Hsc- 2025 যাদের এখনো একটি বইও ভালো করে পড়া হয়নি কিছু পারনা ১ম থেকে সকল বিষয় ঘরে বসে ৮৫% সাজেশন + ক্লাস follow করে সিলেবাস শেষ করতে inbox কর।
Learn Something New
Education improves people's lives
পেজটি ফলো দিয়ে সাথে থাকুন এবং একাধিক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করুন ধন্যবাদ I am a teacher at https://www.delitbd.com/
23/08/2024
পেট্রোল পাম্পের মালিক বলছে উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত বোটের জন্য তেল ফ্রি,উদ্ধারকাজে বাসের ভাড়া অর্ধেক, অপারেটর বলছে নেট ফ্রি, বিকাশের সকল কর্মচারী তাদের একদিনের বেতন অনুদান দিয়েছে।
শুকনো জায়গার মালিক আশ্রয় দিয়ে বলছে থাকা ফ্রি- সাধারন মানুষ বলছে খাবার ভাগ করে খাবো।
জেগে উঠেছে নতুন বাংলাদেশ - সারা দেশের মানুষের মাঝে আজ তৈরী হয়েছে এক অভূতপূর্ব ঐক্য।
Text Collected
দুনিয়া- মানুষ সুখ খুজে কিন্তু সুখ কোথায়?
বনী ইসরাঈলরা আল্লাহর পক্ষ থেকে যে বিশেষ খাবার পেত অর্থাৎ মান্না-সালওয়া বা আসমান থেকে নাজিল হওয়া এক বিশেষ ধরনের খাবার। মানুষ দু’মুঠো খাবে আর সারাদিন আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত থাকবে এমন যদি হতো, মানুষের যত সংগ্রাম একটু ভালো খাওয়ারই তো জন্য, একটু ভালো থাকার জন্য। জীবন যদি ঐভাবেই চলতো তাহলে হয়তো বর্তমানে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যুদ্ধ করতে হতো না।
©zme sarder
08/11/2023
জাতিসংঘের স্বীকৃত দেশ:
বর্তমানে জাতিসংঘের তালিকায় আছে ১৯৩টি দেশ। অর্থাৎ এই ১৯৩টি দেশ তাদের সদস্যরাষ্ট্র। এর বাইরে আরও ২টি দেশকে তারা পর্যবেক্ষক দেশের তালিকায় রেখেছে। দেশ ২টি হচ্ছে হলি সিটি/ভ্যাটিকান সিটি এবং ফিলিস্তিন।
দেশগুলোর নাম কী
এবার তালিকাটি দেখা যাক বাংলাদেশ, চীন, ভারত, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, জার্মানি, ফ্রান্স, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, ভিয়েতনাম, তুরস্ক, থাইল্যান্ড, ইতালি, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ব্রাজিল, জাপান, ইথিওপিয়া, মিসর, ইরান, যুক্তরাজ্য, তানজানিয়া, কেনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, উগান্ডা, সুদান, আফগানিস্তান, মরক্কো, পেরু, ঘানা, নেপাল, ক্যামেরুন, উত্তর কোরিয়া, বুরকিনা ফাসো, চিলি, জাম্বিয়া, সিরিয়া, কম্বোডিয়া, জিম্বাবুয়ে, বেনিন, বলিভিয়া, কিউবা, চেক রিপাবলিক, পর্তুগাল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, ইউক্রেন, কানাডা, সৌদি আরব, অ্যাঙ্গোলা, মোজাম্বিক, ভেনেজুয়েলা, কোত দিভোয়ার বা আইভরি কোস্ট, শ্রীলঙ্কা, মালি, মালাউই, গুয়াতেমালা, নেদারল্যান্ডস, চাদ, গিনি, বুরুন্ডি, বেলজিয়াম, দক্ষিণ সুদান, গ্রিস, আজারবাইজান, স্পেন, আলজেরিয়া, ইরাক, পোল্যান্ড, উজবেকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইয়েমেন, মাদাগাস্কার, নাইজার, অস্ট্রেলিয়া, রোমানিয়া, কাজাখস্তান, ইকুয়েডর, সেনেগাল, সোমালিয়া, রুয়ান্ডা, তিউনিসিয়া, হাইতি, ডমিনিকান রিপাবলিক, জর্ডান, সুইডেন, হন্ডুরাস, তাজিকিস্তান, পাপুয়া নিউ গিনি, সুইজারল্যান্ড, লাওস, লিবিয়া, কিরগিজস্তান, সিঙ্গাপুর, কঙ্গো, ওমান, লাইবেরিয়া, নিউজিল্যান্ড, কুয়েত, জর্জিয়া, বসনিয়া অ্যান্ড হারজেগোভিনা, জ্যামাইকা, লিথুয়ানিয়া, বতসোয়ানা, উত্তর মেসিডোনিয়া, লাটভিয়া, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বেলারুশ, সার্বিয়া, টোগো, প্যারাগুয়ে, লেবানন, এল সালভাদর, ডেনমার্ক, স্লোভাকিয়া, আয়ারল্যান্ড, মৌরিতানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, ইরিত্রিয়া, মঙ্গোলিয়া, কাতার, নামিবিয়া, গ্যাবন, স্লোভেনিয়া, বাহরাইন, এস্তোনিয়া, হাঙ্গেরি, অস্ট্রিয়া, ইসরায়েল, সিয়েরা লিওন, বুলগেরিয়া, নিকারাগুয়া, তুর্কমিনিস্তান, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, কোস্টারিকা, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, পানামা, মলদোভা, উরুগুয়ে, আর্মেনিয়া, আলবেনিয়া, গাম্বিয়া, লেসেতে, গিনি-বিসাউ, ইকুইটরিয়াল গায়ানা, পূর্ব তিমুর বা তিমুর-লেস্তে, মরিশাস, জিবুতি, গায়ানা, মন্টেনেগ্রো, কেপ ভার্দে, মাল্টা, বাহামাস, বার্বাডোজ, সেইন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাডাইন, অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, মার্শাল আইল্যান্ড, লিচটেনস্টেইন, টুভালু, সাইপ্রাস, ফিজি, ভুটান, লুক্সেমবার্গ, মাইক্রোনেশিয়া, ব্রুনেই, আইসল্যান্ড, সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে, কিরিবাতি, টোঙ্গো, অ্যান্ডোরা, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সান মারিনো, ইসোয়াতিনি, কোমোরোস, সলোমান আইল্যান্ড, সুরিনাম, মালদ্বীপ, বেলিজ, ভানুয়াতু, সামোয়া, গ্রেনাডা, সিসেলেস, ডোমিনিকা, মোনাকো, পালাউ এবং নাউরু। এর সঙ্গে যুক্ত হবে হলি সিটি বা ভ্যাটিকান সিটি ও ফিলিস্তিন।
সব মিলিয়ে ১৯৫টি দেশের মধ্যে ৫৪টি দেশই আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। এরপরই আছে এশিয়া মহাদেশের ৪৮টি দেশ, ৪৪টি দেশ নিয়ে গঠিত ইউরোপ মহাদেশ, ৩৩টি দেশ লাতিন আমেরিকা ও দা ক্যারাবিয়ানে অন্তর্ভুক্ত, ১৪টি দেশ আছে ওশেনিয়া মহাদেশে এবং ৩টি দেশ নিয়ে গঠিত উত্তর আমেরিকা মহাদেশ।
জাতিসংঘের তালিকায় নেই, তবে এমন অনেক অঞ্চল আছে, যা আংশিক স্বীকৃত। অর্থাৎ অনেকে হয়তো মানেন, অনেকেই স্বীকৃতি দেন না। এসব দেশ বা অঞ্চলকে হিসেবে ধরলে দেশের সংখ্যা হবে ২০৭ বা আরও বেশি।
আংশিক স্বীকৃত ও অন্যান্য
জাতিসংঘের তালিকায় নেই, তবে এমন অনেক অঞ্চল আছে, যা আংশিক স্বীকৃত। অর্থাৎ অনেকে হয়তো মানেন, অনেকেই স্বীকৃতি দেন না। এসব দেশ বা অঞ্চলকে হিসেবে ধরলে দেশের সংখ্যা হবে ২০৭ বা আরও বেশি। এ রকম কিছু জায়গা নাম হলো: গ্রিনল্যান্ড, কসোভো, নর্থ সাইপ্রাস, তুর্কি সাইপ্রাস বা টার্কিশ রিপাবলিক অব নর্দান সাইপ্রাস (টিআরএনসি), রিপাবলিক অব কাবিন্ডা, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক, ট্রান্স-নিস্টার বা ট্রান্সনিস্ত্রিয়া, রিপাবলিক অব সোমালিল্যান্ড।
★☺একজন চা ওয়ালা যদি দেশের প্রধান
মন্ত্রি হতে পারে৷(নরেন্দ্র মোদি)
★☺হাইস্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ
পড়া ছেলেটা যদি পৃথিবির সেরা
বাস্কেটবল প্লেয়ার হতে পারে৷(মাইকেল
জর্ডান)
★☺একটি ছেলে,যার গার্লফ্রেন্ড তাকে
ব্রেকাপ করে এবং তাকে সমস্ত Social সাইড
থেকে ব্লোক করে দেয়৷ পরবর্তিতে সে
যদি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় Social নেটওয়ার্ক
Facebook তৈরি করতে পারে৷ (মার্ক
জুকারবার্গ)
★☺এক ব্যাক্তি যার পুরো বডি অচল৷
চলাফেরা তো দুরের কথা যে হাত-পা
নাড়াতে ও পারে না৷ সে যদি পৃথিবীর
সেরা বিজ্ঞানী হতে পারে৷ (স্টিফেন
হকিং)
★☺এক ব্যক্তি যে সফল হওয়ার জন্য ৯৯৯ বার
ফেল করে ১০০০ বারে বৈদ্যুতিক বাল্প
আবিস্কার করতে পারে৷(থমাস আলভা
এডিসন)
★🙃 এক সময় বিল গেটস একটি ব্যাংক থেকে কিছু লোন
চেয়েছিলেন।কিন্তু ব্যাংক তাঁকে লোন দেয়নি।
সেই ছেলেটি একদিন সেই ব্যাংকটিই কিনে নিয়েছিলেন।
★🙃ছেঁড়া শার্টের কারণে এন্ড্রু কার্নেগিকে পার্কে ঢুকতে
দেওয়া হয়নি। সেই বস্তির ছেলে একদিন অন্যতম ধনী
ব্যক্তি হওয়ার পর পুরো পার্কটি ক্রয় করেন
এবং সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছিলেন,
''আজ থেকে পার্ক সবার জন্য উন্মুক্ত''।
আজ গলা ধাক্কা খেয়েছেন? কোন ব্যাপার না।
একদিন সেই গলায় ফুল দেওয়ার জন্য সেই
লোকগুলোই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে।
আজ কেউ আপনাকে ঠকিয়েছে?
কোন ব্যাপার না।
একদিন সে-ই আপসোস করে বলবে,
আপনাকে ঠকিয়ে সে উল্টো নিজেরই সর্বনাশ করেছে।
আজ আপনাকে দেখে "ক্ষ্যাত" বলে কেউ দূরে সরে যাচ্ছে?
ব্যাপার না।
একদিন আপনাকে একটু ছুঁয়ে দেখার জন্য সে-ই
আপনার কাছে আসবে।
আজ গরিব বলে কেউ আপনাকে অবজ্ঞা করছে?
ব্যাপার না।
এসব পিছুগল্পের দিকে তাকিয়ে থাকলে আপনি চিরকাল
অপমান, লাথি, গুঁতা, বাঁশ, ক্রাশ ইত্যাদি
খেয়েই যাবেন।
কে কী করছে, কী ভাবছে-সেসব বাদ দিয়ে নিজের লক্ষ্যে
এগিয়ে গেলেই কেবল একদিন আপনি উদাহরণ কিংবা
দৃষ্টান্ত হতে পারবেন।
জীবনে ছোট খাট বিষয় নিয়ে পড়ে থাকার কোন মানে হয়না।
জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অনেক কিছু করতে হয়,
মেনে নিতে হয়।
সময় যখন পক্ষে থাকে না তখন অনেক কিছু সহ্য করেও মুখ
বুজে কাজ করে যেতে হয়।
★একটু বেঁচে থাকার জন্য জগতের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিরা
যুগে যুগে নজরুলের মতো চায়ের দোকানে কাজ করে
জীবন বাঁচিয়েছেন।
মস্তিষ্কে শুধু একটি কথা গেঁথে রাখুনঃ
"সময় এখন আপনার পক্ষে না।"
অপেক্ষা করুন,একদিন সময় আপনার হবে!"
ইনশাআল্লাহ।
এরকম শিক্ষনীয় গল্প পেতে ফলো দিয়ে পাশে থাকুন 👇
Follow দিয়ে সাথে থাকুন।
ধন্যবাদ
SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল।
https://www.facebook.com/groups/726343672064910
আজ আমরা জানবো সাতক্ষীরা জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ:-
সুন্দরবন
গুনাকরকাটি মাজার,
চেড়াঘাট কায়েম মসজিদ,
টাউন শ্রীপুর,
জোড়া শিবমন্দির
তেঁতুলিয়া মসজিদ (তালা),
নলতা রওজা শরীফ (কালিগঞ্জ)
প্রবাজপুর মসজিদ,
বুধহাটার দ্বাদশ শিবকালী মন্দির,
বৌদ্ধ মঠ (কলারোয়া),
মাইচম্পার দরগা,
মান্দারবাড়ী সমুদ্র সৈকত (শ্যামনগর)
মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট, (মন্টু মিয়ার বাগানবাড়ি)
যশোরেশ্বরী মন্দির, (শ্যামনগর)
যিশুর গির্জা
লাপসা (সাতক্ষীরা),
শ্যামসুন্দর মন্দির,
হরিচরণ রায়চৌধুরীর জমিদারবাড়ি (শ্যামনগর)
#বাংলাদেশের_স্বাধীনতার_ইতিহাস
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি জনবহুল ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। এটি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশটি বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।
প্রথমে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির আগমন ঘটে ১২০৪ শতকে। এ সময় তিনি বাংলার পশ্চিমে নদীয়া ও উত্তর বাংলার কিছুটা অংশ দখল করেন। তবে,১২০৬ সালে বিহার অভিযানে মারা যান।
বাংলাদেশের সভ্যতার ইতিহাস চার সহস্রাব্দেরও বেশি সময় ধরে সেই ক্যালকোলিথিক যুগ থেকে চলে আসছে। দেশটির প্রারম্ভিক ইতিহাস হচ্ছে আঞ্চলিক আধিপত্যের জন্য হিন্দু ও বৌদ্ধ সাম্রাজ্যসমূহের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও প্রতিযোগিতার ইতিহাস।
ষষ্ঠ থেকে সপ্তম শতাব্দীতে এ অঞ্চলে ইসলামের আগমণ ঘটে। ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে বখতিয়ার খিলজীর নেতৃত্বে সামরিক বিজয়ের পাশাপাশি শাহ জালালের মতো সুন্নি দাঈদের নিরলস প্রচেষ্ঠায় ধীরে ধীরে ইসলাম এদেশে প্রভাবশালী ধর্ম হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে মুসলিম শাসকরা মসজিদ নির্মাণ করে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন। চতুর্দশ শতাব্দী থেকে এই অঞ্চল শাহী বাংলা হিসেবে সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ কর্তৃক শাসিত হয় যা দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং আঞ্চলিক সাম্রাজ্যগুলোর উপর সামরিক আধিপত্যের সূচনা করে। ইউরোপীয়রা সেসময় এই শাহী বাংলাকে বাণিজ্যের জন্য সবচেয়ে ধনী দেশ বলে উল্লেখ করেন।[১] পরবর্তীতে এই অঞ্চলটি মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে আসে এবং মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে ধনী প্রদেশ হিসাবে পরিগণিত হয়। বাংলা সুবাহ গোটা মুঘল সাম্রাজ্যের জিডিপির প্রায় অর্ধেক এবং বিশ্ব জিডিপির ১২% উৎপাদন করে যা সমগ্র পশ্চিম ইউরোপের থেকেও বেশী ছিল।[২][৩][৪][৫] এই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি প্রাথমিক শিল্পায়ন যুগের সূচনা করে। এ সময় রাজধানী শহর ঢাকার জনসংখ্যা এক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়।
অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলা নবাবদের অধীনে একটি আধা স্বায়ত্তশাসিত রাস্ট্রে পরিণত হয় যার শাসনভার শেষ পর্যন্ত নবাব সিরাজউদ্দৌলার হাতে ন্যস্ত হয়। তারপর ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এ অঞ্চল দখল করে। বাংলা সরাসরি ব্রিটেনের শিল্প বিপ্লবে অবদান রাখে কিন্তু এর ফলে তার নিজের শিল্পায়ন ধ্বংস হয়ে যায়।[৬][৭][৮][৯] পরবর্তীতে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে বাংলা ও ভারতের পৃথকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশের সীমানা প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের ফলে এই অঞ্চলটি নবগঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয়।[১০]
১৯৭১ সালের মার্চ মাসে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর নয় মাস ব্যাপী সংগঠিত হওয়া রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতার পর নতুন রাষ্ট্রটি দুর্ভিক্ষ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ব্যাপক দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক অভ্যুত্থানের মত অসংখ্য সমস্যার মুখোখুখি হয়। ১৯৯১ সালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পরে দেশটিতে আপেক্ষিক শান্তি স্থাপিত হয় এবং দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকে অগ্রসর হতে থাকে। মানবসম্পদ ও পোশাকশিল্পে অগ্রগতির মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়ে সমগ্র বিশ্বে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।[১১][১২]
#ইসলাম
ুহাম্মাদ_সাল্লাল্লাহু_আলাইহি_ওয়া_সাল্লাম
মুহাম্মাদ- (২৯ আগস্ট ৫৭০ খ্রি: - ৮ জুন ৬৩২ হি: ; আরবি উচ্চারণ محمد (সাহায্য·তথ্য) মোহাম্মদ এবং মুসলিমদের কাছে মুহাম্মদ (সাঃ) নামেও পরিচিত; তুর্কি : মুহাম্মেদ) (সাঃ), পূর্ণ নাম : আবু আল-কাশিম মুহাম্মাদ ইবনে ʿআবদুল্লাহ ইবনে ʿআবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম (ابو القاسم محمد ابن عبد الله ابن عبد المطلب ابن هاشم) হলেন ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামী বিশ্বাস মতে আল্লাহ বা ইসলামে ঈশ্বর কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ নবি। (আরবি: النبي আন-নাবিয়্যু) তথা "বার্তাবাহক" (আরবি : الرسول আর-রাসুল) যার উপর ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। অমুসলিমদের মতে তিনি ইসলামী জীবন ব্যবস্থার প্রবর্তক। অধিকাংশ ইতিহাসবেত্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতে মুহাম্মাদ ছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতা। তার এই বিশেষত্বের অন্যতম কারণ হচ্ছে আধ্যাত্মিক ও জাগতিক উভয় জগতেই চূড়ান্ত সফলতা অর্জন। তিনি ধর্মীয় জীবনে যেমন সফল তেমনই রাজনৈতিক জীবনেও। সমগ্র আরব বিশ্বের জাগরণের পথিকৃৎ হিসেবে তিনি অগ্রগণ্য; বিবাদমান আরব জনতাকে একীভূতকরণ তার জীবনের অন্যতম সফলতা। তিনি চেয়েছিলেন সব মানুষ পৃথিবীতে শুধুমাত্র এক আল্লাহর উপাসনা করবে। তিনি এই বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
1310