিকের জন্য ইতালীয়ানরা ওনাকে পাওয়ার জন্য তদবির করছে। যাতে ওনি পরামর্শ দেন।
এদিকে আমরা মনে করি গ্রামীন ব্যাংক আর গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী থেকে টাকা পান তিনি। যেন গ্রামীন ব্যাংকের সুদগুলো সরকার খায় না, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস খায়। এরা কখনো প্রকাশ্যে স্বীকারই করে না যে, এগুলোতে তার ০.০১% শেয়ারও নাই।
ওনি একটা বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি পাননি। একটা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। ওনি বললে পৃথিবীর সেরা সেরা প্রফেসররা সেখানে এসে ক্লাস নিয়ে যেতো। ওনি ডাকলে এমনকি বিল গেটস কিংবা আমেরিকান প্রেসিডেন্টও তাঁর ইউনিভার্সিটিতে স্পীচ দিতে চলে আসতো।
কিন্তু সেটা হতে দেয়া হয়নি। তাঁকে ইউনিভার্সিটি করতে দেয়া হয়নি।
ড মুহাম্মদ ইউনূসকে যত জানবেন, আপনার মনে হবে- দেশ এবং জাতি হিসেবে আমরা ড মুহাম্মদ ইউনূসকে ডিজার্ভই করিনা।
একটা প্রশ্ন করি, আপনি কি জানতেন মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীনব্যাংক কিংবা গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের জন্য কোনো শেয়ার রাখেননি?
আসুন যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখি. Collect,,
দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৪০০-এর অধিক আসন ফাঁকা রয়েছে। এ আসনগুলোতে বিশেষ বিবেচনায় ভর্তির সুযোগ পেতে যাচ্ছেন ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর ‘সরকারিতে চতুর্থ এবং বেসরকারি মেডিকেলে দ্বিতীয় মাইগ্রেশন শেষ হওয়ার পর ক্লাস শুরু হয় জুনে। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার নির্দেশনায় বিশেষ বিবেচনায় শূন্য আসনগুলোতে পুনরায় ভর্তির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানিয়েছে, সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মিলিয়ে ৪১৬টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এর মধ্যে কোটাসহ সরকারি মেডিকেলে ৭৬ এবং বেসরকারি মেডিকেলে ৩৪০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। সরকারি মেডিকেলে ভর্তির জন্য আবেদনগ্রহণ চলছে। বেসরকারি মেডিকেলে শিগগিরই আবেদন শুরু হবে।
ওই সূত্র আরও জানায়, আগামী শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সরকারি মেডিকেলে কলেজে শূন্য আসনে ভর্তির জন্য আবেদনগ্রহণ চলবে। এরপর সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদনগ্রহণ হবে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের শীর্ষ এ কর্মকর্তা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রতিবছরই সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে আসন ফাঁকা থাকে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষেও আসন ফাঁকা ছিল। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে এবার ফাঁকা আসনগুলোতে বিশেষ বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, গত রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে সরকারি মেডিকেলে শূন্য আসনে বিশেষ বিবেচনায় শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন শুরু হয়। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর এ প্রক্রিয়া শেষ হবে। ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন ফি দেওয়া যাবে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়ে চলবে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
বেসরকারি মেডিকেলে বিশেষ বিবেচনায় তৃতীয় মাইগ্রেশনের অনলাইনে আবেদনগ্রহণ শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে। যা চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। শিক্ষার্থীদের ভর্তি শুরু হবে ১ অক্টোবর। যা চলবে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত।
সরকারিতে ফাঁকা ৭৬, কোন মেডিকেলে কত
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সূত্র জানিয়েছে, সরকারি মেডিকেলে কলেজে ৭৬টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন ফাঁকা রয়েছে হবিগঞ্জের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে। এই কলেজে ২১টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ কোটায় ২০টি এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় একটি আসন ফাঁকা রয়েছে।
এছাড়া সুনামগঞ্জের বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে ৯টি, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে ২, মানিকগঞ্জের কর্ণেল মালেক মেডিকেল কলেজে উপজাতী কোটায় ১, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ১, মাগুরা মেডিকেল কলেজে ১৩, নওগাঁ মেডিকেল কলেজে ১, নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজে ১২, নীলফাসারী মেডিকেল কলেজে ১৫ এবং রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ১টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
15/08/2024
দালালমুক্ত করতে হবে থানা, পাসপোর্ট অফিস, BRTA, হাসপাতাল, ভূমিঅফিস সহ সকল পাবলিক সেক্টরগুলো।
আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! SH Sanuyar Hossain, Shirina Islam, Asma Sultana, Sifat Islam, Taba Ssum, Ri Mi
আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Alahsan Rajib, Fjr Mohammed, Tasnim Chowdhury Ahana
26/06/2024
টমাস আলভা এডিসন কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি জীবনে ভুল করেছেন? তিনি বলছিলেন, 'অসংখ্যবার!' তা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, 'তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?' উত্তরে এডিসন যে উত্তর করেছিলেন তা এমন, 'মাথায় বুদ্ধি কম ছিলো কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে অসংখ্য গুণ হয়ে গিয়েছে!'
ব্যাপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন । এভাবে সৃষ্ট সফল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে।
কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন, 'ভুল বলে কিছু নেই সবি নতুন শিক্ষা।'
বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, 'কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি।'
'How to change a life' বইটি একবার দ্বিতীয় সংস্করণে নামের ভুলে 'How to change a wife' হয়ে বের হয়েছিলো, তারপর তা বেস্ট সেলার !
কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো নাহলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কি না !
মাঝে মাঝে ভুল লিখো তাহলে যে তোমাকে জিন্দেগীতে কমেন্ট করবে না বলে পণ করেছে সে ও কমেন্ট করবে।
বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, 'উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের একটি সমন্বিত পক্রিয়া।'
বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, 'নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।'
কলিন পাওয়েলের মতে, 'যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না তৈরী হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।'
অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, 'আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ফেইল করেছি বলে আমি আজ সফল।'
হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, 'ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।'
এক প্রেমিকের ভাষ্য, 'ভুল মানুষের প্রেমে পড়া মানে আরেকটি শুদ্ধ মানুষের প্রেমে পড়ার অন্যতম সুযোগ।'
কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না!
যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না!
পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, যাতে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! মুছা না গেলে চিত্র হয় না!
কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে ! তাই কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না!
তাই আসুন আমরা ভুল কে ভুলে গিয়ে আবার নতুনভাবে চেষ্টা করে ফুলের মত জীবন গড়ি।
সংগৃহীত
সুস্থ থাকার মূলমন্ত্র বয়স ৩০ পার হলেই!!
বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার
চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।
পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।
পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।
মানসিক শান্তি বা সুখী হতে সাতটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়,
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা,
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা,
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।
ছয়টি জিনিষের চর্চা রাখুন।
১) অহংকার না করা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা করা ।কিছুক্ষণ হাঁটা নিয়মিত ।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন
সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা,পরনিন্দা
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি
পাঁচটি জিনিষ কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে জল পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,
সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন
“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”
06/05/2024
বড় বোন মেডিকেলে, ছোট বোন বুয়েটে —
তাসনিম তাসনুভা ও সামিহা তাবাসসুম পিঠাপিঠি দুই বোন। হোক পড়ালেখা কিংবা খেলাধুলা-আড্ডা, এক বোনকে ছাড়া আরেক বোনের চলে না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় তাঁদের গন্তব্য হয়ে গেছে ভিন্ন। তাসনুভা মেডিকেল আর সামিহা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ফল প্রকাশের পর দেখা গেল, দুই বোনই সফল। চট্টগ্রাম কলেজের দুই শিক্ষার্থীর একজন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং আরেকজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়ার সুযোগ পেয়েছেন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ৬৭৩তম স্থান অর্জন করেছেন সামিহা। কেমিক্যাল প্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে তাসনুভা ভর্তি হয়েছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে। এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর মেধাক্রম ছিল ৩৪৯তম।
তাসনিম তাসনুভা বলেন, ‘পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রথম অনুধাবন করি, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের সমস্যা সমাধান করতে মজা লাগছে। তখন থেকে চিকিৎসক হওয়ার অনুপ্রেরণা জন্মে।’
আর ছোট বোন সামিহা তাবাসসুম জানালেন, ‘২০১৮ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে গিয়ে সুন্দর এই ক্যাম্পাসের প্রেমে পড়ি। সেদিনই ঠিক করি, এখানে পড়তে হবে।’
পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে দুই বোনেরই আগ্রহ আছে। ছবি আঁকা, রচনা লেখা, কুইজ প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন অলিম্পিয়াডে নিয়মিত অংশ নেন। সামিহা তাবাসসুম জানালেন, অবসর সময়ে তাঁর প্রিয় কাজ বইপড়া। বিশেষত গোয়েন্দা কাহিনিই তাঁকে টানে বেশি।
তাসনুভা হতে চান মানবিক ডাক্তার; মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে বাকি জীবনটা কাটাতে চান। প্রায় একই লক্ষ্যের কথা জানালেন সামিহা, প্রকৌশলী হয়ে তিনি দেশের কল্যাণে কাজ করতে চান।
Alo