13/06/2023
ছোট থাকতেই আপনার বাচ্চাকে শিক্ষা দিন, নইলে বড় হয়ে আপনার মতই কান্ডজ্ঞানহীন হয়ে থাকবে।
ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে হাইস্পিড ওয়াটারগান ছেড়ে দাঁড়িয়ে আছে শিশুটি। ছবি তুলতে গেলে ক্ষেপে যায় বাচ্চাটির গার্ডিয়ান।
ছবিঃ- সানির আহমেদ
29/05/2023
আমরা প্রায় সবাই নিজের অবস্থান নিয়ে অসুখী।
বিবাহিত?
সংসারে অশান্তি। ডিভোর্স দিয়ে সব মিটমাট করে ফেলতে ইচ্ছা করে!
অবিবাহিত?
সারাক্ষণ বিয়ের ভাবনায় দিন কাটে। সঙ্গীকে পাওয়ার স্বপ্নে বিভোর!
ধনী?
একটু শান্তি আর সুখের খোঁজ কোথা থেকে পাওয়া যায়, তা ভাবতে ভাবতে বিষন্নতায় ডুবে থাকা!
গরীব?
আরও বেশি অর্থ উপার্জনের পথ খুঁজে ফেরা!
শিশু?
কবে যে বড় হবো? সবাই ছোট-ছোট বলে!
প্রাপ্তবয়স্ক?
ইশ্! সেই শৈশবটাকে যদি আবার ফিরে পেতাম!
সন্তানপ্রাপ্ত?
এইগুলোর যন্ত্রণায় জীবনটা শেষ হয়ে গেল। একটাও মানুষ হলো না। যাদের সন্তান নেই তারাই ভালো আছে!
নিঃসন্তান?
ঈশ্বর, পৃথিবীর যেকোন কিছুর বিনিময়ে আমাকে সন্তান দাও!
চাকুরীজীবি/ ব্যবসায়ী?
দিনভর এত খাটুনি আর ভালো লাগে না!
বেকার?
কবে যে একটা চাকুরী হবে!
সেলিব্রিটি?
মুখ লুকাতে ব্যস্ত!
সাধারণ ব্যাক্তি?
সেলিব্রিটি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর!
এই জগতে মানুষের এই অসীম চাহিদা, ইচ্ছা, আর অপূর্ণতাকে দমিয়ে রাখার কোনো শক্তি নেই।
কাজেই আসুন, যে যেই অবস্থানে আছি, সেখান থেকেই নিজের মনের সর্বোচ্চ প্রশান্তিটা খুঁজে নেয়ার চেষ্টা করি।
©
👌
28/05/2023
শিশুকে শেখাবেন কারো বাসায় বেড়াতে গেলে দুনিয়ার জিনিস যেন না হাতায়।
দেয়ালে যেন না আকে।
সব খেলনা নিয়ে দখল করে যেন বসে না থাকে।
এসব এক বছর থেকেই একটু করে করে শিখাবেন দেখবেন well trained হয়ে যাবে।
পরদা ধরে ঝুলা একদম মানা করবেন। আপনি কারো বাসায় গেলে বিরক্তির কারন না হয়ে আনন্দের কারন হোন।
যাদের বাসায় যাবেন তারা অনেক শৌখিন তাদের জিনিস গুলা আপনার শিশুর কারনে নষ্ট হোক তা নিশ্চই আপনার কাম্য নয়।
সোফা থেকে যেন লাফ না দেয়।
না গেলে না যান তাদের সুন্দর জিনিস গুলা নষ্ট করবেন না।
এক জায়গায় আড্ডা দিতে থাকবেন না।
যাদের বাসায় গেছেন দেখবেন ওদের বাচ্চা খুব ডানপিঠে।
আপনার বাচ্চা শান্ত দেখে মাথায় বালি বা হাতে মারতে পারে। যদি দেখেন মায়ের কোন ভ্রুক্ষেপ নাই, অবস্থা বেগতিক দেখলে সোজা চলে আসবেন। কাউকে বলার দরকার নেই। আর যাবেন না।
সবাই বাচ্চা পছন্দ করে, অসহ্য বাচ্চা কেউ পছন্দ করে না।
তাই ঘর থেকেই শুরু হোক হাতে খড়ি।
আপনার বাচ্চা কারো বাসায় দেয়ালে আকলে সরি বলতে বলবেন।
উল্টা নিজে দোষ ডাকবেন না। পরে ঘোড়া বেয়াদব হবে।
মারামারি করলে নিজের সন্তানের পক্ষ না নিয়ে দুই পক্ষকেই শান্ত করুন।
আপনার ছোট ছোট এ গুন গুলোই আপনার শিশুকে খুব মিশুক ভদ্র করে গড়ে তুলবে।
খাবার ভালো বা বড় টুকরোটা নিজের শিশুকে দিবেন না। সবাইকে দিয়ে যা থাকবে সেটাই দিবেন।
চলাফেরায় আভিজাত্য গড়ে তুলবেন। ছুচো বানাবেন না।
কেউ খেতে দিলেও সব খেয়ে উজার করতে দিবেন না। কিছু চোখের খিদা মেটাতে হয় না।
কেউ টাকা গোনার সময় যেন না তাকায়,
কেউ খানা খাবার সময় যেন না তাকায় শিখাবেন।
না শিখলেও নরম গলায় বার বার বলবেন। সেট হয়ে যাবে একসময়।
25/02/2023
💠 শিশুকে ম্যানার'স শিখানোর উপায় 💠
বাচ্চাদের কিভাবে ম্যানার শিখাবেন এটা নিয়ে, অনেক বাবা-মা ভীষণ চিন্তিত থাকেন। মনে রাখবেন শিশুকে ম্যানার'স শিখানোর প্রকিয়াটাতে আপনাকে অনেক বেশী ধৈর্য্যশীল হতে হবে।
আপনি যদি চান যে আপনার সন্তান সুন্দর ম্যানার শিখুক; তাহলে ছোটবেলা থেকেই তাকে সুন্দর আচরণ গুলো শিখোনোর জন্য চেষ্টা করতে হবে।
শিশুকে ম্যানার'স শিখানোর প্রকিয়াটাতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার নিজের আচরনের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন।
আপনি শিশুর সাথে ও পরিবারের অন্যদের সাথে কেমন আচরণ করছেন সেটা দেখে ও সে অনেক কিছু শেখে। আপনি হচ্ছেন তার প্রথম রোল মডেল।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শিশুকে ম্যানার'স শিখানোর চারটি সহজ উপায় শেয়ার করবো।
প্রথমত:
কেউ যখন আপনার শিশুর জন্য কোনো কাজ করে কিংবা তাকে কিছু উপহার হিসেবে দেয়, তখন আপনার শিশুটিকে অন্যদের ধন্যবাদ বা থ্যাংক ইউ বলতে উৎসাহ দিন।
এটা শিশুর আচরনে গ্রাটিচুড বা কৃতজ্ঞতা বোধ আনতে সাহায্য করবে।
দ্বিতীয়ত:
অন্যদের জিনিসপত্র ধরার আগে কিভাবে পারমিশন বা অনুমতি নিতে হয়, সেটা শিখানোর চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে, প্লিজ শব্দটা খুব তাৎপর্যপূর্ণ।
তৃতীয়ত:
বাসায় নতুন কেউ আসলে অথবা কোথাও বেড়াতে গেলে বড়দের সাথে ও ছোটদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হবে, এমন কিছু বাক্য শিশুকে শিখান।
চতুর্থত:
আপনার বাসায় কিছু সহজ ও সুন্দর কমন রুলস সেট করুন, যেটা শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই মেনে চলবে।
সর্বোপরি, সুন্দর ম্যানার শিখানোর পাশাপাশি শিশুকে তার নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে ধারণা দিন। শিশুকে গুড টাচ , ব্যাড টাচ সম্পর্কে ধারণা দিন।
সুন্দর আচরণ বা ম্যানার'স এর শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে শিশু যাতে তার ভবিষ্যৎ জীবনটা সাজিয়ে তুলতে পারে, সেজন্য বাবা-মা হিসেবে তাদেরকে গাইড করুন।
চলুন অল্প অল্প করে পজিটিভ প্যারেন্টিং প্রাকটিস করি।সকল শিশু নিরাপদে থাকুক, ভালো থাকুক।
➡️লেখিকা: জাকিয়া আক্তার রুবি
ক্লিনিক্যাল এন্ড কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্ট (জবি)
ইন্টার্ন সাইকোলজিস্ট এন্ড কন্টেন্ট রাইটার: মনোসেবা অর্গানাইজেশন।
07/02/2023
শিশুদের জীবনের প্রথম তিন বছর অনেক দিক থেকেই বাকি জীবনের চেয়েও অনেক গুরুত্বপূর্ণ
05/02/2023
বাচ্চার দক্ষতার প্রসংসা না করে তার চেষ্টা ও আগ্রহের প্রসংসা করুন ।
সন্তান কে প্রসংসা করতে গিএয়া তার যোগ্যতা ,দক্ষতা বা আরজন কে প্রসংসা করছেন না ত, না এটা করবেন না। বরং তার চেষ্টা কে, তার আগ্রহ কে আই জিনিসগুলক প্রসংসা করুন তাহলে সন্তান প্রতিটা কাজ করার যে চেষ্টা টা সেটা আর ধেরও হবে যে আগ্রহ কাজ করার সেটি বেরে যাবে আতে করে আস্তে আস্তে যে ,দক্ষতা বা আরজন এর প্রসংসা আপনি করে ফেলতেন সেটি আরও ভাল হবে.
02/02/2023
বাচ্চার নানা সমস্যা। সব সময় বোঝাই যায় না কী চাইছে তারা। কেনই বা এমন আচরণ করছে! এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হন সব বাবা মা ই।বাচ্চারা তাদের চাওয়া ,ইচ্ছা ,ইমোশন কে বুঝিয়ে বলতে পারেনা।তাদেরকে সময় দিন।
01/02/2023
আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।