11/05/2020
যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রথম ব্যাচ।
প্রথম বনভোজনের আয়োজন করা হয়, সালটা সম্ভবত ১৯৯৮,,। স্থান কুমিল্লা কোটবাড়ি।
মনিরুজ্জামান স্যার
মফিজ স্যার
ফরিদ স্যার
জাকির স্যার।
আসলাম,স্যার।
আর আমাদের বাবুল ভাই।
বনভোজন আয়োজনে,, রাসেল, মিশু, জনি, ও আরো অনেকে,,,।
02/05/2020
যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষিকা সাহিদা খানম স্ট্রোক করে না ফেরার দেশে চলে যাওয়ায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। :(
03/02/2020
সকল এস এসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্যে প্রানঢালা শুভেচ্ছা
20/12/2019
প্রতি ১০ বছর পর পর আমাদের দেশে শিক্ষাক্রম পরিমার্জন, প্রণয়ন হয়। সর্বশেষ হয়েছে ২০১২ সালে। এবার শুরু হয়েছে ২০৩০-এর প্রস্তুতি সামনে রেখে ২০৪১-এর লক্ষ্যে।
গত ১০ বছরে পৃথিবীতে বিরাট এক পরিবর্তন হয়ে গেছে। সেটা মাথায় রেখে আমাদের শিক্ষাক্রমের পরিবর্তন হওয়াটা দরকার।
তবে, আমি লক্ষ করছি, আমিরুল আলম স্যারের মতো সিস্টেম্যাটিক আলোচনা না করে বেশিরভাগই একটা উপরি উপরি মন্তব্য করতে আগ্রহী। এতে আসলে তেমন কোন লাভ হবে না।
পাঠ্যক্রম প্রণয়ণটা খুব একটা সহজ কাজ নয়। মোটামুটি দজ্ঞযজ্ঞ বলা যায়। এই জন্য এ নিয়ে নানা কিসিমের আলোচনা দরকার।
এবার নতুন করে করা হচ্ছে।
আমার কাছে সবচেয়ে প্রসংশনীয় মনে হয়েছে -
১. প্রাক প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত একই ভাবে করার চেষ্টা। কারিকুলামের ভাষায় আমাদের প্রান্তিক যোগ্যতা তাই হবে দশম শ্রেণী পর্যন্ত। সেটা এচিভ করার জন্য এটিকে শ্রেণিক্রমে ভাঙ্গা হবে।
২.কম্পিটেন্সীতে জোর দেওয়া - আগে আমরা ছেলে-মেয়েদর জ্ঞানী বানানোর চেষ্টা করতাম। এবার তাদের কর্মদক্ষ করার চেষ্টা থাকবে। কম্পিটেন্সী হলো জ্ঞান, দক্ষতা ও এটিচ্যুডের সমন্বয়। অর্থাৎ একটি জ্ঞান অর্জন করে দক্ষ হয়ে তা প্রয়োগ করতে পারার ব্যাপারটাই এখানে মুখ্য হয়ে উঠবে
৩. দশম শ্রেণী পর্যন্ত মোটামুটি গোটা দশেক বিষয় সবাই পড়বে। সায়েন্স, আর্টস আর কমার্সের দরকার নাই। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে আমরা কেমন করে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার পাবো? ওরা কী ছোটবেলা থেকে নিউটনের সূত্র পড়বে না?
এই প্রশ্নের জবাব খোঁজার আগে আমি কিছু পরিসংখ্যান দেই। প্রথম শ্রেণীতে আমরা ৯৮% ছেলে-মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসতে পারি। তারপর তারা ঝড়ে পড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ১২ ক্লাশ শেষে টেকে ২৮% বা তারও কম। তাহলে ঐ ২৮% এর জন্য সবাইকে কেন কষ্ট দেওয়া?
বরং আমরা ৭২%-এর জন্য এমনভাবে শিক্ষাকে সাজয় যেন বেসিক জিনষগুলো সবাই একটা লেবেল পর্যন্ত যেতে পারে, কর্মজীবনে।
একটা লেবল পর্যন্ত মানে কী?
মানেটা সহজ - দশম শ্রেণী উত্তীর্ণ একজন যেন তার দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা সমাধানে অধীত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারে। পারিবারিক বাজেটটা করতে পারেন, সন্তানের পড়ালেখার ব্যাপারে আগ্রহী হোন, তার যেন সিভিক সেন্স থাকে, সে যেন জানে প্রতিবেশীর প্রতি কেমন আচরণ করতে হয় সেই সঙ্গে সে যেন নিজের জীবিকা অর্জনের জন্য বেসিক ধারণাটা পেয়ে যায়।
ফিজিক্স,কেমেস্ট্রি কিংবা ম্যাথ, ইকোনোমিক্স, একাউন্টিং, আর্ট, কালচার - যে বয়সে যতটুকু না হলে নয় তা যেন জানে, বোঝে।
এখন এই কাজটা করাটা আসলেই কঠিন। ভাবুন।
৪. আমার ছেলে ফিজিক্স যেমন পড়েছে তেমনি ইকোনোমিক্সও পড়েছে। কিন্তু আমাদের ব্যবস্থায় যে ইকোনোমিক্স পড়ে সে আর ম্যাথ পড়তে পারে না। অথচ এখন ম্যাথ ছাড়া ইকোনোমিক্স বলে কিছু নাই। আবার কেউ একজন হয়তো সামনে এমন বিষয় পড়তে চায় যার জন্য রসায়নের জ্ঞান না থাকলেও হয়। তাহলে তাকে আমরা কেন রসায়ন পড়াবো। নতুন পাঠ্যক্রমে আশা করি, এ বাঁধা আর থাকবে না।
৫. আচ্ছা, ফেরদৌসী রহমান যখন টিভিতে সারগাম শেখাতেন তখন কেন তিনি সারেগামা সরাসরি না শিখিয়ে " সা সা সাত স্বরের রাজা, রে রে রেলগাড়িতে চড়ে গা গা গানের দেশে যাবে মা মা মাকে সঙ্গে করে - শেখাতেন। কেন কানিংহাম আর রিচি সি প্রোগ্রামিং শেখার সবচেয়ে সহজ উপায় বলেছেন প্রোগ্রাম করা (Hello World)। কারণ সেটাই সহজ পদ্ধতি। যেটুকু শিখবো সেটাই এপ্লাই করতে শিখবো। এটাই হবে নতুন পাঠ্যক্রমের মূল মন্ত্র। এ জন্য লার্নিং হবে একটিভ লার্নিং। মানে খেলতে খেলতে শিখবে। যা শিখবে সেটা প্রযোগ করতে পারবে।
৬.....
এসব কী এবারের নতুন পাঠ্যক্রমে থাকবে????
আল্লাহ ভরসা!
শিক্ষায় বড় পরিবর্তন: নতুন পাঠ্যক্রম
আমাদের সন্তানেরা বই আর পরীক্ষার বোঝা থেকে মুক্ত হবে। কর্মদক্ষ হয়ে উঠবে। পাস করে ঢুকে পড়বে জীবিকার হরেক বাজারে, দে....