We Made a Blue Takis Chicken Sandwich
BCS Written Preparation
বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি সহায়ক তথ্য, নো?
Who Can Make The Best Beef Wellington? (ft. Nick DiGiovanni)
Gabriel Iglesias Eats His Last Meal
Gordon Ramsay Eats His Last Meal
Would You Try Apocalypse Cheese?
Bring Back the OG Chili's Chicken Crispers!!
Double Blind Date Cooking Challenge
বাংলা শুদ্ধবানানের এ নোট থেকে
বিসিএস,ব্যাংক ও অন্যান্য সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন আসবেই।প্রশ্নকর্তারা এ নোটের বাইরে নজর এড়িয়ে যেতে পারেন না।
©Ekaras
সিনিয়র অফিসার
রূপালী ব্যাংক লি.
মনোমোহন, পিপীলিকা, বিদ্বান
বুদ্ধিজীবী,কৃষিজীবী,সমীচীন,মনীষী, গড্ডলিকা,প্রতীচী,লজ্জাকর,
সখ্য,অনাথা,ধরণি,শারীরিক,অকর্মণ্য,
লুণ্ঠন কণ্টক, অভ্যুত্থান,অলক্ষুনে,অলঙ্ঘনীয়,
অশ্বত্থ,আকণ্ঠ,আজানুলম্বিত,আত্তীকরণ,আদ্যন্ত
চক্ষুষ্মান, অপরাহ্ণ,মুমূর্ষু,সুকেশা,
অহোরাত্র, মহত্ত্ব, সত্তা,মৌন,আদ্যোপান্ত,আপৎকালীন,আপস,
আয়ত্ত,ঈশান,উচ্ছ্বাস,উত্তুঙ্গ,উত্ত্যক্ত,উদীয়মান,
উল্লম্ফন,ঊর্ণনাভ,ঋষি,ঐকতান,ঐকমত্য,
ঐকাগ্র্য,ঐহিক,ঔৎসুক্য,ওচিত্য,কর্ণ,
কাঙাল,কাঞ্চনজঙ্ঘা, কিরীট,কুম্ভীরাশ্রু,কুহেলি,
কূপমণ্ডূক, ক্ষত্রিয়, ক্ষিপ্র,ক্ষুৎপিপাসা,গত্যন্তর
পুরোহিত, ইতোমধ্যে,মরীচিকা,
অধ্যবসায়,পুঙ্খানুপুঙ্খ, পাণিনি
শিরশ্ছেদ,ত্র্যহস্পর্শ,বিদ্রূপ, বৃশ্চিক,প্রাঙ্গণ, দৈন্য,উচ্ছ্বাস,পুরস্কার,মাহাত্ম্য,গরীয়সী,
গলাধঃকরণ,গুরুচাণ্ডালী, গৃহায়ণ,ঘরনি,
চত্বর,চীবর,চিত্রাঙ্কন, চূড়া, চূষ্য,চৈতালি,
জঘন্য,জন্মাষ্টমী, জাজ্বল্যমান, জাত্যভিমান
টর্নেডো,তিরিক্ষি, তেজস্বী, ত্বরণ,ত্রিবেণি,ত্রিশূল,
দক্ষিণায়ন,দিগদিগন্ত, দিশারি,দীর্ঘসূত্রতা,
দুরূহ, দূর্বা,দৌরাত্ম্য, ধস,
কার্পণ্য/কৃপনতা,উজ্জ্বল,সূচি
প্রাতরাশ,স্নেহাশিস,আশিস
দেবাশিস,শ্রদ্ধাঞ্জলি,সখ্য
ক্ষীণজীবী,সান্ত্বনা,ঐকতান,
কৃচ্ছ্র, দৌরাত্ম্য, নিরিখ,ঔদাসীন্য,ভৌগোলিক,পৌরোহিত্য
শুশ্রূষা, শরীরী,হীনম্মন্যতা,শ্বশুর
আপস,ইতঃপূর্বে, বঁধু, বধূ, প্রজ্বলন, প্রোজ্জ্বল, কৌতুক,কৌতূহল, বিভীষণ, বিভীষিকা
উপরিউক্ত,উপর্যুক্ত,উল্লিখিত,মুহুর্মুহু, পূর্বাহ্ণ,মধ্যাহ্ন, অপরাহ্ণ,সায়াহ্ন, দুরবস্থা
আনুষঙ্গিক,মুখস্থ,উৎকর্ষ
নীরোগ,শিরঃপীড়া,শিরোনাম,
মনঃকষ্ট,মনোযোগ,যশঃপ্রভা
যশোলাভ, সমীচীন, উদীচী
মোহ্যমান, ভুতুড়ে,অদ্ভুত
জ্যোৎস্না, স্বায়ত্তশাসন, পরিষেবা,
শূর্পণখা, মনশ্চোর
আকাঙ্ক্ষা,সরস্বতী, নিরীক্ষণ
উন্মীলিত,নীহারিকা, ঔজ্জ্বল্য
ষাণ্মাসিক, মুহূর্ত, শরীরী,ম্রিয়মাণ, জ্যৈষ্ঠ, ঔদাসীন্য,
অর্ধাঙ্গী,নিরিখ,দ্বর্থ্য,গন্ডূষ
নিশীথ,যক্ষ্মা, জ্যেষ্ঠ,
বাল্মীকি, অগ্ন্যাশয়,গার্হস্থ্য
উচ্চৈঃস্বর,বিভূতিভূষণ, অগ্নুৎপাত জলোচ্ছ্বাস, বৈদগ্ধ্য, উজ্জ্বল,
অধ্যাত্ম,উত্ত্যক্ত,জাজ্বল্যমান, ব্যত্যয়, ব্যপদেশ, অনিন্দ্য,
অনূর্ধ্ব,এতদ্ব্যতীত,অন্তঃসত্ত্বা
ঔজ্জ্বল্য,অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, অমর্ত্য,অলঙ্ঘ্য,ক্ষুন্নিবৃত্তি
বিদ্বজ্জন, স্বায়ত্তশাসন, স্বাতন্ত্র্য, বর্ত্ম,স্বাচ্ছন্দ্য
স্বতঃস্ফূর্ত বক্ষ্যমাণ, সাত্ত্বিক
প্রাতঃকৃত্য,প্রত্যুষ, পরিস্রাবণ,
শ্লেষ্মা,পঙক্তি,শ্যেন
ন্যূন,শ্রীমতি,ন্যুজ্ব,শ্মশ্রু
নৈর্ঋত, শ্মশান,নীরব,শ্বাপদ
নির্দ্বিধা, শ্বশ্রু,নির্দ্বন্দ্ব
শাশ্বত, ধ্বন্যাত্মক, ধ্বজা
দ্যূতক্রীড়া, লক্ষ্মী,দ্বর্থ্য,লক্ষ্মণ
দ্বৈত,দ্বেষ,যশস্বী,
দুর্নিরীক্ষা,দুরাকাঙ্ক্ষা, দয়ার্দ্র
মন্বন্তর,ত্বরিত,মনস্তত্ত্ব
ত্বরাণিত,মধুসূদন, ত্বরণ
তূষ্ণীম্ভাব,তীক্ষ্ণ, তদ্ব্যতীত,ব্যূহ
ব্যুৎপত্তি,জ্যোতিষ্ক,ঘূর্ণায়মান, নভোচারী,
নূপুর,
অনসূয়া,অধ্যাত্ম, অন্বেষণ,অভ্যন্তরীণ, অকালপক্ব, আদ্যক্ষর
আনুষঙ্গিক,এতদ্ব্যতীত
ওতপ্রোতভাবে,ক্বচিৎ,গৃহিণী,
টীকা টিপ্পনী, ঘ্রাণেন্দ্রিয়, তিতিক্ষা,দধীচি,দুর্দশাগ্রস্ত, ন্যূনাধিক, প্রসারিণী, মরূদ্যান
রৌদ্যকরোজ্জ্বল,আয়ত্ত,ঊর্মি
কনিষ্ঠ,ক্রূর,কনীনিকা,গীতাঞ্জলি
গভর্নর,দ্বন্দ্ব,ন্যূনতম,প্রতীতি
পাষাণ,ভদ্রোচিত, রূপায়ণ,
শকট,সমভিব্যাহারে,সূদন,সংকীর্ণমনা,
অদ্যাপি, দূষণীয়
দুর্গ,চন্ডীদাস,দেবিদাস,ব্যাধি,
অত্যধিক,ভবিষ্যদ্বাণী, শশিভূষণ, শুচিস্মিতা
অসূর্যস্পশ্যা, সরীসৃপ,প্রাণিবিদ্যা
পিশাচ,হরিত,কৃত্তিবাস,বয়ঃসন্ধি
স্বত্বাধিকার,অনুশাসন,অন্তস্তল, আনুষঙ্গিক,
আকাঙ্ক্ষা,অহোরাত্র, অন্বেষণ,
পাষাণ,রুগ্ণ, দ্বন্দ্ব,নির্নিমেষ,নিষুতি,নিশীথিনী,
শুশ্রূষা,মুহুর্মুহু, সত্তা,আষাঢ়,লক্ষণীয়,সান্ত্বনা,
ন্যূনতম,মুহূর্ত, মন্ত্রিপরিষদ,সুকেশিনী,মরূদ্যান,
মরীচিকা,অনূর্ধ্ব,আশিস,ইদানীং,কুসংস্কার, মূর্ধন্য,গণনা,গণিকা,শোণিত,প্রতিযোগিতা।
অন্তঃপুর,ক্বচিৎ,
দুর্বিষহ, অভ্যন্তরীণ, দুষ্কৃতকারী, শিহরন, অতিথি,নিরীক্ষণ, বিপৎসংকুল, অনুর্বর,পরাভূত,উদ্ভূত,অদ্ভুত, যূপকাষ্ট,অন্তর্ভুক্ত
প্রাণিবিদ্যা, প্রজ্বলিত, শূন্য,উন্মীলন,একান্নবর্তী,
তেজস্ক্রিয়তা, প্রণয়িনী,সংকীর্ণমনা, দূষণ,গৃহিণী,
অত্যধিক,জ্বালাময়ী, উদগিরণ,স্বত্ব, নিশীথিনী,
অত্যধিক,সমীচীন,শ্মশান গোধূলি, সুষম,দারিদ্র্য
নির্নিমেষ,প্রণয়ন,আপাদমস্তক,আকৃষ্ট,
অনুশাসন,ধৈর্যচ্যুতি, ধ্বজা,নিক্বণ,নিষ্ক্রিয়,
ন্যুব্জ,পটীয়সী, পর্ণ(গাছের পাতা), পশ্চাদপসরণ, পাপীয়সী, পার্বণ,পুষ্পাঞ্জলি,পূজা
পূজারি, পোশাক,পৌনঃপুনিক প্রণিধানযোগ্য
প্রতিসরণ,
গুণগ্রাহী,অগ্রহায়ণ,অধোগতি, অধ্যয়ন, ব্যাকুল,গৃহস্থ,রোগাগ্রস্ত,সুধীগণ,সংশপ্তক, সরীসৃপ, ফটোস্ট্যাট, শাশ্বত, শ্বশুর,ত্রিনয়ন,
জিগীষা, নীরস,ভদ্রোচিত, জাগরূক,শশিভূষণ,
জ্ঞানভূষিত,নিপীড়িত, ন্যূনাধিক, অদ্যাপি,ব্রিটেন,অন্তঃকরণ,দ্বৈপায়ন,
অংশীদারত্ব,অগুনতি,অগ্রসরমান,অঘ্রান,
অচিন্তনীয়,অজীর্ণ,অধঃপতন,অধস্তন,অনাহূত,
সদ্যােজাত,সূদন,ক্ষুৎপীড়িত,দুর্দশাগ্রস্ত, গভর্নর,কর্নেল,কর্নার,স্টেশন,সর্বাঙ্গীণ,
ঊর্মি,ইন্দ্রিয়,স্বতঃস্ফূর্ত,রুগ্ণ,বৈয়াকরণ,শকট,
গণনা,স্বায়ত্ত,কনীনিকা, নিশীথ, ভাগীরথী, মনোহারিণী, অনসূয়া, মধুসূদন,শ্রাবণ,আবির্ভাব,ভীতু,দূষণ,তিতিক্ষা, দুরবস্থা, দধীচি,অগ্নিবীণা, পাষাণ,মৃত্যুত্তীর্ণ,অনিন্দ্য,অনুস্বর, অন্তঃসত্ত্বা,
অন্তরিক্ষ,অন্তর্মুখী, অন্তর্ভূত, অন্ত্যেষ্টি, অপক্ব,
অপস্রিয়মাণ, অপেক্ষামাণ,অভীপ্সা,
সরস্বতী, কৌতূহল, শিরশ্ছেদ,কিণাঙ্ক, গীতাঞ্জলি,কিঞ্চিৎ,মনঃক্ষুণ্ন,ব্যতীত,চক্ষুষ্মান।
পল্লব,পল্বল,পসারিণী,বীণাপাণি!!
পৌষালি, প্রত্যুৎপন্নমতি,প্রসূতি, প্রস্রবণ, প্রাতঃকাল,প্রাতরাশ, প্লীহা, ফণীমনসা,বয়ঃক্রম,
বয়োবৃদ্ধ, বশীভূত,বাগযন্ত্র,বার্ষিকী, বিপত্নীক
বিভুঁই,বিমূর্ত,বীপ্সা,বৈচিত্র্য,বৈদগ্ধ্য, ব্যগ্র,ব্যত্যয়,
বৈশিষ্ট্য ব্যাঘ্র,ব্যুৎপত্তি,ভক্ষণ,ভর্ৎসনা,ভস্মীভূত,
মীমাংসা, মন্ত্রিত্ব,মন্বন্তর,ময়ূর,মহিরুহ,মহীয়সী,
মাধ্যাকর্ষণ, মাহেন্দ্রক্ষণ, মুহ্যমান,মূক,মূঢ়,যক্ষ্মা,
যশস্বী যূথী,ম্রিয়মাণ, লঘূকরণ, লন্ঠন,শরীরী
শিরঃপীড়া,শিরস্ত্রাণ, শ্বশ্রূ( শাশুড়ি) শ্মশ্রু(দাড়ি)
ষণ্ড, ষন্ডা,সংস্কৃতিমান,সঞ্জীবনী,সতীত্ব,সত্বর
।
সত্ত্ব( অস্তিত্ব) সদ্যঃপ্রসূত,সপ্তর্ষি,সমৃদ্ধিশালী,
সাক্ষর( অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন) সামর্থ্য,সূচিমুখ,
সূতিকাগার,সৌহার্দ্য,স্ত্রৈণ,স্বতঃসিদ্ধ,
স্বত্ব(মালিকানা), স্বাচ্ছন্দ্য,স্রোতস্বিনী, স্রোতোবহা/ধারা,হরীতকী,হর্ন,হিতৈষী,হৃৎপিণ্ড,
হৃদযন্ত্র,হৃদরোগ,স্বাধিকার,স্বার্থান্বেষী।
৪১তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
নাম : মুনিম রায়হান।
বোর্ড : উত্তম কুমার সাহা স্যার।
সিরিয়াল : ১৫ জনের মধ্যে ৬ষ্ঠ।
সাবজেক্ট : ওয়েট প্রসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং, বুটেক্স।
চয়েজ : ফরেন, প্রশাসন, পুলিশ
সময় : ২০-২১মিনিট।
তারিখ : ২৬.০১.২০২৩।
৪ নম্বরে বুটেক্সের সিনিয়র এক ভাই ছিল। ভাই বের হয়ে মুখ কালো করে বললেন, ‘আমাকে ফেইল করায় দিবে’। কিছুক্ষণ পর ডাক আসল,আল্লাহর নাম নিয়ে ঢুকলাম।
আমি: May I come in sir?
চেয়ারম্যান স্যার: আসো বাবা! এরপর মাস্ক খুলে বসতে বললেন।
চেয়ারম্যান স্যার: বাসা কোথায়?
আমি: খুলনা।
চেয়ারম্যান স্যার: হ্যাঁ খুলনা সদরে।
চেয়ারম্যান স্যার: চাকরি করো কোথাও?
আমি: জ্বী স্যার, সহঃ ব্যবস্থাপক হিসেবে তিতাস গ্যাস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোং এ কর্মরত আছি, এর আগে আমি বাংলাদেশ ইলেকট্রিফিকেশন বোর্ড এ Assistant Enforcement -Co-Ordinator হিসেবে কর্মরত ছিলাম।
চেয়ারম্যান স্যার : তিতাসে কবে জয়েন করেছ?
আমি: তিতাস ও পল্লী বিদ্যুৎ এ জয়েনের ডেট বললাম।
চেয়ারম্যান স্যার: তোমার ফার্স্ট চয়েজ ফরেন, প্রশাসন, পুলিশ, আন্সার ৭ নাম্বার। আচ্ছা আনসারের পদক্রম বলোতো?
আমি: সরি স্যার, আমার জানা উচিত ছিল, কিন্তু জানা নেই
চেয়ারম্যান স্যার: তোমাকে আনসারে দিলে করবা?
আমি: জ্বী স্যার, অবশ্যই।
চেয়ারম্যান স্যার: আচ্ছা তুমি চাকরি করতে যাচ্ছ, বাট কিছু জানো না এ বিষয়ে,ব্যাপারটা কেমন হল?
আমি: স্যার এটা আমার প্রথম, সত্য কথা বলতে সব কিছু আসলে ক্লিয়ারলি জানা হয়নি ।
চেয়ারম্যান স্যার: তুমি তো ডিপ্লোম্যাট হতে চাও, এটা হতে হলে দেশ নিয়ে ১০০% জানতে হয়,তুমি কি জানো?
আমি: স্যার ১০০% জানি বললে ভুল হবে, ৯৫% জানি।
চেয়ারম্যান স্যার : Okay, discuss the diversity of Bangladesh?
আমি: Bangladesh is blessed with geographical diversification.
চেয়ারম্যান স্যার: Wait, what is geography and what is Demography?
আমি: Sir geography is related to land and Demography is related to population.
চেয়ারম্যান স্যার: okay continue.
আমি: BD is blessed with geographical diversity, as we have land, marine land, hilly land and BD itself is a Delta-island. Many comparatively big country like Afghanistan doesn’t have this luxury. Although most of the people speak in Bengali, Chakma, Marma, Hajong all of them have their own language and our government are continuously trying to protect those languages. Text books in 5 different languages are being provided, even a movie in their language is yet to come. We also have diversity in our occupation, skin colour and ethnicity as many races have got mixed here name the A***n, Turkish, Mongols. We also have different dialects in Khulna, Chittagong, Rajshahi. Many people from Sylhet live outside, adding a different sense of diversity.
চেয়ারম্যান স্যার: স্যার এবার থামিয়ে বললেন, তুমি কখনো সাওতালদের পান্তা খেয়েছ?
আমি: জ্বী স্যার, আমার একজন সাওতাল বন্ধু, ও খাইয়েছিল।
চেয়ারম্যান স্যার: চা বাগানের কুলিরা পেছনে যে ঝুড়ি নেয় এটা দেখেছ?
চেয়ারম্যান স্যার: জ্বী স্যার, আমি রাজবাড়িতে পোস্টিং থাকতে দেখেছি। এবার স্যার এক্সটার্নাল স্যারকে প্রশ্ন করতে বললেন।
এক্সটার্নাল-০১: What's the difference between Ambassador and high Commissioner?
আমি: Answered. এটার উত্তর আমরা সবাই জানি।
এক্সটার্নাল-০১: What is consulate?
আমি: A consulate is the office of a consul. It is usually subordinate to the state's main representation in the capital of a foreign country.
এক্সটার্নাল-০১: Why we have consulate in some countries and not other.
আমি : Sir it depends on the importance and interaction of a foreign country. For example, interaction between KSA and Lithuania with BD is not the same. That's why we have multiple consulates in KSA not in Lithuania.
এক্সটার্নাল-০১: Nowadays, we see many consultants interfere in our country, do u support it?
আমি : Absolutely not. I believe as a member of UN, every member countries are obliged to follow the basic etiquette of UN and that is not to interfere about internal sovereignty and national stability. Of course, we Don't expect them to understand our culture fully but we expect that they'll respect it. A well-constructive criticism is always welcome but a limit must be drawn.
এক্সটার্নাল-০১ : Suppose u r 1st consulate, what will your concern to represent your country?
আমি : Sir I’ll definitely try to represent my country in a way that the flow of FDI may increase.
এক্সটার্নাল-০১ : থামিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, why is it on the top?
আমি : Our prime minister, back in 2018, wanted to emphasize on economic diplomacy. In 2023 she reiterate the notion. As our prime minister intends to transform our country into developed country into 2041, a more comprehensive, sustainable and secure FDI is quite needed.
এক্সটার্নাল-০১ : Ok, what's the other?
আমি : I will represent that BD is respectful to international law and human rights and I’ll invite them to visit BD as that they can observe the harmony, tolerance and diversity among us.
এক্সটার্নাল-০২ : Okay, What is negotiations?
আমি : It refers to discussion among two or more parties where both party may make some compromise so that they can reach an conclusive decision.
এক্সটার্নাল-০১ : Okay, you answered in a broader aspect. ধরো আমার বাড়ির তরকারি ও পাশের বাসার তরকারি নিয়ে আমি আমার প্রতিবেশির সাথে কেন negotiation করব না?
আমি : কারণ স্যার আপনাদের কমন ইনটারেস্ট নেই।
এক্সটার্নাল-০১ : Good! What's the aftermath when u make negotiation while buying a car and negotiating about climate change.
আমি : In first case, once the deal is done, we Don't need to extend our relation but in the latter case, we must continue our relation.
এক্সটার্নাল-০১ : Good.
এর পর চেয়ারম্যান স্যার কে কিছু ধরতে বললেন। স্যার বললেন, না আর কিছু আস্ক করার নেই। তুমি যেতে পারো। আমি সালাম দিয়ে বের হলাম। কিছুলোককে দেখলেই মন থেকে শ্রদ্ধা আসে স্যার এমনই একজন।
৪৪তম বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি
মায়ানমার কর্তৃক সীমান্তে চোরাগুপ্তা হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা হিসেবে একটি নীতিপত্র লিখুন।
নীতিপত্র : ............
ভূমিকা
সাম্প্রতিককালে মায়ানমারের সীমান্ত লঙ্ঘন ও সীমান্তে চোরাগুপ্তা হামলা বাংলাদেশের জন্য সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত। এটি দেশের জনগণের জন্য গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, একই সাথে বিশ্বে বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তাই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মায়ানমারের সীমান্ত লঙ্ঘনের ইতিহাস
২০১৭ সালের রোহিঙ্গা সংকটের পর থেকে কয়েকবার বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে মিয়ানমার। এবারের ঘটনার আগে ২০১৮ সালে বান্দরবান জেলার আলীকদম সীমান্তে মিয়ানমারের একটি হেলিকপ্টার বাংলাদেশের অন্তত ২ কিলোমিটার অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করেছিল। তারও আগে ২০১৭ সালে বান্দরবানের থানচি ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে দু'বার মিয়ানমারের হেলিকপ্টার বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছিল। অবশ্য প্রতিবারই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। আমরা জানি, সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে সেনাবাহিনীর যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এছাড়াও জাতিসংঘ সনদ ও Pact of Paris এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এসব চোরাগুপ্তা হামলার উদ্দেশ্য
মিয়ানমার সম্প্রতি বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সীমান্তে মর্টার শেল নিক্ষেপ করেছে। সাম্প্রতিককালে মায়ানমারের এসব provocative চোরাগুপ্তা হামলার উদ্দেশ্য,
(১) বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে তারা আমাদের উস্কানি দিতে চায়, যাতে আমরাও সামরিক দিক থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করি। বাংলাদেশ যদি মিয়ানমারের সঙ্গে সামরিক যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তাতে মিয়ানমারেরই লাভ। তারা এ ইস্যুটি ব্যবহার করে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ আটকে দিতে চায়।
(২) মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী আগামী বছর একটি বৈধতার নির্বাচনের ছক কষছে। ওই নির্বাচনে রাখাইন রাজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েই বস্তুত আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে মিয়ানমার সামরিক জান্তা।
(৩) এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে ম্যাসেজ দিতে চায় বাংলাদেশ যেন আরাকান আর্মিকে সাহায্য না করে।
(৪) গোলোযোগ বাঁধিয়ে পুনরায় রোহিঙ্গা পুশইন করার পাঁয়তারা করা।
সুপারিশ (RECOMMENDATIONS)
(০) বর্ডারে রেড অ্যালার্ট জারি করা ও নতুন করে যেন রোহিঙ্গা পুশইন করতে না পারে সেজন্য বর্ডার বন্ধ করে দেয়া। এবং ১৯৯১ সালের মতো সীমান্তে সেনা উপস্থিতি বৃদ্ধি করা যেতে পারে যেন তারা পিছু হটে।
(১) কূটনৈতিক চ্যালেনে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে হবে।
(২) এজন্য প্রাথমিক ভাবে ঢাকায় অবস্থিত মায়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের ব্যাখ্যা চাইতে হবে।
(৩) একই সাথে মায়ানমারকে এটা পুনরায় নিশ্চিত করতে হবে, বাংলাদেশ অতীতেও এদেশের মাটি কোনো বিচ্ছিন্নবাদীদের ব্যবহার করতে দেয়নি ভবিষ্যতেও দিবে না।
(৪) ভবিষ্যতে সীমান্তে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ও হামলার জন্য তৎক্ষণাৎ জবাব দেওয়ার কঠোর বার্তা দিতে হবে।
(৫) ভবিষ্যৎ আবার এমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য তাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা যেতে পারে কঠোর বার্তার অংশ হিসেবে।
(৬) ভবিষ্যতে আবারও এমন অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য Rome Statute অনুযায়ী, Territorial Integrity লঙ্ঘনের জন্য ICC তে মায়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা যেতে পারে।
(৭) তবে, কোন ভাবেই মায়ানমারের ফাঁদে পা দিয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না। তাহলে রোহিঙ্গা সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়বে।
উপসংহার
নীতিপত্রটি তৈরি করার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালা পর্যালোচনা করে দেখা হয়েছে। এই নীতিপত্রে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে তা বিবেচনা করে দেখা যেতে পারে।
সংযুক্তি
(১) Rome Statute
(২) জাতিসংঘ সনদ
(৩) Pact of Paris
✍️✍️
অরিন্দম
বাংলা গ্রন্থ সমালোচনাঃ সারেং বৌ
রচয়িতা : শহীদুল্লা কায়সার (১৯২৭-১৯৭১)
কালজয়ী ঔপন্যাসিক শহীদুল্লা কায়সারের প্রথম উপন্যাস সারেং বৌ'। সারেং জীবনের নানা টানাপােড়েন, গ্রামীণ জীবনের নানা রূপ, সমুদ্রতীরবর্তী জনপদের জীবনযাপন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে উপন্যাসটিতে।
সারেং বৌ' (১৯৬২) উপন্যাসে বাংলাদেশের সমুদ্র-উপকূলবর্তী জনপদের বিশ্বস্ত চিত্র রয়েছে। কদম সারেং সৎ বলে সহকর্মীদের মতাে বাড়ি ও দালান করতে পারেনি। স্ত্রী নবিতুনকে নিয়ে আর্থিক কষ্টের মধ্যেও সুখে থাকে সে। প্রকৃতির বিরুদ্ধতায় সারেং যখন দীর্ঘদিন নিখোঁজ, যখন নবিতুন মেয়ে আক্কিকে নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ে সেই সময় যুবতী নবিতুনের উপর দারিদ্র ও লােলুপ সমাজপতিদের লােলুপতা নেমে আসে। দাম্পত্য আদর্শনিষ্ঠ বলে নবিতুন সবকিছু পরাজিত করতে পারে। তার উদাহরণ সারেং কদম যখন ফিরে আসে তখন সাগরের বুকে সে চরম মাত্রায় পিপাসিত। এ অবস্থায় ধর্মীয় বিধি লঙ্ঘন করে নবিতুন নিজের স্তন্যদুগ্ধ পান করিয়ে স্বামীকে বাঁচাতে সাহায্য করে।
এই উপন্যাসে সব সংস্কার তুচ্ছ করে মানুষকে জয়ী দেখানাে হয়েছে। সমাজে নবিতুনের মতাে অভাবী মানুষ রয়েছে। অস্তিত্ব রক্ষায় গুজাবুড়িকে লুন্দর শেখের লালসা পূরণের মাধ্যম হতে হয়।
এ উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের বাস্তব চিত্র এবং মানুষের পঙ্কিলতার রূপটি উঠে এসছে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠেছে নবিতুন। নবিতুনের ভূমিভিত্তিক শান্তিময় সংসারের স্বপ্ন চিরন্তন নারীর আকাঙ্ক্ষা রূপায়িত হয়েছে। সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত এ উপন্যাসে ভূমি ও মানুষের আন্তঃসম্পর্কের যােগাযােগ রয়েছে।
❝ আগামীর ভাবনা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ ❞
২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ গঠনের পর এই টাস্কফোর্সের একটি নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়েছে। যারা, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ প্রতিষ্ঠার জন্য নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সুপারিশ দেবে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে এই কমিটি। এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে আগামী নির্বাচনে তাদের স্লোগান হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সম্মেলনে এই কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এই নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ প্রতিষ্ঠার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সুপারিশ দেবে এই কমিটি। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বলতে স্মার্ট নাগরিক, সমাজ, অর্থনীতি ও স্মার্ট সরকার গড়ে তোলা হবে। শিক্ষা, স্বাস্ব্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তর হবে। এজন্য সরকারি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং এর উন্নয়নে একটি দক্ষ ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাইজেশন করা হবে।
টাস্কফোর্সের নির্বাহী কমিটির কর্মপরিধিতে আরো বলা হয়, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া, আইন ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো সৃষ্টি এবং সব পর্যায়ে তা বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ ও দিকনির্দেশনা দেবে এই কমিটি। এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রমকে স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তরের সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন, স্মার্ট ও সর্বত্র বিরাজমান সরকার গড়ে তোলার লক্ষ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক, বাণিজ্যিক এবং বৈজ্ঞানিক পরিমণ্ডলে তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিধিমালা প্রণয়ন, রপ্তানির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ নীতি প্রণয়ন ও সময়াবদ্ধ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে ব্যবস্থা, আর্থিক খাতের ডিজিটাইজেশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এই কমিটি।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’-এর গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোও বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়াও হবে এই কমিটির কাজ। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন বাণিজ্যসচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্ছশিক্ষা বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এটুআই প্রকল্পের পরিচালক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের সভাপতি, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব (সদস্যসচিব)। অবশ্য কমিটি প্রয়োজনে আরো সদস্য নিতে পারবে (কো-অপ্ট)। কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।
বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্য দিয়ে গেলেও দেশের অর্থনীতি এখনো যথেষ্ট গতিশীল ও নিরাপদ রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দেশ আজকের পর্যায়ে পৌঁছেছে। একসময় দারিদ্র্যপীড়িত, খরা-মঙ্গা-বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত, বিপর্যস্ত জনপদের দেশ হিসেবে দুনিয়াজুড়ে পরিচিতি ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু গত কয়েক দশকের পথপরিক্রমায় এ দেশের মানুষ অনেক অসাধ্য সাধন করেছে। এখন বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত বিশ্বে। গত একদশকেরও বেশি সময়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। জীবনযাপন, ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং, আর্থিক লেনদেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, কৃষি, শিল্প, যোগাযোগ, বিনোদন, গবেষণা প্রভৃতি ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সবকিছুকেই সহজ, সাবলীল করে তুলেছে।
স্মার্ট বাংলাদেশ ধারণার বাস্তবায়ন দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে সন্দেহ নেই। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই নানা প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমাদের অনেক আশবাদী করে তুলেছে সরকারের বিভিন্নমুখী তৎপরতা। তবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এর অনুষঙ্গ হিসেবে অনেক কিছুই প্রয়োজন, যা এখনো শতভাগ নিশ্চিত করা যায়নি। এজন্য সবার আগে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার নিশ্চিতকরণ, দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদের আহরণ এবং তার উপযুক্ত ব্যবহার ঘটানো।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হচ্ছে আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলমান উৎপাদন ও শিল্পব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয় সমসাময়িক সংস্করণ। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী আলোচিত নানা বিষয়ের মধ্যে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বিষয়টি একটি অন্যতম অনুষজ্ঞ। এ বিপ্লব রোবোটিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানো টেকনোলজি, কোয়ান্টাম, কম্পিউটিং, ব্যায়োটেকনোলজি, ইন্টারনেট অব থিংস, থ্রিডি প্রিন্টিং, সম্পূর্ণ স্বচালিত যানবাহন ও উদীয়মান প্রযুক্তির যুগান্তকারী যুগ হিসেবে চিহ্নিত। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব এখন বিশ্বের দ্বারপ্রান্তে। এর ভিত্তি হিসেবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন, বিপণন ও ভোগের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাব। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মানুষের চিন্তা জগতে পণ্য উৎপাদন ও সেবা প্রদানে পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। পৃথিবীর গতিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ধারাকে বদলে দিচ্ছে। বিশ্বের রাষ্ট্রনায়কদের সক্ষমতাকে বড় ধরনের পরীক্ষার সম্মুখীন করছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুফল পেতে দেশের সবাইকে উপযুক্ত করে তোলাটাও জরুরি এ ক্ষেত্রে।
একটি বিষয় সবাইকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে, আমাদের যে বিপুল জনসংখ্যা, তাকে জনশক্তি বা জনসম্পদে রূপান্তর করতে না পারলে জনসংখ্যার বিরাট বোঝার চাপে আমাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক কাঠামো নানাভাবে বিপর্যন্ত হবে। দিনে দিনে ভয়াবহ সংকট আমাদের সামনে এসে দাঁড়াবে। সামাজিক-রাজনৈতিক অস্থিরতা, অপরাধপ্রবণতা, মূল্যবোধের অবক্ষয়, মাদকাসক্তি প্রভৃতি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বাড়তেই থাকবে। জনবহুল একটি দেশের বেশির ভাগ নারী-পুরুষ যদি কর্মক্ষম এবং উপার্জনক্ষম হন তাহলে সে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি স্বাভাবিকভাবেই মজবুত হতে বাধ্য। আমাদের জনসংখ্যাকে আপদ না ভেবে জনশক্তিতে রূপান্তরের চেষ্টা চালাতে হবে। তখন তা জনসম্পদে পরিণত হবে। আমরা আমাদের জনসম্পদকে দেশের অভ্যন্তরে যেভাবে কাজে লাগাই না কেন, তা আমাদের জন্য সমৃদ্ধির নতুন বার্তা বয়ে আনবে। অর্থনীতিতে ভিন্নমাত্রা যুক্ত করবে।
জনশক্তিকে কারিগরি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে জনসম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে। এটা দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার সঠিক এবং কার্যকর উপায়। বেকার, কারিগরি জ্ঞানশূন্য তরুণ-তরুণীদের মেধা, শ্রম ও মননশীলতাকে যথার্থভাবে কাজে লাগাতে না পারলে আমাদের জাতীয় জীবনে আরো অনেক দুর্যোগ এসে হানা দিতে পারে। আমরা কোনোভাবেই তা চাই না। দেশকে সমৃদ্ধ উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যেতে হলে, জনসংখ্যার বিরাট বোঝাকে অভিশাপ মনে না করে আশীর্বাদ হিসেবে গণ্য করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি শিক্ষার বিস্তার এর কোনো বিকল্প নেই। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরাই আমাদের অর্থনীতির চেহারাটা আরো বদলে দিতে পারে। দেশে তো বটেই, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভালো বেতনে চাকরি নিয়ে যেতে পারে তারা। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে উপযুক্ত এবং ভালো বেতনে চাকরির সুযোগ পেতে পারে অনায়সেই। এভাবে আমাদের প্রবাসী রেমিট্যান্স ধারায় বিপুল জোয়ার সৃষ্টি হতে পারে।
স্রেফ বিশেষ একটি দলের কিংবা গোষ্ঠীর নির্বাচনী স্লোগান কিংবা কল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে যথার্থ উন্নত আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন সেক্টরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে এজন্য। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা মেধাবী মানুষদের খুঁজে বের করে তাদের মেধা ও যোগ্যতার উপযুক্ত মূল্যায়ন করতে হবে। এ দেশের বহু মেধাবী মানুষ উপযুক্ত মূল্যায়ন না পাওয়ার কারণে বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমায়। তাদের দেশের মধ্যে কাজ করার ব্যাপারে উৎসাহী করে তুলতে হবে। ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অসুস্থ রাজনৈতিক সাংস্কৃতিকচর্চা, চাঁদাবাজি, সামাজিক অনাচার, বৈষম্য, শোষণ-বঞ্চনা, স্বেচ্ছাচার, অনিয়ম, অগনতান্ত্রিক মনোভাব, দুর্নীতির মূল উৎপাটন করে সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে আবশ্যিকভাবেই। এজন্য সুনির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীকে নিয়ে গোটা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে মূল গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না কোনোভাবেই। স্মার্ট বাংলাদেশ শুধু একটি গোষ্ঠী কিংবা রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়, গোটা বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের ধ্যানজ্ঞান, চিন্তাভাবনার কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে। এ ব্যাপারে সবাইকে অবশ্যই আন্তরিক হতে হবে।
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার ও কলাম লেখক
[email protected]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Farmgate Dhaka
Dhaka
1215