Md. Afzal Hossen

Md. Afzal Hossen

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md. Afzal Hossen, Tutor/Teacher, Dhaka.

01/05/2025

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস, যা "মে দিবস" নামেও পরিচিত, প্রতি বছর ১লা মে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। এই দিনটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার সংগ্রামের স্মরণে পালন করা হয়। এটি শ্রমিক শ্রেণির আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের এক অনন্য প্রতীক।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ
১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে হে মার্কেটের আন্দোলন শ্রমিকদের ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল। আন্দোলন চলাকালীন বহু শ্রমিক প্রাণ হারান। এই আত্মত্যাগের ফলেই আজ আমরা ৮ ঘণ্টার কর্মদিবসের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। ১৮৮৯ সালে প্যারিসে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১লা মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উদ্দেশ্য ও তাৎপর্যঃ
এই দিবসটি শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে অনুপ্রেরণা জোগায়। এটি শ্রমজীবী মানুষের অবদানকে সম্মান জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

বাংলাদেশে দিবসটির গুরুত্বঃ
বাংলাদেশেও এই দিনটি জাতীয়ভাবে পালিত হয়। সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয় এবং বিভিন্ন সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক ফেডারেশন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস শুধু একটি দিবস নয়, এটি শ্রমিকদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের ধারক। আমাদের উচিত এই দিবসের প্রকৃত শিক্ষা নিয়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় হওয়া।

08/12/2024

“Hunger is the deepest and most unbearable pain of all.”

Photo taken: November 17, 2023

Photos from Md. Afzal Hossen's post 13/11/2024

Nature 🤍

08/11/2024

Common dream 🤍

18/10/2024

❐ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ লা বলেনঃ উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে?

অথচ আমরা সবচেয়ে কম উত্তম কাজ করি!! আর ভালো ফল আশা করি।

এমন সুন্দর উদাহরণ টাইমলাইনে রেখে দিন।

16/10/2024

ক্লিনার পদে ইন্টারভিউ দিতে আসা যুবকটি যখন সফল ইন্টারভিউ শেষে এইচ আর অফিসারকে জানালো যে তার কোনো ইমেইল এড্রেস নেই তখন ইমেইলে অফার লেটার পাঠানো যাচ্ছেনা বলে তাকে বাদ দিয়ে তার পরের ক্যান্ডিডেটকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। চাকরির সুযোগ হারানো যুবকটি আর কোনো উপায় না পেয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্ট্রবেরি বেচা শুরু করল আর ৫ বছর পর স্টেটের সবচে বড় স্ট্রবেরি সাপ্লাইয়ার হয়ে গেল। এরপর একদিন এক ইনশুরেন্স কোম্পানি যখন সেই যুবকের লাইফ ইনশুরেন্স করার জন্য তার ইমেইল এড্রেস চেয়ে জানতে পারল যে তার কোনো ইমেইল এড্রেস নেই, তখন অবাক হয়ে এর কারন জানতে চাইলে যুবকটি বলল, 'দরকার হয়নি বলে আর করা হয়নি। তবে ৫ বছর আগে যদি আমার ইমেইল এড্রেস থাকত তাহলে আজ সম্ভবত আমাকে অমুক অফিসের ক্লিনার হিসেবে দেখতে পেতে...'

তারমানে, অমুক কোয়ালিফিকেশন নাই বলে অমুক চাকরিটা হল না বলে যারা হতাশ বোধ করেন, আল্লাহ হয়তো তাদের জন্য ভিন্ন কোনো প্ল্যান করে রেখেছেন।

"Rejection is God's way saying wrong decision"

তাই হতাশ না হয়ে ট্রাই করতে থাকুন, প্লিজ।

14/10/2024

ময়ূর -১০, চাঁদপুর।

13/10/2024

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিল দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা নির্দেশ জারি করেছিল, 'যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা রৌরব নামক নরকে যাবে।' ওই সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি নির্যাতিত বাঙালিদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারি নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয়ের মাধ্যম সেই দিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সঙ্গে মুক্ত হয়েছিল বাঙ্গালিদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।

ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, 'মুসলমান সম্রাটরা বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।' অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, 'যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এ দেশে আরও কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকত, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।'

মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্যচর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশের যোগ্যতা অর্জন করে।

বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা যুগে যুগে আরও হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবি ও ফারসি শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্যচর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়—বাংলা ভাষার সঙ্গে মুসলমানদের কোনো সম্পর্ক নেই।

মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন মাজিদ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছেন। অথচ ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু আগে ১৮০৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা ভাষায় কুরআন মাজিদের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমিরুদ্দিন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ খ্রিষ্টাব্দে মৌলবি নাঈমুদ্দিন পূরো কুরআনের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।

সুত্র: খন্দকার কামরুল হুদা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব, ১৯৯৫, পৃ. ৩২, বাংলাপিডিয়া

(Collected)

13/10/2024

দুনিয়ার বেশিরভাগ মানুষ শর্টকাট পছন্দ করে।

মানুষ দশ দিনে ইংরেজি শিখতে চায়। কিন্তু আসলে কি দশ দিনে কিংবা দশ মাসেও ভালো ইংরেজি শেখা সম্ভব? যারা বই লেখে—তারা বইয়ের নাম দেয় দশ দিনে ইংরেজি শিখুন। আর যারা কেনে, তারা মনে করে দশ দিনে আসলেই ইংরেজি শেখা সম্ভব! কারণ শর্টকাট অর্জনের তাড়না কাজ করে।

শিক্ষকরা ১০০% সাজেশন্স দেন। কারণ স্টুডেন্টদের আছে শর্টকাটে এ-প্লাস পাওয়ার বাসনা।

কোচিং সেন্টারগুলো বলবে—তিন মাসে বিসিএস প্রস্তুতি। মাত্র এক মাসে করুন আইএলটিএস! এক মাসে কোরিয়ান ভাষা শিখে লক্ষ টাকার বেতন! এক হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ছয় মাসে হয়ে যান লাখপতি। মানুষকে প্রলুব্ধ করার সহজ উপায় হলো শর্টকাট পথের কথা বলা।

দুনিয়াতে শর্টকাট অর্জন নেই। চুরি-চামারি ছাড়া, মানুষকে ঠকানো ছাড়া, অসৎ উপায় ছাড়া শর্টকাটে কিছু করা যায় না। পরিশ্রম করে অর্জন করতে গেলে সেটার জন‍্য সময় লাগে। সেটার জন‍্য অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। ঠেকে-ঠুকে শিখতে হয়। উত্থান-পতনের মধ‍্য দিয়েই অর্জন করতে হয়।

দুনিয়াতে সবাই একই পরিবেশে জন্ম নেয় না। একই ধরণের পারিবারিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশে বেড়ে উঠে না। একই ধরণের শিক্ষা পায় না। একই ধরণে মানসিক শক্তি, মনোবল, অদম‍্য ইচ্ছে শক্তি নিয়ে বড়ো হয় না। আর এগুলোই মানুষের অর্জনের সময়কে তফাৎ করে দেয়।

কিন্তু সত‍্যটা হলো— অর্জন করতে গেলে নিজেকে দহন করতে হয়। শ্রম দিয়ে, ধৈর্য‍্য দিয়ে নিজেকে পুড়তে হয়। অভিজ্ঞতা দিয়ে নিজের খুঁটিকে শক্ত করতে হয়। ঠকতে হয়। ঠেকতে হয়। হারাতে হয়। পড়ে গিয়ে উঠে দাঁড়াতে হয়। এভাবেই মানুষের অর্জন আসে। সে অর্জনের ভিত হয় শক্ত।

জীবনের সবকিছু সমকোনী ত্রিভূজের অতিভূজের মতো নয় যে অতিভূজ ধরে চললেই শর্টকাট পথ খুঁজে পাওয়া যায়। জীবন কখনো কখনো উলম্ব পথে চলে। কখনো কখনো পাহাড়ি ঢালুর মতো পথে। সবসময় টানেল পাওয়া যায় না যে পাহাড় ভেদে শর্টকাট পথে দিবো পাড়ি।

সবসময় শর্টকাটের চিন্তা মানুষকে অসহিঞ্চু করে তোলে।মানুষের যে হৃদয় প্রতি মিনিটে শতবার কম্পন দিয়ে উঠে, সে হৃদেয়ে সহিঞ্চুতার আবাদ করাই সবচেয়ে কঠিন। ধীমান প্রাজ্ঞ মানুষরা সেই সহিঞ্চুতার আবাদ করে। শর্টকাটের লোভ মানুষের ভিতর অসততার জন্ম দেয়।

যে গাছ ঝড়ের ঝাপটা সয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, সে গাছই সূর্যের আলো পায় বেশি। বিস্তৃত আকাশের পায় দেখা।

জীবনে শর্টকাটের পেছনে দৌঁড়াতে নেই। ভিত শক্ত হয় না।
...................
Rauful Alam

04/09/2024

আমাদের সমাজে বিয়েটাকে সহজ করা উচিৎ ৷
বিয়ের সাথে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্পর্ক নয় বরং জৈবিক চাহিদার সম্পর্ক ৷

আমাদের দেশে সাধারনত ১৫-১৬ বছর বয়সে একটি ছেলে বা একটি মেয়ে পরিপূর্ণ যৌন সক্ষমতা অর্জন করে ৷ অথচ শহুরে বা শিক্ষিত সমাজে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে দেওয়া হয় গড়ে ২৮-৩০ বছর বয়সে ৷ এই ১২-১৫ বছর তাদের বৈধ উপায়ে জৈবিক চাহিদা পূরন করার কোনো পথ থাকে না ৷
অথচ এটা এমন কোনো জিনিস নয় যেটা অস্বীকার করা সম্ভব ৷

এই দীর্ঘ সময়ে হারাম সম্পর্ক, যিনা, ব্যাভিচার, পর্ণোগ্রাফি সহ আরো নানা কঠিন গুনাহের পথে তরুণ প্রজন্ম পা বাড়ায় ৷ এসব কাজে সমস্যার সৃষ্টি হলে সেই প্রভাব তাদের আচরণে পড়ে ৷ পরিবারের মানুষদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে ৷ আর এই গুনাহের ভাগ অভিভাবকদেরও নিতে হয় সমানভাবে ৷

আমি বলছি না ১৫ বছর বয়সেই বিয়ে করিয়ে দিন ৷ অন্তত ২২-২৩ বছর বয়সে বিয়ে করাটাকে সহজভাবে নেয়া উচিৎ ৷

এ ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হয় মেয়ের পরিবার ৷ কিছু ক্ষেত্রে ছেলের পরিবারও হয় ৷ ছেলে কি করে " এই প্রশ্নের উত্তর সহ নানা সামাজিক নিয়মকানুনের দোহাই দেওয়া হয় ৷ যেটা মুসলিম সমাজে অমানবিক ও নিষিদ্ধ ৷ এই সময়ে একজন ছেলে বা মেয়ে অন্তত বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে পড়াশোনা করে ৷ পড়াশোনা শেষ করে তারা নিশ্চয় ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগ দিবে ৷ বিয়ে হলে বরং খামখেয়ালিপনা দূর হয়, মন এক জায়গায় ফিক্সড হয় ৷

অনেক মেয়ের পরিবার মনে করে বিয়ের পর শ্বশুড়বাড়িতে পড়াশোনা হয়না ৷ সেক্ষেত্রে বিয়ে না দিলে আপনার বাড়িতে রেখে যেভাবে পড়াশোনা করাতেন ; বিয়ে দিয়ে সেভাবে করাতে পারেন ৷মেয়ের পড়াশোনা শেষ হলে এবং ছেলে কর্মক্ষেত্রে যোগ দিলে মেয়েকে ছেলের বাড়িতে তুলে দিন ৷ ফলে পড়াশোনাও হলো আর সম্পর্কটাও বৈধ থাকলো ৷

আপনি যখন পড়াশোনা করা একটা ছেলেকে বিশ্বাস করে নিজের মেয়েকে তার হাতে তুলে দেন তখন আপনার ও আপনার পরিবারের প্রতি সেই ছেলের অন্যরকম এক টান তৈরী হয় ৷ সেই সম্পর্কটা আরো সুদৃঢ় হয় ৷ শুরুর কয়েক বছরে একসাথে ওই ছেলে-মেয়ে যে কঠিন দিন পার করে সেটা পরবর্তীতে তাদের বন্ধনকে আরো মজবুত করে ৷ সোনা পুড়লে যেমন খাঁটি হয় ৷

অথচ আজকের দিনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর,
বিয়ে করা লাগে বলে করে ৷ অধিকাংশক্ষেত্রে ঝগড়া-ঝাটি সহ নানা সমস্যা লেগেই থাকে ৷ সামান্য কিছু হলেই আলাদা থাকে, ডিভোর্স করে নেয় ! শহুরে ও শিক্ষিত সমাজে এই হার প্রতিনিয়ত অসংখ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৷সত্যি বলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই সম্পর্কগুলোতে কোনো গভীরতা থাকে না ৷
অথচ ৭০ বছর সংসার করার পরও আমার দাদা-দাদির মধ্যে যে সম্পর্ক সেটা হিংসা করার মতো ৷

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বর্ণিত , নবিজি (সাঃ) যুবকদের উদ্দেশ্য করে বলেন-

'হে যুবক সম্প্রদায় ! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে নেয় ৷ কেননা বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং চরিত্রকে হেফাযত করে ৷'
(সহিহ বুখারি : ৫০৬৬)

আল্লাহ তায়ালা সূরা নূরের ৩২ নং আয়াতে বলেছেন-

"তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত রয়েছে, তাদের বিয়ে করিয়ে দাও ৷ আর তোমাদের দাস-দাসীর মধ্যে যারা বিবাহের যোগ্য , তাদেরও বিয়ের ব্যবস্থা করো ৷ যদি তারা গরিব হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ তায়ালা আপন মেহেরবানিতে তাদের ধনী করে দেবেন ৷ আল্লাহ তায়ালা বড়ই প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ ৷"

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের সমাজে বিয়েটাকে সহজ করা হলে যিনা, ব্যভিচার, ইভটিজিং, ধর্ষণ, আত্মহত্যা সহ অসংখ্য অপরাধ অনেকাংশে কমে যেতো।

04/07/2024

কোটা বিরোধী আন্দোলন-২০২৪

আমাদের স্বাধীন বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই। মেধার জয় হোক, হতে হবেই...

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka