BCS Daily

BCS Daily Official Page of BCS Daily

21/09/2026

দিনের প্রথম এক ঘণ্টা যেটা করবেন, সারাদিন দেখবেন সেটাই চলবে। ফোন scroll নাকি বই — ঠিক করে ফেলুন এখনই।

শুভসকাল 🩵

20/09/2026

২০০ প্রশ্ন, ১২০ মিনিট। প্রতি প্রশ্নে ৩৬ সেকেন্ড। যে প্রশ্নে এক মিনিট ভাবছেন, সেখানে আপনি দুটো প্রশ্ন হারাচ্ছেন।

20/09/2026

প্রস্তুতি নিয়ে সবাই বলে কী কী করতে হবে। আজ উল্টো দিক থেকে বলি। কী কী করা বন্ধ করলে আপনার প্রস্তুতি এগোবে।

১। নতুন সোর্স খোঁজা বন্ধ করুন। প্রতি সপ্তাহে নতুন একটা বই, নতুন একটা পিডিএফ, নতুন একটা শিট — এটা পড়া না, এটা পড়া থেকে পালানো। নতুন বই হাতে নিলে মনে হয় কাজ এগোচ্ছে, অথচ আগের বইটার দ্বিতীয় রিভিশন কখনো হয় না।

২। নোট সুন্দর করে লেখা বন্ধ করুন। রঙিন কলম, স্কেল দিয়ে টানা দাগ, পরিপাটি হেডিং — তিন ঘণ্টা চলে যায়, আর মনে থাকে কিছুই। নোট বানানো আর পড়া এক জিনিস না। যে সময়টা নোট সাজাতে যাচ্ছে, সেটা দ্বিতীয়বার পড়ায় দিলে বেশি কাজে আসবে।

৩। অন্যের রুটিন কপি করা বন্ধ করুন। যে ভোর পাঁচটায় ওঠে সেটা হয়তো আপনি না। আপনার অফিস আছে, বা ক্লাস আছে, বা সংসার আছে। যে রুটিন আপনি সাত দিনের বেশি চালাতে পারবেন না, সেটা রুটিন না, সেটা শখ।

৪। "আগে সিলেবাস শেষ করি, তারপর পরীক্ষা দেব" — এই অপেক্ষাটা বন্ধ করুন। সিলেবাস কখনো শেষ হয় না। পরীক্ষা দিতে দিতে সিলেবাস শেষ হয়, সিলেবাস শেষ করে পরীক্ষা দিতে গেলে সময়ই থাকে না।

৫। আর রাত তিনটা পর্যন্ত জেগে পড়া বন্ধ করুন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয় সকালে। আপনার মস্তিষ্ককে সকালে জেগে থাকার অভ্যাস করাতে হবে, রাতে নয়। রাত জেগে পড়ে যে তৃপ্তিটা পান, পরীক্ষার হলে সেটা কোনো কাজে আসে না।

এগুলোর একটাও কঠিন কাজ না। কঠিন কাজ হলো এগুলো ছাড়ার পর যে খালি সময়টা তৈরি হয়, সেটা সত্যি সত্যি পড়ায় দেওয়া। বেশিরভাগ মানুষ পুরনো অভ্যাস ছাড়েন, তারপর নতুন কোনো অভ্যাস দিয়ে জায়গাটা ভরেন না।
এর মধ্যে প্রথমটা, মানে নতুন সোর্স খোঁজা, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। কারণ এটা দেখতে পরিশ্রমের মতো লাগে।

আমাদের ব্যাচের রুটিনে এই সমস্যাটার সমাধানটা খুব simple। বই একটাই, Prelims Blueprint। সারা সপ্তাহ যা পড়া হয়, তার নতুন তথ্য বা সংশোধন সপ্তাহের ষষ্ঠ দিনে ওই বইয়েরই পাশে বা আপনার একটা নোট খাতায় তোলা হয়। মানে সপ্তাহ শেষে আপনার হাতে আলাদা করে পাঁচটা শিট জমে না, বরং একটা বই-ই আরেকটু সম্পূর্ণ হয়। পরীক্ষার আগের সপ্তাহে আপনাকে খুঁজতে হয় না "সেই তথ্যটা কোথায় লিখেছিলাম" — সব এক জায়গায়।

ব্যাচে না থাকলেও এই অভ্যাসটা আজই শুরু করতে পারেন। একটা বই ঠিক করুন, সেটাকেই আপনার মূল বই ধরুন। বাকি যেখান থেকেই নতুন তথ্য পান, সেটা ওই বইয়ের মার্জিনে লিখে রাখুন। ছয় মাস পর দেখবেন আপনার একটা বই আছে যেটা আর কারো নেই।

⚠️ আগামী মঙ্গলবার রাত ৯টায় লাইভ ক্লাস ১২ — বাংলা ব্যাকরণ (কারক, বিভক্তি, বাচ্য পরিবর্তন)। সীমিত কিছু সীট আছে ব্যাচে, বইয়ের স্টক শেষ হলে এই ব্যাচে ভর্তি বন্ধ করে দেয়া হবে।

সবার জন্যে অফুরান ভালোবাসা ও শুভকামনা 💙

20/09/2026

"If there is no struggle, there is no progress."
— Frederick Douglass

19/09/2026

"আজ কতক্ষণ পড়লাম" না হিসাব করে "আজ কতটুকু মনে আছে" হিসাব করুন। প্রস্তুতি বদলে যাবে।

19/09/2026

কিছুদিন আগে একজন মেসেজ দিয়েছিলেন। লিখেছেন, "স্যার, তিন মাস ধরে বাংলা সাহিত্য পড়ছি, এখনো শেষ হয় নি।"
জিজ্ঞেস করলাম, বাংলা বিরচন, English Vocan আর মানসিক দক্ষতা কতদূর?
উত্তর এলো, "ওগুলো তো শেষের দিকে একবারে পড়ে ফেলব।"
এই এক লাইনেই বোঝা যায় কেন অনেক পরিশ্রমী প্রার্থীও প্রিলিতে আটকে যান।

নতুন সিলেবাসে প্রিলিমিনারির ২০০ নম্বরের বিভাজনটা আবার খেয়াল করুন— বাংলা ৩০, ইংরেজি ৩০, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২৫, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ২৫, গাণিতিক যুক্তি ২০, সাধারণ বিজ্ঞান ১৫, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১৫, মানসিক দক্ষতা ১৫, নৈতিকতা ও সু-শাসন ১৫, আর ভূগোল ১০।

বাংলার ৩০ এর মধ্যে সাহিত্য ১৫, ভাষা ১৫।
এবার আগের কথোপকথনটা আরেকবার পড়ুন।
ভদ্রলোক তিন মাস দিয়েছেন ১৫ নম্বরের পেছনে। আর যে বিষয় মিলে ৩০+ নম্বর, সেগুলো "শেষের দিকে" রেখে দিয়েছেন। শেষের দিক আসলে কখনো আসে না, এটা আমরা সবাই জানি।

মজার ব্যাপার হলো, যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি অবহেলিত হয়, সেগুলোই সবচেয়ে বেশি রিটার্ন দেয়। যেমন, নৈতিকতা ১৫, মানসিক দক্ষতা ১৫, ভূগোল ১০ — মোট ৪০ নম্বর, প্রিলির এক পঞ্চমাংশ। এই তিনটার সিলেবাস তুলনামূলক ছোট, প্রশ্নের ধরনও অনেকটা নির্দিষ্ট। অথচ আমরা এগুলো পরে ফেলে রাখি, ঠিক এই কারণেই যে এগুলো সহজ মনে হয়।

সহজ জিনিস পরে করব — এই একটা চিন্তা বহু প্রস্তুতি নষ্ট করে দেয়।
আর যে বিষয়গুলোর শেষ নেই, যেমন বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্য বা আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, সেগুলোতেই আমরা মাসের পর মাস ঢুকে থাকি। কারণ ওখানে সবসময় আরও কিছু জানার বাকি থাকে, আর সেই অসম্পূর্ণতার অনুভূতিটাই আমাদের আটকে রাখে।

এই সপ্তাহে একটা কাজ করুন।
খাতা নিয়ে লিখুন কোন বিষয়ে আপনি গত এক মাসে কত ঘণ্টা দিয়েছেন। পাশে লিখুন সেই বিষয়ের নম্বর। দুটো কলাম মিলছে কিনা দেখুন। বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই মিলবে না, আর সেটাই আপনার আসল সমস্যাটা ধরিয়ে দেবে।

আমাদের ব্যাচের রুটিনটা এই কারণেই একটু অন্যভাবে সাজানো। প্রতি সপ্তাহে একটা মূল বিষয় থাকে ঠিকই, কিন্তু সেটার পাশাপাশি প্রতিদিন গাণিতিক যুক্তি বা মানসিক দক্ষতার একটা নির্দিষ্ট টপিক, বাংলা বিরচনের একটা নির্দিষ্ট অংশ, আর English Vocab এর কয়েকটা শব্দ চলতেই থাকে। যেমন আজ শনিবার মূল বিষয় বাংলা ব্যাকরণ, কিন্তু সাথে মানসিক দক্ষতার একটা টপিক আর বিরচনের নির্দিষ্ট আইটেমগুলোও আছে। ফলে "পরে পড়ব" বলে ফেলে রাখার সুযোগই থাকে না — প্রথম দিন থেকেই সব ট্র্যাক সমান্তরালে চলে, আর ১৬ সপ্তাহ শেষে কোনো বিষয় বাকি পড়ে থাকে না।
ব্যাচে না থাকলেও নিজের রুটিনে এই ভাগটা রাখুন। প্রতিদিন মূল বিষয়ের সাথে অন্তত একটা "ছোট" বিষয়ের অংশ জুড়ে দিন। প্রিলি এক্সামের আগে পার্থক্যটা নিজেই টের পাবেন।

⚠️ আগামী মঙ্গলবার রাত ৯টায় লাইভ ক্লাস ১২ — বাংলা ব্যাকরণ (কারক, বিভক্তি, বাচ্য পরিবর্তন)।
সীমিত কিছু সীট আছে ব্যাচে, বইয়ের স্টক শেষ হলে এই ব্যাচে ভর্তি বন্ধ করে দেয়া হবে।

সবার জন্যে অফুরান ভালোবাসা ও শুভকামনা 💙

19/09/2026

সব পড়া সম্ভব না, এটা মেনে নিন।

যেদিন মেনে নেবেন, সেদিন থেকেই বাছাই করতে শিখবেন।

শুভ সকাল 💚

18/09/2026

MCQ দাগানোর ক্ষেত্রে আমরা বেশিরভাগই একটা ভুল স্ট্রাটেজি ফলো করি। আজকে সেটি ক্লিয়ার করি চলুন।

১। প্রিলিতে মোট প্রশ্ন ২০০, প্রতিটি সঠিক উত্তরে ১ নম্বর।
২। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্যে কাটা যায় ০.৫০ নম্বর। ৩। অর্থাৎ ২টি ভুল উত্তর মানে আপনার ১টি সঠিক উত্তর মুছে যাওয়া।
এবার ভাগ করে দেখুন।

ধরুন আপনি ১২০টি প্রশ্ন জেনে দাগালেন, আর বাকি ৪০টিতে পুরো আন্দাজে দাগালেন। আন্দাজের ৪০টির মধ্যে Probability হিসেব করলে ধরুন ১০ টি লেগে গেলো, ৩০টি ভুল হলো। হিসাব দাঁড়ায় +১০ − ১৫ = −৫।
মানে আন্দাজ আপনাকে ৫ নম্বর দেয় নি, উল্টো ৫ নম্বর কেড়ে নিয়েছে। খাতা জমা দেয়ার সময় মনে হয়েছিল ১৬০টা দাগিয়েছি, ভালোই হয়েছে। ফল বের হওয়ার পর বোঝা গেল কিছুই হয় নি। আপনি হয়তো ভাবছেন আপনি পুরো আন্দাজে দাগান না, তাহলে পরের অংশ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

দুটো কথা একসাথে সত্যি।
পুরো আন্দাজে দাগানো আপনার নম্বর কমায়। আবার যেটা আপনি অর্ধেক জানেন, দুটো অপশন কেটে ফেলতে পারেন, সেটা ছেড়ে দেয়াও নম্বর কমায়।

আমার টানা ৩ টা বিসিএস প্রিলি লিখিতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, প্রিলিতে পরীক্ষার হলে একটা বড় অংশ এক্সামের শেষ দিকে নিজের উপর কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলেন। ঘড়ির কাঁটা এগোতে থাকে, খালি ঘর দেখে প্রেসার ফেইস করেন, আর তখনই একটার পর একটা আন্দাজে দাগানো শুরু হয়। অনেকে যে প্রশ্ন মনে পড়ছে না সেটা চিন্তা করতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট করেন, অনেকে বড় ম্যাথ আগে করতে গিয়ে সময় নষ্ট করেন, পরে দেখা যায় শেষ ২০ মিনিটেই হুড়াহুড়ি করে সবচেয়ে বেশি নম্বর নষ্ট হয়।
আপনার লক্ষ্য ২০০ তে ২০০ না। লক্ষ্য নিরাপদ ভাবে ১২০+ তোলা। সেটা তুলতে হলে ১৪০–১৫০টা প্রশ্নে হাত দিলেই যথেষ্ট, যদি ওই ১৪০টার বেশিরভাগ আপনি সত্যিই জানেন।

মনে রাখবনে Educated guess আর blind guess এক জিনিস না। প্রথমটা আপনার পক্ষে কাজ করে, দ্বিতীয়টা আপনার বিরুদ্ধে।
তাই লক্ষ্য একটাই — যা জানেন সেটা নিশ্চিত করুন, যা একেবারেই জানেন না সেটা ছেড়ে দেয়ার সাহস রাখুন। আর যেগুলোতে ২ টা অপশনের মধ্যে আপনি কনফিউজড, সেটাতে ক্যালকুল্যাটেড রিস্ক নিন educative guess এর মাধ্যমে।

আর Calculated Risk নেয়ার অভ্যাস পরীক্ষার হলে হঠাৎ তৈরি হয় না। নিয়মিত সময় ধরে পরীক্ষা দিতে দিতে তৈরি হয়। Batch Precision এর রুটিনে প্রতি সপ্তাহের অনলাইন পরীক্ষায় আপনি কনফিউশন থেকে যেগুলো দাগাচ্ছেন সেগুলো থেকে কয়টা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত, আপনার Calculated Risk কতটা কাজে দিয়েছে, সেটা আপনাকে পরীক্ষার পরপরই দেখাবে। আপনার স্কোর আর লিডারবোর্ডে আপনার পজিশনের পাশাপাশি আপনাকে বলবে "আপনি কনফিউশান থেকে দাগিয়েছেন ৮ টি , এর মধ্যে ৩টি সঠিক (+৩), আর ৫ টি ভুল( -২.৫), নেট +০.৫, অর্থাৎ আপনার Calculated Risk এ নাম্বার বেড়েছে"। এক্সামে যেমন আমরা মার্ক করি বা একটা চিহ্ন দিয়ে রাখি যেগুলোতে কনফিউশান আছে, BCS Daily এর অনলাইন এক্সামে ঠিক সেটাই আছে, আবার সেটার উপর এনালাইসিস তো আছেই। এই একটা সিস্টেম বাংলাদেশের আর কোনো চাকরির প্রস্তুতি প্ল্যাটফর্মে আপনি পাবেন না। নিজে বাসায় যখন পরীক্ষা দিবেন, এইভাবে হিসেবটা করার চেষ্টা করবেন।

⚠️ আজ শুক্রবার রাত ৯টায় লাইভ ক্লাস ১১ — বাংলা ব্যাকরণ।

সীমিত কিছু সীট আছে ব্যাচে, বইয়ের স্টক শেষ হলে এই ব্যাচে ভর্তি বন্ধ করে দেয়া হবে।

সবার জন্যে অফুরান ভালোবাসা ও শুভকামনা 💙

18/09/2026
18/09/2026

"ছুটির দিনটা নষ্ট হলে সেই ক্ষতি সপ্তাহের আর কোনো দিনে পুষিয়ে নেওয়া যায় না। শুক্রবারই সবচেয়ে মূল্যবান দিন।"

শুভ সকাল 🩵

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCS Daily posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share