Suapur Nannar School and College

Suapur Nannar School and College This is Suapur Nannar School and College. It's established in 1939 AD. It has 50 teachers and 8 employees

23/09/2026

সমকাল- ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | পাতা ১ | নগর সংস্করণ

সাদা নকশা ★★★★★দখলদার মামলাবাজ মব সন্ত্রাসীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে! এর ভবিষ্যৎ কী? (দ্বাদশ পর্ব)১. বৃ...
23/09/2026

সাদা নকশা
★★★★★

দখলদার মামলাবাজ মব সন্ত্রাসীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে! এর ভবিষ্যৎ কী?

(দ্বাদশ পর্ব)

১. বৃক্ষের পরিচয় কীসে? উত্তর: ফলে। মানুষেরও পরিচয় কর্মফলে। তেমনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় মিলে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে। ইতোমধ্যে স্কুলটির অধঃপতন শুরু হয়েছে। তা বোঝা যায় এর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে। পাশের হার ৯৫% থেকে নামিয়ে ২৬% করেছে দখলদার মামলাবাজ শিক্ষকেরা। তারপর ছাত্র ভর্তি। স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণি ও একাদশ শ্রেণির ভর্তিও পূর্ববর্তী বছর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

শিক্ষার্থীরা চায় একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে। জীবনকে সুন্দর করতে। যেখানে সুশৃঙ্খল পরিবেশ, ফলপ্রসূ শ্রেণি কার্যক্রম, দক্ষ শিক্ষক, নিয়মিত সহশিক্ষা কর্মসূচি, উত্তম ফলাফল, মেধা বিকাশে নানান কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। সেখানেই অভিভাবকগণ তাদের ছেলেমেয়েদের ভর্তি করান।

২. আর এখানে, দেশের সংকট মুহূর্তে অর্থলোভী সুবিধাবাদী কতিপয় শিক্ষক স্কুল দখলের পরিকল্পনা করে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে, বহিরাগত দুর্বৃত্তদের সঙ্গে নিয়ে, স্কুলটিকে দখলে নেয়। তারা লাঠি মিছিল বের করে। স্কুলে নিয়মিত লাঠি আর গুণ্ডাবাহিনী প্রস্তুত রাখে। অধ্যক্ষের কার্যালয়ে নিয়মিত তালা বদল করে। বিডিআর বিদ্রোহের মত নৃশংস হয়ে উঠে। কোনো আলোচনা নয়। কোনো যুক্তি-বুদ্ধি নয়। বোঝাপড়া নয়। অফিসার যাকে পায় তাকে খুন করে ফেলে, এমন অবস্থা।

শুধু দায়িত্ব ফাঁকি দেওয়া আর অবৈধ অর্থের ভাগবাটোয়ারার জন্য আজ সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজের এই বেহাল দশা।

৩. যে প্রতিষ্ঠানে কয় দিন আগেও কমিটিতে পরপর সভাপতি ছিলেন দুইজন অতিরিক্ত সচিব। ছায়া কমিটির মত তদারকি করতেন, একজন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনজন অধ্যক্ষ। ব্যাংকের ডিজিএমসহ আরও অনেক শিক্ষাবিদ ও গুণিজন। শিক্ষামূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রাণবন্ত থাকতো এর ক্যাম্পাস। আনন্দ মুখরিত ছিল প্রতিদিনের শিক্ষা কার্যক্রম।

গুণিজনেরা আসতেন বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে। এই স্কুলের উন্নয়নের কথা চিন্তা করতেন। মাস্টার প্লান করতেন। তারা শিক্ষার্থীদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিতেন। তাদের কৃতিত্বের কথা বলতেন। ছেলেমেয়েরা স্বপ্নময় হয়ে উঠতো। সত্যিকারের মানুষ হওয়ার স্বপ্নে তারা পড়াশোনায় মগ্ন হতো। সুন্দর কাজের অভ্যাস গড়ে তুলতে বিভোর হয়ে পড়তো। বইপড়া, খেলাধুলা, বিজ্ঞানচর্চা, ধর্মীয় কাজ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও নানা সৃজনশীল কাজে তাদের প্রতিভা বিকাশের চর্চায় উঠেপড়ে লাগতো।

৪. আর এখন, চালের কারবারি তাদের পথ নির্দেশক। দুর্নীতির দায়ে বিতাড়িত পতিত প্রাক্তন, তাদের দীক্ষাগুরু। অর্থলোভী স্বার্থপর ধূর্তরা এখন দখলকৃত স্কুলের মালিক। ফলে একাডেমিক কার্যক্রম অচল, অসার ও অসংগতিপূর্ণ। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বিশৃঙ্খল। ইংরেজি ভাষায় একটি প্রবাদ আছে: As is the head master so is the School. অর্থাৎ যেমন হেডমাস্টার তেমন স্কুল।

৫. এখনকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কেমন অভিজ্ঞ তা ইতোমধ্যে এলাকার সবারই জানা হয়ে গেছে। যেমন :

ক। দুর্নীতির দায়ে পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বরখাস্ত হয়েছেন।
খ। সরকারি আদেশ অমান্য করার কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার শোকজ পেয়েছেন।
গ। সম্মানিত সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে তার মানহানি করেছেন। স্কুলের বদনাম করেছেন।
ঘ। বারবার আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে স্কুলকে এক বিচ্ছিন্ন, বিপর্যস্ত, অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করছেন।
ঙ। একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় অপারদর্শিতার কারণে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিদিনের পড়াশোনা গোল্লায় নিয়ে যাচ্ছেন।

ব্যক্তিত্বহীন, অনভিজ্ঞ, দায়িত্বজ্ঞানহীন এমন অদক্ষ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে অর্থের অবৈধ ভাগ-বন্টন চললেও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি করা চলে না।



(ভুলত্রুটি সংশোধন যোগ্য।)

চলবে...

আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদার
অধ্যক্ষ
সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজ
ধামরাই, ঢাকা।

ছবি কৃতজ্ঞতা : প্রাক্তন চেয়ারম্যান, জনাব কফিল উদ্দিন, সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ, ধামরাই, ঢাকা।

সাদা নকশা "আপনার সন্তানকে আইফোন কিনে দেবেন নাকি হোন্ডা কিনে দেবেন, এ খবরদারি আমি করবো না। কিন্তু শিশুর সাংস্কৃতিক বিকাশে...
21/09/2026

সাদা নকশা

"আপনার সন্তানকে আইফোন কিনে দেবেন নাকি হোন্ডা কিনে দেবেন, এ খবরদারি আমি করবো না। কিন্তু শিশুর সাংস্কৃতিক বিকাশে যে আপনার মনোযোগ নেই, এই ক্ষোভটা দেখানো দরকার। আমি নিশ্চিত, এই ছেলের বাবা-মা আইফোন-হোন্ডা কিনে দেওয়ার ব্যাপারে যতো যত্নবান ছিলেন, ততো যত্নবান বই পড়ানোর ব্যাপারে ছিলেন না। বই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, এবং গুরুত্বপূর্ণ জিনিস কেনার ব্যাপারে বাঙালি মুসলমানের কৃপণতার শেষ নেই। আমার মনে হয় না ছেলেটি কখনো আমার বা রবীন্দ্রনাথের বই পড়েছে, বা বার্ট্রান্ড রাসেলের নাম জানে। এই যে লাড্ডুসাইজ মগজ নিয়ে শিশুরা বেড়ে উঠছে, বোধ-বুদ্ধির বিকাশ না করেই প্রাযুক্তিক বিনোদনে ডুবে যাচ্ছে, এর পরিণতি কী? আমি বহু আগে 'ব্যাংকক জেনারেশন' বিষয়ে সতর্ক করেছিলাম। আপনারা যেটিকে জেন-জি ডাকেন, সেটি মূলত ব্যাংকক জেনারেশন। বোধ-বুদ্ধিহীন পশু। একপ্রকার টেক-জম্বি, যে তার অ্যাকশন ও ইনঅ্যাকশন বিষয়ে সচেতন নয়। সে কথা বলাকে ভাবে বক্তৃতা, চিৎকারকে ভাবে বক্তব্য, ফেসবুককে ভাবে লাইব্রেরি, গালিগালাজকে ভাবে ভাষা।

সন্তানকে হোন্ডাওয়ালা আইফোনওয়ালা জম্বি বানাতে না চাইলে বইপত্র কিনে দিন। বই মানে বই। আমার লেখা বই, রবীন্দ্রনাথের লেখা বই, বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখা বই, শোলজিনিৎসিনের লেখা বই। অন্য বইও পড়বে, ফালতু বইও নাড়বে, কিন্তু আসল বইগুলো আগে পড়ে নিতে হবে। বাবা-মাকেও পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

এবং তাকে নিয়ে খেলতে যান, সিনেমা দেখতে যান, গান শুনতে যান, বেড়াতে যান দূরে, পাঠান যাদুঘর ও চিড়িয়াখানায়। কিনে দিন রং-তুলি, হারমোনিয়াম, ঢোল-তবলা।

আর মাসে একবার কবরস্থান ঘুরিয়ে আনুন। আমি এখনো নিয়ম করে গোরস্থানের পাশে এক-দুই ঘন্টা বসে থাকি।"

লেখক : মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

17/09/2026
সাদা নকশা ★★★★★একদিন যখন সব ছাত্রছাত্রী  জানবে  অযোগ্য, অথর্ব,  অর্থলোভী ও মিথ্যাবাদী শিক্ষকেরা তাদেরকে ভুল পথে ও বেআইনি...
14/09/2026

সাদা নকশা
★★★★★

একদিন যখন সব ছাত্রছাত্রী জানবে অযোগ্য, অথর্ব, অর্থলোভী ও মিথ্যাবাদী শিক্ষকেরা তাদেরকে ভুল পথে ও বেআইনি পথে পরিচালিত করেছে! তখন তাদের কেমন লাগবে...

১. ৫ই আগস্ট, ২০২৪ গণ-অভ্যুত্থানের পর। দেশের আইন-শৃঙ্খলা সংকটের সময় সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজের কতিপয় সুবিধাবাদী অর্থলোভী দুর্বৃত্ত শিক্ষক সরকারি আদেশ অমান্য করে, সভাপতির নির্দেশ উপেক্ষা করে, শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে ও উস্কে দিয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করায় এবং পদত্যাগ দাবি করায়। শিক্ষকেরা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে স্কুলের ভিতরে সংবাদ সম্মেলন করে। ক্লাস বন্ধ করে দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তায় নামায়। অশ্লীল অশালীন ও মিথ্যা কথাবার্তা লিখে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে মিছিল করায়। কতিপয় শিক্ষক এই বে-আইনি মিছিলে নেতৃত্ব দেয়। ফেইসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করে। হিংস্র হায়েনার মত একটানা এই কুকর্ম চালিয়ে এলাকার পরিবেশ নোংরা ও বিপর্যস্ত করে তোলে। প্রধান শিক্ষকের জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র নিতে বাধ্য করে।

২. একটি স্কুলে একজন মহৎপ্রাণ সভাপতির বিরুদ্ধে, সরকারি তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত একজন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে, মিথ্যা মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত ১১ জন শিক্ষক। কি আশ্চর্য! একেবারে মাথা থেকে শুরু! ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ এরা আদালতে দাঁড়িয়ে সত্য কথার শপথ নিয়ে মিথ্যা কথা বলবে! এরা ছেলেমেয়েদের কী পড়াবে? কী শেখাবে? এতদিন কী শিখিয়ে এসেছে? ভাবা যায়? যখন সব ছাত্রছাত্রী জানবে এসব অধিকাংশ সিনিয়র শিক্ষকেরা অযোগ্য, অথর্ব, নিষ্কর্মা, অর্থলোভী ও মিথ্যাবাদী। তখন তারা কী করবে...

৩. তাদের কারও কারও নিয়োগের ইতিহাস ঘাটলে আমাদের পূর্ব পুরুষদের লজ্জা আর শিক্ষা ব্যবস্থার দৈন্যদশাই চোখে পড়ে। এরা না দুই লাইন শুদ্ধ বাংলা লিখতে পারে, না দুই লাইন শুদ্ধ ইংরেজি লিখতে জানে! পড়াশোনোতো বহুদূর...। অথচ নিজেদের দাবি করে 'মাস্টার'। এরাই নাকি জাতি গড়ার কারিগর! ক্লাসে গিয়ে তারা যে আকাম করে তাকে পাঠ উপস্থাপনা বলা যায় না।

অথচ এরাই প্রাইভেট পড়িয়ে, ভাগ-বাটোয়ারা পেয়ে গ্রামে জমি-জিরাত কিনে ধনী বনে গেছে। শিক্ষিত ও সচেতন মানুষ এসব দেখলে তাদের গা ঘিনঘিন করবে। এমনি করেই এরা ফাঁকি দিয়ে, ঠকিয়ে এসেছে এই গ্রামীণ জনপদের অসহায়, দরিদ্র মানুষের নির্বোধ ছেলেমেয়েদের।

৪. এরা নিম্ন মানের নোট-গাইড পাঠ্য করে, লাখ লাখ টাকা ভাগ-বন্টন করতো। ফকির-মিসকিন, কুলি-মজুর, ঠেলাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, মুদি-মুচি কেউ রক্ষা পেতো না এদের হাত থেকে। এসব খেটে-খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ কত কষ্টে টাকা ইনকাম করে। এরা সেখানে ভাগ বসায় সুকৌশলে। নোট-গাইড কিনতে বাধ্য করে। অচেতন, অসচেতন মানুষগুলো বুঝে না। তাদের বোঝাবার কেউ নেই। এসব দস্যুপনা দেখার কেউ নেই। ঠিক সেখানে আঘাত করেছিলেন অধ্যক্ষ ও সভাপতি মহোদয়। ফলে আজকের এই মিথ্যা মামলা।

৫. এসব শিক্ষকদের সম্পর্কে বিখ্যাত লেখক আহমদ ছফা যথার্থই বলেছেন, "মাছের পচন যেমন মস্তক থেকে শুরু হয়, তেমনি যাবতীয় অসুখের জীবাণু শিক্ষকদের চিন্তা-চেতনায় সুন্দরভাবে স্থান করে নিয়েছে। সুতরাং এই ব্যাধি সংক্রমিত হতে সময় লাগে না।" আর তাই তাদের অতিদ্রুত অধঃপতন শুরু হয়ে গেছে। এসএসসির পাশের হার ৯৫℅ থেকে ২৬℅ নেমে এসেছে। জিপিএ ফাইভ ১৩ থেকে নেমে ২ এ এসেছে।

কলেজে ভর্তি ১০০-১১৫ থেকে নামতে নামতে এবার ২০-২২ জনে এসে ঠেকেছে। ডিসিপ্লিন ভেঙে পড়েছে। পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। শিক্ষক শিক্ষার্থীরা সময়মত ক্লাসে আসে না। ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল ড্রেস পরে না। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আগের মত চলে না।

গার্লগাইডস, স্কাউট কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। ধীরে ধীরে প্রাণহীন, জরাজীর্ণ এক ধ্বংস স্তুপে পরিণত হচ্ছে সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজ।

৬. অথচ এরা কী অদ্ভুতভাবে নাটক সাজালো। ২১ শে জুন, ২০২৫ তারিখ, শনিবারে, সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক স্কুলে গিয়ে হিসাবের খাতা ছিনতাই করলো। সহকারী প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদ আলমগীরকে পংগু করার হুমকি দিলো। ১১ জন শিক্ষক তাকে উদ্ধার করে জীবন রক্ষা করলো। ছি! ছি! ছি!

৭.অথচ সেদিন সভাপতি ও অধ্যক্ষ স্কুলে যান নি। ঢাকায় ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তি ও পুলিশি রিপোর্টে প্রমাণ রয়েছে। শিক্ষকেরা এমন মিথ্যা ঘটনা কীভাবে লেখলো? অথচ সর্বোচ্চ আদালত ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে জোরপূর্বক পদত্যাগ গ্রহণযোগ্য নয়। বরং তাদের পুনর্বহাল করে বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান করতে হবে। নতুবা তাদের ম্যানেজিং কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।

৮. বিষয়টি ভেবে দেখতে হবে সবাইকে। প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী। রাজনীতিবিদ। সমাজকর্মী। পেশাজীবী। শ্রমজীবী। অভিভাবক। বর্তমান যারা স্কুলে পড়ছে ভাবতে হবে তাদেরকেও।

(পরিমার্জিত ও ভুলত্রুটি সংশোধন যোগ্য।)

চলবে...

13/09/2026

সাদা নকশা

সাক্ষাতকার

জনাব আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদার,
অধ্যক্ষ,
সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজ,
ধামরাই, ঢাকা।

এবং

মোঃ দেলোয়ার হোসেন
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার,
ধামরাই,ঢাকা।

সাংবাদিক : শামিম খান, দৈনিক যুগান্তর।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার :
আমি নয় মাস হল এখানে ( ধামরাই) এসেছি। প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদারের কথা আমি শুনেছি। বিভিন্ন সময় ডিজি অফিস থেকে যে চিঠিপত্র এসেছে সেগুলো সঠিকভাবে স্কুলে পাঠিয়েছি। আসলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সর্বেসর্বা হলো ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। মন্ত্রণালয়ের ও তার আওতাধীন মহাপরিচালকের যে নির্দেশনা সেগুলো আমরা স্কুলে সরবরাহ করেছি। এটা আমি স্বীকার করে নিচ্ছি। আমি এসে জানতে পেরেছি, অন্যান্য মাধ্যম থেকে, শিক্ষার মান উন্নয়নে সে অনেক কাজ করেছে এ কথা সঠিক।

আপনি কি মনে করছেন, আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদারের এখানে যোগদান করা উচিত?

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার : অবশ্যই। তার মতন একজন শিক্ষক যে প্রতিষ্ঠানেই যাক সে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নত হবে বলেই আমি বিশ্বাস করি। তার সম্পর্কে আমি যতটুকু জেনেছি এবং দীর্ঘ সময় আমি তার সঙ্গে সাক্ষাতে কথা বলেছি। শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলে জানতে পেরেছি, বুঝতে পেরেছি যে, আসলে শিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়ে তার অনেক কিছুই শেখা আছে।

13/09/2026

কোনো শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হলে সেটির কোনো আইনগত বৈধতা থাকবে না বলে রায় দিয়েছেন হ.....

Address

P/O: Suapur, Thana: Dhamrai, District: Dhaka
Dhaka
1820

Opening Hours

Monday 10:00 - 16:00
Tuesday 10:00 - 16:00
Wednesday 10:00 - 16:00
Thursday 10:00 - 16:00
Saturday 10:00 - 16:00
Sunday 10:00 - 16:00

Telephone

+8801309107924

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suapur Nannar School and College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Suapur Nannar School and College:

Shortcuts

Share