16/03/2026
২৭তম রাত লাইলাতুল কদর বিষয়ে কিছু সূক্ষ্ম ইশারা
• কিছু আলেম কুরআনের সূরা কদরের ভেতর থেকেও সূক্ষ্ম ইঙ্গিত খুঁজে বের করেছেন। সূরা কদরে আল্লাহ তাআলা বলেন
سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ
‘এটি শান্তিময়—ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।’
এখানে هِيَ শব্দটি সূরার গণনায় ২৭তম শব্দ হিসেবে আসে। এ থেকে কেউ কেউ ইঙ্গিত নিয়েছেন যে, শবে কদর ২৭ রমজান হতে পারে।
• আরেকটি সুন্দর সূক্ষ্ম ইঙ্গিত কিছু আলেম উল্লেখ করেছেন—সূরা কদরে لَيْلَةُ الْقَدْرِ বাক্যটি তিনবার এসেছে। لَيْلَةُ الْقَدْرِ এই শব্দগুচ্ছে ৯টি অক্ষর। ৯*৩ = ২৭। এ হিসাব থেকেও কেউ কেউ ২৭ তারিখের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।
• তাফসিরে কুরতুবিতেও একটি সুন্দর ঘটনা আছে।
একদিন হযরত উমর রাযি. সাহাবাদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘লাইলাতুল কদর কোন রাত?’
সবাই বললেন, والله أعلم ‘আল্লাহই ভালো জানেন।’
সেখানে তরুণ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাযি. উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমি ‘সাত’ সংখ্যার মধ্যে একটি বিশেষ মিল দেখেছি। আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন—
— সাত আসমান
— সাত জমিন
— তাওয়াফ সাত চক্কর
— সাফা-মারওয়ার সাঈ সাত চক্কর
— রমিতে সাত কংকর
— সিজদার অঙ্গ সাতটি।
অনুরূপভাবে মানুষের সৃষ্টির ধাপগুলোও কুরআনে সাতভাবে এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن سُلَالَةٍ مِّن طِينٍ
আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি।
ثُمَّ جَعَلْنَاهُ نُطْفَةً فِي قَرَارٍ مَّكِينٍ
অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দু রূপে এক সংরক্ষিত আধারে স্থাপন করেছি।
ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً
পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করেছি জমাট বাঁধা রক্তে।
فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً
অতঃপর রক্তপিন্ডকে পরিণত করেছি মাংসপিন্ডে।
فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَامًا
অতঃপর মাংসপিণ্ডকে পরিণত করেছি হাড্ডিতে।
فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْمًا
অতঃপর হাড্ডিকে আবৃত করেছি মাংস দিয়ে।
ثُمَّ أَنشَأْنَاهُ خَلْقًا آخَرَ ۚ فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ
অবশেষে ওকে গড়ে তুলেছি অন্য এক সৃষ্টি রূপে; অতএব নিপুণতম স্রষ্টা আল্লাহ কতই না মহান। [সূরা মুমিনূন : ১২-১৪]
আলোচ্য আয়াতসমূহে মানব সৃষ্টির সাতটি স্তর উল্লেখ করা হয়েছে।
— সর্বপ্রথম স্তর سُلَالَةٍ مِّن طِينٍ মাটির সারাংশ।
— দ্বিতীয় نُطْفَةً বীর্য।
— তৃতীয় عَلَقَةً জমাট রক্ত,
— চতুর্থ مُضْغَةً মাংসপিণ্ড।
— পঞ্চম عِظَامًا হাড্ডি।
— ষষ্ঠ لَحْمًا অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃতকরণ।
— সপ্তম خَلْقًا آخَرَ সৃষ্টিটির পূর্ণত্ব অর্থাৎ রূহ সঞ্চারকরণ।
সূরা ‘আবাসা’-তেও খাদ্যের প্রসঙ্গে এসেছে
فَلْيَنْظُرِ الإِنْسَانُ إِلَى طَعَامِهِ. فَأَنبَتْنَا فِيهَا حَبًّا. وَعِنَبًا وَقَضْبًا. وَزَيْتُونًا وَنَخْلًا. وَحَدَائِقَ غُلْبًا. وَفَاكِهَةً وَأَبًّا
মানুষ তার খাদ্যের ব্যপারটাই ভেবে দেখুক না কেন। আমি প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করি।তারপর যমীনকে বিদীর্ণ করে দেই। অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি-শস্য, আঙ্গুর ও শাক-সবজি, যায়তূন ও খেজুর, আর ঘন বৃক্ষ পরিপূর্ণ বাগবাগিচা, আর নানান জাতের ফল আর ঘাস-লতাপাতা। [সূরা ‘আবাসা : ২৪-৩০]
আলোচ্য আয়াতসমূহে খাদ্যের ব্যপারটা সাতটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে
১. حَبًّا শস্য,
২. عِنَبًا আঙ্গুর,
৩. قَضْبًا শাক-সবজি,
৪. زَيْتُونًا যায়তূন,
৫. نَخْلًا খেজুর,
৬. حَدَائِقَ غُلْبًا ঘন বৃক্ষ পরিপূর্ণ বাগবাগিচা,
৭. وَفَاكِهَةً وَأَبًّا নানান জাতের ফল ও ঘাস-লতাপাতা।
এই সব মিল দেখে আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. বললেন, যেহেতু লাইলাতুল কদর শেষ দশকে, তাই সাতের হিসাবে ২৭তম রাত বেশি উপযুক্ত মনে হয়।
এ কথা শুনে হযরত উমর রাযি. প্রশংসা করে বললেন, তোমরা এই তরুণের মতো বিশ্লেষণও করতে পারলে না! [তাফসির কুরতুবী, সূরা মুমিনূন]
• তবে মনে রাখতে হবে—এগুলো নিশ্চিত দলিল নয়; বরং ইশারা মাত্র। কুরআন বা সহীহ হাদিসে স্পষ্টভাবে ২৭ তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি।
তাহলে কী করবে একজন মুমিন?
হাকীমুল উম্মাহ হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. একটি অত্যন্ত কার্যকর কথা বলেছেন—যে ব্যক্তি শবে কদরের নিয়তে রাত জেগে ইবাদত করবে, তার নিয়তের কারণে ইনশাআল্লাহ সে শবে কদরের সওয়াব পাবে। কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ
সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। [সহীহ বুখারী : ১]
অর্থাৎ, যদি বান্দা আন্তরিকভাবে ধারণা করে—আজ হয়তো লাইলাতুল কদর। তারপর এ নিয়তে ইবাদত করে, তাহলে আল্লাহ তাঁর নিয়তের মর্যাদা দেবেন। একজন ফারসি কবি খুব সুন্দরভাবে বলেছেন
اے خواجہ! جوئی ز شب قدر نشانی
هر شب، شب قدر است اگر قدر بدانی
হে বন্ধু! তুমি কেন শবে কদরের আলামত খুঁজে বেড়াও?
তুমি যদি কদর করতে জানো—তবে প্রতিটি রাতই তোমার জন্য শবে কদর।
#খুতুবাত
17/02/2026
রামাদান প্রতি বছর ভিন্ন তারিখে শুরু হয় কেন?
রামাদান প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে শুরু হয়। এর কারণ হলো ইসলামী ক্যালেন্ডার চন্দ্রভিত্তিক হিজরি বর্ষপঞ্জির উপর নির্ভরশীল, যেখানে মাসগুলো ২৯ বা ৩০ দিনের হয়।
পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ উত্তর গোলার্ধে বাস করে। এ বছর তাদের জন্য রোজার সময় কিছুটা কম হবে এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত ধীরে ধীরে আরও কমতে থাকবে। ২০৩১ সালে রামাদান শীতকালীন অয়ন (বছরের সবচেয়ে ছোট দিন) সময়ে পড়বে।
দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারী রোজাদার মুসলমানদের জন্য এ বছর রোজার সময় গত বছরের তুলনায় দীর্ঘ হবে।
চন্দ্রবর্ষ সৌরবর্ষের তুলনায় প্রায় ১১ দিন ছোট হওয়ায় ২০৩০ সালে এক বছরেই দু’বার রামাদান পালন করা হবে — প্রথমটি শুরু হবে ৫ জানুয়ারি, এবং দ্বিতীয়টি শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর।
16/02/2026
রমজানে খতমের ছক।আশা করি কাজে আসবে।
15/02/2026
শাইখ আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে দেখাচ্ছেন, তিনটা বিষয়-
সাহাবীরা ঈমান আনলো।
তারপর কুরআন পড়লো, ঈমান বাড়লো। অতঃপর কুরআন শিখে সে মতে আমল করলো।
জীবন হলো কুরআনময়।
শাইখ ইয়াসির। হাফিযাহুল্ল-হ্
বায়তুল্লাহর মেহরাবে দাঁড়িয়ে যেমন মুসল্লীদের হৃদয়ে কুরআনের তরঙ্গ তুলেন, দারসগুলোতেও তেমন প্রতিটা হৃদয়ে কুরআনের গুরুত্ব পোঁছে দিতে চান।
শাইখ ইয়াসির যেন সত্যিকারের কুরআনের পাখি।
শাইখের একদম সামনে ছিলাম। ইচ্ছে ছিলো একটু মুসাফাহা করার। কিন্তু দারসের শেষের দিকে পুলিশগুলো আস্তে আস্তে এগিয়ে এসে বেড় জালের মত ঘেরাও দিয়ে শায়েখকে বের করে নিয়ে যায়।
@ ফায়সাল
24/01/2026
মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৌদি আরবের বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা. আব্দুল্লাহ আল্লাম।
পেশাগত জীবনে তিনি একজন ব্যস্ত সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ সার্জন। বর্তমানে মদিনার কিং ফাহাদ হাসপাতালে পরামর্শক সার্জন হিসেবে কর্মরত।
প্রতিদিন প্রায় ১২ ঘণ্টার টানা ডিউটি শেষ করেও তিনি বিশ্রামে যান না।
সন্ধ্যা হলেই ছুটে যান মদিনার প্রাণকেন্দ্রে—
মসজিদে নববী, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ–এর রওজা মোবারকের সান্নিধ্যে।
গত ১২ বছর ধরে, নিয়মিতভাবে তিনি সেখানে দেশ–বিদেশ থেকে আগত শিক্ষার্থীদের পবিত্র কোরআনের ১০ কিরাআত (১০টি বিশেষ পাঠ পদ্ধতি) অত্যন্ত নিষ্ঠা ও যত্নের সঙ্গে শিক্ষা দিয়ে আসছেন।
এই মহৎ কাজের পেছনে রয়েছে এক গভীর আবেগ—
তার প্রয়াত মায়ের শেষ ইচ্ছা।
প্রায় এক যুগ আগে ডা. আব্দুল্লাহ আল্লামের মা ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর আগে তার একটাই স্বপ্ন ছিল—
তার সন্তান যেন মসজিদে নববীতে কোরআনের আলো ছড়িয়ে দেয়।
মায়ের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই ডা. আল্লাম শুরু করেন এই নিরব কিন্তু মহান যাত্রা।
হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময়ও তার এই রুটিনে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
দীর্ঘ ডিউটির ক্লান্তি, কঠিন অপারেশন—
কিছুই তাকে এই আধ্যাত্মিক সেবা থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীরা তার ক্লাসে অংশ নেন।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো কঠিন বিষয়ের একজন সার্জন হয়েও কোরআনের সূক্ষ্ম পাঠ পদ্ধতি যেভাবে তিনি বুঝিয়ে দেন—তা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর।
নিজের এই ভিন্নধর্মী দায়িত্ব সম্পর্কে ডা. আব্দুল্লাহ আল্লাম বলেন—
“পেশাগত কাজের পর এই শিক্ষকতা চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ রহমত।
আমি বিশ্বাস করি, এই কাজের মাধ্যমেই আমি আমার মায়ের আত্মার শান্তি এবং মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবো।”
একজন সন্তান, একজন চিকিৎসক, একজন শিক্ষক—
ডা. আব্দুল্লাহ আল্লাম আমাদের মনে করিয়ে দেন,
পেশা আর ইবাদত একসাথে চলতে পারে, যদি ইচ্ছাটা খাঁটি হয়।
10/01/2026
মাত্র ১০ দিনে কুরআন শিক্ষার প্রাথমিক ধাপ বেসিক তাজবিদ কোর্স।(শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য)।
কোর্স ডিউরেশন: ২৭ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭:৩০ থেকে।
আসন সংখ্যা :সীমিত।
কোর্সটি যাদের জন্য:১২-৬৫ যেকোনো বয়সী মেয়েদের জন্য।
কোর্সে যা শেখানো হবে:মাদ্দ,মাখরাজ, গুন্নাহ,নূন-সাকিন,মিম-সাকিন, র" & আল্লাহ" শব্দ পড়ার নিয়ম। (বেসিক তাজবিদ শেখানো হবে।এডভান্স না).
কোর্স ফি ১০০৳.
সিট কনফার্ম করতে অবশ্যই ১০০৳ সেন্ড মানি এডভান্স করে কনফার্ম করতে হবে।
পোস্টে বিস্তারিত দেওয়া আছে। পুরো পুরি আগ্রহী হলেই শুধুমাত্র ইনবক্সে নক দিবেন।অনুগ্রহ করে অযথা কেউ বিরক্ত করবেন না।❌
06/01/2026
কুরআন মুখস্থ করার পর ভুলে যাওয়ার ১০টি কারণ
কুরআনুল কারীম মুখস্থ করা আল্লাহ তাআলার এক মহান নিয়ামত। তবে এই নিয়ামত হেফাজতে না রাখলে ধীরে ধীরে মুখস্থ অংশ ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ইসলামী শিক্ষাবিদ ও আলেমগণের মতে, নিচের কারণগুলো কুরআন ভুলে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে—
১. চুরি করা
চুরি একটি গুরুতর গুনাহ, যা হৃদয়ের পবিত্রতা নষ্ট করে এবং কুরআনের নূর নিভিয়ে দেয়।
২. মিথ্যা কথা বলা
মিথ্যা ঈমানের দুর্বলতার পরিচয় এবং কুরআনের হিফজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
৩. বিনা অনুমতিতে অন্যের মাল ব্যবহার করা
হক নষ্ট করা ও আমানতের খিয়ানত কুরআনের বরকত কমিয়ে দেয়।
৪. হারাম ভক্ষণ করা
হারাম খাদ্য অন্তরকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে, ফলে কুরআন হৃদয়ে স্থায়ী হয় না।
৫. বারবার কবিরা গুনাহ করা
বড় গুনাহের উপর অবিচল থাকা কুরআন ভুলে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
৬. বারবার নামাজ কাজা করা
নামাজের অবহেলা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দুর্বল করে দেয়, যার প্রভাব কুরআনের হিফজেও পড়ে।
৭. উস্তাদের সাথে বেয়াদবি করা
ইলমের বরকত উস্তাদের সম্মানের সাথে জড়িত। বেয়াদবি বরকত নষ্ট করে দেয়।
৮. পিতা-মাতার সাথে বেয়াদবি করা
মা-বাবার দোয়া ও সন্তুষ্টি ছাড়া ইলমে সফলতা আসে না।
৯. কুরআন শরীফের সাথে বেয়াদবি করা
কুরআনের আদব রক্ষা না করলে আল্লাহ তাআলা মুখস্থ রাখার তাওফিক তুলে নিতে পারেন।
১০. নিয়মিত তিলাওয়াত না করা
নিয়মিত পুনরাবৃত্তি ও তিলাওয়াত না করলে হিফজ দুর্বল হয়ে পড়ে।
লিখেছেন ✍️ Hafez Mehedi Hasan