Quran education centre

Quran education centre

Share

We teach the Qur'an correctly in an international manner

10/08/2026

ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে এমন কোনো বয়স নির্ধারণ করা নেই, যার পরে ইলম শেখা শেষ হয়ে যায়।

ইয ইবনু আবদিস সালাম (রহ.) চল্লিশ বছর বয়সের পর ইলম অর্জন শুরু করেছিলেন। এরপর তিনি ইলমে এত বেশি খ্যাতি ও পারদর্শিতা অর্জন করেন যে, তিনি ‘সুলতানুল উলামা’ (আলেমদের সুলতান) উপাধিতে ভূষিত হন।”
عز بن عبد السلام ما طلب العلم إلا بعد سن الأربعين, وبرز فيه حتى صار (سلطان العلماء)

ইলম শেখার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়।
কেউ যদি জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও ইলম অর্জন করা শুরু করে এবং আন্তরিকতা, ধৈর্য ও নিয়মিত পরিশ্রমের সঙ্গে এগিয়ে যায়, তাহলে আল্লাহ তাকে অনেক উচ্চ মর্যাদা দিতে পারেন।

Tahera Tasnim

09/08/2026

বর্তমানে আমাদের মাঝে কেউ যদি কারো ভুল ধরে দেয় তাহলে মেনে নিতে কষ্ট হয়। নিজে যা করছে সেটাকেই ঠিক মনে হয়। অনেকে তো আবার মুখের উপর বলেই ফেলে- আমি করলে আপনার কি?
নিজেকে সংশোধন করা তো দূর কি বাত।
এই প্রসঙ্গে ইমাম আল-বিকাঈ রহ: এর একটি বানী চোখে পড়লো। তাই উল্লেখ করলাম।

ইমাম আল-বিকাঈ رحمه الله ৮৭০ হিজরিতে অত্যন্ত বিষণ্ণ সুরে তার হৃদয়স্পর্শী কিছু কথা বলেন --

وأنا لم أدع العصمة فيما قلت وما تركت أحدًا ممن يلم بي إلا قلت له: المراد الوقوف على الحق من معاني كتاب الله تعالى، والمساعدة على ما ينفع أهل الإسلام، فمن وجد لي خطأ فليخبرني به لأصلحه.
আমি আমার কোনো কথা বা কোনো কাজের ব্যাপারে নিজেকে ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে দাবি করিনি। আমার সংস্পর্শে যে-ই এসেছে, তাকে আমি বলেছি: আমার উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ তাআলার কিতাবের অর্থসমূহের মধ্যে সত্যের সন্ধান করা এবং মুসলিমদের জন্য যা কল্যাণকর, তাতে সহযোগিতা করা। সুতরাং কেউ যদি আমার কোনো ভুল খুঁজে পায়, সে যেন আমাকে তা জানায়, যাতে আমি তা সংশোধন করতে পারি।
ووالله الذي جلت قدرته وتعالت عظمته لو أن لي سعة تقوم بما أريد لكنت أبذل مالًا لمن ينبهني على خطئي، فكلما نبهني أحد على خطأ أعطيته دينارًا.
আল্লাহর শপথ! যাঁর ক্ষমতা মহিমান্বিত এবং যাঁর মর্যাদা অতি উচ্চ—আমার যদি আমার উদ্দেশ্য পূরণের মতো যথেষ্ট সামর্থ্য থাকত, তাহলে যে ব্যক্তি আমার ভুল ধরিয়ে দেবে, তাকে আমি অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করতাম। এমনকি কেউ আমাকে কোনো ভুলের ব্যাপারে সতর্ক করলে, আমি তাকে একটি দিনার দিতাম।
ولقد نبهني غير واحد على أشياء فأصلحتها، وكنت أدعو لهم وأثني عليهم، وأقول لهم هذا الكلام ترغيبًا في المعاودة إلى الانتقاد، والاجتهاد في الإسعاف بذلك والإسعاد.
অনেকেই আমাকে বিভিন্ন বিষয়ে ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন; ফলে আমি সেগুলো সংশোধন করেছি। আমি তাদের জন্য দোয়া করেছি এবং তাদের প্রশংসা করেছি। আর আমি তাদেরকে এসব কথা বলতাম, যাতে তারা পুনরায় আমার সমালোচনা করতে উৎসাহিত হন এবং এভাবে আমাকে সাহায্য ও উপকৃত করার ক্ষেত্রে আরও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন।

আফসোস! আমরাও যদি আমাদের আকাবিরদের দেখানো পথে হাঁটতে পারতাম!

Tahera Tasnim

06/08/2026

সর্বোত্তম পানি হলো সেই পানি, যা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পবিত্র আঙুলসমূহের মাঝখান থেকে প্রবাহিত হয়েছিল। এরপর যমযমের পানি, তারপর হাউযে কাওসারের পানি, তারপর মিসরের নীল নদীর পানি, এরপর অন্যান্য নদীর পানি—যেমন সাইহুন, জাইহুন, দিজলা এবং ফুরাতের পানি।
তাজউদ্দীন আস-সুবকী এ বিষয়টি কবিতায় বলেছেন—
وأفضلُ المياهِ ماءٌ قد نبعْ
من بينِ أصابعِ المتَّبعْ
يليهِ ماءُ زمزمٍ فالكوثرْ
فنيلُ مصرَ ثمَّ باقي الأنهرْ

সর্বশ্রেষ্ঠ পানি সেই পানি, যা অনুসরণীয় নবীর আঙুলসমূহের মাঝখান থেকে প্রবাহিত হয়েছিল।
এরপর যমযমের পানি, তারপর কাওসারের পানি,
তারপর মিসরের নীল নদীর পানি,
অতঃপর অন্যান্য নদীর পানি।

مقتبس من كتابات الشيخ السكندري
Tahera Tasnim

06/08/2026

✔️তাফসীরগ্রন্থে ব্যবহৃত কিছু বিশেষ পরিভাষা--

◾আস-সামীন আল-হালাবি (মৃ. ৭৫৬ হি.) যখন قال الشيخ বলেন, তখন তিনি আবু হাইয়ান আল-আন্দালুসি (মৃ. ৭৪৫ হি.)-কে বোঝান।

◾আল-আলূসি (মৃ. ১২৭০ হি.) যখন قال شيخ الإسلام বলেন, তখন তিনি আবুস-সুঊদ এফেন্দি (মৃ. ৯৮২ হি.)-কে উদ্দেশ্য করেন।

◾আল-কাসিমি (মৃ. ১৩৩২ হি.) যখন قال الإمام বলেন, তখন তিনি মুহাম্মদ আবদুহ (মৃ. ১৩২৩ হি.)-কে বোঝান।

◾ইবন আশূর যখন قال الجد الوزير বলেন, তখন তিনি তাঁর মাতামহ (মায়ের দাদা) মন্ত্রী মুহাম্মদ আল-আজিজ বু আতূর (মৃ. ১৩২৫ হি.)-কে বোঝান।
আর যদি শুধু قال الجد বলেন, তাহলে তিনি তাঁর পিতামহ মুহাম্মদ আত-তাহির আশ-শাযিলি ইবন আশূর (মৃ. ১২৮৪ হি.)-কে বোঝান।

◾ইবন আশূর যখন قال عبد الحكيم বলেন, তখন তিনি আল্লামা আবদুল হাকীম আস-সিয়ালকূটি আল-বাঞ্জাবি (মৃ. ১১৬৭ হি.)-কে উদ্দেশ্য করেন।

✔️তাফসীরের কিতাব পড়ার সময় এ ধরনের সংক্ষিপ্ত إطلاقات জানা থাকলে কোনো মুফাসসির কাকে উদ্দেশ্য করছেন, তা সহজেই বোঝা যায়।

📖 আস-সামীন আল-হালাবি এর কিতাব
তাফসীর: الدر المصون في علوم الكتاب المكنون
এটি কুরআনের ই‘রাব, কিরাআত, ভাষা ও ব্যাকরণভিত্তিক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তাফসীর।

📖 আবু হাইয়ান আল-আন্দালুসি এর কিতাব
তাফসীর: البحر المحيط
এছাড়া এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ النهر الماد।

📖 আল-আলূসি এর কিতাব
তাফসীর: روح المعاني في تفسير القرآن العظيم والسبع المثاني
এই কিতাবটি অন্যতম বৃহৎ ও গবেষণামূলক তাফসীর।

📖 আবুস-সুঊদ এফেন্দি এর কিতাব
তাফসীর: إرشاد العقل السليم إلى مزايا الكتاب الكريم
সংক্ষেপে একে تفسير أبي السعود বলা হয়।

📖 আল-কাসিমি এর কিতাব
তাফসীর: محاسن التأويل
এটি আধুনিক যুগের একটি প্রসিদ্ধ তাফসীর।

📖 মুহাম্মদ আবদুহ এর কিতাব
তিনি পূর্ণাঙ্গ তাফসীরগ্রন্থ লিখে শেষ করতে পারেননি।
তাঁর তাফসীরমূলক দারস ও বক্তব্যের ভিত্তিতে তাঁর শিষ্য রশীদ রিদা تفسير المنار সংকলন করেন।

📖 ইবন আশূর এর কিতাব
তাফসীর: التحرير والتنوير
আধুনিক যুগের সবচেয়ে গভীর ও ভাষাতাত্ত্বিক তাফসীরগুলোর একটি।

Tahera Tasnim

02/08/2026

আমাদের কোর্স সমূহ -

১. তাজউইদ শর্ট কোর্স।

২. তাজউইদ লং কোর্স।
(ফার্স্ট সেমিস্টার, সেকেন্ড সেমিস্টার , থার্ড সেমিস্টার এবং এপ্লাই কোর্স।)

৩. প্রাইভেট তাজউইদ - বেসিক/ইন্টারমিডিয়েট/এডভান্স তাজউইদ কোর্স।
✔️(এই কোর্সে تجويد المصور، حليه التلاوه، تجويد بلا تعقيد، مذكره في التجويد، البيان المفيد، احكام قراءه القران الكريم، المنير في احكام التجويد সহ যেকোনো তাজউইদ সংক্রান্ত কিতাব প্রাইভেট লি পড়তে পারবেন ইনশাআল্লাহ।)

৪. মুকাদ্দামাতুল জাযারিয়্যাহ ও তুহফাতুল আতফাল সহ তাজউইদের মানযুমাহ গুলোর ইজাজা কোর্স।

৫. কায়দা ফাতহুর রহমান থেকে হারফ মাশক কোর্স।

৬. পূর্ণ কুরআন মাজীদ নাজেরা আম্মা পারা থেকে। (ব্যাসিক লেভেলের বোনদের জন্য।)

৭. পূর্ণ কুরআন মাজীদ নাজেরা সুরা বাকারা থেকে। (ইন্টারমিডিয়েট লেভেলের বোনদের জন্য।)

৮. প্রাইভেট নাজেরা কোর্স।

৯. সানাদ মুত্তাসিলের সাথে হিফজুল কুরআন ইজাযা কোর্স।

১০. এসো আরবি শিখি, নাহু, সরফ ও কুরআন তরজমা প্রাইভেট ওয়ান টু ওয়ান কোর্স।

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।
https://www.quraneducationcentre.com

ভর্তির জন্য আমাদের পেইজে যোগাযোগ করতে পারেন
https://www.facebook.com/Quran-education-centre-104362835332569/

অথবা টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন
http://t.me/Quraneducationcentre

26/07/2026

📝 ইজাযাহ কোর্স।

ইমাম মাহমুদ খলিল হুসারি রহ: এর লিখা
احكام قراءه القران الكريم
(আহকামু কিরাআতিল কুরআনিল কারিম ) কিতাবটির উপরে প্রাইভেট ব্যাচ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।

কিতাবটি কেরাতের আহকাম ও ইলমুত তাজউইদ সংক্রান্ত।

ছয় সাতজন বোনকে নিয়ে কোর্সটি করানো হবে।

কোর্স শেষে পরিক্ষায় ৯০% নাম্বার উঠাতে পারলে ইমাম হুসারি থেকে ৩ জনের ওয়াসিতাহ এ ইজাযাহ প্রদান করা হবে ইনশাআল্লাহ।

প্রতি বুধবার সকাল ১১ টা থেকে ক্লাস শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।

বিস্তারিত জানতে পেইজে মেসেজ করুন।

https://www.facebook.com/Quran-education-centre-104362835332569/

20/07/2026

কোনো ইলমের উপর নিজেকে মজবুত করার জন্য دكتور سعيد السكندري চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে বলেন।

ولابد لتتحول المعلومة إلى معرفة راسخة أن نمر بأربع مراحل:
١_التعلم ٢_التطبيق ٣_التحسين ٤_التعليم

তিনি বলেন, কোনো তথ্য বা মালূমাত যেন স্থায়ী ও দৃঢ় জ্ঞানে পরিণত হয়,তার জন্য চারটি ধাপ অতিক্রম করা জরুরী:

1. التعلُّم (শেখা) —
প্রথমে সেই ইলম কে সঠিকভাবে শেখা

2. التطبيق (প্রয়োগ) —
শেখার পর ঐ ইলমের উপরে বাস্তব আমল বা প্রয়োগ করা।

3. التحسين (উন্নয়ন) —
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে ভুল সংশোধন করে আরও উন্নত করা।
4. التعليم (শিক্ষাদান) —
এরপর অন্যদের সেই জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া।

অতএব আমাদের বুঝতে হবে যে, শুধু পড়ে জানলেই ইলম মজবুত বা দৃঢ় হয় না। বরং তা দৃঢ় করার জন্য বাস্তবে প্রয়োগ বা তাতবিক করা অত্যন্ত জরুরি।

যখন ওই ইলমের উপরে প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত হওয়া যায় তখন তা আরো মজবুত করার জন্য প্রচুর পরিমাণে অনুশীলন করা জরুরি।

এরপর অন্যকে শিক্ষা দেওয়া।
(অন্যকে শিক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে তাড়াহুড়া না করা।)

ধরেন আপনি অল্প কিছু শিখলেন, এরপরই শিখাতে চলে গেলেন। তাহলে ওই ইলম মজবুতির সাথে আপনি অন্যকে শিখাতে পারবেন না। কারণ এর তাতবিক বা বাস্তব প্রয়োগ আপনার জানা নাই।

ইলম শেখা এবং শেখানোর ক্ষেত্রে এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরী।

প্রথমে শিখতে হবে, তারপর প্রয়োগ করতে হবে। এবং প্রচুর পরিমাণে অনুশীলন করতে হবে। এরপর অন্যের কাছে পৌঁছাতে হবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের বুঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

Tahera Tasnim

Send a message to learn more

19/07/2026

একজন বেদুঈন (গ্রাম্য আরব) তার কন্যাকে উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন:
لا تطلبيه كي تكوني عالمة
بل اطلبي كي لا تكوني آثمة

ইলম এ জন্য অর্জন করো না যে, তুমি একজন আলিমা হিসেবে পরিচিত হবে; বরং ইলম অর্জন করো, যাতে অজ্ঞতার কারণে গুনাহগার না হও। 💞

Tahera Tasnim

19/07/2026

ইমাম জামালুল আইম্মাহ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবন মানসুর আস-সামআনী বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার পিতা শাইখুল ইসলাম আবুল মুযাফ্ফর মানসুর ইবন আব্দুল জব্বার আস-সামআনী আমাদেরকে একটি কবিতা শুনিয়েছেন।

يا طالب العلم صارم كل بطال ... وكل غاو إلى الأهواء ميال

واعمل بعلمك سرا أو علانية ... ينفعك يوما على حال من الحال

خذ ما أتاك من الأخبار من أثر ... شبها بشِبهٍ وأمثالا بأمثال

ولا تميلـــــن يا هذا إلى بدع ... يضل أصحابها بالقيل والقال

أَلا فكن أثـــــريا خالصا فهما ... تعش حميدا ودع آراء ضلال

(مكتبة دياربكر العامة 1317).

نقلا عن قناة المنتخب من المخطوطات

📚১. طالب العلم صارم كل بطال ... وكل غاو إلى الأهواء ميال

হে জ্ঞান অন্বেষণকারী! অলস ও সময় নষ্টকারী মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে চলো। আর যারা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে সত্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাদের থেকেও দূরে থাকো।

📚২. واعمل بعلمك سرا أو علانية ... ينفعك يوما على حال من الحال
তুমি যে জ্ঞান অর্জন করেছ, তা অনুযায়ী আমল করো—গোপনে হোক বা প্রকাশ্যে। একদিন এই জ্ঞানই তোমার জীবনের প্রতিটি অবস্থায় উপকারে আসবে।

📚৩. ولا تميلـــــن يا هذا إلى بدع ... يضل أصحابها بالقيل والقال
রাসূল ﷺ ও সালাফে সালেহীনের বর্ণিত সহিহ হাদিস ও আছারকে গ্রহণ করো। বিষয়গুলোকে পরস্পরের আলোকে বুঝো এবং মিল থাকা বিষয়কে মিল থাকা বিষয়ের সঙ্গে মিলিয়ে বিচার করো।

📚৪. ولا تميلـــــن يا هذا إلى بدع ... يضل أصحابها بالقيل والقال
হে প্রিয়! কখনো বিদআতের পথে ঝুঁকো না। কারণ, এর অনুসারীরা অপ্রয়োজনীয় তর্ক-বিতর্ক ও নানা কথার মাধ্যমে নিজেরাও বিভ্রান্ত হয় এবং অন্যদেরও বিভ্রান্ত করে।

📚৫. أَلا فكن أثـــــريا خالصا فهما ... تعش حميدا ودع آراء ضلال
তাই কুরআন, সুন্নাহ ও সালাফের পথকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো এবং দ্বীনের সঠিক বুঝ অর্জন করো। তাহলে তুমি সম্মানিত ও প্রশংসিত জীবন যাপন করবে। আর পথভ্রষ্টদের মতবাদ ও বিভ্রান্তিকর চিন্তাধারা থেকে নিজেকে দূরে রাখো।

সুত্রঃ (مكتبة دياربكر العامة 1317)،
قناة المنتخب من المخطوطات
Tahera Tasnim

14/07/2026

মাদ্দ-ই তামাক্কীন (مد التمكين)

এই মাদ তখন হয় যখন হারাকাহযুক্ত ওয়াও-এর সাথে মাদ্দ-এর ওয়াও (و) মিলিত হয়, অথবা হারাকাহযুক্ত ইয়া-এর সাথে মাদ্দ-এর ইয়া (ي) মিলিত হয়। এর ৩টি রূপ বা অবস্থা রয়েছে:

১- তাশদীদ এবং কাসরাহ (জের) যুক্ত ইয়া-এর পরে মাদ্দ-এর ইয়া আসা। যেমন: ﴿حُيِّيتُم﴾ [সূরা আন-নিসা: ৮৬]। এক্ষেত্রে মাদ্দকে স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে উচ্চারণ করা ওয়াজিব (আবশ্যক)।

২- হারাকাহযুক্ত ওয়াও-এর পূর্বে মাদ্দ-এর ওয়াও আসা। যেমন: ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا [সূরা আল-বাকারাহ: ২৫]। অথবা হরকাহযুক্ত ইয়া-এর পূর্বে মাদ্দ-এর ইয়া আসা। যেমন: فِی یَوۡمَیۡنِ [সূরা আল-বাকারাহ: ২০৩]।

এক্ষেত্রে ইদগাম কিংবা ইসকাত থেকে বাঁচার জন্য ওয়াও বা ইয়া-কে দুই হরকত পরিমাণ টেনে স্পষ্ট করে পড়া ওয়াজিব।

৩ - পেশযুক্ত ওয়াও-এর পরে মাদ্দ-এর ওয়াও আসা। যেমন: یَلۡوُۥنَ [সূরা আল ইমরান: ৭৮]। অথবা জেরযুক্ত ইয়া-এর পরে মাদ্দ-এর ইয়া আসা। যেমন: یُحۡیِۦ وَیُمِیتُ [সূরা আল ইমরান: ১৫৬]। উচ্চারণের সময় এই মাদ্দকে স্পষ্ট করা ওয়াজিব।

মাদ্দ-ই তামাক্কীন-এর পরিমাণ:

মাদ্দ-ই তামাক্কীন-এর পরিমাণ হলো দুই হারাকাত।
যা মাদ্দ-ই তাবিঈ এর পরিমাণের সমান।

তবে মাদ্দটি যদি ٱلۡأُمِّیِّۦنَ [সূরা আল ইমরান: ৭৫] অথবা ٱلنَّبِیِّۦنَ [সূরা আন-নিসা: ৬৯] এর মতো শব্দের শেষে হয়, তবে (ঐ শব্দের ওপর) ওয়াকফ (থামা) করার ক্ষেত্রে এর হুকুম বা নিয়ম হবে মাদ্দ-ই আরিদ লিস-সুকুন (مد عارض للسكون)এর মতো। অর্থাৎ তখন একে কসর (২ হরকত), তাওয়াসসুত (৪ হরকত) কিংবা ইশবা (৬ হরকত) পর্যন্ত টেনে পড়া জায়েজ বা বৈধ। কিন্তু মিলিয়ে পড়ার অবস্থায় এটি কেবল ২ হারাকাই হবে।

আর মাদ্দটি যদি یَسۡتَحۡیِۦۤ أَن [সূরা আল-বাকারাহ: ২৬] এর মতো হয়, তবে ওয়াকফ করার সময় এর পরিমাণ হবে ২ হারাকাহ এবং সেটি মাদ্দ-ই তামাক্কীন হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু মিলিয়ে পড়ার সময় এই মাদ টি মাদ্দ-ই মুনফাসিল (مد منفصل) হয়ে যাবে, যার পরিমাণ তখন চার বা পাঁচ হারাকাহ।

সুত্রঃ كتاب المنير في علم التجويد

লেখা: Tahera Tasnim

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka