Al-Falah Institute

Al-Falah Institute

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al-Falah Institute, Education, Dhaka.

can connect with us online from anywhere in the world.can be Learn Basic & Advance Tajweed,Recitation & improve recitation skills,Hefzul Quran & Listening.Also take The Ijajah & Sanad.Arabic & Urdu Language Learning.Quran Translation & Tafsir.Dua & Surah.

16/03/2026

২৭তম রাত লাইলাতুল কদর বিষয়ে কিছু সূক্ষ্ম ইশারা

• কিছু আলেম কুরআনের সূরা কদরের ভেতর থেকেও সূক্ষ্ম ইঙ্গিত খুঁজে বের করেছেন। সূরা কদরে আল্লাহ তাআলা বলেন
سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ
‘এটি শান্তিময়—ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।’

এখানে هِيَ শব্দটি সূরার গণনায় ২৭তম শব্দ হিসেবে আসে। এ থেকে কেউ কেউ ইঙ্গিত নিয়েছেন যে, শবে কদর ২৭ রমজান হতে পারে।

• আরেকটি সুন্দর সূক্ষ্ম ইঙ্গিত কিছু আলেম উল্লেখ করেছেন—সূরা কদরে لَيْلَةُ الْقَدْرِ বাক্যটি তিনবার এসেছে। لَيْلَةُ الْقَدْرِ এই শব্দগুচ্ছে ৯টি অক্ষর। ৯*৩ = ২৭। এ হিসাব থেকেও কেউ কেউ ২৭ তারিখের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

• তাফসিরে কুরতুবিতেও একটি সুন্দর ঘটনা আছে।
একদিন হযরত উমর রাযি. সাহাবাদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘লাইলাতুল কদর কোন রাত?’

সবাই বললেন, والله أعلم ‘আল্লাহই ভালো জানেন।’

সেখানে তরুণ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাযি. উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমি ‘সাত’ সংখ্যার মধ্যে একটি বিশেষ মিল দেখেছি। আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন—
— সাত আসমান
— সাত জমিন
— তাওয়াফ সাত চক্কর
— সাফা-মারওয়ার সাঈ সাত চক্কর
— রমিতে সাত কংকর
— সিজদার অঙ্গ সাতটি।

অনুরূপভাবে মানুষের সৃষ্টির ধাপগুলোও কুরআনে সাতভাবে এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن سُلَالَةٍ مِّن طِينٍ
আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি।
ثُمَّ جَعَلْنَاهُ نُطْفَةً فِي قَرَارٍ مَّكِينٍ
অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দু রূপে এক সংরক্ষিত আধারে স্থাপন করেছি।
ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً
পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করেছি জমাট বাঁধা রক্তে।
فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً
অতঃপর রক্তপিন্ডকে পরিণত করেছি মাংসপিন্ডে।
فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَامًا
অতঃপর মাংসপিণ্ডকে পরিণত করেছি হাড্ডিতে।
فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْمًا
অতঃপর হাড্ডিকে আবৃত করেছি মাংস দিয়ে।
ثُمَّ أَنشَأْنَاهُ خَلْقًا آخَرَ ۚ فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ
অবশেষে ওকে গড়ে তুলেছি অন্য এক সৃষ্টি রূপে; অতএব নিপুণতম স্রষ্টা আল্লাহ কতই না মহান। [সূরা মুমিনূন : ১২-১৪]

আলোচ্য আয়াতসমূহে মানব সৃষ্টির সাতটি স্তর উল্লেখ করা হয়েছে।
— সর্বপ্রথম স্তর سُلَالَةٍ مِّن طِينٍ মাটির সারাংশ।
— দ্বিতীয় نُطْفَةً বীর্য।
— তৃতীয় عَلَقَةً জমাট রক্ত,
— চতুর্থ مُضْغَةً মাংসপিণ্ড।
— পঞ্চম عِظَامًا হাড্ডি।
— ষষ্ঠ لَحْمًا অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃতকরণ।
— সপ্তম خَلْقًا آخَرَ সৃষ্টিটির পূর্ণত্ব অর্থাৎ রূহ সঞ্চারকরণ।

সূরা ‘আবাসা’-তেও খাদ্যের প্রসঙ্গে এসেছে
فَلْيَنْظُرِ الإِنْسَانُ إِلَى طَعَامِهِ. فَأَنبَتْنَا فِيهَا حَبًّا. وَعِنَبًا وَقَضْبًا. وَزَيْتُونًا وَنَخْلًا. وَحَدَائِقَ غُلْبًا. وَفَاكِهَةً وَأَبًّا
মানুষ তার খাদ্যের ব্যপারটাই ভেবে দেখুক না কেন। আমি প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করি।তারপর যমীনকে বিদীর্ণ করে দেই। অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি-শস্য, আঙ্গুর ও শাক-সবজি, যায়তূন ও খেজুর, আর ঘন বৃক্ষ পরিপূর্ণ বাগবাগিচা, আর নানান জাতের ফল আর ঘাস-লতাপাতা। [সূরা ‘আবাসা : ২৪-৩০]

আলোচ্য আয়াতসমূহে খাদ্যের ব্যপারটা সাতটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে
১. حَبًّا শস্য,
২. عِنَبًا আঙ্গুর,
৩. قَضْبًا শাক-সবজি,
৪. زَيْتُونًا যায়তূন,
৫. نَخْلًا খেজুর,
৬. حَدَائِقَ غُلْبًا ঘন বৃক্ষ পরিপূর্ণ বাগবাগিচা,
৭. وَفَاكِهَةً وَأَبًّا নানান জাতের ফল ও ঘাস-লতাপাতা।

এই সব মিল দেখে আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. বললেন, যেহেতু লাইলাতুল কদর শেষ দশকে, তাই সাতের হিসাবে ২৭তম রাত বেশি উপযুক্ত মনে হয়।

এ কথা শুনে হযরত উমর রাযি. প্রশংসা করে বললেন, তোমরা এই তরুণের মতো বিশ্লেষণও করতে পারলে না! [তাফসির কুরতুবী, সূরা মুমিনূন]

• তবে মনে রাখতে হবে—এগুলো নিশ্চিত দলিল নয়; বরং ইশারা মাত্র। কুরআন বা সহীহ হাদিসে স্পষ্টভাবে ২৭ তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি।

তাহলে কী করবে একজন মুমিন?

হাকীমুল উম্মাহ হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. একটি অত্যন্ত কার্যকর কথা বলেছেন—যে ব্যক্তি শবে কদরের নিয়তে রাত জেগে ইবাদত করবে, তার নিয়তের কারণে ইনশাআল্লাহ সে শবে কদরের সওয়াব পাবে। কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ
সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। [সহীহ বুখারী : ১]
অর্থাৎ, যদি বান্দা আন্তরিকভাবে ধারণা করে—আজ হয়তো লাইলাতুল কদর। তারপর এ নিয়তে ইবাদত করে, তাহলে আল্লাহ তাঁর নিয়তের মর্যাদা দেবেন। একজন ফারসি কবি খুব সুন্দরভাবে বলেছেন
اے خواجہ! جوئی ز شب قدر نشانی
هر شب، شب قدر است اگر قدر بدانی
হে বন্ধু! তুমি কেন শবে কদরের আলামত খুঁজে বেড়াও?
তুমি যদি কদর করতে জানো—তবে প্রতিটি রাতই তোমার জন্য শবে কদর।
#খুতুবাত

08/03/2026

লাইলাতুল কদরের রাতে আমল করতে এই গাইডলাইনটা দেখতে পারেন।

সর্বপ্রথম চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাত জেগে ইবাদত করার এনার্জি পাওয়া যায় ইন শা আল্লাহ। গোসল থেকে শুরু করে সকল ধরনের বড় কাজ আগেভাগেই সেরে রাখুন যাতে মাগরিবের পর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করতে হয়।

১। মাগরিবের পর থেকে অহেতুক স্ক্রিন টাইম, আনমনে স্ক্রল করে যাওয়া, টিভি দেখা থেকে একদম বিরত থাকুন। হাতের কোন কাজ থাকলেও মুখে দোয়া জিকির করতেই থাকুন।

২। মাগরিবের পর থেকেই কিন্তু কদরের রাতের শুরু, তাই ইফতারের পরে আপনি কোন ধরনের কথা উচ্চারণ করছেন খেয়াল রাখবেন। গীবত, পরনিন্দা হয়ে গেলে এ সমস্ত গুনাহের প্রভাবে যেন আপনার কদরের রাত যেন নষ্ট না হয়ে যায়।

৩| মাগরিবের নামাজের পর সন্ধ্যার দোয়া জিকির গুলো বই দেখে ভালোভাবে সবগুলো শেষ করুন। এগুলো আপনার পুরো রাতের ইবাদতকে সহজ করে তুলবে, শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা করবে ইনশাআল্লাহ।

৪। এশার নামাজ ভাইরা তো মসজিদে পড়বেন আর বোনেরা যারা ঘরে থাকবেন একই সময়ে নামাজ শুরু করে দিবেন যাতে সম্পূর্ণ এনার্জি নিয়ে লম্বা সময় ধরে নামাজ পড়তে পারেন।

৫। এরপর কিছুটা বিশ্রাম নিন, কুরআন পড়তে পারলে রাত ১২টা ১টা পর্যন্ত কুরআন পড়ুন।

৬। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন।

যেমনঃ-

🔸 কদরের রাতে সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়াটি বেশি বেশি পড়তে থাকুন— "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি!"

🔸‌ আপনার জান্নাতে একটা একটা করে গাছ লাগাতে থাকুন লাইলাতুল কদরের রাতে " সুবহানাল্লাহিল আ'যিম ওয়া বিহামদিহ" এই জিকিরের মাধ্যমে।

আরো জিকির করুন ~
🔸 সুবহান আল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার।
(১০০+ বার করে)
🔸 লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (১০০+ বার)
🔸আস্তাগফিরুল্লহ ( ১০০+ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
🔸বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
🔸 সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)

🔸 "লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)

🔸 দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)

🔸 "সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।

🌹"লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।

🌹 সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।

🌹স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করা।

🌹সুরাহ মুলক পাঠ করা।

🌹সুরাহ বাকারাহ এর শেষ দুই আয়াত পাঠ করা।

🌹 কুরআনে উল্লেখিত দুআগুলো পাঠ করা।

🌹জান্নাত প্রার্থনা করা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা ~
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতাল ফিরদাউস
আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার "

রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত আবার নামাজ পড়ুন। (তারাবির নামাজ) এবার ধীরে-সুস্থে রুকুতে এবং সিজদায় অনেকক্ষণ সময় দিবেন। বিশেষ করে সিজদায় অসম্ভব সময় নিয়ে দুয়া করবেন। সিজদায় বেশী বেশী সময় ব্যয় করুন।

৭।তারপর বিতরের নামাজ পরুন।

৮। শেষ রাতে অবশ্যই হাত তুলুন মালিকের কাছে।
আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন. চোখের পানি ফেলে বলুন, "হে আমার মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...।
৯। সাহরি খান।

১০। ফজরের নামাজ পড়ুন।
***
*রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন রাত শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, দশ রাতেই আমল করুন। ***

আল্লাহ আমাদেরকে লাইলাতুল কদর পর্যন্ত পৌঁছে দিন।

(মূল লেখা লিখেছে: Baseera
বেশ কিছু পরিমার্জনা করা হয়েছে)

27/02/2026

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)
১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)
৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)
৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)
৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)
৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)
৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)
১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)
১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
১২.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)
১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)
১৪. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)
১৫.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)
১৬.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)
১৭.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
১৮.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)
১৯.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
২০.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)
২১.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
২২.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির।
(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير)
২৩.রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
(-رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)
২৪. রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়‍্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
২৫.আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
২৬.রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াক্বীনা আজাবান্নার
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً ، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةٌ ، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
২৭.ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ
২৮. রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا
২৯.রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
অনবরত এই সমস্ত জিকির গুলোর মাধ্যমে নিজের আমলনামা ভারী করে নিন (ইনশা'আল্লহ)
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার স্মরণেই অন্তর সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [সূরা রাদ-২৮]

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে।
©

18/02/2026

রামাদান মাসের ফযীলত!
রামাদান মাসের আগমনে মুসলমানগণ আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। আনন্দ প্রকাশ করাই স্বাভাবিক স্বভাবগত। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:—
قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ
(ইউনুস: ৫৮)

বলো, এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া। সুতরাং এতে তারা আনন্দিত হোক। তারা যা সঞ্চয় করে এটা তার চেয়ে উত্তম।
পার্থিব কোনো সম্পদের সাথে আল্লাহর এ অনুগ্রহের তুলনা চলে না, তা হবে এক ধরনের অবান্তর কল্পনা। যখন রামাদানের আগমন হতো তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ অত্যন্ত আনন্দিত হতেন, তাঁর সাহাবীদের বলতেন:—
أَتَاكُمْ رَمَضَانُ شَهْرٌ مُبَارَكٌ
(সুনান আন-নাসাঈ)

তোমাদের দ্বারে বরকতময় মাস রামাদান এসেছে। এরপর তিনি এ মাসের কিছু ফযীলত বর্ণনা করে বলেন:—
فَرَضَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ، تُفْتَحُ فِيهِ أَبْوَابُ السَّمَاءِ، وَتُغْلَقُ فِيهِ أَبْوَابُ الْجَحِيمِ، وَتُغَلُّ فِيهِ مَرَدَةُ الشَّيَاطِينِ، فِيهِ لَيْلَةٌ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ، مَنْ حُرِمَ خَيْرَهَا فَقَدْ حُرِمَ
(রেওয়ায়েত আন-নাসাঈ: ২১৮৮)

আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য সিয়াম পালন ফরজ করেছেন। এ মাসে আকাশের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, বন্ধ করে দেওয়া হয় জাহান্নামের দরজাগুলো। অভিশপ্ত শয়তানকে বন্দি করা হয়। এ মাসে রয়েছে একটি রাত, যা হাজার রাতের চেয়েও উত্তম। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে মূলত সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো।

আমাদের কর্তব্য আল্লাহর এ অনুগ্রহের মূল্যায়ন করতে চেষ্টা করা, এ মাসের ফযীলত ও তাৎপর্য অনুধাবনে সচেষ্ট হওয়া ও ইবাদত-বন্দেগীসহ সকল কল্যাণকর কাজে নিয়োজিত থাকা।

রামাদানের সময়গুলোকে কাজে লাগানোর জন্য আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন. আমিন

17/02/2026

রামাদান প্রতি বছর ভিন্ন তারিখে শুরু হয় কেন?
রামাদান প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে শুরু হয়। এর কারণ হলো ইসলামী ক্যালেন্ডার চন্দ্রভিত্তিক হিজরি বর্ষপঞ্জির উপর নির্ভরশীল, যেখানে মাসগুলো ২৯ বা ৩০ দিনের হয়।

পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ উত্তর গোলার্ধে বাস করে। এ বছর তাদের জন্য রোজার সময় কিছুটা কম হবে এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত ধীরে ধীরে আরও কমতে থাকবে। ২০৩১ সালে রামাদান শীতকালীন অয়ন (বছরের সবচেয়ে ছোট দিন) সময়ে পড়বে।

দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারী রোজাদার মুসলমানদের জন্য এ বছর রোজার সময় গত বছরের তুলনায় দীর্ঘ হবে।

চন্দ্রবর্ষ সৌরবর্ষের তুলনায় প্রায় ১১ দিন ছোট হওয়ায় ২০৩০ সালে এক বছরেই দু’বার রামাদান পালন করা হবে — প্রথমটি শুরু হবে ৫ জানুয়ারি, এবং দ্বিতীয়টি শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর।

Photos from Al-Falah Institute's post 16/02/2026

রমজানে খতমের ছক।আশা করি কাজে আসবে।

15/02/2026

শাইখ আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে দেখাচ্ছেন, তিনটা বিষয়-

সাহাবীরা ঈমান আনলো।
তারপর কুরআন পড়লো, ঈমান বাড়লো। অতঃপর কুরআন শিখে সে মতে আমল করলো।

জীবন হলো কুরআনময়।

শাইখ ইয়াসির। হাফিযাহুল্ল-হ্
বায়তুল্লাহর মেহরাবে দাঁড়িয়ে যেমন মুসল্লীদের হৃদয়ে কুরআনের তরঙ্গ তুলেন, দারসগুলোতেও তেমন প্রতিটা হৃদয়ে কুরআনের গুরুত্ব পোঁছে দিতে চান।

শাইখ ইয়াসির যেন সত্যিকারের কুরআনের পাখি।

শাইখের একদম সামনে ছিলাম। ইচ্ছে ছিলো একটু মুসাফাহা করার। কিন্তু দারসের শেষের দিকে পুলিশগুলো আস্তে আস্তে এগিয়ে এসে বেড় জালের মত ঘেরাও দিয়ে শায়েখকে বের করে নিয়ে যায়।

@ ফায়সাল

24/01/2026

মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৌদি আরবের বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা. আব্দুল্লাহ আল্লাম।

পেশাগত জীবনে তিনি একজন ব্যস্ত সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ সার্জন। বর্তমানে মদিনার কিং ফাহাদ হাসপাতালে পরামর্শক সার্জন হিসেবে কর্মরত।

প্রতিদিন প্রায় ১২ ঘণ্টার টানা ডিউটি শেষ করেও তিনি বিশ্রামে যান না।

সন্ধ্যা হলেই ছুটে যান মদিনার প্রাণকেন্দ্রে—
মসজিদে নববী, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ–এর রওজা মোবারকের সান্নিধ্যে।

গত ১২ বছর ধরে, নিয়মিতভাবে তিনি সেখানে দেশ–বিদেশ থেকে আগত শিক্ষার্থীদের পবিত্র কোরআনের ১০ কিরাআত (১০টি বিশেষ পাঠ পদ্ধতি) অত্যন্ত নিষ্ঠা ও যত্নের সঙ্গে শিক্ষা দিয়ে আসছেন।

এই মহৎ কাজের পেছনে রয়েছে এক গভীর আবেগ—
তার প্রয়াত মায়ের শেষ ইচ্ছা।

প্রায় এক যুগ আগে ডা. আব্দুল্লাহ আল্লামের মা ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর আগে তার একটাই স্বপ্ন ছিল—
তার সন্তান যেন মসজিদে নববীতে কোরআনের আলো ছড়িয়ে দেয়।

মায়ের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই ডা. আল্লাম শুরু করেন এই নিরব কিন্তু মহান যাত্রা।

হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময়ও তার এই রুটিনে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
দীর্ঘ ডিউটির ক্লান্তি, কঠিন অপারেশন—

কিছুই তাকে এই আধ্যাত্মিক সেবা থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীরা তার ক্লাসে অংশ নেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো কঠিন বিষয়ের একজন সার্জন হয়েও কোরআনের সূক্ষ্ম পাঠ পদ্ধতি যেভাবে তিনি বুঝিয়ে দেন—তা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর।

নিজের এই ভিন্নধর্মী দায়িত্ব সম্পর্কে ডা. আব্দুল্লাহ আল্লাম বলেন—

“পেশাগত কাজের পর এই শিক্ষকতা চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ রহমত।

আমি বিশ্বাস করি, এই কাজের মাধ্যমেই আমি আমার মায়ের আত্মার শান্তি এবং মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবো।”

একজন সন্তান, একজন চিকিৎসক, একজন শিক্ষক—
ডা. আব্দুল্লাহ আল্লাম আমাদের মনে করিয়ে দেন,
পেশা আর ইবাদত একসাথে চলতে পারে, যদি ইচ্ছাটা খাঁটি হয়।

12/01/2026

মেধাশক্তি বৃদ্ধির কিছু দোয়া বা আমল:

১. নিয়ত:
প্রথমে মনে মনে নিয়ত করুন—
“হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তর পরিষ্কার করে দিন, আমার স্মরণশক্তি ও বোঝার ক্ষমতা বাড়িয়ে দিন।”

২. কোরআনের আয়াতসমূহ—
সূরা আল-ইনশিরাহ (১–৮)
(মনের জড়তা ও অস্থিরতা দূর করে)
আলম নাশরাহ লাকা সদরাক…
পূর্ণ সূরাটি ১ বার বা ৩ বার পড়ুন।

সূরা ত্ব-হা আয়াত ২৫–২৮

رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي ۝
وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي ۝
وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي ۝
يَفْقَهُوا قَوْلِي ۝

বাংলা উচ্চারণ:
রব্বিশ রহ লী সদরী
ওয়া ইয়াসসির লী আমরী
ওয়াহলুল উকদাতাম মিল লিসানী
ইয়াফক্বাহু ক্বাওলী

অর্থ:
হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন,
আমার কাজ সহজ করে দিন,
আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দিন,
যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

৩ বার পড়ুন।

৩. হাদিস থেকে দোয়া—
اللَّهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي، وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي، وَزِدْنِي عِلْمًا

বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মান ফা‘নী বিমা ‘আল্লামতানী
ওয়া ‘আল্লিমনী মা ইয়ানফা‘উনী
ওয়া যিদনী ‘ইলমা

অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি আমাকে যা শিখিয়েছেন তা দ্বারা আমাকে উপকৃত করুন,
আমাকে উপকারী জ্ঞান শিক্ষা দিন,
এবং আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।

৩ বা ৭ বার পড়ুন।

৪. বিশেষ যিকির (মেধা ও হৃদয়ের প্রশান্তির জন্য)
يَا فَتَّاحُ، يَا عَلِيمُ

ইয়া ফাত্তাহু, ইয়া ‘আলীম
৩৩ বার।

আমলের নিয়ম (গুরুত্বপূর্ণ)
ফজরের পর বা পড়াশোনার আগে পড়া উত্তম।
চাইলে পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।
হারাম কাজ ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন (এটি সবচেয়ে শক্তিশালী শর্ত)
নিয়মিত করুন আল্লাহর ইচ্ছায় মেধাশক্তি বৃদ্ধি পেতে থাকবে ইনশাআল্লাহ

- Raqi M***i Abdul Malek

10/01/2026

মাত্র ১০ দিনে কুরআন শিক্ষার প্রাথমিক ধাপ বেসিক তাজবিদ কোর্স।(শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য)।

কোর্স ডিউরেশন: ২৭ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭:৩০ থেকে।
আসন সংখ্যা :সীমিত।
কোর্সটি যাদের জন্য:১২-৬৫ যেকোনো বয়সী মেয়েদের জন্য।

কোর্সে যা শেখানো হবে:মাদ্দ,মাখরাজ, গুন্নাহ,নূন-সাকিন,মিম-সাকিন, র" & আল্লাহ" শব্দ পড়ার নিয়ম। (বেসিক তাজবিদ শেখানো হবে।এডভান্স না).

কোর্স ফি ১০০৳.
সিট কনফার্ম করতে অবশ্যই ১০০৳ সেন্ড মানি এডভান্স করে কনফার্ম করতে হবে।
পোস্টে বিস্তারিত দেওয়া আছে। পুরো পুরি আগ্রহী হলেই শুধুমাত্র ইনবক্সে নক দিবেন।অনুগ্রহ করে অযথা কেউ বিরক্ত করবেন না।❌

06/01/2026

কুরআন মুখস্থ করার পর ভুলে যাওয়ার ১০টি কারণ

কুরআনুল কারীম মুখস্থ করা আল্লাহ তাআলার এক মহান নিয়ামত। তবে এই নিয়ামত হেফাজতে না রাখলে ধীরে ধীরে মুখস্থ অংশ ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ইসলামী শিক্ষাবিদ ও আলেমগণের মতে, নিচের কারণগুলো কুরআন ভুলে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে—

১. চুরি করা
চুরি একটি গুরুতর গুনাহ, যা হৃদয়ের পবিত্রতা নষ্ট করে এবং কুরআনের নূর নিভিয়ে দেয়।

২. মিথ্যা কথা বলা
মিথ্যা ঈমানের দুর্বলতার পরিচয় এবং কুরআনের হিফজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

৩. বিনা অনুমতিতে অন্যের মাল ব্যবহার করা
হক নষ্ট করা ও আমানতের খিয়ানত কুরআনের বরকত কমিয়ে দেয়।

৪. হারাম ভক্ষণ করা
হারাম খাদ্য অন্তরকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে, ফলে কুরআন হৃদয়ে স্থায়ী হয় না।

৫. বারবার কবিরা গুনাহ করা
বড় গুনাহের উপর অবিচল থাকা কুরআন ভুলে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

৬. বারবার নামাজ কাজা করা
নামাজের অবহেলা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দুর্বল করে দেয়, যার প্রভাব কুরআনের হিফজেও পড়ে।

৭. উস্তাদের সাথে বেয়াদবি করা
ইলমের বরকত উস্তাদের সম্মানের সাথে জড়িত। বেয়াদবি বরকত নষ্ট করে দেয়।

৮. পিতা-মাতার সাথে বেয়াদবি করা
মা-বাবার দোয়া ও সন্তুষ্টি ছাড়া ইলমে সফলতা আসে না।

৯. কুরআন শরীফের সাথে বেয়াদবি করা
কুরআনের আদব রক্ষা না করলে আল্লাহ তাআলা মুখস্থ রাখার তাওফিক তুলে নিতে পারেন।

১০. নিয়মিত তিলাওয়াত না করা
নিয়মিত পুনরাবৃত্তি ও তিলাওয়াত না করলে হিফজ দুর্বল হয়ে পড়ে।

লিখেছেন ✍️ Hafez Mehedi Hasan

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka