30 Minute School

30 Minute School

Share

আমাদের এই পেজ এর মাধ্যমে আমরা ছাত্র/ছাত্রীদের কে যে কোন বিষয়ে সাহায্য করার চেষ্ঠা করি।

28/05/2026

ভুলে চাপ লেগে পোস্ট হয়ে গিয়েছে… 🤭😉!!

রাগ করলা?

24/05/2026
24/05/2026

আপনার পছন্দের ফুটবল টিম কোনটি ? আমার পছন্দের ফুটবল টিম আর্জেন্টিনা এবং স্পেন।

20/05/2026

মধ্যবিত্তকে সুরক্ষার একমাত্র মাধ্যম শিক্ষা। পড়াশোনা ঠিকমতো করলে অন্তত টিউশনি করে হলেও চলা যাবে।

আজ যারা দুনিয়াটাকে ফুটবল ভেবে ঠিকমতো পড়াশোনা করছে না, পরীক্ষায় বসছে না কিংবা লাইব্রেরির দিকে হাঁটছে না—তাদেরকে মাত্র বছর পনেরো পরে দেখো। দুনিয়াই তাদেরকে ফুটবল বানাবে। এর ওর কাছে হাত পাতবে, সাহায্য চাইবে, করুণা ভিক্ষা করবে।

শিক্ষা বলতে কেবল বই, স্কুল এবং সার্টিফিকেট অর্জনকে বলছি না। দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া দরকার। পৃথিবীর আগামী হবে দক্ষতানির্ভর। জীবন ও জীবিকার জন্য যেকোনো এক অথবা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হতেই হবে। ছাত্রজীবনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে উৎসব-উল্লাস করে কাটালে পরিণামে দুঃখ বোধ করতেই হবে। উত্তরাধিকারসূত্রে যদি টাটা-বিরলার সন্তান না হও, তবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।

সম্প্রতি গুলতেকিন খানের একটি লেখার শেষ লাইনে—“জীবনে যত ঝড় আসুক, পড়াশোনা শেষ করতেই হবে”—চোখ আটকে গেছে। হৃদয় কেড়ে নিয়েছে এই বাক্যটি। দিনভর ভাবাচ্ছে।

বিশ্বের কত দেশের তরুণ-তরুণীরা হাজারো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য দেশে-বিদেশে ছুটছে। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রায় দুয়ারে দুয়ারে। রাষ্ট্রীয়ভাবে নাগরিক সেবায় নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং শিক্ষা উপকরণে বিশেষ কোনো অপ্রতুলতা নেই।

দুঃখ শুধু, শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। অভিভাবককে লেগে থাকতে হয়, শিক্ষকদের রোজ খোঁজ নিতে হয়—তারপরেও শিক্ষার্থীদের পড়ায় মনোযোগ নেই। আজকালকার শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজ্যের সব কাজ তরানো যায়, কেবল পড়াশোনা বাদে।

শহরের গ্রন্থাগারগুলো পাঠকের অভাবে ধুঁকছে, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক গল্প-উপন্যাস খোঁজে না। শিক্ষার্থীরা শ্রেণি-পাঠ্যের গাইড বই ছাড়া অন্য কোনো ভালো বইয়ের নাম জানে না! সারা বাংলাদেশের প্রায় একই চিত্র। ক্লাসে উপস্থিতি নেই। পরীক্ষার খাতা পড়ে নম্বর দিলে পাশ করানো কঠিন। হোমওয়ার্ক দিলে সে শিক্ষক অপ্রিয় হয়ে ওঠে।

নানা সমীকরণ মিলিয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট টিউটরের কাছে যায়। মোটকথা, পেছন থেকে তাগিদ না দিলে সন্তান পড়ছে না। যারা অভিভাবক হিসেবে সচেতন, শুধু তাদের কতিপয় সন্তানেরা ভালো করছে। বাকিদের অবস্থা গতানুগতিক—কেবল সার্টিফিকেট সর্বস্ব পড়াশোনা। এহেন পড়াশোনা জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দিচ্ছে।

ছেলের মাস্টার্সের সার্টিফিকেট আছে, কাজেই তার দ্বারা কৃষিকাজ হবে না; শ্রমিক ভিসায় বিদেশে যেতে পারবে না। ফলাফলে দেশে লাখ তিরিশেক বেকার।

মেয়ে অনার্স-মাস্টার্স পাশ, তবুও বিয়ে হচ্ছে না। বয়স এবং শিক্ষা মিলিয়ে পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলাফলে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

আজ যারা নামকাওয়াস্তে পড়াশোনা করছে, তাদের সামনের দুর্দিন তারা অনুধাবন করতে পারছে না। ঠিকমতো পড়াশোনা না করলে সার্টিফিকেট গলার কাঁটা হবে।

কাজেই মধ্যবিত্ত থেকে উত্তরণের জন্য দক্ষতানির্ভর পড়াশোনা করতে হবে। আর কিছু না হোক, শিক্ষার নিজস্ব মূল্য আছে। পরিণামে যদি ধ্বংসও থাকে, তবুও তা যদি শিক্ষিতের পন্থানুসরণে হয়—তাহলে তা সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

বারবার বলি, পড়াশোনায় মনোযোগী হও। রোজ নিজেকে অতিক্রম করো। পড়াশোনা কোনোদিন কাউকে ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করেনি। পড়াশোনায় ভালো না হলে সারা দুনিয়া তোমাকে লজ্জা দেবে।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে স্বাক্ষর না হলে রোজ পিছিয়ে পড়বে। নিজেকে আবিষ্কারের জন্য, জাত চেনানোর জন্য বই মানুষকে পথ দেখায়। যারা তোমায় পড়তে বলে, রোজ নতুন কিছু শিখতে বলে—তাদের কথা ও ভাষা এই সময়ে তিক্ত ঠেকতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে আফসোস করবে।

মাত্র কয়েকটি বছর জ্ঞানসাধনায় ব্যয় করলে সারাজীবন সুখেই যেতো। জ্ঞানের নিজস্ব আলো আছে। সকল সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণের জন্য জ্ঞান পথ সৃষ্টি করে। যারা জ্ঞানী এবং যারা জ্ঞানী নয়—তারা কোনোভাবেই এক নয়।

অশিক্ষিত মানুষ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হলে তা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়। সম্পদ যদি সুপথে ব্যয় করা না যায় তবে তা ধ্বংস অনিবার্য করে।

সেজন্য শিক্ষিতজন সীমিত সম্পদের মালিক হলেও, সেসব সুষম বণ্টনের মাধ্যমে সুখ-প্রশান্তি নিশ্চিত করতে পারে। অশিক্ষিত ধনবান অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসুখী।

শিক্ষার্থীরা, পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। শিক্ষা অর্জনে ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’ সূত্রে দশটি বছর বিনিয়োগ করো। বাকি সত্তর বছর সেটার ফল পাবে। উত্তরাধিকারের জন্য রেখে যেতে পারবে সোনালি দিন।

তুমি অন্ধকারে থেকে এই সমাজের কাউকে আলোর সন্ধান দিতে পারবে না। অথচ প্রত্যেকের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বলে হওয়ার সুযোগ ছিল।

শিক্ষা সেই সুযোগ সবার সামনে এনেছিল। কেউ হাত বাড়িয়ে নিয়েছে, কেউ পিঠ দেখিয়ে অবহেলা করেছে। কে জিতেছে আর কে ঠকেছে—ইতিহাস থেকে শিখো।

আজ যারা সঠিক পথে নেই, চাইলেই কাল পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। শিক্ষা সবসময় দ্বিতীয় সুযোগ দেয়, যদি মনোযোগী হও।

শিক্ষা আলোর পথ, যার পাশে হেঁটে তুমি হতে পারো উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিজেকে গড়ার শ্রেষ্ঠ সময় হলো আজ, এখন। বিলম্ব মানেই পিছিয়ে যাওয়া।

পড়ো, শিখো, জ্ঞানী হও—কারণ অন্ধকারে আলোর খোঁজ শুধুই বিভ্রম।

20/05/2026

একজন শিক্ষক বলতেন— জীবনে যা কিছুই করো না কেন, নিজের সুখের চাবিকাঠি অন্য কারো হাতে তুলে দিও না। কখনোই কারো ওপর এত বেশি নির্ভরশীল হবে না যে, তাদের সামান্য অবহেলাতেই তোমার মন খারাপ হয়ে যায়, বিশেষ করে মানসিকভাবে।

তোমার মন খারাপ? তাহলে তোমার যেটা ভালো লাগে প্রয়োজনে পবিত্র গ্রন্থ পড়ো, হেমন্তের গান শুনো, নিজের জন্য এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বানাও, বিকেলের মিষ্টি রোদে আপনমনে হাঁটো, কিংবা প্রিয় লেখকের বইয়ে ডুব দাও। যদি কোনো সৃজনশীলতা থাকে, তবে সেটাই হোক তোমার সঙ্গী।

অন্যকে ব্যঙ্গ করে স্ট্যাটাস দেওয়া, নিজের দুঃখ-দুর্বলতা সবার সামনে প্রকাশ করা— এগুলো কোনো পরিণত মানসিকতার পরিচয় নয়। খুব বেশি একা লাগলে বা মন খারাপ হলে ঘর অন্ধকার করে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থেকো, প্রার্থনা করো।

পুরোনো স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো— কিন্তু নিজের সাথে এমন একটা সম্পর্ক গড়ে তোলো, যেন দুঃখের দিনগুলোতে কাউকে না পেলেও নিজেই নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে উঠতে পারো।
যদি কোনো কাজে সফল হও, নিজেকে পুরস্কৃত করো। যদি ব্যর্থ হও, নিজের সাথে একটু অভিমান করো, কিন্তু হাল ছাড়বে না। তবে কখনোই অন্যের চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার ভুল করো না।
কারণ, মানুষ সবসময় তোমার গুণের চেয়ে তোমার ত্রুটিগুলো দেখতেই বেশি পছন্দ করবে। তুমি যদি পারো, সেটাই যথেষ্ট। একা রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়াটা স্বাভাবিক মনে করো, একা পার্কে সময় কাটানোটা যেন হাস্যকর না লাগে।

নিজেকে আর্থিকভাবে স্বাধীন করো, যাতে মুড অফ থাকলে নিজের জন্য এক টুকরো চকলেট কিনতে পারো, নিজের বিশেষ দিনে নিজেকে একটা সুন্দর উপহার দিতে পারো। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে বিশেষদিনে আনন্দ ভাগাভাগি করো, নিজের পছন্দের পোশাক নিজের জন্য নিজেই কিনতে পারো।

মাঝেমধ্যে নিজেকে কিছু ফুল উপহার দাও। সুন্দর সুবাস মন ভালো করে দেবে। সবার মন জয় করাও তোমার দায়িত্ব নয়, কারণ পৃথিবীর কেউই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারেনি। তাই যেখানে প্রয়োজন, সেখানে "না" বলতে শেখো।

"আমার বাবা-মা আমাকে বোঝে না, বন্ধুরা আমাকে সময় দেয় না, কাছের মানুষ আমাকে অবহেলা করে"— এসব ভাবনাকে প্রশ্রয় দিও না। কারণ এগুলো আসলে তোমার নিজের তৈরি করা মানসিক চাপ।
কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবে?
বরং এমন এক ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলো, যাতে তোমার উপস্থিতিই সম্মানের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

আর যাই করো মনুষ্যত্ব অর্জন করার সাথে মানবিক থেকো আর ভেঙ্গে না পড়ে চেষ্টা করে যাও, সফলতা আসবেই বিজয় নিকটে।
ইনশাআল্লাহ।

20/05/2026

এক আদালতে মৃত্যুদণ্ড,আরেক আদালত যাবজ্জীবন সর্বোচ্চ আদালত জামিন/ বেকুসুর খালাস!!!
সুন্দর স্বদেশ,সুন্দর বিচার ব্যবস্থা।
এই তল্লাটে জন্মই,আজন্ম পাপ!!

15/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ! 🎉
সফলতার সাথে আমাদের ১২ বছরের পথচলা সম্পন্ন হয়েছে, এবং আমরা গর্বের সাথে ১৩তম বছরে পদার্পণ করেছি।

এই দীর্ঘ যাত্রায় আমাদের সকল সম্মানিত ক্লায়েন্ট, পার্টনার, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই আপনাদের অবিচ্ছিন্ন বিশ্বাস, সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য। ❤️

আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসাই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।
দয়া করে আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যাতে আমরা আগামী দিনগুলোতেও আরও উন্নত সেবা, উদ্ভাবনী সমাধান এবং সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে আমাদের মূল্যবান ক্লায়েন্টদের পাশে থাকতে পারি।

✨ একসাথে আমরা আরও শক্তিশালী।
🚀 সফলতার এই যাত্রা চলবেই...

— টিম এস টি আই টি বিডি

Alhamdulillah! 🎉
Successfully completed 12 years of journey, and now we proudly step into our 13th year.

A heartfelt thank you to all our respected clients, partners, friends, and well-wishers for your continuous trust, support, and love throughout this journey. ❤️

Please keep us in your prayers so that we can continue providing better service, innovative solutions, and dedicated support to all our valuable clients in the years ahead.

✨ Together, we grow stronger.
🚀 The journey continues...

— Team STIT BD

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


25/2, Lack Circus Road, Kolabagan
Dhaka
1205