Basma Academy

Basma Academy

Share

আমার উদ্দেশ্য কুরআন সুন্নাহর আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা, আর এজন্য প্রয়োজন আরবী ভাষায় নিজেকে দজ্ঞ করে তোলা

09/10/2022

দাখিল পরীক্ষা শেষ ভাবছেন দীর্ঘ অবসরে কীভাবে নিজের প্রডাক্টিভিটি বাড়াবেন?
এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে চিন্তা করছেন কুরআনের গ্রামারটা শিখলে কেমন হয়?
কওমি মাদরাসায় পড়েও কিতাবের ইবারাতে ঠিকঠাক ই’রাব দিতে না পেরে লজ্জিত হচ্ছেন সবার সামনে ?
আপনার উত্তর যদি হয় ‘হ্যাঁ’ তবে আপনার জন্যই আমাদের আয়োজন।
মাত্র তিন মাসে অতীতের সব গ্লানি মুছে , জরা ঘুচে সারফ নাহু ও ই’রাবের আলোকচ্ছটায় জ্বলে উঠতে আজই এনরোল করুন আমাদের নাহু সারফ ও ই’রাব কোর্সে।
কোর্স বৃত্তান্তঃ
- অনলাইন কোর্স
- মেয়াদ- তিন মাস, সপ্তাহে তিনদিন করে মোট ৩৬ টি ক্লাস।
- ক্লাস- দেড় থেকে দুই ঘণ্টা
- সপ্তাহে ৩ টি ক্লাস (বৃহঃবার, শুক্র, ও শনিবার)
- ক্লাস টাইম- সকাল ৮ টা থেকে।
দ্বিতীয় ব্যাচ:
-ক্লাস টাইম- দুপুর ২ টা থেকে।
তৃতীয় ব্যাচ:
-ক্লাস টাইম- রাত ৮ টা থেকে।
-------------------------------
কোর্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ :-
-----------------------------
আরবী ভাষার রিডিং, রাইটিং, স্পিকিং ও লিসেনিং এর যোগ্যতা অর্জন করা।
আরবী বই হরকত ছাড়া পড়ার যোগ্যতা অর্জন করা।
আরবী প্রমিত উচ্চারণে কথোপকথন করতে পারা।
আরবী ভাষার বেসিক লেভেল থেকে শুরু করা।
কোর্সটি যারা করতে পারবে:-
-----------------------------------
১.ক্বওমী মাদরাসা,আলিয়া মাদরাসা ও জেনারেল শিক্ষিত সকলেই কোর্সটি করতে পারবেন।
২.যারা আরবী ভাষার শুরু থেকে শিখতে আগ্রহী।
৩.কোর্সটি ছেলে-মেয়ে সকলের জন্যই । পৃথকভাবে ক্লাস করার সুযোগ।
৪. কোর্স শেষে সনদ প্রদান করা হবে।
ভর্তির যোগ্যতা :
কুরআন শরীফ দেখে দেখে পড়তে পারা।
ভর্তির শেষ তারিখ:
১৪ অক্টোবর ২০২২ ইং।

# ভর্তি ফি: ৫৫০ টাকা। ( পবিত্র রবিউল আউঃ উপলক্ষে ৫০% ডিসকাউন্ট।
আসন নিশ্চিত করতে বিকাশ করুন:
( ০১৮৭৫২৬১১১৫ বিকাশ পারসোনাল) ৫৬০ টাকা।
মাসিক বেতন: ৩০০ টাকা।

- ক্লাস মেথডঃ গুগল মীট
থাকছেঃ
- নাহুর সুশৃঙ্খল শীট
- সরফের পরিপাটি শীট
- কুরআন ও হাদীস থেকে নাহু সারফের ইজরা
- ই'রাব বা তারকীব এর প্র‍্যাক্টিকেল প্রশিক্ষণ
- প্রতিটি ক্লাসের রেকর্ডিং ব্যাকআপ
- হোমওয়ার্ক ও হোমওয়ার্কের ফিডব্যাক
- একাডেমিক গ্রুপে সার্বক্ষণিক সাপোর্ট
যোগাযোগঃ
01884946001
01875261115

05/10/2022

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা !! আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন, যারা নাহু-সরফ শিখতে চান তাদের জন্য আমাদের এই আয়োজন। আজ আমরা আরবি গ্রামারের ইলমুন নাহুর সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করব, চলুন তাহলে প্রথমে জেনে নেই ইলমুন নাহুর পরিচয়।

ইলমুন নাহু একটি যৌগিক শব্দ, ২ টি শব্দ নিয়ে গঠিত প্রথমটি হল علم , দ্বিতীয়টি হল نحوان দুটি মিলে علم انجز ইলমুন নাহু।

ইলম علم শব্দের আভিধানিক অর্থ :
علم ইলম সাব্দিক অর্থ হল জ্ঞান, বা কোন কিছু জানা অথবা অনুধাবন করা
এছাড়াও এর আরো ৪ টি অর্থ রয়েছে
১. কোন কিছুর প্রকৃত বিশ্বাস সম্পর্কে অবগত হওয়া, ২. বিশ্বাস, ৩. আলো, ৪. জ্ঞান ইত্যাদি।

নাহু انحو শব্দের আভিধানিক অর্থ :
১. ইচ্ছা করা, ২. রাস্তা, ৩. মত বা উদাহরণ, ৪. পরিমাণ ইত্যাদি।
ইলমে নাহুর পারিভাষিক অর্থসমূহ :
১. ইলমে নাহু এর গ্রন্থকার সিরাজউদ্দিন ইবনে ওসমান (রহ:) বলেন
ইলমুন নাহু এমন কতিপয় নিয়ম কানুন যার দ্বারা (معرب/পরিবর্তন শীল) ও (مبني/অপরিবর্তন শীল) শব্দ হওয়ার দিক থেকে তিনটি কালেমার শেষের অবস্থা সমূহ জানা যায় এবং বাক্য এর বিভিন্ন শব্দ একটির সাথে আরেকটি সংযোজন করে বাক্য গঠন করার প্রক্রিয়া জানাকেই ইলমে নাহু বলে
তিন কালিমা ১. اسم ২. فعل ৩. حرف

আরো অন্যের মতে,
১. ইলমে নাহু ঐ ইলমকে বলে, যার মধ্যে মুরাব-মাবনী এবং মুফরাদ-মুরাক্কাব হওয়া হিসেবে বাক্যসমূহের পরিচয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
২. রফা, নসব, জর প্রভৃতি দানের ইলমের নাম ইলমে নাহু।

ইলমে নাহুর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য :
আরবী ভাষার শাব্দিক ভূল-ত্রুটি থেকে যেহেনকে বাঁচানোই ইলমে নাহুর উদ্দেশ্য।
ইলমে নাহুর আলোচ্য বিষয় ১
كلمة - শব্দ
২. كلام - বাক্য

ইলমে নাহুর নামকরণ ও গুরুত্ত :
আরবী শাস্রের অন্যতম পাঠ ইলমে নাহু রচনা করেছিলেন হজরত আবুল আসওয়াদ দুয়াইলি (রহ:), আর ইলমে নাহু এই গ্রন্থটি রচনা সূত্র পাত হয়েছিল মহা গ্রন্থ আল কুরআনের ভুল উচ্চারণকে কেন্দ্র করে।
বর্ণিত আছে যে প্রক্ষাত তাবেয়ী আবুল আস ওয়াদ দুয়াইলি (রহ:) জনৈক ব্যক্তিকে মহা গ্রন্থ আল কুরআনের সূরা তাওবার তিন নাম্বার আয়াত তিলওয়াত করতে শুনলেন, আয়াতটি হল:
اَنَّ اللّٰہَ بَرِیۡٓءٌ مِّنَ الۡمُشۡرِکِیۡنَ ۬ۙ وَ رَسُوۡلُہٗ
অর্থঃ নিশ্চই আল্লাহ মুশরেকদের থেকে দায়িত্ব মুক্ত এবং তাঁর রসূলও।
কিন্তুু যে লোকটি তিলওয়াত করতেছিল সে رَسُوۡلُہٗ এর لُ লামে পেশ এর জায়গায় لِ লামে যের দিয়ে পড়ে তাতে করে অর্থের পরিবর্তন আসে। যার অর্থ হয়: নিশ্চই আল্লাহ সকল মুশরেক এবং তাঁর রসূল (স:) থেকে দায়িত্ব মুক্ত, নাউযুবিল্লাহ ।
এরকম কুরআন তিলওয়াত শুনে হজরত আবুল আসওয়াদ দুয়াইলি (রহ:) অত্যান্ত রাগান্বিত হন, এবং তিনি বলেন যে এরূপ পড়া কুফুরী।
পরবর্তীতে তিনি হজরত আলী (র:) এর নিকট উপস্তিত হন এবং এই বিষয়ে আলোচনা করে বলেন সাধারণ মানুষ আরবী না জানার কারনে এরূপ কুফুরীর মধ্যে পরে যাচ্ছে, তাই তিনি বলেন আমার ইচ্ছে হয় আরবী ভাষা ভাষির জন্য এমন কিছু নিয়ম পদ্দতি প্রণায়ন করি যাতে করে তারা নিজেদের ভাষাকে অর্থাৎ কোরআনকে শুদ্ধ করে নিতে পারবে।
এটা তিনি হজরত আলী (র:) এর কাছে আরজি পেশ করেন, তারপর হজরত আলী (র:) তাহাকে অনুমতি দিয়ে বলেন اُقْصُدْ نَحْوَ অর্থাৎ আপনি অনুরূপ করুন।
পরবর্তীতে হজরত আবুল আসওয়াদ দুয়াইলি (রহ:) আরবী ভাষা বা কুরআন তিলওয়াতের কিছু পদ্দতি রচনা করে নীয়ম পদ্যতি সম্বলিত ব্যাকরণ এর নাম দিলেন ইলমুন নাহু।
এর কারণ হলো হজরত আলী (র:) এর মুখ দিয়ে উচ্চারিত اُقْصُدْ نَحْوَ নাহু শব্দটিকে তিনি বরকত
মনে করে তিনি এই গ্রন্থের নামকরণ করেন ইলমুন নাহু।

ইলমুন নাহু শেখার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন

04/10/2022
04/10/2022

যান্ত্রিক সভ্যতার এই যুগে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আমার মোবাইলের মিনিট ও ইন্টারনেটের এমবি যেন আমার কবরের শাস্তির কারণ না হয় সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

04/10/2022

বর্তমান সময়ে দ্বীন চর্চা, দ্বীনের লালন, দ্বীনকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ ও ধারণ করার ক্ষেত্রে যুবকদের করণীয়।
১- যুবকদেরকে আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হবে। নিজস্ব মাসলাক, মাশরাব, মানহাজের দিকে অন্ধত্বের সহিত চললে হবে না। বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করাই হলো আদর্শ মু'মিন যুবকের বৈশিষ্ট্য।
২- অন্তর থেকে দুনিয়ার যশ-খ্যাতি, দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত মোহ আর আগ্রহের অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে।
৩- কর্ম জীবনে হালাল-হারাম পরখ করে চলতে হবে। হারাম ব্যবসায় বা হারাম চাকুরী কিংবা হারাম কর্মসংস্থান বা হারাম কর্মস্থল পরিহার করতে হবে। সর্বদা হালাল রুজিরোজগারের অনুসন্ধানে থাকা ও হালাল রুজির ভেতর দিয়ে চলার মধ্যেই নিজের শান্তি ও স্বার্থ দেখতে হবে।
৪- কুরআন-সুন্নাহ'র সঠিক ইলিম অর্জন করতে হবে। কুরআন-সুন্নাহের জ্ঞানের পাশাপাশি আবহমানকালের সংস্কৃতি, উপমহাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, রাজনৈতিক জ্ঞান, ইসলামী অর্থনীতির পাশাপাশি পূঁজিবাদী অর্থনীতির অসারতা, ইসলামী দর্শনের পাশাপাশি চলমান অন্যান্য দর্শনের ব্যুৎপত্তি নির্ণয়, সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে অবগতি, শেষ জামানার উত্থান-পতন, আখেরি জামানার ফিতনা সম্পর্কে পূর্ণ জানাশোনা থাকতে হবে।
৫- চলমান সকল ভ্রান্ত ধারণা পোষণকারী বাতিল ফেরকা বা দল সম্পর্কে পড়াশোনা করে পূর্ণ জানাশোনা থাকতে হবে। পাশাপাশি তাদের অসারতা জাতির সামনে উপস্থাপন করতে ইসলামের আলোকে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক পূর্ণ দালীলিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
৬- 'ফেরাকে বাত্বেলা'র পাশাপাশি 'আদইয়ানে বাত্বেলা' সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে, পাশাপাশি তাদের মিশন ও ভিশন সম্পর্কে জেনে তাদের ক্ষতি থেকে জাতিকে সুরক্ষা করতে ইসলামের দাওয়াহ’র ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ কিভাবে গ্রহণ করতে হবে তার পূর্ণ পদ্ধতি সম্পর্কে অবগতি অর্জন করতে হবে পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।
৭- কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক ইলম অর্জন করার পর সে অনুযায়ী আমল করতে হবে। কারণ ইলম অর্জন করে সে অনুযায়ী আমল করলে ভেতরে নূর পয়দা হয়, আর ভেতরে নূর আসলেই দ্বীনি ময়দানে দায়ী হওয়া যায়, পাশাপাশি দিলের মধ্যে উম্মতের জন্য দরদ তৈরি হয়, আর দিলে দরদ থাকলে দেমাগের মধ্যে ফিকির আসবে, আর ফিকিরযুক্ত মস্তিষ্ক হলে সেই দাওয়াতের মাধ্যমেই উম্মতের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব হবে। তাই প্রকৃত দায়ী হওয়ার জন্য দরদী দিল আর ফিকিরওয়ালা মগজ অবশ্যই দরকার।
৮- ব্যাপকভাবে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্য দাওয়াতের কাজ করতে হবে জনসাধারণের মধ্যে, আর এই দাওয়াতে ক্ষেত্রে প্রথমে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে আল্লাহর তাওহীদ, আল্লাহর উলূহিয়্যাত, আল্লাহর রুবুবিয়্যাত, রাসূলের রেসালাত, রাসূলের শ্রেষ্ঠত্ব, রাসূলের শেষ নবী হওয়ার অকাট্যতা এসব বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে দাওয়াতের ময়দানে অগ্রসর হতে হবে।
৯- দ্বীনি কাজে সহযোগিতা করা, সহমর্মিতা প্রকাশ করা, দ্বীনি কাজে সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ানো সবকিছুর মধ্যে 'ইখলাস' পূর্ণরূপে থাকতে হবে। মোটকথা দ্বীনি কাজের সবক্ষেত্রে ইখলাস'র চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করতে হবে। কেননা ইখলাসহীন কোন কাজের ই স্থায়িত্বতা নেই। দ্বীনের ক্ষেত্রে ইখলাস ছাড়া যত কাজই হোক না কেন, সব কাজই অবান্তর বলে বিবেচিত হয়ে থাকে।
১০- চর্চা, পরিচর্চার দ্বারা মু'মিন যুবকদের আচার-উচ্চারণে উন্নতি ঘটাতে হবে। উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হবে। আল্লাহর অপর কোন মুমিন বান্দা তো দূরের কথা কোন অমুসলিম কিংবা আল্লাহর অন্য কোন সৃষ্টিও যেন কোন ধরনের কষ্টের সম্মুখীন না হন সে বিষয়ে প্রতিটি মু'মিনকে সতর্ক থাকতে হবে।
১১- লেনদেন, মোয়ামালার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সততা আর নিষ্ঠার সর্বোচ্চ প্রয়াস চালাতে হবে লেনদেনের ক্ষেত্রে। লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ থাকা একজন প্রকৃত মু'মিনের গুণ। তাই কোনভাবেই যেন লেনদেনের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতা, অস্পষ্টতা পরিলক্ষিত না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি থাকা চাই।
১২- মু'মিন যুবকের বাহ্যিক আচরণের উন্নতির পাশাপাশি আভ্যন্তরীণ তথা আধ্যাত্মিক উন্নতি একান্তভাবেই প্রয়োজন। তাই অন্তরের কলূষতা দূর করতে, অন্তরের রুগের নিরাময়ের জন্য একজন প্রকৃত আল্লাহওয়ালার সাথে সান্নিধ্য অর্জন, তাঁর সাথে গভীরভাবে সখ্যতা গড়ে তোলার পাশাপাশি সুন্দর ইসলাহী সম্পর্ক মজবুত করতে হবে। যাতে দ্বীনি কাজে কখনো পদস্খলন কিংবা পদচ্যুতি হলে সাথে সাথে যেন এই 'ইসলাহী মোরব্বী' যুবক মু'মিনকে সংশোধন করে সঠিক চিন্তার বিষয়ে সবক দিতে পারেন।
১৩- গোনাহের পথ ও গোনাহের কাজ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে, গোনাহের পথ ও কাজের প্রতি অন্তরে ঘৃণা ও অবজ্ঞা লালন করতে হবে। নেক ও পূণ্য কাজের প্রতি অন্তরে ভালোলাগা ও ভালোবাসা লালন করতে হবে।
১৪- সর্বদা দ্বীনের রাস্তায় চলার জন্য নামাজের পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দোয়ার মাধ্যমে সাহায্য কামনা করতে হবে। দোয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই দোয়ার আমল সবসময় চলমান রাখতে হবে। দ্বীনি যেকোন কাজ করার আগে দোয়ার আমল অবশ্যই দরকার। তাই আল্লাহর কাছে দোয়া যেন প্রতিটি যুবক মুমিনের একান্ত আবশ্যিক কাজ বলে পরিগনিত হয়।
১৫- ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনের জন্য নিজের সকল মেধা, শ্রম ও সময় ব্যয় করতে হবে। কারণ ইসলামি সমাজ গঠনের পূর্বশর্তই হলো ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠন। তাই বিবেধের যত পথ ও মত আছে সবগুলোকে পেছনে ফেলে একনিষ্ঠতার সহিত অন্যকে সম্মান ও প্রাধান্য দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে সমাজে ঐক্যের কাজ করতে হবে।
১৬- যারা দ্বীনের রাস্তায় সঠিকভাবে সংগ্রাম করতেছেন তাঁদেরকে দ্বীন প্রতিষ্ঠার একেকজন নাবিক মনে করে তাঁদের উন্নতি ও সফলতার জন্য সবসময় আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে এবং সাধ্যমতো তাদেরকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।
১৭- আল কুরআনের আলোকে ইহুদি, খ্রিষ্টান, ও মুশরিকদেরকে সবসময়, সকল অবস্থায় নিজেদের প্রকাশ্য শত্রু জ্ঞান করতে হবে। তাদের সাথে সুন্দর আচরণ প্রদর্শন করা মুসলিম হিসেবে অবশ্যই একটা দায়িত্ব তবে মুমিন যুবকের দুনিয়াবী স্বার্থে তাদের সাথে গভীরভাবে সখ্যতা গড়ে না তোলা চাই। বরং দ্বীনে ইসলামের আলোকে কুরআন সুন্নাহভিত্তিক তার সাথে যোগাযোগ ও আলাপ-আলেচনা অব্যাহত রাখা, যাতে করে সে মু'মিন যুবকের আখলাক দেখে বিমুগ্ধ হয়ে দ্বীনে ইসলামে আসতে পারে। মোটকথা; তাদের সাথে সম্পর্ক হবে শুধুমাত্র ইসলামের দাওয়াহ’র স্বার্থে।
১৭- গরীব, অসহায়, বিধবা, সন্তানহীন বৃদ্ধ বাবা-মা, সহায়হীনদের পাশে প্রতিটি যুবক মু'মিনের সাধ্যমতো দান সাদাকার মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়ানো। রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মধ্যে অধিক পরিমাণে দান করার গুণটি প্রতিটি যুবক মু'মিনের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে।
১৮- অর্থনৈতিক সেক্টরে প্রতিটি যুবক মু'মিনের স্বাবলম্বী হতে হবে। কারণ দ্বীনের কাজ করতে হলে আবেগ, উদ্যমের পাশাপাশি অর্থেরও প্রয়োজন। তাই সমাজের মধ্যে প্রভাব বিস্তার ও যুবকের দাওয়াতে অন্যরা প্রভাবিত হতে হলে হালাল সম্পদেরও প্রয়োজন। যা পেছন থেকে প্রভাবক হিসেবে কাজ করতে সহযোগিতা করবে।
১৮- জায়োনিষ্টদের সকল পণ্য বয়কট করে তাদের প্রতি যে ঘৃণা ও অবজ্ঞা পোষণ সেটার চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। তাদের অর্থনীতির উন্নয়নে আপনি একজন প্রকৃত মুমিন হয়ে পারতপক্ষে যেন কোন ভূমিকা পালন না করেন সেদিকে সবিশেষ নজর রাখতে হবে। কেননা জায়োনিষ্টদের ব্যবসার লভ্যাংশের শতভাগের পাঁচ ভাগ দিয়ে থাকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রতিষ্ঠা ও ইসলামি সংস্কৃতি, ইসলামি মূল্যবোধ ও শক্তিকে খর্ব করার জন্য। সুতরাং এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা চাই।
১৯- পারিবারিক ভাবে মহিলাদের মধ্যে ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ঘরোয়া তা'লীমের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ একজন মা দ্বীনদার হলে অবশ্যই পরবর্তী প্রজন্ম দ্বীনদার হওয়া সহজ হয়ে যায়।
২০- যান্ত্রিক সভ্যতার এই যুগে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আমার মোবাইলের মিনিট ও ইন্টারনেটের এমবি যেন আমার কবরের শাস্তির কারণ না হয় সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Gulshan
Dhaka
1212