29/01/2023
🟣🟣প্রত্যেকের কাজ সহজ করতে রইল কয়েকটি কিচেন হ্যাক্স। এইগুলো কাজে লাগালে রান্নাঘরে ঘেমে নেয়ে এক হতে হবে না।
🟣নিত্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম টাঙিয়ে রাখুন
🟣রান্নাঘর ছোট থাকলে, রান্নার সময় সে একেবারে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়! এদিকে রান্নাঘর গুছিয়ে রাখলে রান্না করতেও সুবিধে হয়।
🟣রান্নাঘরের নিত্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যেমন নানা ধরনের হাতা, খুন্তি, চামচ দেওয়ালে ঝুলিয়ে রাখুন। একইভাবে দেওয়ালে শেল্ফ বা ছোট কার্ডবোর্ড দেওয়ালে লাগিয়ে রাখুন। এতে চা, কফি, নিত্য প্রয়োজনীয় মশলাপাতি গুছিয়ে রাখতে পারবেন।
🟣তাড়াহুড়োর সময় মশলাপাতি সহজেই হাতের কাছে পাবেন আবার ব্যবহার শেষে একই জায়গায় রেখে দিতে পারবেন।
🟣ফল কিনে ফেলে না রেখে ভাল করে ধুয়ে, জল ঝরিয়ে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন। যে সব ফল তাড়াতাড়ি পেঁকে যায় যেমন কলা থাকলে সেলোফেন পেপারে মুড়িয়ে রাখুন এতে এথিলিন গ্যাস বেরোবে না।
🟣আবার এর উল্টো যদি কলা তাড়াতাড়ি পাকাতে চান তাহলে সারা রাত পেপার ব্যাগে রেখে দিন।
🟣ব্রেকফাস্টে ডিম থাকলে কাজ অনেকটা সহজ হয়। কিন্তু অমলেট বানাতে হোক, কিংবা সানি সাইড আপ কিংবা আবার এগ ড্রপ সুপ কিংবা স্ক্র্যামবেল্ড এগ, ডিম ফাটানোর পর ডিমের খোসা হাতে আটকে বেশ বিব্রত হতে হয়। এবার থেকে ডিম ফাটানোর আগে হাত ভিজিয়ে নিন। দেখবেন আর হাতে ডিমের খোসা আটকে যাচ্ছে না। হাতের আঙুলে জল থাকলে আর ডিমের খোসা আটকে থাকবে না।
🟣বাড়িতে নানা রকম সস বা চাটনি বানিয়ে খেতে পছন্দ করেন? তাহলে এই সব ধনেপাতার চাটনি, পুদিনার চাটনি, আদা, রসুনের তৈরি চাটনি চাইলে বরফের ট্রেতে জমিয়ে রাখুন। প্রয়োজন মতো ফ্রিজ থেকে বাইরে বার করে নিন।
🟣চাইলে টমেটোর পিউরি বানিয়ে এইভাবেই বরফের ট্রেতে জমিয়ে রাখতে পারেন। পরে প্রয়োজন মতো সুপ তৈরি করতে কিংবা ঝোলে, ঝালে ব্যবহার করতে পারেন।
🟣 চিজ গ্রেট করতে গেলে ঘেঁটে গিয়ে গ্রেটারে এমন ভাবে লেগে যায় যে চট করে পরিষ্কার করা যায় না। এবার থেকে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এঁড়াতে গ্রেটারে তেল লাগিয়ে নিন। যদি চিজ গ্রেট করার আগে এটা করতে ভুলে যান। তা হলে চিজ গ্রেট করার পর এক টুকরো আলু দিয়ে গ্রেটার পরিষ্কার করে নিন। এতে গ্রেটারে লেগে থাকা সমস্ত চিজের কনা পরিষ্কার হয়ে যাবে। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ 🖤
Nurshoshi's kitchen
26/01/2023
🟣তরকারিতে হলুদ বেশি হয়ে গেলে কি করা উচিত—
রান্নায় ভুলবশত তরকারিতে হলুদ বেশি হয়ে যায় যার ফলে সেই তরকারি খাবার উপযুক্ত থাকেনা।তাহলে কি সেই তরকারি ফেলে দিবেন?
না মোটেও না,আপনি সহজ কিছু উপায় এর মাধ্যমেই এর সমাধান করে ফেলতে পারবেন।
তরকারিতে হলুদ বেশি হয়ে গেলে যা করা উচিত—
★নারিকেল দুধ দিয়ে দিতে পারেন তরকারিতে।এটা হলুদ শুষে নেবে।নারিকেল দুধ না থাকলে শুধু নারিকেল দিয়ে দিতে পারেন।
★চিকেন স্টক বা মাটন স্টক দিয়ে দিতে পারেন।ফ্রীজে ভেজিটেবল স্টক থাকলে তাও দিয়ে দিতে পারেন কাজ হবে।
★আমচুর পাউডার দিয়ে দিতে পারেন,হলুদ কমে যাবে রান্নার স্বাদ বেড়ে যাবে।
★টমেটো সস দিয়ে দিলেও হলুদ কমবে।
★তেজপাতা দিয়ে দিন তিন চারটা।রান্না হয়ে গেলে পাতা নামিয়ে ফেলুন।তেজপাতা হলুদের গন্ধ দূর করবে আর রান্নার স্বাদ অক্ষত রাখবে।
★লাউ পাতা,কুমড়ো পাতা,পুইশাক পাতা এই ধরনের পাতা দিয়ে দিতে পারেন।রান্না হলে নামিয়ে নিবেন।সবুজ পাতা হলুদ শুষে নেয় যার ফলে স্বাদ গন্ধ সব ঠিকঠাক থাকে।
★গরম খুন্তি নিন।লোহার হলে ভালো হয়।এটা জ্বলন্ত চুলায় গরম করুন।বেশ ভালোভাবে গরম হলে এটা তরকারির পাতিলে ডুবিয়ে রাখুন।কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলুন।এটা হলুদের গন্ধ দূর করবে।
🟣আজ এই পর্যন্ত!! ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ
©
Nurshoshi's kitchen
24/01/2023
📌রান্নার কাজ সহজ ও মজার করার ৪৯টি দারুণ টিপস:—
⚫টিপস:
১) যথাসম্ভব পাতিলে ঢাকানা দিয়ে রান্না করুন। এতে খাবারের পুষ্টিমান ঠিক থাকে।
২) মাংস রান্নার শুরুতেই লবণ না দিয়ে রান্নার মাঝামাঝি সময়ে লবণ দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। এর পর দেখে নিন পরিমাণ ঠিক হল কিনা।
৩) তরকারির ঝোল ঘন করতে চাইলে কিছু কর্ণ ফ্লাওয়ার পানিতে গুলে ঢেলে দিন। লক্ষ্য রাখুন- যেন কর্ণ ফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ভালোমতো তরকারির সঙ্গে মিশে যায়।
৪) চাল ধোয়ার পর ১০ মিনিট রেখে দিয়ে তারপর রান্না করুন অথবা রান্নার সময় ১ চা চামচ তেল দিয়ে দিন। দেখবেন ভাত সুন্দর ঝরঝরে হয়েছে।
৫) মুরগির ফ্যাট এড়াতে চাইলে চামড়া ছাড়িয়ে মুরগি রান্না করুন। কারণ মুরগির চামড়াতেই প্রধান ফ্যাট থাকে।
৬) সবুজ সবজি রান্নার সময় সবুজ রং ঠিক রাখতে চাইলে এক চিমটি চিনি দিন।
৭) রান্না করার জন্য একদিন আগেই মাংস সিদ্ধ এবং ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।
৮) রান্নার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন।
৯) ফ্রিজের মধ্যে আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন।
১০) মাংস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ করতে চাইলে খোসাসহ এক টুকরো কাঁচা পেঁপে তরকারিতে দিন।
১১) মাছ, মাংস বা ডিমের ঝোলে লবণ বেশি হয়ে গেলে তরকারিতে কয়েকটি সিদ্ধ আলু ভেঙে দিন। স্বাদ ঠিক হয়ে যাবে।
১২) মুরগির মাংস বা কলিজা রান্নায় ১ টেবিল চামচ সিরকা দিন। এতে মাংসের গন্ধ থাকবে না আবার তাড়াতাড়ি সিদ্ধও হবে।
১৩) মাছ ভাজার সময় তেল ছিটা রোধ করতে একটু হলুদ ছড়িয়ে দিন।
১৪) বেরেস্তা করার সময় পেঁয়াজ লো আচে ভেজে নিন এতে পেঁয়াজ লালচে হবে।আর ছোট পেয়াজ দিয়ে বেরেস্তা করুন।
১৫) কাঁচামাছ বা মাংস ছুরি-চপিং বোর্ডে কাটতে চাইলে বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকেই পানিতে ভিজিয়ে নরমাল করে নিন।
১৬) আলু ও ডিম একসঙ্গে সিদ্ধ করুন, আলাদা কাজে ব্যবহার করলেও তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হবে।
১৭) স্যুপ রান্নার সময় পাতলা হয়ে গেলে দুটি সিদ্ধ আলু ম্যাশ করে স্যুপে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন।
১৮) ডাল তাড়াতাড়ি রান্না করতে আগের রাতেই ভিজিয়ে রাখুন।
১৯) সহজে মসলাপাতি খুঁজে পেতে কৌটার গায়ে নাম লিখে রাখুন।
২০) আগামী দিন কী রান্না করবেন তার প্রস্তুতি রাতেই নিন, তা হলে সময় বেচে যাবে।
২১) রান্না করার সময় অবশ্যই মাছ ও সবজির কম্বিনেশনের ব্যাপারে নজর রাখবেন।
২২) মাছ রান্না করে কাঁচা ধনিয়া পাতা থাকলে তা কুচি করে কেটে বিছিয়ে দিন, স্বাদ অনেকগুণ বেড়ে যাবে।
২৩) ডালে বাগার দিতে রসুন কুচি তেলে ভেজে ডালে দিয়ে দিন।
২৪) মাংসজাতীয় রান্না করে শেষে বেরেস্তা (পেঁয়াজ কুচি ভাজি) ছড়িয়ে দিন। এতে স্বাদ বেড়ে যাবে।
২৫) ডিম সিদ্ধ করতে পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে নিন। এতে ডিম খেতে সুস্বাদু হবে। আর ঠাণ্ডা করে ডিম ছিলুন, তা হলে খোসায় লেগে ডিম নষ্ট হবে না।
২৬) চুলায় হাঁড়ি-পাতিলে ঢাকনা থাকলে তা খালি হাতে ধরবেন না।
২৭) ভর্তা বানাতে মরিচ খালি হাতে ডলবেন না, এতে হাত জ্বালা করবে।
২৮) মাছ ভাজতে কড়াই হতে নিদিষ্ট দূরে থাকুন। মাছে পানি থাকলে কিংবা ফুটে আপনার গায়ে বা চোখে তেল পড়তে পারে।
২৯) শুকনা মরিচ ভাজার সময় মরিচ পোড়ার ঝাঁজে হাঁচি-কাশি রোধে রান্নাঘরের দরজা-জানালা ভালো করে খুলে দিন।
৩০) ভাজিতে তেল বেশি পড়ে গেলে ভাজিগুলো কড়াই বা প্যানের একদিকে সরিয়ে কড়াই কাত করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তেল ভাজি থেকে ঝরে গেলে সংরক্ষণ করে অন্য প্যান ব্যবহার করতে পারবেন। মাংসের তরকারিতে যদি তেল বেশি হয়ে পড়ে, তবে ওপর থেকে চামচ দিয়ে তেল উঠিয়ে ভাজিতে ব্যবহার করলে ভালোই সুস্বাদু লাগে।
৩১) এলাচ সম্পূর্ণ গুঁড়ো করে ব্যবহার করা ভালো। এতে এলাচ কামড়ে পড়ে খাওয়ার মজা নষ্ট হবে না। আবার রান্নাতেও সুগন্ধ হবে।
৩২) সবজির রং ঠিক রাখতে পাতিল ঢেকে রান্না না করাই ভালো। আর কিছু সবজিকে সামান্য সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কিংবা বরফ কুচিতে রাখলে রান্নার পরও রং ঠিক থাকে।
৩৩) কিছু ভাজিতে কড়াইতে তেল গরম হলে, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবণ দিয়ে দিন, তেলের ছিটকা উঠবে না।
৩৪) ডালের মজা বৃদ্ধির জন্য বেশি সময় ধরে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে।
৩৫) তেলাপিয়া মাছের গন্ধ দূর করতে তেলাপিয়া মাছ হলুদ ও ভিনিগার/লেবুর রস মাখিয়ে মিনিট ১৫ রেখে রান্না করুন।
৩৬) লাল সরষের ঝাঁজ বেশি হয়। হলুদ সরষে ব্যবহার করলে তিতা হয় না। সরষে বাটার সময় লবণ আর কাঁচামরিচ একসঙ্গে বাটলে তিতা হয় না।
৩৭) বর্ষাকালে লবণ গলে যায়, তাই একমুঠো পরিষ্কার চাল পুঁটলি করে বেঁধে লবণের পাত্রে রেখে দিন।
৩৮) কাচের গ্লাসে গরম কিছু নিতে গেলে অনেক সময় ফেটে যায়, তাই গরম কিছু ঢালার আগে গ্লাসে একটি ধাতু নির্মিত চামচ রেখে ঢাললে গ্লাস ফাটবে না।
৩৯) আলু ও আদা বালির মধ্যে ডুবিয়ে রাখলে অনেক দিন পর্যন্ত টাটকা থাকে।
৪০) যে কোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে ঢাকনা দিয়ে রাখা ভালো। ফলে এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে যায় না এবং রেফ্রিজারেটও গন্ধ হয় না।
৪১) শিশি বা কৌটার মধ্যে বিস্কিট রাখার আগে সামান্য চিনি বা মোটা কাগজের ঠুকরো রেখে দিলে বিস্কিট অনেক দিন মচমচে থাকে।
৪২) আঙুর, টমেটো প্রভৃতি ফল ফুটন্ত পানিতে ২ মিনিট রেখে সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানিতে রেখে দিলে সহজেই খোসা ছড়ানো যায়।
৪৩) চাল ও ডালের কৌটায় কয়েকটি শুকনো নিমপাতা বা শুকনো মরিচ রাখলে সহজে পোকা ধরবে না।
৪৪) কাঁচকলা ও লেবু প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে বেশি দিন টাটকা থাকে।
৪৫) কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে পানি শুকিয়ে কাপড় বা কাগজের প্যাকেটে সংরক্ষণ করলে বেশি দিন ভালো থাকে।
৪৬) চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোল— এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রাখলে সহজে নষ্ট হয় না।
৪৭) খাবার পুড়ে পাত্রের তলায় আটকে থাকলে পাত্রটিকে নুনপানিতে ভর্তি করে পানি ফোটালে পোড়া অংশ দ্রুত আলাগা হয়ে উঠে যায়।
৪৮) আচার বয়াম থেকে নেওয়ার সময় পরিষ্কার চামচ ব্যবহার করলে আচারে ফাঙ্গাস পড়ে না।
৪৯) চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপড়ে ঢুকবে না।
(সংগৃহীত)
Nurshoshi's kitchen 🖤
ছবিঃ সংগৃহীত।
24/01/2023
📌ঝোলের তরকারি বা ডাল থেকে তো লবণ কমালেন, কিন্তু ভাজি, কাবাব, ফ্রাই করা খাবার থেকে কীভাবে কমাবেন লবণ? জেনে নিন সব রকমের খাবার থেকে লবণ কমানোর ১০টি দারুণ কার্যকরী কৌশল।
১) তরকারী বা ডাল থেকে লবণ কমানোর সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে ময়দা দিয়ে খামির তৈরি করুন। তারপর ছোট ছোট বল আকারে তৈরি করে ঝোল বা ডালের মাঝে ফুটতে দিন। লবণ অনেক পরিমাণে কমে আসবে।
২) মাছের তরকারী হলে ডালের বড়ি যোগ করুন। তেলের মাঝে বড়ি হালকা ভেজে তরকারিতে দিয়ে দিন। এতে লবণ যেমন কমবে, স্বাদেও আসবে ভিন্ন মাত্রা।
৩) সিদ্ধ করা আলু যোগ করুন তরকারী বা ডালে। লবণ কমা পর্যন্ত ফুটিয়ে নিন। তারপর আলুগুলো তুলে ফেলতে পারেন যদি ইচ্ছা হয়।
৪) সবজি ভাজিতে লবণ বেশি হয়ে গিয়েছে? যোগ করুন অনেকটা কাঁটা পেঁয়াজ ও ধনেপাতা। টমেটো কুচিও দিতে পারেন। তারপর ভালো করে ভেজে নিন আবার।
৫) দোপেয়াজা বা কোন ভুনা খাবারে লবণ বেশি হয়ে গেলে যোগ করুন অল্প টক দই ও চিনি। ভালো করে মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ১৫/২০ মিনিট দমে রাখুন। লবণ তো কমবেই সাথে খাবারের স্বাদ বাড়বে বহুগুণে।
৬) রোস্ট, রেজালা ইত্যাদি খাবারে লবণ বেশি হয়ে গেলে যোগ করুন মালাই। ওই একইভাবে দমে দিয়ে রাখুন। লবণ কমে যাবে।
৭) কাবাব, ভুনা, বা ডাল চচ্চড়ি জাতীয় খাবারে লবণ বেশি হয়ে গেলে যোগ করতে পারেন অল্প লেবুর রস ও সাথে এক চিমটি চিনি। খাবারের লবণকে অনেকটাই কম মনে হবে।
৮) যে কোন তরকারিতেই লবণ বেশি হলে বেরেশ্তা যোগ করুন। এতে ঝোল ঘন হবে, স্বাদে যোগ হবে বাড়তি মাত্রা, অন্যদিকে লবণটাও কবে আসবে।
৯) তন্দুরি চিকেনে লবণ বেশি হয়ে গেছে? সাথে পরিবেশন করুন একটু বেশি মিষ্টি দেয়া রায়তা। দেখবেন, কেউ বেশি লবণ বুঝতেই পারবে না!
১০) লবণ কমাতে আরেকটি ভীষণ কাজের জিনিস হলো দুধ। দুধ যোগ করলে সেটা স্বাদে কোন নরচর করবে না। কিন্তু আপনার তরকারির লবণ কমিয়ে দেবে একদম।
©
23/01/2023
বাঙালীর সব ক্ষেএে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে।
বাঙালীর জীবনযাত্রার প্রতিটি স্তর যেমন
আধুনিক হয়েছে তেমনি খাবার দাবার ও রান্না বান্নাতেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।
পাশাপাশি সবাই স্বাস্থ্যসচেতন হয়েছে।
তাই সময়ের সাথে তাল মিলাতে আমাদের এই আয়োজন Nurshoshi's kitchen
আমরা চেষ্টা করছি প্রতিদিনকার খাবার দাবার ও রান্না বান্নায় আরো সহজ উপকরণে এবং বৈচিত্র্যপুর্ণ করে কিভাবে আধুনিকতার ছোঁয়া দেওয়া যায়।
স্বাস্থ্যসম্মত রান্নার নতুন নতুন সব বাংলা রেসিপি পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
# 's kitchen❤️❤️