22/11/2025
Please watch this before you go #engagement #Japan #japantour #japantraveltips
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from IQra’, Education, Dhaka.
জিয়ার আদর্শ,খালেদা জিয়ার আদর্শ,শেখ মুজিবের আদর্শ কখনো কি শুনেছেন মাওলানা মওদুদীর আদর্শের সৈনিক ?
আদালত থেকে খলিফা হারুন অর রশিদের নিকট চিঠি এলো: শহরের বিচারক এক মাস যাবত অসুস্থ। এজন্য বিচারকাজ স্থগিত আছে। খলিফা যেন দ্রুত বিচারক নিয়োগের ব্যবস্থা করেন।
হারুন অর রশিদ চিঠির জবাব পাঠালেন:
অতি শীঘ্র নতুন বিচারক কাজে যোগদান করবেন।
কয়েকদিন পরের কথা। নতুন বিচারকের অধীনে বিচার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রহরীরা একজন বৃদ্ধ মহিলাকে আসামী হিসেবে দরবারে হাজির করলেন। তার অপরাধ তিনি শহরের এক রেস্তারাঁ থেকে রুটি আর মধু চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন।
বিচারক: আপনি চুরি করেছেন?
বৃদ্ধা: (মাথা নিচু করে) জি।
– আপনি কি জানেন না চুরি করা কত বড় পাপ?
– জানি।
– জেনেও কেন চুরি করলেন?
– কারণ আমি গত এক সপ্তাহ যাবৎ অনাহারে ছিলাম । আমার সাথে এতিম দুই নাতিও না খেয়ে ছিল। আমি ওদের ক্ষুধার্ত চেহারা এবং কান্না সহ্য করতে পারিনি, তাই চুরি করেছি। আমার কাছে এ ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।
বিচারক এবার পুরো এজলাসে চোখ বুলালেন। এরপর বললেন, "কাল যেন নগর প্রধান, খাদ্যগুদাম প্রধান, বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ আদালতে উপস্থিত থাকেন। তখন এই মামলার রায় দেওয়া হবে।"
পরদিন সকালে সবাই হাজির। বিচারকও যথাসময়ে উপস্থিত হলেন। সবার সামনে তিনি রায় ঘোষণা করলেন:
বৃদ্ধা মহিলার চুরির অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১ বছর কারাদণ্ড, ৫০টি চাবুক এবং ১০০ দিনার অর্থদণ্ড প্রদান করা হলো।
তবে অকপটে সত্য বলার কারণে কারাদণ্ডের সাজা মাফ করা হলো। বিচারক প্রহরীকে চাবুক আনার নির্দেশ দিয়ে নিচে নেমে ওই বৃদ্ধ মহিলার পাশে দাঁড়ালেন।
বিচারক বললেন, "যে নগরে একজন ক্ষুধার্ত বৃদ্ধ মহিলা না খেতে পেয়ে ক্ষুধার যন্ত্রণায় চুরি করতে বাধ্য হয়, সেখানে তো সবচেয়ে বড় অপরাধী সে দেশের খলিফা। আর আমি এসেছি খলিফার প্রতিনিধি হয়ে। আমি যেহেতু তার অধীনে চাকরি করি তাই ৫০টি চাবুকের ২০টি আমার হাতে মারা হোক। এটাই হলো বিচারকের আদেশ। আদেশ যেন অবিলম্বে পালন করা হয় এবং বিচারক হিসাবে আমার উপর চাবুক মারতে যেন কোনো রকম করুণা বা দয়া দেখানো না হয়।"
বিচারক তার হাত বাড়িয়ে দিলেন । দুই হাতে পর পর ২০টি চাবুক মারা হলো। চাবুকের আঘাতের বিচারকের হাতের তালু থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। ওই অবস্থায় তিনি পকেট থেকে একটি রুমাল বের করলেন। কেউ একজন তার তালু বাঁধার জন্য এগিয়ে গেলে তিনি হাত উঁচু করে নিষেধ করলেন।
এরপর বিচারক বললেন, "যে শহরে নগর প্রধান, খাদ্য গুদাম প্রধান ও অন্যান্য সমাজ হিতৈষীরা একজন অভাবগ্রস্ত মহিলার ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হন, সেই শহরে তারাও অপরাধী। তাই বাকি ৩০টি চাবুক সমানভাবে তাদেরকে মারা হোক।"
বিচারকের আদেশ পালন করা হলো।
এবার বিচারক উপস্থিত সবাইকে বললেন, "যে সমাজ একজন বৃদ্ধ মহিলাকে চোর বানায়, যে সমাজে এতিম শিশুরা অনাহারে থাকে, সে সমাজের সবাই অপরাধী। তাই উপস্থিত সবাইকে ১০০ দিনার করে জরিমানা করা হলো।"
এই বলে তিনি নিজের পকেট থেকে ১০০ দিনার বের করে রুমালের ওপর রাখলেন। সবাই জরিমানার টাকা জমা দেবার পর গুনে দেখা গেল প্রায় ১০,০০০ দিনার হয়েছে।
তখন তিনি ওই ১০,০০০ দিনার থেকে ১০০ দিনার জরিমানা বাবদ রেখে ৫০ দিনার চুরি যাওয়া দোকানের মালিককে দিলেন। অবশিষ্ট ৮,৫০০ দিনার বৃদ্ধ মহিলাকে দিয়ে বিচারক বললেন, "এগুলো আপনার ভরণপোষণের জন্য। আর আগামী মাসে আপনি খলিফা হারুন অর রশিদের দরবারে আসবেন। খলিফা আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী!"
এক মাস পরে বৃদ্ধা খলিফার দরবারে গিয়ে দেখেন, খলিফার আসনে বসা লোকটিকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে। মহিলা ভয়ে ভয়ে খলিফার আসনের দিকে এগিয়ে যান। কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন লোকটি সেদিনের সেই বিচারক। খলিফা চেয়ার থেকে নেমে এসে বললেন, "আপনাকে ও আপনার এতিম দুই নাতিকে অনাহারে রাখার জন্য সেদিন বিচারক হিসেবে ক্ষমা চেয়েছিলাম। আজ দরবারে ডেকে এনেছি প্রজা অধিকার সমুন্নত করতে না পারায় অধম এই খলিফাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য। আপনি দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।"
#সংগৃহীত ्व
29/10/2025
27/10/2025
সাংবাদিক হওয়ার আগে মানুষ হওয়াটা সবচেয়ে জরুরি
নাম যেমন মধুর, মুখের রেখা যেমন পরিপাটি ভেতরের চরিত্র তার চেয়েও বেশি কদাকার।
যে মানুষ “জুলাই যোদ্ধা”দের র /ক্তের উপর দাঁড়িয়ে ঠাট্টা করতে পারে, সে শুধু এক প্রজন্মকেই নয় দেড় হাজার শহীদের আত্মত্যাগকেও উপ /হাস করে। এই উপহাসের হাসিতে লুকিয়ে আছে র /ক্তের প্রতি বিদ্রোহ, শহীদের প্রতি অবমাননা।
দেড় যুগ ধরে দেখেছি, ক্ষমতার বাইরে থাকা মানুষদের ডেকে এনে অবান্তর প্রশ্নে অপদস্থ করাই যেন তার কাজ। অতিথিদের শান্তভাবে কথা বলার সুযোগও দিতে জানেন না যেন সত্য নয়, শো-টাই তার নেশা।
কথাবার্তায় একটু সাবধানি হোন। ২৪-এর আন্দোলন, এই প্রজন্মের জাগরণে আপনার কোনও অবদান নেই, তাই উপহাস করারও অধিকার আপনার নেই।
আপনাকে দেখলে মনে হয় সাংবাদিক হওয়ার আগে প্রকৃত মানুষ হওয়াটা ছিল আপনার সবচেয়ে জরুরি কারন
আল্লাহ অহংকারী ও আত্মগর্বিত কাউকে ভালোবাসেন না।
সূরা লুকমান, আয়াত ১৮
NouMuslim Muhammad Raj
জামাতকে রাজাকার বলে বিএনপি নেতা কর্মীরা এটা আমার কাছে একটা অষ্টম আশ্চর্য মনে হয়।
বিএনপির প্রথম প্রধান মন্ত্রী ছিল শাহ আজিজুর রহমান। তিনি ৫২ ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন। এবং ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে জাতি সংঘের অধিবেশনে যোগ দিয়ে, জোর গলায় বলেছিলেন,আমি একজন বাঙালী হয়ে বলছি ,২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান ঢাকায় কোন গনহত্যা চালায় নি।। স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে শহ আজিজুর রহমান রাজাকার আইনে গ্রেফতার হয়ে ২ বছর জেল খাটে । ১৯৭৩ সালে শর্ষিনার পীরের বিশেষ অনুরোধে শেখ মুজিব শাহ আজিজুর রহমানকে মুক্তি দেয় এবং ১৯৭৬ সালে মুসলিমলীগ ও প্রতিটি জেলার সকল রাজাকারদের নেতা কর্মী ও সমর্থক নিয়ে সে একটা দল গঠন করে যার নাম দেয় জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট। কয়েক মাসের মধ্যেই দলটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
অন্য দিকে বিএনপির প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় সিনিয়র মন্ত্রী ছিল মশিউর রহমান যাদু মিয়া নামে আরেক রাজাকারের বড়ো নেতা যিনি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাজাকার আইনে ৫ বছর জেল খাটে। শেখ মুজিবের মৃত্যু পরে ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে সে মুক্তি পায়।এবং মুক্তি পেয়ে মাওলানা ভাসানীর দলে যোগ দেয়।১৯৭৬ সালে মওলানা ভাসানীর মৃত্যু হলে মশিউর রহমান যাদু মিয়া ভাসানীর দল ন্যাপ এর প্রধান নির্বাচিত হয়।
এখন আসি মুল কাহিনীতে। ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা ঘোষণা করে জিয়াউর রহমান 'জাগদল" নামে একটা দল গঠন এবং বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক সভা সমাবেশ শুরু করে। কিন্তু জিয়াউর রহমানের সভায় যদি ১০ হাজার মানুষ আসে তবে ঐ একই জায়গায় মশিউর রহমান যাদু মিয়া বা শাহ আজিজুর রহমান সভা সমাবেশ করে তবে মানুষ আসে ৪০ হাজার। বিষয়টি জিয়াউর রহমানকে ভাবিয়ে তোলে এবং সে বুঝতে পারে শোষণ মুক্তির নামে স্বাধীনতা আর স্বাধীনতার পরে মুজিবের শোষণ লুটপাট ও দুঃশাসনে লক্ষ লক্ষ মাুনষের অনাহারে মৃত্যু হয়, চাঁদাবাজি, শহর ও গ্রামে গ্রামে মুক্তি যোদ্ধাদের ডাকাতি, চোখের সামনে চিকিৎসা বিহীন গরীব মানুষের মৃত্যু। এসব দেখতে দেখতে ঐ সময় সাধারণ মানুষ হয় ক্লান্ত। তারা বলতো আমরা তো পাকিস্তানি শাসন আমলেই অনেক ভালো ছিলাম। কই তোমাদের সস্তা চাল ,কোথায় তোমাদের কম দামের কাপড়? কোথায় তোমাদের ফ্রী চিকিৎসা, তোমারা আসলে ধোঁকাবাজ খুনি, লন্ঠনকারী, সাথে ভারতের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া , বাংলাদেশের মানুষ ভালো ভাবে নেয়নি । ফলে মুক্তি যোদ্ধা জিয়াউর রহমানকে সাধারণ মানুষ ভালো ভাবে নেয়নি। জিয়াউর রহমানও এটি উপলব্ধি করে যে আগামীতে নির্বাচন হলে রাজাকার বাহীনির কাছে সে নিশ্চিত পরাজিত হবেই হবে। ফলে রাজাকার বাহীনির মশিউর রহমান যাদু মিয়া ও শাহ আজিজুর রহমানকে তার জাগদলে যোগদান করতে প্রস্তাব দেয়, তারা উল্টো জিয়াউর রহমানকে দলের নাম পরিবর্তন করার জন্য প্রস্তাব দেয়, জিয়াউর রহমান রাজি হলে জাগদল বিলুপ্ত করে,এবং স্বাধীনতা পরবর্তী এই দুই রাজাকার প্রধানকে সাথে নিয়ে ১৯৭৮ সালে ১ সেপ্টেম্বর নতুন একটা দল গঠন করে যার নাম হয় "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি)।" এতেই বিএনপির কপাল খুলে যায়। সারা বাংলাদেশের সকল মানুষ ও রাজাকাররা দলবেঁধে বিএনপিতে যোগদান করে এবং জিয়াউর রহমানের দল হয় এক বিশাল দল এবং বিএনপি হয় ব্যাপক জনপ্রিয় একটা দল।
ঐ একই সময় জিয়াউর রহমান আব্বাস আলী খান সাহেবকেও নবগঠিত বিএনপিতে যোগদানের প্রস্তাব করলে জামাতের ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্বাস আলী খান সাহেব রঃ পাল্টা প্রস্তাব দেয়, জিয়াউর রহমানকে। জিয়াউর রহমান আপনি যদি কোরআন দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন তাবে জামাত বিএনপিতে যোগ দিতে রাজি আছে। কিন্তু জিয়াউর রহমান ও রাজাকার বাহীনির প্রধানরা এ প্রস্তাব সরাসরি না করে দেয়।
ফলে জামাত একা একটি দল হয়ে পরে।
জামাত স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তান হতে আলাদা হওয়ার ঘোর বিরোধী ছিল। তারা আল বদর বাহীনি নামে একটা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী বাহিনী তৈরি করেছিল। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর কিছু দিনের মধ্যে তা নিষ্ক্রিয় করা হয়। যদিও জামাত দল হিসেবে ঐ সময় সবচেয়ে ছোট একটা দল ছিল কিন্তু যুদ্ধ শুরু হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতির কথা চিন্তা করে, জামাত নেতারা একবার পাকিস্তানকে আর একবার মুজিবকে যুদ্ধ না করে, ডিপ্লোমেটিক ভাবে সমস্যার সমাধান করার জন্য বার বার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু জামাত সরাসরি কোন পক্ষের হয়ে যুদ্ধ করেনি। কাহার সম্পদ লুটপাট করেনি, বা খুন করেনি , ধর্ষণ করে নি। যার স্বাক্ষী কয় মাস আগে বীর বিক্রম উপাধি প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল অলি আহমদ,আ স ম আব্দুর রব,মেজর হাফিজ সহ অনেক মুক্তি যোদ্ধারাই দিয়েছে। অকপটে স্বীকার করেছেন জামাত কোন যুদ্ধ অপরাধ করেনি কিন্তু ভারতীয় মিডিয়া ও আওয়ামী লীগের দালাল মিডিয়া বার বার জামাত ও জামাত নেতাদের চরিত্র হনন করেছে এবং বিভিন্ন মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা চালিয়ে জামাতকে যুদ্ধ অপরাধী ট্যাগ দিয়েই চলছে গত ৫৫ বছর।
তথ্যসূত্র:
ভাসানী-মুজিব-জিয়া। বাংলাদেশ: শ্রীহট্ট প্রকাশ। পৃ. ৪৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯৩০২৭২৮।
জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিসভা ১৯৭০-৯১
"রহমান, শাহ আজিজুর"। বাংলাপিডিয়া। ১৭ এপ্রিল ২০১৫। ৫ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৩।
"দৌলতপুর উপজেলার পটভূমি"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৪।
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা (১২ অক্টোবর ২০২০)। "সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমানের স্ত্রী ও মেয়ের ইন্তেকাল, বিএনপির শোক"। দৈনিক নয়াদিগন্ত। ৫ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৩। {{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: |শেষাংশ= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
"নিউ এজ পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধ"। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০০৬।
"প্রথম আলো ২৬ শে মার্চ,২০০৮-সবুর-শাহ আজিজদের মুক্ত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু"। ২১ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহীত