এসো কোরআন শিখি

এসো কোরআন শিখি চেষ্টা চালিয়ে যাও সফলতা একদিন আসবে ইনশাআল্লাহ

10/09/2023

"পছন্দের তিনটি লাইনঃ-

"ফা ইন্না মা' আল উসরি ইউসরা"
-নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে...!

"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল"
-আমার জন্য আমার আল্লাহ'ই যথেষ্ট...!

"ইন্নালাহা মা'আস সবিরিন"
-নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন...!

আলহামদুলিল্লাহ্❤️‍🩹🌸🦋🌻

04/09/2023

সূরা কাফিরুন বাংলা উচ্চারণ।

কুল ইয়াআইয়ুহাল কা-ফিরূন।
লাআ‘বুদুমা-তা‘বুদূন।
ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ।
ওয়ালাআনা ‘আ-বিদুম মা-‘আবাত্তুম,
ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ।
লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়া দীন।

সূরা কাফিরুন অর্থ।

বলুন, হে কাফেরকূল, আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর। এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর। তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি। তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।

03/09/2023
02/09/2023

১./কেউ গালি দিয়েছে,
চুপ থাকো।
২./কেউ কষ্ট দিয়েছে ধৈর্য ধারণ করো।
৩./কেউ ধোঁকা দিয়েছে চুপ করে সহ্য কর।
আল্লাহর কসম তুমি এমন শক্তিতে পরিণত হবে যে. পাহাড় ও তোমার রাস্তা আটকাতে পারবেনা!

ইনশাআল্লাহ

01/09/2023

যেভাবে দোয়া করলে আল্লাহ কবুল করেন

আনাস (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে মহান আল্লাহ বলেন, হে আদম সন্তান, তুমি যত দিন পর্যন্ত আমার কাছে দোয়া করতে থাকবে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, আমি তত দিন তোমার গুনাহ মাফ করতে থাকব, তুমি যা-ই করে থাক, আমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করব না। হে আদম সন্তান, তোমার গুনাহ যদি আকাশের উচ্চতা পর্যন্তও পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও তবু আমি তোমাকে ক্ষমা করব, আমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করব না। হে আদম সন্তান, তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক না করে থাকো, তাহলে আমিও সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে আসব।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৪০)

আলোচ্য হাদিসে বান্দাদের হতাশ না হয়ে আল্লাহর প্রতি আশাবাদী হতে বলা হয়েছে।

ঘোষণা দিয়েছেন, বান্দার গুনাহের পরিমাণ যত বেশিই হোক না কেন আল্লাহ বান্দাকে মাফ করে দেবেন।
দোয়া করার শিষ্টাচার : আল্লাহর দরবারে দোয়া কবুল হওয়ার জন্য কিছু শিষ্টাচার ও শর্ত রয়েছে। এসব শিষ্টাচার দোয়া কবুল হওয়ার জন্য সহায়ক। যেমন—

১. নিবিষ্ট মনে দোয়া করা : নবী করিম (সা.) বলেন, ‘কবুলের দৃঢ় প্রত্যয় রেখে তোমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করবে।

জেনে রেখো, উদাসীন ও অমনোযোগী মনের দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৭৯)
২. কবুলের ব্যাপারে তাড়াহুড়া না করা : মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকের দোয়া কবুল করা হয় যতক্ষণ সে তাড়াহুড়া না করে। যেমন সে বলল, আমি দোয়া করলাম কিন্তু তা কবুল হলো না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৮৭)

৩. আশা নিয়ে দোয়া করা : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন দোয়া করে তখন এভাবে বলা উচিত নয় যে হে আল্লাহ, আপনি আমাকে ক্ষমা করেন যদি আপনার ইচ্ছা হয়।

বরং বড় আকাঙ্ক্ষা পোষণ করবে। কেননা তিনি এমন এক সত্তা যেকোনো কিছুই দান করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৬৯৮৮)
৪. অশ্রুসিক্ত হয়ে দোয়া করা : আল্লাহ অশ্রুসিক্ত হয়ে দোয়া করার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রভুর প্রার্থনা করো গোপনে অশ্রুসিক্ত হয়ে।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৫৫)

৫. আল্লাহর গুণবাচক নাম নিয়ে দোয়া করা : পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহর রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। সুতরাং তোমরা তাঁকে সে নামেই ডাকবে।

’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৮০)
মুমিনের কোনো দোয়া নিষ্ফল নয় : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘কোনো মুসলমান যখন কোনো দোয়া করে, যাতে কোনো গুনাহের কাজ অথবা আত্মীয়তার বন্ধন ছেদের কথা নেই, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে এ তিনটির যেকোনো একটি দান করেন। হয়তো তাকে তার প্রার্থিত বস্তু দুনিয়াতে দান করেন বা তা তার আখিরাতের জন্য জমা রাখেন অথবা তার অনুরূপ কোনো অমঙ্গলকে তার থেকে দূরে রাখেন।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১১১৩৩

31/08/2023

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“কোনো মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ মনে করাটাই একজন মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য যথেষ্ট।”

[তিরমিযী-১৯২৭]

28/08/2023

সূরা ইয়াসিন পাঠের ফজিলত ‼️

💠সূরা ইয়াসিন ( ফজরের পর)!!রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে সগিরা গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
__[তিরমিযী- ২৮৮৭, সহীহ ইবনে হিব্বান - ২৫৭৪]

💠রাসূল সাঃ বলেন, যে ব্যক্তি সকালে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে তাকে গোটা দিনের শান্তি দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে, তাকে গোটা রাতের শান্তি প্রদান করা হবে।
(তাফসীরে ছাবী -৪/৩১৭ পৃ.)

💠রাসূলে পাক সাঃ বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসীন দিনের প্রথমভাগে পাঠ করবে। মহান আল্লাহ তাঁর সমস্ত মাকসুদ পুরা করে দিবেন। (দারেমি, মিশকাত পৃঃ১৮৯)

17/08/2023

একনজরে নামাজের বিধিবিধান(post-01):
সালাত বা নামাজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। ঈমানের পরই নামাজের স্থান। নামাজ মুসলমানিত্বের পরিচায়ক। আল্লাহর আনুগত্যের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে নামাজের মাধ্যমে।
নামাজের ফরজ:
নামাজের ফরজ ১৩টি। (নামাজের বাইরে ফরজ সাতটি)
১. শরীর পবিত্র হওয়া। (সুরা মায়িদা, আয়াত ৬; তিরমিজি, হাদিস : ১, ৩ হাসান)
২. কাপড় পবিত্র হওয়া। (সুরা মুদ্দাসসির, আয়াত ৪; তিরমিজি, হাদিস : ১, ৩ হাসান)
৩. নামাজের জায়গা পবিত্র হওয়া। (সুরা বাকারা, আয়াত ১২৫; তিরমিজি, হাদিস : ১, ৩ হাসান)
৪. সতর ঢাকা (অর্থাৎ পুরুষের নাভি থেকে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ও নারীদের চেহারা, দুই হাত কবজি পর্যন্ত ও পায়ের পাতা ছাড়া গোটা শরীর ঢেকে রাখা। মনে রাখা আবশ্যক, পর্দার ক্ষেত্রে নারীদের পুরো শরীরই সতরের অন্তর্ভুক্ত)। (সুরা আরাফ, আয়াত ৩১; সুরা নুর, আয়াত ৩১; আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯৬ হাসান, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৭৫৬ হাসান, তিরমিজি ১/২২২, হাদিস : ১১৭৩, ৩৭৭ সহিহ, আবু দাউদ ১/৯৪, হাদিস : ৬৪১ সহিহ, ২/৫৬৭, হাদিস : ৪১০৪ গ্রহণযোগ্য, মারাসিলে আবি দাউদ, ৮৬ হাদিস : ২৮ গ্রহণযোগ্য)
৫. কিবলামুখী হওয়া। (সুরা বাকারা, আয়াত ১৪৪; বুখারি ২/৯২৪, হাদিস : ৬২৫১)
৬. ওয়াক্তমতো নামাজ পড়া। (সুরা নিসা, আয়াত ১০৩; বুখারি ১/৭৫, হাদিস : ৫২১)
৭. অন্তরে নির্দিষ্ট নামাজের নিয়ত করা। (বুখারি শরিফ ১/২, হাদিস : ১)
নামাজের ভেতরে ছয়টি ফরজ
১. তাকবিরে তাহরিমা, অর্থাৎ শুরুতে আল্লাহু আকবার বলা।
(সুরা মুদ্দাসসির, আয়াত ৩; বুখারি ১/১০১, হাদিস : ৮৩৩, মুসলিম ১/১৭৬, হাদিস : ৪১১, ৪১২, তিরমিজি ১/৫৫, হাদিস : ২৩৮)
২. ফরজ ও ওয়াজিব নামাজ দাঁড়িয়ে পড়া। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৩৮; বুখারি ১/১৫০, হাদিস : ১১১৭, তিরমিজি ১/৬৬, হাদিস : ৩০৪ সহিহ)
৩. কেরাত পড়া (অর্থাৎ কোরআন শরিফ থেকে ন্যূনতম ছোট এক আয়াত পরিমাণ পড়া ফরজ।) (সুরা মুজ্জাম্মিল, আয়াত ২০; বুখারি ২/৯২৪, হাদিস : ৬২৫১, তিরমিজি ১/৬৬, ৬৭, হাদিস : ৩০২, ৩০৩ সহিহ)
৪. রুকু করা। (সুরা হজ, আয়াত ৭৭; বুখারি ১/১৫০, হাদিস : ১১১৩, ১১১৪, মুসলিম ১/১৭৭, হাদিস : ৪১২)
৫. দুই সিজদা করা। (সুরা হজ, আয়াত ৭৭; বুখারি ১/১০১, হাদিস : ৭৩৩, মুসলিম ১/১৭৬, হাদিস : ৪১১)
৬. শেষ বৈঠক (নামাজের শেষে তাশাহুদ পরিমাণ বসা) (আবু দাউদ : ১/১৩৯, হাদিস : ৯৭০ সহিহ)
বি. দ্র. : নামাজি ব্যক্তির নিজস্ব কোনো কাজের মাধ্যমে (যেমন—সালাম ফেরানো ইত্যাদি) নামাজ থেকে বের হওয়াও একটা ফরজ। (আল বাহরুর রায়িক, ১ : ৫১৩)
নামাজের কোনো ফরজ বাদ পড়লে নামাজ বাতিল হয়ে যায়। সাহু সিজদা করলেও নামাজ শুদ্ধ হয় না। (আল বাহরুর রায়িক, ১:৫০৫) ফাতাওয়া শামি, ১:৪৪৭/হিদায়া, ১ : ৯৮)....................................................সংগৃহীত

Address

Mirpur
Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো কোরআন শিখি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share