রাসুলুল্লাহ সা: ফরজ সালাত শেষে যেসব দোয়া পড়তেন:
১. আল্লাহু আকবার একবার ও ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ তিনবার।(ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪ) অর্থ : আল্লাহ মহান। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
২. ‘আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবা-রাকতা ইয়া যাল-জালালি ওয়াল ইকরাম’ -১ বার। ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﻭَﻣِﻨْﻚَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﺗَﺒَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻳَﺎ ﺫَﺍ ﺍﻟْﺠَﻼَﻝِ ﻭَﺍﻟْﺈِﻛْﺮَﺍﻡِ
অর্থ : হে আল্লাহ্! তুমি শান্তিময়, তোমার কাছ থেকেই শান্তি অবতীর্ণ হয়। তুমি বরকতময়, হে পরাক্রমশালী ও মর্যাদা প্রদানকারী।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন “রাসুল (সাঃ) যখন সালাম ফেরাতেন তখন তিনি তিনবার ইস্তেগফার পড়তে্ন অর্থাত ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলতেন। তারপর বলতেনঃ “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারাকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম”। -মুসলিম ১/২১৮, আবু দাউদ ১/২২১
৩. لاَ إِلهَ إِلاَّ الله وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ উচ্চারণ:- লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু অহ্দাহু লা শারীকা লাহ্, লাহুল মুলকু অলাহুলহামদু অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। একবার। অর্থ:- আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন অংশী নেই, তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব, তাঁরই সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।
৪. اَللّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الَجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা লা মা-নিয়া লিমা আ’ত্বাইতা, অলা মু’তিয়া লিমা মানা’তা অলা য়্যানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু। একবার। অর্থ- হে আল্লাহ! তুমি যা দান কর তা রোধ করার এবং যা রোধ কর তা দান করার সাধ্য কারো নেই। আর ধনবানের ধন তোমার আযাব থেকে মুক্তি পেতে কোন উপকারে আসবে না। (বুখারী, মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬২ নং)
৫. لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله উচ্চারণ:- লা-হাউলা অলা ক্বুউওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ্। একবার। অর্থ:- আল্লাহর প্রেরণা দান ছাড়া পাপ থেকে ফিরার এবং সৎকাজ করার শক্তি নেই।(মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬৩ নং)
৬. একবার لآ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ উচ্চারণ:- লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অলা না’বুদু ইল্লা ইয়্যা-হু লাহুন্নি’মাতু অলাহুল ফায্বলু অলাহুস সানা-উল হাসান, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিস্বিনা লাহুদ্দ্বীনা অলাউকারিহাল কা-ফিরুন। অর্থ- আল্লাহ ব্যতীত কেউসত্য উপাস্য নেই। তাঁর ছাড়া আমরা আর কারো ইবাদত করি না, তাঁরই যাবতীয় সম্পদ, তাঁরই যাবতীয় অনুগ্রহ, এবং তাঁরই যাবতীয় সুপ্রশংসা, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। আমরা বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁরই উপাসনা করি, যদিও কাফেরদল তা অপছন্দ করে। (মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬৩ নং)
৭. আয়াতুল কুরসী (সুরা বাক্বারা আয়াত : ২৫৫) ১ বার। আবু উমামা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর ‘আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখতে পারবে ন ‘। (নাসায়ী, হাদিস সহীহ, সিলসিলাহ সহিহাহ-হাদিস ৯৭২)
৮. আবু হুরাইরা রা: রাসুলুল্লাহ সা: থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাজের পর ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আল্লাহু আকবার’ পড়ে এবং ১০০ বার পূর্ণ করার জন্য একবার “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ দাহু লা-শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর” পড়ে, তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। যদিও তা সাগরের ফেনাপুঞ্জের সমতুল্য হয়। (মুসলিম-১২২৮)।
৯. সুরা ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস ১ বার করে। (আবু দাঊদ২/৮৬, সহীহ তিরমিযী ১/৮, নাসাঈ ৩/৬৮)
১০. একবার ‘আল্লাহুম্মা আ ই’ন্নি আ’লা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হু’সনি ইবাদাতিকা’ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻋِﻨِّﻲ ﻋَﻠَﻰ ﺫِﻛْﺮِﻙَ، ﻭَﺷُﻜْﺮِﻙَ، ﻭَﺣُﺴْﻦِ ﻋِﺒﺎﺩَﺗِﻚَ অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার স্মরণ, তোমার কৃতজ্ঞতা এবং তোমার সুন্দর ইবাদত করার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য কর”। -আবু দাউদ ১/২১৩
১১. একবার اَللّهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ক্বিনী আযা-বাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবা-দাক। অর্থ:- হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদেরকে পুনরুত্থিত করবে সেদিনকার আযাব থেকে আমাকে রক্ষা করো। (মুসলিম)
১২. হজরত আব্দুর রহমান বিন গানম রা: হতে বর্ণিত নবী সা: বলেন, যে ব্যক্তি মাগরিব ও ফজরের নামাজ থেকে ফিরে বসা ও পা মুড়ার পূর্বে (অর্থাৎ যেভাবে বসে নামাজ শেষ করেছে সেভাবে বসেই, এদিক অদিক ঘুরা বা অন্য রকম করে বসার পূর্বেই) নিম্নোক্ত দোয়াটি ১০ বার পাঠ করবে, «لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ» (লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হাম্দু ইয়ুহ্য়ী ওয়াইয়ূমীতু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)।
অর্থা:- একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তারই এবং সকল প্রশংসা তাঁর। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
আল্লাহ্ তার আমলনামায় প্রত্যেকবারের বিনিময়ে ১০টি নেকি লিপিবদ্ধ করেন, ১০টি গোনাহ মোচন করে দেন, তাকে ১০টি মর্যাদায় উন্নীত করেন, প্রত্যেক অপ্রীতিকর বিষয় এবং বিতাড়িত শয়তান থেকে (ঐ যিকির) রক্ষামন্ত্র হয়, নিশ্চিতভাবে শির্ক ব্যতীত তার অন্যান্য পাপ ক্ষমার্হ হয়। আর সে হয় আমল করার দিক থেকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, তবে সেই ব্যক্তি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে পারে যে তার থেকেও উত্তম যিকির পাঠ করবে। (আহমাদ,সহীহ তারগীব-হাদিস ৪৭২)
১৩. ফজরের সলাতের পর একবার اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْماً نَّافِعاً وَّرِزْقاً طَيِّباً وَّعَمَلاً مُّتَقَبَّلاً উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান না-ফিআ, ওয়া রিযক্বান ত্বাইয়িবা, ওয়া আমালান মুতাক্বাব্বালা। অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট ফলদায়ক শিক্ষা, হালাল জীবিকা এবং গ্রহণযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি। ফজরের নামাযের পর এটি পঠনীয়। (ইবনে মাজাহ্, সুনান১/১৫২, ত্বাবারানী সাগীর, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ১০/১১১)
Rushad Academy
" শিক্ষা হোক সর্বজনীন "
এসএসসি (SSC) বিজ্ঞান (Science) বিভাগের পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিত এবং এইচএসসি (HSC) রসায়নের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে সহজ ও বাস্তবিক আলোচনা করাই আমাদের এই পেইজের মূল উদ্দেশ্য।
এরকম লেখা খুব কম পেয়েছি। জাস্ট ভাবা যায়না।
অংকের শিক্ষক একটি অংক দিয়ে বললোঃ তোমাদের
মধ্যে যে অংকটি পারবে তাকে আমি এক জোড়া জুতা
গিফট করবো।
সকল ছাত্র অংকটির সঠিক উত্তর দিলো।
শিক্ষকঃ আমিতো একজনকে জুতো দিতে পারবো। একটা কাজ করো, লটারী করি। বাক্সের মধ্যে তোমরা তোমাদের নাম আর রোল নম্বর লিখে দাও।
ছাত্ররা রোল নাম/নম্বর লিখে বাক্সে রাখলো। শিক্ষক বাক্স একটু ঝাঁকিয়ে চোখ বন্ধ করে একটি কাগজ তুললেন।
শিক্ষকঃ আমি কি নামটি পড়বো?
ছাত্ররা একত্রে বললোঃ পড়েন স্যার।
পুরো ক্লাশ Pin drop silence, শুধু শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ।
শিক্ষক পড়লেনঃ আব্দুল। রোল নম্বর ১
ছাত্ররা হাত তালি দিয়ে ফার্স্ট বয়কে অভিনন্দন জানালো।
শিক্ষক পরের দিন এক জোড়া জুতো নিয়ে এসে বললেনঃ তোমরা সকলে মিলে জুতা ওকে পড়িয়ে দাও।
টিচার্স রুমে ঐ শিক্ষকের চোখে জল দেখে সহকারী শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেনঃ স্যার, আপনার চোখে জল কেনো?
শিক্ষক জুতোর ঘটনা খুলে বলে বললোঃ আব্দুল ক্লাশে একমাত্র ছাত্র যে কিনা খালি পায় ক্লাশে আসে। আমি ওর কথা চিন্তা করে কঠিন অংক দিলাম। সবাই অংকটি সঠিক উত্তর দিলো। সবচেয়ে অবাক লাগলো, লটারীর বাক্স খুলে দেখি সকল ছাত্রই তাদের স্ব স্ব নাম না লিখে, লিখেছিলো- আব্দুল, রোল ১,,, যাতে করে জুতো জুড়া আব্দুল পায়।
সেই ছাত্রটি - A. P. J. Abdul Kalam
Former President of India
03/04/2023
***ব্রেকিং নিউজ***
২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে!
23/03/2023
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭১-৭২ সালের ক্যালেন্ডার😳
লক্ষ্যে পৌঁছানোর রাস্তা পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু লক্ষ কখনোই পরিবর্তন করা উচিত নয়।
19/12/2022
Congratulations💞 Argentina
13/12/2022
Alvarez Finishing 👌🇦🇷🔥
এসএসসিতে শতভাগ জিপিএ-৫ সহ দেশসেরা ফলাফল করেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল এন্ড হোমস্
মোট পরীক্ষার্থী = ২৬৬ জন।
জিপিএ ৫ (A+) = ২৬৬ জন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Address
Dhaka
1219