Al-I'tisam Education

Al-I'tisam Education Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al-I'tisam Education, Education, Bottola, (Near Alpa Gate)Polashbari, Ashulia, Savar, Dhaka. পলাশবাড়ি বটতলা (আলফা গেট সংলগ্ন), আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।, Dhaka.

Al-I'tisam Education is an Islamic institution, dedicated to teaching Qur’an, Hadith, and moral values along with essential knowledge, to build a balanced and enlightened generation.

শুধু শোনা যায় কলমের শব্দ!আজ শুরু হলো ২য় সাময়িক পরীক্ষা, ২০২৬। মাসের পর মাস পরিশ্রমের প্রতিফলন এখন খাতায়।এই মনোযোগটাই...
18/08/2026

শুধু শোনা যায় কলমের শব্দ!

আজ শুরু হলো ২য় সাময়িক পরীক্ষা, ২০২৬। মাসের পর মাস পরিশ্রমের প্রতিফলন এখন খাতায়।

এই মনোযোগটাই বলে দেয়, আমাদের শিক্ষার্থীরা কেমন হাতে গড়ে উঠছে।

দোয়া রাখুন সবার জন্য।

#মাদরাসা #পরিক্ষা

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের ২য় সাময়িক পরীক্ষা, ২০২৬।গত কয়েক মাসের পরিশ্রম, রিভিশন, রাত জেগে পড়া, সবকিছুর একটা প্...
17/08/2026

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের ২য় সাময়িক পরীক্ষা, ২০২৬।

গত কয়েক মাসের পরিশ্রম, রিভিশন, রাত জেগে পড়া, সবকিছুর একটা প্রতিফলন হতে যাচ্ছে এই কয়েকটা দিনে। আমাদের প্রতিটা শিক্ষার্থীর জন্য দোয়া রইল, যেন তারা তাদের সবটুকু দিয়ে পরীক্ষাগুলো দিতে পারে।

অভিভাবকদের প্রতি ছোট্ট একটা আহ্বান।

এই কয়েকটা দিন সন্তানের পাশে একটু বেশি সময় দিন। রাতে ঘুমানোর আগে পড়া নিয়ে চাপ না দিয়ে বরং জিজ্ঞেস করুন, কোন বিষয়টা নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে। সকালে পরীক্ষার আগে হালকা নাস্তা করিয়ে পাঠান, খালি পেটে যেন মনোযোগ নষ্ট না হয়। আর সবচেয়ে জরুরি, পরীক্ষার আগে একটু দোয়া পড়িয়ে দিন, এটা তাদের মানসিকভাবে অনেকটা শান্ত করে।

রেজাল্ট যাই হোক না কেন, চেষ্টাটাই আসল। সন্তান যেন জানে, তার সবচেয়ে বড় সমর্থক আপনি, নম্বরের উপর ভিত্তি করে না।

আমাদের শিক্ষকরা প্রস্তুত আছেন, প্রতিটা শিক্ষার্থীর পাশে থেকে সাহায্য করার জন্য। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।

সবার জন্য দোয়া এবং শুভকামনা। পরীক্ষা ভালো হোক ইনশাআল্লাহ।

মাদরাসাতুল ই'তিসাম আল-আরাবিয়া।

#মাদরাসা

এক ছেলে পরীক্ষায় গণিতে খুব খারাপ নম্বর পেয়েছিল, বাকি সব বিষয়ে ভালো করেও। বাসায় গিয়ে রেজাল্ট দেখানোর সাহস পাচ্ছিল না...
15/08/2026

এক ছেলে পরীক্ষায় গণিতে খুব খারাপ নম্বর পেয়েছিল, বাকি সব বিষয়ে ভালো করেও। বাসায় গিয়ে রেজাল্ট দেখানোর সাহস পাচ্ছিল না, সারাদিন মন খারাপ করে বসে ছিল।

শেষমেশ যখন খাতা দেখাল, মা চুপচাপ পুরো খাতাটা দেখলেন। তারপর একটা প্রশ্ন করলেন, "এই যে দুই নম্বর প্রশ্নটা, এখানে তুমি কী ভুল করেছ বলো তো।"

ছেলে অবাক হয়ে গেল। সে ভেবেছিল বকা খাবে, মা তাকে বাদ দিয়ে সরাসরি ভুলটা নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন।

তারা দুজন মিলে বসে পুরো খাতাটা দেখলেন, একটা একটা করে ভুল বের করলেন। মা কোথাও রাগ করলেন না, শুধু জিজ্ঞেস করে গেলেন, "এখানে কেন এই ভুলটা হলো, কীভাবে ঠিক করা যায়।"

শেষে মা বললেন, "নম্বর কম এসেছে, ঠিক আছে। কিন্তু আজকে আমরা যা শিখলাম, এই ভুলগুলো তুমি আর করবে না। এটাই আসল লাভ।"

এই ঘটনাটা দেখলে বোঝা যায়, দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারত এখানে। একটা হলো, খারাপ রেজাল্ট দেখে রাগ করা, বকা দেওয়া, তুলনা করা অন্যদের সাথে। আরেকটা হলো, রেজাল্টের পেছনের কারণ খুঁজে বের করা, শেখার সুযোগ হিসেবে দেখা।

প্রথম প্রতিক্রিয়ার ফলাফল কী হয়? বাচ্চা ভয় পেতে শেখে, লুকাতে শেখে। পরের বার খারাপ রেজাল্ট হলে সেটা লুকানোর চেষ্টা করে, মিথ্যা বলে, কারণ তার কাছে সত্যি বলার পরিণতিটা ভয়ঙ্কর মনে হয়।

দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়ার ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাচ্চা শেখে, ব্যর্থতা মানে শেষ না, ব্যর্থতা মানে শেখার একটা সুযোগ। ভুল হলে লুকানোর দরকার নেই, বরং সেটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলা যায়। এই মানসিকতা তাকে সারাজীবন সাহায্য করে, শুধু পড়াশোনায় না, জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে।

আমরা অনেক সময় ভাবি, কড়া প্রতিক্রিয়া দেখালে বাচ্চা সতর্ক হবে, পরের বার ভালো করবে। কিন্তু বাস্তবে এর উল্টোটা বেশি ঘটে। ভয় থেকে যে পরিশ্রম আসে, সেটা টেকে না বেশিদিন। কিন্তু বোঝাপড়া থেকে যে শেখা হয়, সেটা স্থায়ী হয়।

আমাদের প্রতিষ্ঠানে আমরা এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই বাচ্চাদের রেজাল্ট দেখি। খারাপ করলে শুধু নম্বর নিয়ে কথা না বলে, কোথায় ঘাটতি ছিল, কীভাবে উন্নতি করা যায়, এই আলোচনাটাই বেশি গুরুত্ব পায়।

সেই ছেলেটা পরের পরীক্ষায় গণিতে অনেক ভালো করেছিল। মাকে বলেছিল, "আমি ভয় পাইনি এবার, কারণ জানতাম খারাপ হলেও আমরা বসে বের করব কোথায় সমস্যা।"

ভয় দিয়ে না, বোঝাপড়া দিয়ে একটা শিশুকে এগিয়ে নেওয়াই বেশি কার্যকর।

#মাদরাসা

কখনো কখনো একটি কথা শুধু কথা থাকে না....
14/08/2026

কখনো কখনো একটি কথা শুধু কথা থাকে না....

এক শিক্ষক ক্লাসে একদিন বাচ্চাদের জিজ্ঞেস করলেন, "তোমাদের মধ্যে কে কে নিজের ঘরের বিছানা নিজে ঠিক করো?"হাত তুলল মাত্র তিন-...
12/08/2026

এক শিক্ষক ক্লাসে একদিন বাচ্চাদের জিজ্ঞেস করলেন, "তোমাদের মধ্যে কে কে নিজের ঘরের বিছানা নিজে ঠিক করো?"

হাত তুলল মাত্র তিন-চারজন। বাকিরা চুপ করে বসে রইল।

শিক্ষক তখন বললেন, "তোমরা কি জানো, নিজের ছোট ছোট কাজ নিজে করাটাও একটা বড় শিক্ষা?"

একটা ছেলে বলল, "কিন্তু হুজুর, আম্মু তো করে দেয়, আমার করার কী দরকার?"

শিক্ষক হেসে বললেন, "আম্মু করে দিতে পারেন, কিন্তু এতে তোমার একটা ক্ষতি হয়ে যায়। তুমি নিজের দায়িত্ব নেওয়া শেখো না।"

এই কথাটা নিয়ে অনেকদিন ভেবেছি। আমাদের সমাজে একটা প্রবণতা আছে, বাচ্চাদের সব কাজ করে দেওয়া, যাতে তারা কষ্ট না পায়। জামা গুছিয়ে রাখা, জুতা পরিষ্কার করা, নিজের প্লেট ধোয়া, এসব ছোট কাজ থেকে আমরা বাচ্চাদের দূরে রাখি, ভাবি এগুলো তাদের বয়সের কাজ না।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই ছোট ছোট দায়িত্বগুলোই একটা শিশুর মধ্যে আত্মনির্ভরতা তৈরি করে। যে শিশু ছোটবেলা থেকে নিজের কাজ নিজে করতে শেখে, বড় হয়ে সে জীবনের বড় দায়িত্বগুলোও সহজে নিতে পারে। আর যে শিশু সবকিছুতে অন্যের উপর নির্ভর করে বড় হয়, তার মধ্যে একটা অভ্যাস তৈরি হয়, কেউ না কেউ তো করে দেবে।

এই অভ্যাসটা বড় হয়ে গিয়ে অনেক জায়গায় সমস্যা তৈরি করে। কাজের ক্ষেত্রে দায়িত্ব নিতে ভয় পায়, নিজের ভুল অন্যের ঘাড়ে চাপাতে চায়, পরিশ্রম করার অভ্যাস তৈরি হয় না।

ইসলামি শিক্ষায় নিজের কাজ নিজে করার উপর অনেক জোর দেওয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের কাপড় নিজে সেলাই করতেন, নিজের ঘরের কাজ নিজে করতেন, যদিও তিনি চাইলে অন্যদের দিয়ে করাতে পারতেন। এই উদাহরণ আমাদের শেখায়, নিজের কাজ নিজে করাটা কোনো ছোট বিষয় না, বরং একটা ভালো অভ্যাস এবং বিনয়ের প্রকাশ।
সেই ছেলেটা কয়েক সপ্তাহ পর নিজে থেকেই বলেছিল, "হুজুর, এখন আমি নিজের বিছানা নিজেই ঠিক করি। আম্মু অবাক হয়ে গেছে।"

একটা ছোট্ট অভ্যাস, কিন্তু এখান থেকেই শুরু হয় বড় হয়ে দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার পথ।

#মাদরাসা

এক শিক্ষক একদিন ক্লাসে ভুল করে একটা অংক শিখিয়ে ফেলেছিলেন। পরের দিন এক ছাত্র এসে বলল, "স্যার, বাসায় গিয়ে আমি আবার মিলি...
11/08/2026

এক শিক্ষক একদিন ক্লাসে ভুল করে একটা অংক শিখিয়ে ফেলেছিলেন। পরের দিন এক ছাত্র এসে বলল, "স্যার, বাসায় গিয়ে আমি আবার মিলিয়ে দেখলাম, মনে হয় গতকালের সমাধানটা ঠিক হয়নি।"

ক্লাসের অন্য ছাত্ররা একটু চুপ হয়ে গেল। কী হবে এখন, এই ভেবে। শিক্ষকরা তো সাধারণত নিজের ভুল স্বীকার করতে চান না, এমন একটা ধারণা বাচ্চাদের মনে বসে থাকে।

কিন্তু সেই শিক্ষক হাসিমুখে বললেন, "তুমি ঠিক বলেছ, আমি ভুল করেছিলাম। চলো আজ আবার নতুন করে শিখি।"

তারপর বোর্ডে গিয়ে আগের সমাধানটা মুছে দিয়ে সঠিকভাবে আবার বুঝিয়ে দিলেন।

এই ছোট্ট ঘটনাটা ক্লাসের বাচ্চাদের মনে অনেক গভীরভাবে গেঁথে গিয়েছিল। কারণ তারা শিখেছিল, একজন শিক্ষক, যাকে তারা সবসময় সঠিক মনে করত, তিনিও ভুল করতে পারেন, এবং সেই ভুলটা স্বীকার করাটা তার সম্মান কমায় না, বরং বাড়িয়ে দেয়।

আমরা বড়রা প্রায়ই একটা ভুল ধারণা নিয়ে চলি। মনে করি, ভুল স্বীকার করলে আমাদের কর্তৃত্ব কমে যাবে। সন্তানের সামনে, ছাত্রের সামনে, ছোটদের সামনে ভুল মানলে যেন নিজের অবস্থানটাই দুর্বল হয়ে যায়।

কিন্তু বাস্তবতা এর ঠিক উল্টো। একজন বড় মানুষ যখন ছোটদের সামনে সহজভাবে বলতে পারেন, "আমি ভুল করেছিলাম", তখন সেই ছোট মানুষটার মনে একটা বিশ্বাস তৈরি হয়। সে বোঝে, ভুল হওয়া দোষের কিছু না, ভুল স্বীকার না করাটাই আসলে সমস্যা।

এই শিক্ষাটা একটা শিশুর নিজের জীবনেও কাজে লাগে। যে বাচ্চা দেখে বড়রা ভুল স্বীকার করেন, সে নিজেও নিজের ভুল স্বীকার করতে শেখে সহজে। মিথ্যা বলে ভুল ঢাকার চেষ্টা করে না, বরং সততার সাথে বলে, "আমি ভুল করেছি, দুঃখিত।"

ইসলামে তাওবা এবং ক্ষমা চাওয়ার এই শিক্ষাটা অনেক গুরুত্বের সাথে দেওয়া হয়েছে। মানুষ ভুল করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ভুল করার পর অনুতপ্ত হওয়া, সংশোধন করা, এটাই আসল মানুষের পরিচয়।

সেই ছাত্রটা পরে বলেছিল, "স্যার যখন নিজের ভুল স্বীকার করলেন, তখন আমার কাছে তাকে আরও বড় মনে হয়েছিল।"

#মাদরাসা #

এক মা তার মেয়েকে নিয়ে এসেছিলেন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখাতে। মেয়েটা এই বছর ক্লাসে প্রথম হয়েছে। মা খুশিতে বলছিলেন, "দেখুন,...
09/08/2026

এক মা তার মেয়েকে নিয়ে এসেছিলেন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখাতে। মেয়েটা এই বছর ক্লাসে প্রথম হয়েছে। মা খুশিতে বলছিলেন, "দেখুন, আমার মেয়ে কত ভালো করেছে।"

আমি রেজাল্ট শীটটা দেখলাম, তারপর মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি নিজে কেমন লাগছে বলো?"

মেয়েটা একটু চুপ থেকে বলল, "ভালো লাগছে, কিন্তু একটা কথা বলি? আমার বান্ধবী রাফা এবার পাস করতে পারেনি। আমি প্রথম হয়েছি ঠিকই, কিন্তু ওর জন্য খারাপ লাগছে বেশি।"

এই কথাটা শুনে মা একটু অবাক হয়েছিলেন। কারণ তিনি এসেছিলেন মেয়ের সাফল্য নিয়ে গর্ব করতে, কিন্তু মেয়ে কথা বলছিল অন্যের কষ্ট নিয়ে।

এই ছোট্ট মুহূর্তটা আমার কাছে অনেক বড় একটা শিক্ষা মনে হয়েছিল।

আমরা সন্তানের সাফল্য মাপি নম্বর দিয়ে, র‍্যাংক দিয়ে, কে কাকে টপকে গেল তা দিয়ে। কিন্তু আরেকটা মাপকাঠি আছে, যেটা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। সন্তান তার নিজের সাফল্যের মধ্যেও অন্যের কথা ভাবতে পারে কিনা, সেটা।

একটা শিশু যদি শুধু নিজের অর্জন নিয়ে ভাবতে শেখে, তাহলে বড় হয়ে সে হয়ে যায় আত্মকেন্দ্রিক। তার কাছে সাফল্যের মানে হয়ে যায়, নিজে এগিয়ে যাওয়া, আশেপাশের মানুষ পিছিয়ে থাকলেও কিছু যায় আসে না। কিন্তু যে শিশু নিজের অর্জনের মধ্যেও অন্যের অনুভূতি বুঝতে শেখে, তার মধ্যে একটা সহানুভূতির জায়গা তৈরি হয়, যা তাকে সারাজীবন একজন ভালো মানুষ হয়ে থাকতে সাহায্য করে।

এই শিক্ষাটা কোনো পাঠ্যবইয়ে থাকে না। এটা তৈরি হয় পরিবেশ থেকে, চারপাশের মানুষের আচরণ থেকে।

মাদ্রাসায় আমরা এই বিষয়টা নিয়ে সচেতনভাবে কাজ করি। একজন শিক্ষার্থী ভালো করলে তাকে অভিনন্দন জানানো হয়, কিন্তু একই সাথে শেখানো হয়, যে পিছিয়ে আছে তাকে সাহায্য করা, তাকে ছোট করে না দেখা, এটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সেই মা বাসায় ফেরার পথে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, "তোমার রেজাল্ট নিয়ে যতটা খুশি হয়েছিলাম, তার চেয়ে বেশি খুশি হয়েছি তোমার মন দেখে।"

সাফল্য অনেক রকম হতে পারে। কিন্তু একজন সন্তান যদি সাফল্যের মধ্যেও মানবিক থাকতে শেখে, এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

#মাদরাসা

এক শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে বোর্ডে বড় করে একটা শূন্য এঁকে দিলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, "এটা কী?"বাচ্চারা সবাই সমস্বরে বলল, "শূ...
08/08/2026

এক শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে বোর্ডে বড় করে একটা শূন্য এঁকে দিলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, "এটা কী?"

বাচ্চারা সবাই সমস্বরে বলল, "শূন্য।"

শিক্ষক তখন শূন্যের পাশে একটা এক লিখে দিলেন, দাঁড়াল দশ। বললেন, "এখন এই শূন্যটার মূল্য কত?"

একটা ছেলে বলল, "দশ।"

শিক্ষক হাসলেন, বললেন, "ঠিক এভাবেই জীবনটাও চলে। কিছু জিনিস একা থাকলে তার তেমন কোনো মূল্য থাকে না। কিন্তু সঠিক জিনিসের পাশে থাকলে তার মূল্য অনেক বেড়ে যায়।"

তারপর বললেন, "তোমাদের জ্ঞান, তোমাদের প্রতিভা, এগুলো হলো শূন্যের মতো। আর তোমাদের চরিত্র, তোমাদের সততা, এটা হলো সেই এক। চরিত্র ছাড়া জ্ঞান শূন্যের মতোই থেকে যায়। কিন্তু চরিত্রের পাশে জ্ঞান যোগ হলে, তার মূল্য অনেকগুণ বেড়ে যায়।"

এই কথাটা শুনে ক্লাসের সবাই কিছুক্ষণ চুপ করে ছিল।

আমরা প্রায়ই এই হিসাবটা উল্টো করে ফেলি। সন্তানকে বেশি জ্ঞান দেওয়ার চেষ্টা করি, বেশি নম্বর পাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু সেই জ্ঞানের সামনে যে "এক" বসাতে হয়, যেটা তাকে আসল মূল্য দেবে, সেই চরিত্র গঠনের দিকটা প্রায়ই পেছনে পড়ে যায়।

একটা সন্তান যদি অনেক মেধাবী হয়, অনেক কিছু জানে, কিন্তু তার সততা না থাকে, দায়িত্ববোধ না থাকে, মানুষের প্রতি সম্মান না থাকে, তাহলে সেই জ্ঞান দিয়ে সে হয়তো কিছু অর্জন করবে, কিন্তু সেই অর্জনের কোনো স্থায়িত্ব থাকবে না। কারণ ভিত্তিটাই দুর্বল।

আর যে সন্তানের মধ্যে প্রথমে চরিত্রের ভিত্তিটা তৈরি হয়, তার জন্য জ্ঞান অর্জনটা শুধু যোগ হতে থাকে, একটার পর একটা শূন্য। প্রতিটা নতুন জ্ঞান তার মূল্যকে বাড়িয়ে দেয়, কারণ ভিত্তিটা শক্ত।

সেই শিক্ষক ক্লাস শেষে বোর্ডের লেখাটা মুছে দিতে দিতে বলেছিলেন, "মনে রেখো, তোমরা শূন্য হয়ো না, তোমরা সেই এক হও যেটা সবকিছুর মূল্য বাড়িয়ে দেয়।"

আপনার সন্তানের শিক্ষার ভিত্তিটা কোন ক্রমে তৈরি হচ্ছে?

#মাদরাসা

আজকের দিনে একসাথে দুইটা ছুটি এসে মিলেছে। জুম্মাবার এবং সাপ্তাহিক ছুটি। ঘরে ঘরে আজ বাবা মা দুজনেই আছেন, সন্তানরাও স্কুল-ম...
07/08/2026

আজকের দিনে একসাথে দুইটা ছুটি এসে মিলেছে। জুম্মাবার এবং সাপ্তাহিক ছুটি। ঘরে ঘরে আজ বাবা মা দুজনেই আছেন, সন্তানরাও স্কুল-মাদ্রাসার চাপ থেকে মুক্ত।

এই দিনটা আসলে একটা লুকানো সুযোগ। আমরা প্রায়ই ছুটির দিন মানেই বুঝি বিশ্রাম, ঘুম, আড্ডা। কিন্তু এই দিনটাই সবচেয়ে ভালো সময়, সন্তানের সাথে বসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার।

একটা প্রশ্ন নিজেকে করুন। শেষ কবে সন্তানের সাথে বসে তার পড়াশোনা, তার ভবিষ্যৎ, তার দ্বীনি শিক্ষা নিয়ে সত্যিকার অর্থে কথা বলেছেন? তাড়াহুড়ো ছাড়া, মোবাইল রেখে, শুধু কথা বলার জন্য কথা বলা।

বেশিরভাগ পরিবারে এই সময়টা হয়ে ওঠে না। কর্মদিনে সময় নেই, ছুটির দিনে অন্য কাজ থাকে। অথচ সন্তানের সাথে এই ধরনের কথোপকথনই তার মনের কথা জানার, তার প্রয়োজন বোঝার সবচেয়ে ভালো সুযোগ।

আজকের এই বিশেষ দিনে একটা কাজ করতে পারেন। জুম্মার নামাজের পর পরিবারের সবাই মিলে বসুন। সন্তানকে জিজ্ঞেস করুন, তার পড়াশোনা কেমন চলছে, স্কুল বা মাদ্রাসার পরিবেশ তার কাছে কেমন লাগে, কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা।

আর যদি এখনও সন্তানের জন্য সঠিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুঁজছেন, এই ছুটির দিনটাই সেই সিদ্ধান্তটা নেওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। কারণ ভর্তির সিদ্ধান্ত তাড়াহুড়ো করে নেওয়া উচিত না, ভেবে, দেখে, বুঝে নেওয়া উচিত।

জুম্মা মোবারক সবাইকে।

একটা প্রশ্ন করি। আপনার সন্তান যদি রাস্তায় একটা ভুল করে বসা কাউকে দেখে, সাহায্য করার জন্য এগিয়ে যাবে, নাকি মোবাইলে ভিডি...
06/08/2026

একটা প্রশ্ন করি। আপনার সন্তান যদি রাস্তায় একটা ভুল করে বসা কাউকে দেখে, সাহায্য করার জন্য এগিয়ে যাবে, নাকি মোবাইলে ভিডিও করবে?

কঠিন প্রশ্ন। কিন্তু আজকালকার সমাজে উত্তরটা খুঁজতে গেলে অনেক অভিভাবকই দ্বিধায় পড়ে যান।

আমরা প্রায়ই দেখি, কোথাও দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ বিপদে পড়লে, আশেপাশের মানুষ সাহায্য করার আগে মোবাইল বের করে ভিডিও করা শুরু করে। এই দৃশ্যটা এখন এতটাই সাধারণ হয়ে গেছে যে আমরা অবাক হই না। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন, এই মানসিকতাটা কোথা থেকে আসছে?

এটা আসছে সহানুভূতির অভাব থেকে। আর সহানুভূতি একদিনে তৈরি হয় না, এটা শেখানো হয় ছোটবেলা থেকে।

একটা শিশু যদি ছোটবেলা থেকে দেখে, তার পরিবার অন্যের কষ্টে এগিয়ে যায়, গরিব প্রতিবেশীকে সাহায্য করে, অসুস্থ মানুষের খোঁজ নেয়, তাহলে সে নিজেও এই আচরণ শিখে নেয়। আর যদি দেখে, সবাই নিজের কাজে ব্যস্ত, অন্যের সমস্যা নিয়ে ভাবার সময় নেই কারো, তাহলে সেও একই মানসিকতা নিয়ে বড় হয়।

ইসলামে সহানুভূতি এবং অন্যের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানোকে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেশীর অধিকার, এতিমের প্রতি দায়িত্ব, গরিবের হক, এই শিক্ষাগুলো একটা মানুষকে শুধু নিজের কথা না ভেবে অন্যের কথাও ভাবতে শেখায়।

একটা সমাজ তখনই সুস্থ থাকে, যখন মানুষ একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসে, ভিডিও করার আগে সাহায্যের হাত বাড়ায়।

#মাদরাসা

Address

Bottola, (Near Alpa Gate)Polashbari, Ashulia, Savar, Dhaka. পলাশবাড়ি বটতলা (আলফা গেট সংলগ্ন), আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
Dhaka
1341

Telephone

+8801780153057

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-I'tisam Education posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Al-I'tisam Education:

Shortcuts

Share

Category