Pi Academy
Discover The Power Of Mathematics
01/06/2026
আমি কি জিজ্ঞেস করতে পারি;
'আপনি কেমন আছেন?
এই ধরুন— রাতে খেয়েছেন কিনা,
বৃষ্টি এলে পায়ে হাঁটা পথে এখনো পানি জমে কিনা'!
আমার কথা বলছেন? ভালো আছি কিনা!
ডাক্তারের ভাষ্যমতে জানি না।
বহুদিন ঐ পথে হাঁটা হয় না,
তবে আমি বলি; ভালো আছি।
কারণ সেবার ফেরার পরপরই
আমি বাক্যটা মুখস্ত করে নিয়েছিলাম।
জেনেছিলাম; 'কেমন আছো' জানতে চাইলে
এর উত্তরে 'ভালো আছি' বলতে হয়।
অথচ দেখুন, ইতোপূর্বে—
আপনার 'কেমন আছো' এর উত্তরে
আমি 'ভালো বাসি' ই বলতাম।
আচ্ছা, আমাদের সম্বোধনটা ঠিক কী ছিল?
'তুই' 'তুমি' নাকি 'আপনি'?
আমি বেমালুম ভুলে গেছি!
মনে আছে—
একদিন খুব করে হেসে বলেছিলেন;
'আমাদের অনেকদিন দেখা না হোক,
আমাদের অনেকদিন কথা না হোক'।
আমি বললাম; কতদিন?
আপনি আকাশে চোখ রেখে
কবিতার মত আওড়ে গিয়ে বললেন;
'যতটা সময় পেরিয়ে গেলে সম্বোধন ভুলে যায় সম্পর্ক'।
বিশ্বাস করুন— আমি সেদিন আকাশের দিকে
আপনার অমন উদাস চাহনির ভাষা বুঝিনি।
বুঝিনি কবিতার মত আওড়ে যাওয়া কথার মানে।
আচ্ছা,
আমাদের সময়ও কি ততটাই পেরিয়ে গেছে?
যতটা পেরিয়ে গেলে সম্বোধন ভুলে যায় সম্পর্ক!
কবিতা : সময়ের ব্যাপ্তিকাল
সালমান হাবীব
ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি জায়গা, যেখানে ঘনত্ব এবং মহাকর্ষীয় বল অসীম হয়ে যায়। অথবা নির্দিষ্ট করে বললে, মহাকর্ষ আসলে কোনো বল নয়, এটি স্পেস টাইমের বক্রতার একটি প্রভাব মাত্র। আর সেই প্রভাব এতটা ঘনীভূত ও অসীম হয়ে যায় যে, এর ভেতরে যদি আলোও প্রবেশ করে, তবে সেটিও আর পালিয়ে যেতে বা বের হতে পারে না। এই কারণে একে ব্ল্যাক হোল বলা হয়।
এখন, ব্ল্যাক হোলের চারপাশে একটি সীমানা থাকে, যাকে আমরা ইভেন্ট হরাইজন বা ঘটনা দিগন্ত বলি।
এক অর্থে এটি যেন আগুনের নদী। কারণ এটি আলোর বেঁকে যাওয়ারই একটি প্রভাব, যার ফলে আলো বেঁকে গিয়ে এর চারপাশে সেভাবেই ঘুরতে থাকে, যেভাবে সূর্যের চারপাশে গ্রহগুলো ঘোরে। এই কারণে ব্ল্যাক হোলের ভেতরে প্রবেশ করা মোটেও সম্ভব নয়, কারণ ব্ল্যাক হোল পর্যন্ত পৌঁছাতে হলে আপনাকে প্রথমে ওই আগুনের নদী পার হতে হবে, আর আপনি তাতেই পুড়ে ছাই হয়ে যাবেন।
এখন প্রশ্ন হলো, এটি তৈরি হয় কীভাবে? একটি ব্ল্যাক হোল তৈরি হয় মূলত একটি নক্ষত্রের মৃত্যুর পর। যখন নক্ষত্রের ভেতরের জ্বালানি শেষ হয়ে যায় এবং নিউক্লিয়ার ফিউশন বন্ধ হয়ে যায়, তখন তার মহাকর্ষীয় বলকে প্রতিহত করার মতো আর কোনো বল বাকি থাকে না। যার ফলে নক্ষত্রটি ক্রমাগত সংকুচিত হতে থাকে এবং একপর্যায়ে একদম ছোট একটি বিন্দুতে পরিণত হয়। এর ঘনত্ব হয়ে যায় চরম, আর সেই বিন্দুটিকে আমরা বলি সিঙ্গুলারিটি
কেন যেন মনে হয়, প্রেম ভালোবাসাও ঠিক এই ব্ল্যাক হোলের মতোই যেখানে আপনি প্রবেশ তো করতে পারেন, কিন্তু আর বের হতে পারেন না।
কবি বলেছে:
ইয়ে ইশক নেহি আসান ব্যস ইতনা হি সামাজ লিজিয়ে,
এক আগ কা দারিয়া হ্যায় অর ডুব কে জানা হ্যায়।
প্রেম এত সহজ নয়, শুধু এতটুকুই বুঝে নিও,
এটি একটি আগুনের নদী এবং ডুবে ডুবেই এটি পার হতে হবে।
ইভেন্ট হরাইজনে যে আলো রয়েছে, সেটিই মূলত সেই আগুনের নদী। আর তা পার করেই আপনি ব্ল্যাক হোলে পৌঁছাতে পারবেন। কিন্তু আগুনের নদী তো পার হওয়া যায় না; আগুনের নদীতে আপনি ছাই হয়ে যাবেন, ব্ল্যাক হোল পর্যন্ত কখনো পৌঁছাতেই পারবেন না।
এই কারণেই প্রেমের শেষ মাকাম বা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পৌঁছাতে মানুষ পাগল হয়ে যায়, নিজের হুঁশ হারিয়ে ফেলে। কবিতো বলেছিলেন,
তু মোহাব্বত কো খেল কেহতে হো,
হামনে বারবাদ আপনি জিন্দেগি কার লি।
তুমি ভালোবাসাকে খেলা বলো? আমরা তো এতে আমাদের জীবনটাই বরবাদ করে দিয়েছি।
যতক্ষণ পর্যন্ত শুধু আকর্ষণ বা মোহ থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভুলে যাওয়া যায়, ছেড়ে দেওয়া যায়, জীবনে এগিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু যখন সত্যিকারের প্রেম হয়ে যায়, তখন আর তা থেকে বের হওয়া যায় না।
আগ থে ইবতেদা-এ-ইশক মে হাম,
আব জো হ্যায় খাক ইন্ত্যহা হ্যায় ইয়ে।
প্রেমের শুরুতে আমরা আগুন ছিলাম, আর এখন শেষে এসে আমরা কেবলই ছাই।
অর্থাৎ, আগুনের নদী পার হয়ে যারা পৌঁছেছে, তারা ছাই হয়ে গেছে। এখন আমাদের আর কোনো অস্তিত্বই বেঁচে নেই, আমরা পুড়ে ছাই হয়ে গেছি।
ব্ল্যাক হোলের আরেকটি বিশেষত্ব হলো ব্ল্যাক হোলের ইভেন্ট হরাইজনে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সময়ের মতো কোনো ধারণাই আর বাকি থাকে না, সময় সেখানে থমকে যায় । সেখানে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সব একসাথেই অবস্থান করে। আর ভালোবাসায় বা প্রেমেও ঠিক এমনই হয়, সময়ের কোনো অনুভূতিই থাকে না। আপনি আজও ঠিক সেখানেই দাঁড়িয়ে আছেন, যেখানে আপনার প্রিয়জন আপনাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল।
কবি বলেছিলেন:-
মিল হি জায়েগা কাভি দিল কো ইয়াকিন রেহতা হ্যায়,
ও ইসি শেহের কি গালিও মে কাহি রেহতা হ্যায়।
রোজ মিলনে পে ভি লাগতা থা কি যুগ বিত গ্যায়ে,
ইশক মে ওয়াক্ত কা এহসাস নেহি রেহতা হ্যায়।
কখনো না কখনো দেখা হবেই মন এই বিশ্বাস ধরে রাখে, সে এই শহরেরই কোনো এক গলিতে কোথাও থাকে। প্রতিদিন দেখা হওয়ার পরও মনে হতো যেন যুগ কেটে গেছে, প্রেমে আসলে সময়ের কোনো অনুভূতিই থাকে না।
তবুও মনে হয়, প্রেম করাটা সার্থক। এই সব জটিলতা, এই আগুনের নদী পার হওয়া সবই সার্থক। কারণ প্রেম এমনই এক জিনিস, যেমনটা বলা হয়েছে,,,,
হোশ ওয়ালো কো খবর ক্যায়া বেখুদি ক্যায়া চিজ হ্যায়,
ইশক কিজিয়ে অর সামঝিয়ে জিন্দেগি ক্যায়া চিজ হ্যায়।
অর্থ্যাৎ যারা সজ্ঞানে আছে তারা কী বুঝবে এই আত্মহারা হওয়ার অনুভূতি কী! প্রেম করে দেখুন, তবেই বুঝবেন জীবন আসলে কী জিনিস।
মনে হয় বিজ্ঞানের সব নিয়ম, পদার্থবিদ্যা সবকিছু যেমন ব্ল্যাক হোলে গিয়ে শেষ হয়ে যায়, সেখানে আর কিছুর অস্তিত্ব থাকে না। প্রেমের ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই ঘটে।
E = mc^2 ভুল। আসল সূত্র হওয়া উচিত: E এর পর F তার পর G । মানে E=FG^2 সিরিয়াললি যাওয়া মাস্ট!!!😁😁😁
আমি জানি তুমি এক মিথ্যা দুনিয়া...
তুমি সেই দুনিয়া যে অলি-আউলিয়াদেরও বিদায় দিয়েছ।
চিরন্তন সত্যকে মনে করিয়ে দেওয়া এক অদ্ভুত সুন্দর সৃষ্টি। ভাগ্যের চাকা ঘুরছে নিরন্তর, আর আমরা মেতে আছি এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীর মোহে।
#ইতিহাসেরঅলিগলি #অনুবাদ #জীবনদর্শন #ফেসবুকপোস্ট
সত্যিকারের বীর কেবল শত্রুকে জয় করে না, বরং নিজের আমিত্বকে বিসর্জন দিয়ে অন্যের হৃদয়ে স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
"" The Order of the Universe and Love""
You might think that this universe is random, chaotic and functions without any specific rules.
But mathematics says otherwise. Math suggests that even if the universe appears disorganized to us, there is a special pattern or law behind how it functions and how things exist within it.
To understand this special pattern, we must look at Benford's Law. This law suggests that the universe is somewhat biased when it comes to numbers. In any given set of data, the universe favors smaller or older leading digits.
For instance, whether it is your college fees, electricity bills, population statistics, the length of rivers or state borders, if you examine the data the probability of a number starting with 1 is about 30%, while the probability of it starting with 2 is 17%.
Essentially, the older or smaller the number, the more the universe prefers it. The universe consistently gives more importance to the primary or original elements.
This same rule applies to love. The laws of love were also crafted by this very universe. Here, too that which is old or first carries much higher priority and significance.
This is why you can never truly forget your first love.
This is why you cannot forget the first betrayal or heartbreak of your life.
The psychology behind this is simple. you experienced your life's most foundational emotions with that specific person. That first spark of excitement, the first pang of insecurity, the first bite of jealousy, or the first flare of anger everything was for the first time. Because you navigated these emotions for the first time with them, forgetting them becomes impossible.
The relationship the universe has with numbers is perhaps identical to the relationship you have with your first love. Just as the universe prioritizes older numbers, it prioritizes your first emotions.
The Poet’s Perspective as the poet said,
Every page of memory holds a unique kind of joy. First love is always singular and distinct. It is only when that person is no longer with you that you realize the true value of a memory.
In short, the first love is always the first. And the betrayal born from that love is also a first, because it was something you never expected. Therefore, no matter how many times you fall in love afterward, that specific intensity or depth never truly returns.
It isn't that you don't want to love again, rather the universe itself does not want you to forget that first memory.
To quote the poet again :- I am a very forgetful person, yet I remember you over and over. Oh God, why do those old echoes of love keep returning?
You might not think of them for months, but when the memory strikes it lingers. You cannot forget even if you want to, because the universe simply won't let you.
কখনো কখনো জীবন আর ভালোবাসা ঠিক গণিতের অমীমাংসিত সমীকরণের মতো মনে হয়।
যেখানে আমরা এমন কারো কাছে বিশ্বস্ততার আশা করি, যে কি না বিশ্বস্ততার সংজ্ঞাই জানে না!
মির্জা গালিবের সেই বিখ্যাত শায়েরি,,,,,,
হামকো উনসে ওয়াফা কি উম্মিদ হ্যায়,
জো নেহি জানতা কে ওয়াফা কেয়া হ্যায়।
(আমার তাঁর প্রতি বিশ্বস্ততার আশা রয়েছে, যে জানেই না বিশ্বস্ততা কী।)
গণিত যেমন অসীম, তেমনি কিছু আবেগের গভীরতাও সীমাহীন।
পৃথিবীর এই ব্যস্ত ভিড়ে দিনশেষে সবাই একা, সময়ের প্রয়োজনে সবাই পাশে থাকলেও স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে কেউ কারো আপন থাকে না। মায়ার এই চাদর সরিয়ে দেখলে বোঝা যায়, নিজের ছায়ার মতো নিজেকেই নিজের আগলে রাখতে হয়।
#জীবন #বাস্তবতা #একাকীত্ব #মানুষ #আবেগ
সব লড়বড় করে,,🙅♂️🙅♂️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1230