Perfect Study Point

Perfect Study Point

Share

An educational page where you may get proper academic service from us in Paterbag,Shonir Akhra,Dhaka.

16/10/2025

রেজাল্ট অনুযায়ী বুঝা গেলো..

এই শীতে প্রচুর বিয়ের দাওয়াত পাব🙂

10/08/2025

টিউশনিতে আগের দিনের বাসি খাবার নাস্তা হিসাবে দিয়ে যায় স্টুডেন্টের মা। এটা দেখে আমার ভীষণ খারাপ লাগলো। তাই মনের কষ্ট আড়াল করতে না পেরে স্টুডেন্ট সোহানকে বললাম,“এখানে আমি পড়াতে আসি নাস্তা খেতে না। তোমাকে পড়ানোর বিনিময়ে আমি সম্মানী পাই। তাই তোমাদের আলাদা করে নাস্তা দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।”
সোহান আমার কথা শুনে মাথানত করে বসে রইলো। এই খাবারটা যে বাসি সেটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে কিছুটা গন্ধও করছে। তাছাড়া গতকাল সোহানকে পড়ানোর সময় জেনে গিয়েছিলাম, তাদের বাড়িতে বিরিয়ানি রান্না হয়েছে। এটা নিয়ে তারা ভাই-বোনরা খুব খুশি। এই বিরিয়ানি গতকাল রান্না হলো অথচ তারা গতকাল দেইনি। তবে আজ দিলো। কারণ হয়তো এই খাবারটা এখন খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে গিয়েছে।

সোহানের মাথানত করা দেখে আমি তাকে শান্ত গলায় বললাম,“পড়ায় মনোযোগ দাও।”
সোহান মাথা নাড়িয়ে পড়ায় মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করলো। বাসি বিরিয়ানির দিকে দ্বিতীয়বার আমার চোখ পড়তে মনটা বিষন্ন হয়ে উঠলো। নিজেকে অনেকটা ছোট মনে হ'তে লাগলো। টিউশনি করাই বলে কী মানুষ নই? আত্মসম্মান নেই? একজন গৃহশিক্ষক তাদের কাছে এতটা নিচু যে বাসি খাবার তাকে নাস্তা হিসাবে দেওয়া যায়? এসব চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করলো। এই মূহুর্তে ইচ্ছে করছে টিউশনি ছেড়ে চলে যেতে। কিন্তু সেটাও পারবো না। মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হওয়া আমির কাছে এই টিউশনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই তো, নিজের অসম্মান হচ্ছে জেনেও টিউশনি ছাড়ছি না। এসব ভাবনার মাঝে সোহান বললো,“স্যার স্যরি।”
আমি সোহানের দিকে তাকাতে দেখলাম সে কাঁদো কাঁদো মুখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তার মুখজুড়ে তার মায়ের আমার সঙ্গে করা ব্যবহারের অপরাধবোধ স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। এটা দেখে ভালো লাগলো। সে যে তার বাবা-মায়ের মতো হয়নি। এটা শিক্ষক হিসাবে ভালো লাগার। সোহানের মুখে ফুটে ওঠা অপরাধবোধ এটাই জানান দিচ্ছে, সে জানে এই বাসি খাবারটার যোগ্য তার শিক্ষক নয়। তবে সোহানের মুখে এই অপরাধবোধটা দেখতে ইচ্ছে করছিলো না। তাই দ্রুত তাকে পড়ানো শেষ করে বের হয়ে আসলাম। সোহানদের ঘর থেকে বের হবার সময় শুনতে পেলাম সোহান উচ্চশব্দে তার মাকে ডাকছে।

___
আমি বাড়ি ফিরতে বাবা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বিরক্তি নিয়ে বললেন,“এই মাসে ঘরে কোন টাকা দিবে না?”
বাবার এই কথা শুনে আমি একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে শান্ত গলায় বললাম,“টিউশনি থেকে এখনো বেতন পাইনি। পেলে দিয়ে দিবো।”

“ওহ। তা টিউশনি করে সারাজীবন কাটাবে নাকি?”
বাবার এই কথার জবাব না দিয়ে নিজের ঘরের দিকে পা বাড়ালাম। এই মূহুর্তে জবাব দিলে আবার সেই একই কথা শুনতে পাবো। তবে আমি চুপ করে থেকেও বিশেষ লাভ হলো না। বাবা পিছন থেকে রাগান্বিত গলায় বলে,“কোন কথা বললে জবাব দাও না। খুব বড় কিছু ভাবো নাকি নিজেকে? ভাববাই তো? এত এত খরচ করে তোমাকে পড়ালেখা শেষ করালাম। এই আশায় যে শেষ বয়সে আমার পাশে দাঁড়াবে। ফলাফল কী? সেই তো গত তিন বছর ধরে বেকার ঘুরিয়ে বেড়াচ্ছো। কয়েকটা নামমাত্র টিউশনি করিয়ে মাসে হাতে দাও কোনরকম দুই পয়সা। এতবড় একটা সংসার টেনে নিয়ে যেতে আমার যে কত কষ্ট হচ্ছে বা হয় এটা বোঝ? এখন তো মনে হয়, তোমাকে এত কষ্ট করে মাস্টার্স পাশ না করিয়ে ছোটবেলা কাজে দিয়ে দিলে অন্তত আমার দুটো লাভ হতো। অন্তত আমার মাথার ঘাম পায়ে ফেলা পয়সা, অন্ন নষ্ট হতো না।”
বাবা একের পর এক কথা বলেই যাচ্ছে। আমি বিরক্ত হয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেই। মা ভেতর ঘর থেকে বাবার এসব কথা শুনে বুঝতে পারেন আমি এসেছি। তাই মা ছুটে আসে। বাবাকে থামায়। মা শান্ত গলায় বলে,“তুমি একটু চুপ করো। রোজ রোজ একই কথা বলে পাও কী?”

“রোজ রোজ এক কথা বলি তাও তো তোমার ছেলের কানে যায় না। সারা দুনিয়ার মানুষ চাকরি পাচ্ছে, তোমার ছেলে পাচ্ছে না কেন? ওর ক্লাসের রাজুর সঙ্গে দেখা হলো। ছেলেটা গর্দভ ছিলো। সেই ছেলেও সরকারি চাকরি পেয়েছে, তোমার ছেলে করছে টা কী? এই নাকি ক্লাসে টপার ছিলো?”
এই কথা শুনে মা বারবার বাবাকে থামতে বলছে। বাবা চুপ করছে না। অন্যদিকে আমি ঘরের মধ্যে কানে তুলো গুজে রেখেছি। কী করবো? এত ভালোভাবে সবগুলো চাকরির পরীক্ষা দেওয়ার পরও ভাইভা থেকে রিজেক্ট হচ্ছি। এখানে আমার কী দোষ? চাকরি যে একেবারে পাচ্ছি না তা নয়। কিন্তু যেগুলো পাচ্ছি সেগুলোতে বেতন কম। সেই সঙ্গে সম্মানও নাই। এত পড়ালেখা শেষে এমন এক চাকরি মেনে নিতে পারছি না। একদিকে ভালো চাকরির ইন্টারভিউতে অসফল হচ্ছি, অন্যদিকে ঘরের মধ্যে বাবার কথা। সব মিলিয়ে জীবনটা শেষ। আমার আর ভালো লাগছে না। এমন সময় সোহানের মায়ের নাম্বার থেকে কল আসে। তার কল দেখে কিছুটা অবাকই হলাম। কলটি রিসিভ করতে সোহানের মা বলে উঠলো,“কাল থেকে আর এসো না। আমরা সোহানকে অন্য স্যারের কাছে দিয়েছি।”

“মানে? কিন্তু কেন? আন্টি আমি কী কোন ভুল করেছি?”
আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো। এই মূহুর্তে একটি টিউশনি বাদ মানে অনেককিছু আমার কাছে। সবচেয়ে বড় কথা সোহানের বাবা বেশ ভালো অবস্থানে চাকরি করতেন। বেতনটাও মোটা অংকের দিতেন। এই টিউশনি চলে যাওয়া মানে আমার অনেক লস হওয়া। এটা হারালে নতুন টিউশনি খুঁজে পেতে প্রচুর বেগ পেতে হবে। সেই সাথে ঘরেও টাকা দিতে পারবো না। বাবা টাকা না পেলে আরও কথা শোনাবে। সব মিলিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হবে আমাকে। এসব ভাবনার মাঝে সোহানের মা বলে,“তোমার মতো ছোটলোক দিয়ে আমি আমার ছেলেকে পড়াবো না। কত ভালোবেসে নাস্তা দেই আর তোমাদের মতো কিছু ছোটলোক থাকে সেই নাস্তার বদনাম করে।”
এই কথা শুনে আমি হতবাক হলাম। আমি তো তেমন কিছুই বলিনি। বুঝতে পারলাম আমি চলে আসার পর হয়তো সোহান এই বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। তাই আমি আন্টিকে বোঝাতে বললাম,“আন্টি আমি তো কিছুই বলিনি। দেখুন আন্টি এই টিউশনিটা আমার ভীষণ প্রয়োজন। দয়া করে এভাবে হুট করে আমাকে বাদ দিয়ে দিবেন।”

“তোমাদের মতো ছোটলোকের টিউশনিও দরকার আবার স্টুডেন্টের কাছে তার বাবা, মাকে ভিলেন বানানোও জরুরি।
খেতে পাও না। তাই দয়া করে মাঝে সাজে খেতে দেই। সেটা নিয়েও কমপ্লেন। তুমি ভাবলে কিভাবে তোমার মতো ছোটলোকের কাছে আমি আমার ছেলেকে পড়াবো? জীবনেও না। পড়ে দেখা যাবে আমার ছেলেও তোমার মতো ছোটলোক হয়েছে।”
সোহানের মায়ের এত বাজে কথা শোনার পরও আমি করুণ গলায় বললাম,“আন্টি প্লীজ এভাবে মাঝপথে আমাকে বাদ দিবেন না। আমার টিউশনি প্রয়োজন। তাছাড়া মাঝপথে নতুন টিচার দিলে সোহানেরও অসুবিধা হবে।”

“সোহানের অসুবিধা আমি বুঝে নিবো। তোমার বিকাশে গতমাসের বেতনটা পাঠিয়ে দিবো। কাল থেকে আর আসার প্রয়োজন নেই।”
একটু থেমে এবার সোহানের মা যা বলে তা শুনে আমারও মাথা গরম হয়ে যায়। সে বলে,“তোমাদের মতো ছোটলোকদের এতদিন বাড়িতে ঢোকার সুযোগ দিয়েছি এই অনেক আর নয়। আমি চাই না টাকা নেওয়ার বাহানায় হলেও তোমার মতো ছোটলোকের আমার বাসায় পা পড়ুক। তাই বিকাশে সব টাকা মিটিয়ে দিবো।”

আমি এবার নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলাম না। সেই সাথে বুঝে গিয়েছি, তারা আমাকে আর রাখবেও না। যেখানে টিউশনিটা থাকবে না সেখানে এভাবে অপমানিত কেন হবো? তাই রাগ নিয়ে বললাম,“ভদ্র ভাষায় কথা বলবেন। ছোটলোক ছোটলোক বলে বারবার আপনি নিজের নিচু মনের পরিচয় দিচ্ছেন। নেহাৎ আমার টিউশনি প্রয়োজন তাই আমি চুপ করে ছিলাম। তারমানে এটা নয় আপনি একজন টিচারের সঙ্গে যা তা ব্যবহার করবেন। যেই খাবারটা আপনাদের বাড়িতে কারো খাওয়ার উপযোগী হয় না সেটা আপনি টিউশন টিচারকে দিবেন। আপনার বাড়িতে চাকরের কাজ করতে যাই না যে এমন আচরণ করবেন। তাছাড়া একজন চাকরের সঙ্গেও এই আচরণ করা ভদ্র মানুষের পরিচয় নয়। এই আপনাদের মতো কিছু নিচু মানসিকতার বাবা, মায়ের জন্যই তাদের সন্তানরা সঠিকভাবে মানুষ হতে পারে না। আপনাদের জন্য তাদের জীবনটাও নষ্ট হয়। আমার তো এখন নিজের উপর লজ্জা হচ্ছে যে দারিদ্র্যতা এবং বেকারত্ব আমাকে এমনভাবে গ্রাস করেছে যে আমি আপনাদের বাড়িতে এতদিন অব্দি সব সহ্য করে টিউশনি করিয়ে গিয়েছি। আমি….।”
আমার কথা সমাপ্ত করতে না দিয়ে সোহানের মা ফোন কেটে দেয়। হয়তো প্রচন্ড রাগ হয়েছে তার। তবে তার রাগ নিয়ে আমি ভাবছি না। বরং খুশি লাগছে৷ মনের মধ্যে জমে থাকা কিছু কথা যে তাকে বলতে পেরেছি, এটা ভেবেই খুশি লাগছে। যদিও সবটা বলতে পারিনি। আজ বেকার বলেই তার সবকিছু সহ্য করে পড়িয়ে গিয়েছি। নয়তো সেদিনই টিউশনি ছেড়ে দিতাম যেদিন দেখলাম সোহানের মা তার বাড়িতে অতিথির জন্য ভালো রান্না হয়েছে বলে গেট থেকেই তাড়িয়ে দিয়েছিলো। ভেতরে ঢুকতে অব্দি দেয়নি। সে সেদিন বলছিলো,“সোহান অসুস্থ আজ পড়বে না। তুমি যাও।”
আমি ভাবছিলাম অসুস্থ যেহেতু সেহেতু দেখে যাই। কিন্তু তিনি ভেতরে যেতে দেননি। পরবর্তী দিন সোহানকে পড়াতে গিয়ে আসল ঘটনা জানতে পারি। সেদিন আত্মসম্মানের কথা ভেবে চাইলেই ছেড়ে দিতে পারতাম। ইচ্ছেও ছিলো। কিন্তু বাড়িতে আসতে যখন শুনলাম ঋনের টাকা শোধ করা নিয়ে বাবা, মা বেশ চিন্তিত। তারা চিন্তিত এজন্য যে আমার চাকরি নেই। এত ঋন কতদিনে তারা শোধ করতে পারবে। মাস শেষে আমার দেওয়া কয়টা টাকাই তাদের ভরসা। অন্তত কিছু সাহায্য হয়। এই কথা জানার পরই অপমান নিজের মনের মধ্যে গিলে নিলাম। চুপচাপ পরেরদিন টিউশনিতে গেলাম। যাই হোক, সোহানের টিউশনি বাদ হওয়ায় বেশ কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়লাম। সেই সাথে আগামীকাল একটি চাকরির পরীক্ষার রেজাল্ট দেওয়ার কথা। সেটা নিয়েও মনের মধ্যে আশা জাগছিলো। সব ভালোই হয়েছে। এখন জানি না ফলাফলে আমার ভাগ্যে কী লেখা আছে? এসব নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়তে সেই মূহুর্তে মায়ের চিৎকার কানে ভেসে এলো। মা চিৎকার দিয়ে বলছে,“শান্ত!”


চলবে,
#মধ্যবিত্ত (১)
#নুসরাত_জাহান_মিষ্টি

(ভুলক্রটি ক্ষমা করবেন। আশা করি গল্পটায় বাস্তবতার ছোঁয়া পাবেন। সবাই পাশে থাকবেন। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।)
#লিখালিখি

13/03/2025

১২টি গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না.......

আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি যা ধনীদের দ্বারা এবং ধনীদের জন্য গঠিত। আপনি যে মিডিয়া দেখেন, যে পরামর্শ শুনেন—সবকিছুই সুচিন্তিতভাবে সাজানো হয় আপনাকে কর্মজীবনের দৌড়ে ফাঁসিয়ে রাখার জন্য, যাতে তারা আরও উপরে উঠতে পারে। কিন্তু এবার পর্দা সরানোর সময় এসেছে এবং সেই সত্যগুলো জানার সময় এসেছে যা ধনী ব্যক্তিরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না। প্রস্তুত থাকুন, কারণ এই তথ্যগুলো আপনার বিশ্বাসের অনেক ভ্রান্তি ভেঙে দিতে পারে।

১. কঠোর পরিশ্রম আপনাকে ধনী করবে না

হ্যাঁ, তারা আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে বলে, কিন্তু সত্যটা জানে—ধনী হওয়ার মূল চাবিকাঠি শ্রম নয়, লেভারেজ। মানে, যখন আপনি অতিরিক্ত সময় কাজ করে আপনার শক্তি খরচ করছেন, তারা অন্যের সময়, অর্থ এবং দক্ষতাকে ব্যবহার করে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে।

২. তারা চায় আপনি বিশ্বাস করুন যে টাকা খারাপ জিনিস

আপনি যদি মনে করেন টাকা লোভ এবং দুর্নীতির প্রতীক, তাহলে আপনি কখনো এটি অর্জনের জন্য আত্মবিশ্বাসী হবেন না। অথচ ধনীরা জানে যে অর্থ কেবল একটি হাতিয়ার—যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে প্রভাব বিস্তারের শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।

৩. সঞ্চয় আপনাকে ধনী করবে না

তারা বলে "সঞ্চয় করুন এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করুন", কিন্তু নিজেরা তা করে না। তারা বিনিয়োগ করে বড় ঝুঁকি ও বড় লাভের সুযোগে—স্টার্টআপ, রিয়েল এস্টেট, স্টক মার্কেট এবং ব্যবসায়, যা তাদের সম্পদকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

৪. শিক্ষাব্যবস্থা আসলে একটি ফাঁদ

শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাকে আজ্ঞাবহ কর্মচারী বানানো, উদ্যোক্তা বা ঝুঁকি গ্রহণকারী নয়। আপনাকে শেখানো হয় কীভাবে অর্থের জন্য কাজ করতে হয়, কিন্তু ধনী ব্যক্তিরা শেখে কীভাবে অর্থকে তাদের জন্য কাজ করানো যায়।

৫. কর ব্যবস্থা ধনীদের জন্য সুবিধাজনকভাবে তৈরি

তারা জানে কর কমানোর উপায়, আইনি ফাঁকফোকর এবং বিভিন্ন কর সুবিধা। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাদের আয়ের বড় একটি অংশ কর হিসেবে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। ধনীরা বেতনভোগী নয়, তারা সম্পদের মালিক—আর সম্পদের ওপর করের হার ভিন্ন।

৬. ঋণ হলো শক্তিশালী অস্ত্র—যদি আপনি এটি ব্যবহার করতে জানেন

তারা চায় আপনি ঋণকে ভয় পান, কিন্তু ধনীরা ঋণকে ব্যবহার করে আরও বেশি সম্পদ অর্জন করতে। তারা অন্যের অর্থ (OPM) দিয়ে বিনিয়োগ করে এমন সম্পদ কেনে, যা তাদের জন্য নিয়মিত আয় সৃষ্টি করে এবং সেই আয় দিয়েই ঋণ শোধ হয়ে যায়।

৭. আপনার ভোগবাদ তাদের বিলাসী জীবনযাত্রার মূল কারণ

প্রতিবার যখন আপনি নতুন মোবাইল, ফ্যাশনেবল পোশাক বা দামি কফি কিনছেন, তখন আসলে আপনি তাদের পকেটেই অর্থ ঢালছেন। অন্যদিকে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে এমন সম্পদে, যা সময়ের সঙ্গে আরও মূল্যবান হয়।

৮. পরিচিতি প্রতিভার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ

তারা চায় না আপনি জানেন যে সঠিক মানুষের সংস্পর্শ আপনার জন্য অমূল্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। তারা নিজেদের জন্য একটি এলিট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, যা তাদের ধনী থাকার সুযোগ নিশ্চিত করে এবং বাইরের লোকদের প্রবেশের পথ বন্ধ রাখে।

৯. সময় হলো তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ

তারা সময় নষ্ট করে না। তারা এমন কাজ করে না যা অন্যরা করতে পারে। তারা মানুষ নিয়োগ করে তাদের জন্য কাজ করাতে, যাতে তারা সম্পদ গঠনের ওপর ফোকাস করতে পারে।

১০. শেয়ার বাজার তাদের সুবিধার জন্য নিয়ন্ত্রিত

আপনার শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত মুনাফার আশা থাকলেও, তারা ইন্সাইডার তথ্য, স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং প্রযুক্তি এবং বিশাল মূলধন ব্যবহার করে বাজারকে নিজেদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ করে।

১১. ব্যর্থতা তাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা

তারা ব্যর্থতাকে ভয় পায় না, বরং প্রতিটি ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে দেখে। কিন্তু আপনাকে শেখানো হয় নিরাপদ খেলা খেলতে, ঝুঁকি না নিতে। ধনীরা জানে বড় পুরস্কারের জন্য বড় ঝুঁকি নেওয়া লাগে।

১২. তারা চায় আপনি অজ্ঞ থাকুন

যত কম আপনি অর্থ, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সম্পর্কে জানবেন, তত বেশি তারা আপনার শ্রম, সময় এবং ভোক্তাস্বভাবকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আরও ধনী করে তুলবে।

তাহলে আপনাকে কী করতে হবে?

এই নিয়ন্ত্রিত খেলায় আর অংশ নেবেন না। টাকার ব্যাপারে জ্ঞান অর্জন করুন, ইনভেস্টরের মতো চিন্তা করতে শিখুন, এবং ভোগের পরিবর্তে সম্পদের মালিক হওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। গড়পড়তা জীবনের শৃঙ্খল থেকে বেরিয়ে এসে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলুন। এখনই সময় এসেছে ব্যবস্থা নেওয়ার, যাতে আপনি সেই সম্পদ এবং ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন যা ধনীরা আপনাকে পেতে দিতে চায় না।

©

10/02/2025

মুরগির ডিমের রং: প্রাকৃতিক জাদু ও বৈচিত্র্য! 🥚🐔

আপনি কি জানেন, মুরগির ডিমের রং শুধুমাত্র তার প্রজাতি নয়, বরং তার genetics নেটিক বৈশিষ্ট্য ও খাদ্যাভ্যাসের ওপরেও নির্ভর করে? চলুন, জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন প্রজাতির মুরগির ডিমের প্রাকৃতিক রং ও তাদের মজাদার বৈশিষ্ট্য!

1. সাদা ডিম: সাধারণত সাদা মুরগির থেকে আসে, যেমন White Leghorn। খোসা সাদা হলেও, এর ভিতরের ডিমের গুণগত মান থাকে একেবারে উজ্জ্বল এবং সুস্বাদু! 🥚✨

2. বাদামী ডিম: খয়েরি রঙের এই ডিম সাধারণত পাওয়া যায় Rhode Island Red, Sussex বা Plymouth Rock মুরগির কাছ থেকে। এ ধরনের ডিমে রঙের গভীরতা থাকে এবং অনেকে মনে করেন, এগুলি একটু বেশি স্বাস্থ্যকর! 🟤🥚

3. নীল বা সবুজ ডিম: এখন মনে হচ্ছে আপনি একেবারে অন্য জগতে চলে গেছেন! Araucana, Ameraucana, বা Cream Legbar প্রজাতির মুরগি পাড়ে নীল বা সবুজ রঙের ডিম! এই ডিম দেখতে একেবারে রকমারি আর উজ্জ্বল, যেন প্রাকৃতিক রঙের খেলা! 🌊💚

4. গোলাপি বা লাল ডিম: কিছু মুরগি, যেমন Marans এবং Welsummer, পাড়ে গা dark ় বাদামী বা লালচে গোলাপি রঙের ডিম! এই রঙের ডিমে আছে একটু বিশেষ আকর্ষণ এবং এর স্বাদও যেন আলাদা! 🔴🌸

ডিমের রং আসলে কোনো এক ধরণের সাজসজ্জা নয়, বরং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যা প্রজাতির বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাস এবং জেনেটিক কৌশলের প্রতিফলন! ডিমের খোসার রঙ স্বাদ বা পুষ্টির উপর কোনো প্রভাব ফেলেনা, তবে এটি আমাদেরকে স্বাভাবিকের বাইরে কিছু নতুনত্ব উপহার দেয়!

আপনার পছন্দ কোন রঙের ডিম? 🌈🥚

22/01/2025

Carbamazepine নামে একটি ড্রাগ আছে।
এটা সাধারণত তিনটা কারণে আমরা চিকিৎসকরা রোগীদের প্রেসক্রাইব করে থাকি।
যদি আপনার মৃগী রোগ থাকে।
যদি আপনার ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া নামক নিউরোপ্যাথিক পেইন হয়।
যদি আপনার বাইপোলার মুড ডিসঅর্ডার থাকে যেখানে মুড স্টেবিলাইজার হিসেবে ড্রাগটি দেওয়া হয়।

এই ড্রাগটির সব ড্রাগের মতো কিছু সাইড ইফেক্ট যেমন আছে,তেমনি এটি জটিল কিছু সাইড ইফেক্ট করার জন্যও দায়ী।

এরমধ্যে একটা side effect এর নাম
স্টিভেন্স জনসন সিনড্রম।
এটি ভয়াবহ সাইড ইফেক্ট।
এবং স্টিভেন জনসন সিন্ড্রমের জন্য কোন কোন রোগী মারাও যেতে পারেন।

একজন চিকিৎসক আগে জানার কথা না কোন ড্রাগ কার উপর কি সাইড ইফেক্ট করবে।
কিন্তু একজন চিকিৎসক জানেন কোন স্পেসিফিক ড্রাগের কি সাইড ইফেক্ট।

আপনার যদি ড্রাগ এলার্জি থাকে,আপনার যদি বিভিন্ন মেডিসিন এর ব্যাপারে আগে থেকেই নির্দেশনা জানা থাকে কোন কোন মেডিসিন নিলে আপনার সমস্যা হয়,তবে সেটা চিকিৎসককে জানানো আপনার ও আপনার ফ্যামিলির দায়িত্ব।

ধরুন আপনি এ্যাজমায় ভুগছেন।
বিভিন্ন ব্যথার ঔষধ আপনার এ্যাজমাকে এগ্রাভেট করতে পারে।
ব্যথার ঔষধ খাওয়ার পর আপনার শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে।
আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে এটা জানি।
কিন্তু আপনি একটা ব্যথার চিকিৎসার জন্য আমার কাছে আসলেন কিন্তু আপনার হিস্ট্রি জানালেন না,তখন ব্যথার মেডিসিন দিলে শ্বাসকষ্ট বাড়লে এর দায় কি আমার?
হ্যাঁ চিকিৎসক হিসেবে আমারও দায়িত্ব থাকে আমি আপনার প্রিভিয়াস ডিজিজ হিস্ট্রি জানতে চাওয়া।

কিন্তু আপনি যদি এ্যাজমা থাকার পরেও ব্যাপার টা লুকিয়ে রাখেন,তখন কি আপনি আমাকে দায় দিতে পারেন কোনভাবেই?

এই প্রশ্নের উত্তরটা দিবেন।

একজন ভদ্রমহিলার পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেছেন, এভারকেয়ারের চিকিৎসকরা উনাকে নাপা ইঞ্জেকশন দিয়েছে, সেজন্য তার এটা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেছেন,তিনি এভার কেয়ারের চিকিৎসককে তার ব্যথার মেডিসিনে এলার্জির ব্যাপার জানিয়েছেন তারপরও তারা নাপা ইঞ্জেকশন দিয়েছে সেজন্য তার এই অবস্থা।

কিন্তু অভিযোগ করলেও সত্য তার লেখা পোস্টের থেকে যোজন যোজন দূরে অবস্থান করছে।

আমি ভদ্রমহিলার পোস্টটা গভীর মনযোগ দিয়ে পড়েছি।
আমি হিসাব মিলাতে পারছিলাম না নাপা কিভাবে স্টিভেন্স জনসন সিন্ড্রম করলো।
আমি ভদ্রমহিলার চিকিৎসককে অজাত গালি দেওয়াটা ব্যক্তিগত ভাবে নিয়েছিলাম,আমার গায়ে লেগেছিলো যেহেতু আমিও একজন চিকিৎসক।
কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে না গিয়ে অপেক্ষা করছিলাম।

অবশেষে আমার অংক মিলে গেলো।আমি প্রমাণ পেয়ে গেলাম।
ভদ্রমহিলা যা লিখছেন তা সত্য নয়।

তিনি তার Trigeminal neuralgia এর জন্য Carbamazepine ড্রাগটা নিয়েছিলেন যা তিনি চিকিৎসককে জানাননি।তার ফ্যামিলিও চিকিৎসককে তা জানায়নি।তারা ব্যাপারটা গোপন করেছিলো।
এই ড্রাগ স্টিভেন্স জনসন সিনড্রমের জন্য দায়ী।
কিন্তু এখানে চিকিৎসক এর দোষ কোথায়?
চিকিৎসক কি গায়েব জানেন যে কোন ড্রাগ কার শরীরে কি সাইড ইফেক্ট করবে?

আপনি নিজে একটা ড্রাগ অন্য রোগের জন্য নিচ্ছেন।
সেটা আপনি চিকিৎসককে হাইড করলেন।
তারপর আপনার যেই ড্রাগের জন্য সাইড ইফেক্ট দেখা দিলো তা না বলে নিরীহ একটা ড্রাগের উপর দোষ চাপিয়ে যেই চিকিৎসককে অজাত গালি দেওয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় উপন্যাস লিখে সারাদেশের মানুষ শুদ্ধা গালি খাওয়ানোর আয়োজন খুব সুবিবেচিত কাজ হতে পারে না।

আমরা এমন জাতি কিছু একটা দেখলেই তদন্ত বিচার বিশ্লেষণ সত্য মিথ্যা নেপথ্যের অজানা কথা কিছু না জেনেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি,রায় দিয়ে ফেলি।
কিন্তু প্রকৃত সত্য ও প্রকৃত চিত্র যখন সামনে আসে, তখন দেখা যায় যিনি ভিক্টিম সেজেছেন, তিনিই আসলে,,,,

যেকোনো ব্যাপারে রয়েসয়ে নিজের মতামত দেওয়া উচিত।
কাউকে অজাত গালি দেওয়ার আগে বুঝা উচিত ঘটনা কি ঘটছে।

একজন নারী চিকিৎসককে মাঝরাতে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হলো বাম চোখের সমস্যায় ডান চোখে অপারেশনের অভিযোগ ও অপবাদ দিয়ে।
পরে দেখা গেলো তিনি কোন চোখেই কোন অপারেশনই করেননি।
তিনি বাচ্চাটার চোখের ফরেনবডি অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে ক্লিন করে দিয়েছিলেন।
তিনি মাঝরাতে গিয়ে বাচ্চাটার কষ্ট দূর করেছিলেন।
কিন্তু বাচ্চাটার অকৃতজ্ঞ অভিভাবক ও সাংবাদিক মিলে মিথ্যা রিপোর্ট করে সেনসেশন তৈরি করে বিনা অপরাধে একজন চিকিৎসককে হাতকড়া পড়িয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে আসলো।
এই যে একজন চিকিৎসক এভাবে অপমানিত লাঞ্চিত হলেন বিনা দোষে,এর দায় কার?

যেই দেশে একজন চিকিৎসক সঠিক চিকিৎসা দিয়েছেন কিনা এটা রোগীরা ফার্মেসীওয়ালার কাছে জানতে চায়,সেই দেশে চিকিৎসক হওয়া অভিশাপ।

ভাইরাল ভদ্রমহিলা যিনি স্টিভেন্স জনসন সিন্ড্রমে আক্রান্ত হয়েছেন,উনার সুস্থতা কামনা করি।
কিন্তু তিনি একজন চিকিৎসককে নিজের দোষ গোপন করে অজাত বলে গালি দিয়েছেন যা খুব অন্যায্য হলো।
আহমেদ জোবায়ের।

16/11/2024

ছবিতে আলীবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা এর সাথে যে ভদ্রমহিলাকে দেখা যাচ্ছে তিনি টং ওয়েনহং। টং ১৬ বছর আগে যখন রিসিপ্শনিস্ট হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তখন জ্যাক তাঁকে তাঁর কোম্পানীর ০.২% শেয়ার দিয়ে বলেছিলেন যে এর মূল্য ১০০ মিলিয়নের সমতুল্য হবে যখন আলীবাবা ভবিষ্যতে পাবলিক কোম্পানীতে রূপান্তরিত হবে। । তাই জ্যাক তাঁকে কোম্পানী বদল না করে আলীবাবার সাথে থাকতে বলেছিলেন ।
টং এর বছরের পর বছর অপেক্ষার পরেও আলীবাবা পাবলিক কোম্পানীতে রূপান্তরিত হলোনা। তখন সে ২০০৪ এ জ্যাক কে জিজ্ঞাসা করলো এ ব্যাপারে এবং জ্যাক উত্তর দিলো "শীঘ্রই হবে"। সে আবারো ২০০৬ এ জিজ্ঞাসা করলো এবং জ্যাক একই উত্তর দিলো "শীঘ্রই হবে"। যাইহোক! টং কখনই এটা হতে দেখলোনা এবং কখনই তার ১০০ মিলিয়ন পাওয়া হবে না ধরে নিলো।
অতপর , সেপ্টেম্বর ২০১৪ তে, দি নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে যখন আলীবাবা অবশেষে পাবলিক কোম্পানীতে রূপান্তরিত হলো তখন এটার মূল্য ছিলো প্রায় ২৪৫.৭ বিলিয়নের সমতুল্য।
টং তখন ফর্মার সিনিয়র রিসিপ্শনিস্ট ছিলেন ( বর্তমানে আলীবাবার ভাইস প্রেসিডেন্ট) এবং ত॒ৎক্ষণাৎ তার ০.২% শেয়ারের মূল্য হয়ে গেল ৩২০ মিলিয়ন সমতুল্যের।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে : আপনি কি একটি কোম্পানীতে ১৪ টি বছর থাকতে পারবেন ? এটা জেনেও যে প্রতিষ্ঠাতা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে কোম্পানীটাকে একটা প্লাটফর্মে নেওয়ার জন্য? তখনো কি আপনার অভিযোগ করাটা মানায়? সফল হওয়ার জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরতেই হবে, কখনই স্ব্ল্প সময়ে লাভবান হওয়ার জন্য অধৈর্য হলে চলবেনা।
____সংগৃহীত

30/10/2024

শুনেছি তুরস্কের বেশির ভাগ
মসজিদের দেওয়ালে একটা কথা লিখা থাকে !

কথাটি হলো :
"মুহতারাম !
নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে
পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন ।"💜

আরব প্রবাসীদের তথ্যমতে,
আরব দেশে
বাচ্চারা মসজিদে মোটামোটি উপস্থিত থাকে । তাদের যেখানে ইচ্ছা
খেয়াল খুশী মতো কাতারে দাঁড়ায় ।
বড়রা কিছু বলেনা,
এমনকি অনেক সময় নামাজের সময় বাচ্চারা পেছনে বা সামনে কোন কাতারে হইহুল্লোড় করছে, অথচ নামাজ শেষে ইমাম, মুসল্লি কেউ কিছু বলেনা ।💛

একদিন একজনকে জিজ্ঞেস করা হলো :
বাচ্চারা এতো ডিস্টার্ব করার পরও তাদেরকে কেউ কিছু না বলার কারণ কী ?
তিনি উত্তর দিলেন, 💝
বাচ্চারা হলো ফেরেশতার মতো ।
তারা এখানে আসবে, একটু দুষ্টামি করবে কিন্তু দেখতে দেখতে এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে ।
দুষ্টামির ব্যাপারটা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে, সেটা কোন ব্যাপার না ।
কিন্তু এখন যদি তাদেরকে মসজিদে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় কিংবা প্রহার করা হয়,
তাহলে তো সে আর কখনও আসতেই চাইবেনা ।

কতই না সুন্দর যুক্তি !!!

কিন্তু তার ঠিক
উল্টো চিত্র দেখবেন আমাদের বাংলাদেশে ।
আমি এমনও দেখেছি নাতীকে মসজিদে নিয়ে আসার কারণে দাদার সাথে
আরেকজনের মারামারি লেগে যাচ্ছিলো প্রায় । তাছাড়া এলাকার সিজনাল মুরব্বিরা তো মসজিদে গেলে বড় বড় মোল্লা হয়ে যায় ।
সামনের কাতারে তো ছোটদের দাঁড়াতে দেই না,
বরং বাচ্চারা আওয়াজ করলে
চড়-থাপ্পর এসব তো আছেই ।
আমাদের মতো মুসলিমরাএটাকে এড়িয়ে যায় ।

অতএব,
এ ব্যাপারে তরুণদের সতর্ক হওয়া দরকার, মুরব্বিদেরকে তাদের এসব বুঝানো এবং আমাদের এসব স্পষ্ট করা দরকার ।
তাহলে আমাদের আগামী প্রজন্ম তথা
বাচ্চারা মসজিদমুখী হতে আগ্রহী হবে ।

©️ কালেক্ট edited

28/10/2024

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী আবিষ্কার

দক্ষিণ কোরিয়ার অধ্যাপক Cho Jae-Won একটি যুগান্তকারী টয়লেট তৈরি করেছেন যা মানুষের বর্জ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল মুদ্রায় পুরস্কৃত করে।

প্রতিটি ব্যক্তির দৈনিক ৫০০ গ্রাম মল ৫০লিটার মিথেন গ্যাসে রূপান্তরিত হয়, যা 0.৫ kWh শক্তি উৎপন্ন করে। এই উদ্ভাবনী টয়লেটের ব্যবহারকারীরা "শিট কয়েন" নামে উপযুক্ত একটি ডিজিটালমুদ্রায় পুরস্কৃত হন।

অধ্যাপক Cho Jae-Won এর এই উদ্ভাবনী টয়লেট সিস্টেমটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শক্তি উৎপাদন উভয়কেই লক্ষ্য করে। এখানে কিছু মূল দিক তুলে ধরা হলঃ

১. বর্জ্য থেকে শক্তিতে রূপান্তর

প্রক্রিয়া: টয়লেটটি অ্যানারোবিক ডাইজেশন ব্যবহার করে, যেখানে অণুজীব অক্সিজেন ছাড়া জৈব বর্জ্যকে ভেঙে দেয়। এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন গ্যাস, বিশেষ করে মিথেন, renewable energy উৎস হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এই পদ্ধতি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি শক্তি উৎপাদনেও সাহায্য করবে।

২. ডিজিটাল মুদ্রায় পুরস্কার

ব্যবহারকারীরা টয়লেট ব্যবহারের জন্য ডিজিটাল মুদ্রায় (বা টোকেনে) পুরস্কৃত হন, যা টেকসই অভ্যাসগুলিকে উৎসাহিত করবে। এটি সঠিক বর্জ্য নিষ্কাশনের প্রতি ব্যবহারকারীদের আগ্রহী করে তুলবে।

৩. পরিবেশগত প্রভাব
মানব বর্জ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করে ল্যান্ডফিলের উপর নির্ভরতা কমানো যায়, যা পরিবেশ দূষণ হ্রাস করবে। উৎপন্ন বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে সহায়ক হবে।

৪. টেকসই সমাধান
এটি স্যানিটেশন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত বা অপর্যাপ্ত বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা রয়েছে।

৫. শিক্ষামূলক উদ্যোগ

শিক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে এ ধরনের সিস্টেমের বাস্তবায়ন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে কাজ করতে পারে।

28/10/2024

ব্রেকিং নিউজ!!
আলহামদুলিল্লাহ,
বাংলাদেশে হাই স্কুলের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণীর সব বই বাতিল।

21/10/2024

যারা পরীক্ষায় ফেল করেছে, তারা অটোপাস চায়। আমার পক্ষে অটোপাস দেয়া সম্ভব নয়। তারা চায়, সব সাবজেক্টে এসএসসির ম্যাপিং করে এইচএসসির ফল। পরীক্ষা না দিয়ে এভাবে পাস করানো যায় না। আমি এটা করতে পারবো না। তাই আমি বোর্ড চেয়ারম্যানের পদ থেকে প্রত্যাহার চেয়ে প্রত্যাহার পত্র দিয়েছি। এখন তারা সিদ্ধান্ত দেবে। আমি কোনোভাবেই অটোপাস দেয়ার বিনিময়ে এই পদে থাকতে চাই না।

-চেয়ারম্যান,ঢাকা বোর্ড

14/10/2024

#শ্রেষ্ঠ_মোটিভেশান 😍

এই মেয়েটাকে চিনে রাখুন। মেয়েটার নাম মনজিলা শাহরিয়ার এলোরা। পড়াশোনা করে কুয়েটে। তাঁকে নিয়ে কিছু বলার আগে তাঁর লাইফের গল্পটা তাঁর নিজের ভাষায় পড়া যাক-

"আমার ফ্যামিলি অনেক কনজারভেটিভ। আমার জন্মের আগে আমার একটা ভাই হয়েছিল,হওয়ার কয়েকমাসের মাথায় সে মারা যায়।এরপর আমি যখন গর্ভে এলাম,আমার আব্বু ধরেই নিয়েছিল আমি ছেলে হব।যখন আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করেই বুঝতে পারল তার মেয়ে হবে,তখন থেকেই সে আমাকে মেনে নিতে পারে নি।আপু,আমার মায়ের নাকি অনেক প্রসব ব্যথা উঠত,আব্বু কখনো আম্মুকে ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যায় নি।আমি আস্তে আস্তে বড় হলাম,আব্বু আমার সাথে কখনো ভাল করে কথাও বলত না,কখনোই না।

আমার ছোট একটা ভাই হল,দেখতাম তার প্রয়োজন ছাড়াও তার সব সাধ আহ্লাদ আব্বু এমনিতেই পূরণ করে দিত।অথচ আমার একটা ফ্রক দরকার,কিংবা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু দরকার,সেটাও কোনদিন দেয় নি আমাকে।আপু,আমার বাসা নীলফামারীর ভবানীগঞ্জ।আমার পরিবার মধ্যবিত্তই বলা যায়।আমি যখন ক্লাস ফাইভে উঠলাম,আমার মনে হল একটা প্রাইভেট বোধ হয় পড়া দরকার।আব্বু ক্ষেতে কাজ করছিল,উনি কৃষি কাজ করেন।ওই সময় আমি আব্বুর কাছে প্রাইভেটের জন্য টাকা চাইতে গেলাম।জানেন আপু,আব্বু তার হাতের কোদালটা নিয়ে আমাকে মারতে আসল!..আমি ছোট থেকেই অনেক জেদি ছিলাম।আমার ঠিক ওই মুহূর্তে মনে হল, আমি কোন একদিন আমার বাবার মেয়ে হব,জীবনে কিছু একটা করব যাতে বাবা গর্ব করতে পারে তার মেয়েকে নিয়ে।

ফাইভে পরীক্ষা দেয়ার পর বাসা থেকে বলল আমাদের গ্রামেরই একটা হাইস্কুলে ভর্তি করাবে...কোনভাবে পড়তে থাকুক যতদিন পড়ানো যায়,তারপর তো বিয়েই,মেয়েদের আবার এত পড়ে কি হবে!কিন্তু আমার খুব ইচ্ছা ছিল আমি নীলফামারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হব,শুনতাম স্কুলটা নাকি অনেক ভাল।স্কুল বাসা থেকে ১৪কি.মি দূরে।কোনভাবেই দিবে না ওখানে পড়তে।আমার জেদ চেপেছিল খুব।কিন্তু ওই বয়সে আমি ফরম কেনার টাকা কই পাবো!...এক আংকেল কে বলে ফরম ফিলাম করালাম।বাসায় না জানাতে অনুরোধ করলাম খুব।তারপর একদিন বাইরে যাওয়ার কথা বলে যে কাপড়ে ছিলাম,সেভাবেই বাসে উঠে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলাম।বাসের ভাড়াটাও দিতে পারি নি।চান্স হল।ভর্তি করাবে না।মামাকে ফোন দিয়ে অনেক কান্নাকাটি করার পর মামা ভর্তির টাকা দিলেন।আপু জানেন,যেদিন আমি এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেলাম,সেদিন থেকে প্রথম আমার আব্বু আমার সাথে একটু করে কথা বলতে শুরু করলেন।আমার খরচ দেয়া শুরু করলেন একটু আধটু।কি যে ভাল লাগত আপু!...

....যখন ক্লাস ১০ এ উঠলাম,কি জানি হল আমার।আমার অজান্তেই সেইম ক্লাসেরই একটা ছেলের সাথে যোগাযোগ বেড়ে যাচ্ছিল,মনে হচ্ছিল লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছি।আপু,গ্রাম তো,কিছু হওয়ার আগেই অনেক কিছু ছড়িয়ে পড়ল আশেপাশে। আব্বু অনেক চিল্লাপাল্লা করল।আমাকে বিয়ে দিয়েই দিবেন।আমি অনেক কাঁদলাম।আমার সাথে আবার আগের মত ব্যবহার শুরু করলেন।কোনভাবে আমি এসএসসি দিলাম।গোল্ডেন আসল।কিন্তু কলেজে ভর্তি নিয়ে সেই আগের অবস্থা।মেয়েকে আর পড়াবে না।আমি আমার জমানো বৃত্তির টাকা দিয়ে ভর্তি হলাম। বাসায় তো ঝামেলা হতই।আমি সব পরীক্ষায়ই একা একা যেতাম।এইচএসসি জীববিজ্ঞান পরীক্ষার আগে সেই ছেলেটাকে আমি একটা প্রশ্নের উত্তর বুঝিয়ে দিচ্ছিলাম।আমাদের মধ্যে কখনোই কিছু ছিল না।বাবা কোত্থেকে আমাকে দেখতে পেলেন।এরপর সে আমাকে আর পরীক্ষা দিতেই দিবে না।আমি অনেক কান্নাকাটি করলাম।কাজ হল না।এরপর এক বড় সিদ্ধান্ত নিলাম।এক আন্টির বাসায় পালিয়ে উঠলাম।অনেক অনুরোধ করলাম বাসায় না জানাতে।সবাই ধরে নিয়েছিল কোন ছেলের সাথে পালিয়ে গেছি।জানেন আপু,আমি বোরখা পড়ে বাকি পরীক্ষাগুলো দিয়েছি।সব শেষ হলে বাসায় ফিরে যাই,অন্যের বাড়িতে আর কয়দিন!তারপর সবার আচরণ যেমন হওয়ার তেমনই হয়েছিল।

যাইহোক,আমার মনে হল,ভর্তি কোচিং করাটা খুব জরুরি, আমি তো হারতে চাই না।আব্বু বলল পড়লে জাতীয় তে পড়বে।পরের বাড়িতেই তো যাবে!...যখন দেখছিলাম কোনভাবেই কিচ্ছু হবে না,তখন জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলাম।ঢাকার একটা কোচিং থেকে কয়েকজন ভাইয়া এসে একটা পরীক্ষা নিয়েছিল,সেখানে আমি ফ্রি কোচিং এর স্কলারশিপ পাই।আমার হাতে পাঁচশ টাকা আর মায়ের ফোনটা নিয়ে আমি এক কাপড়ে বাসা থেকে বের হয়ে যাই।ঢাকা কই,কিভাবে যায় কিচ্ছু জানি না।শুধু জানি আমাকে কোনভাবে ঢাকায় কোচিং এ যেতে হবে।অনেক কষ্টে যখন ঢাকা পৌঁছালাম, আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না।রাস্তার পাশে বসে অনেকক্ষণ একা একা উচিত চিৎকার করে কাঁদলাম।নাম্বার ছিল একটা ভাইয়ার।উনি ফোনে যাওয়ার রাস্তা বলে দিলেন।গিয়ে জানলাম,ওখানে থাকা খাওয়ার খরচ দেয়া হয় না।আমার সব কথা শুনে উনারা ব্যবস্থা করলেন।কিন্তু এক সপ্তাহ হওয়ার আগেই আমার খুব আত্মসম্মানে লাগল,কেন উনাদের টাকায় আমি চলব।

. আমি ভাইয়াদের বলে বাসায় ফিরে গেলাম।গ্রামের মানুষ জন আবার আমার নামে যা ইচ্ছা তাই রটিয়ে চলছে।আমি অবশ্য যাওয়ার সময় বাবাকে ফোনে বলেছিলাম,আমাকে তো কোচিং করাবা না,আমি নিজেই চেষ্টা করি।ফিরে এসে তিনটা মাস আমি আব্বুর সাথে কথা বলি নি।একটা রুমে একা একা থাকতাম।আপু,ফরম ফিলাপের সময় চলে আসল,আমার কাছে টাকা নাই।কেউ টাকা দিবেও না।কি করব বুঝতে পারছিলাম না।সেসময় আমার এসএসসির সাধারণ বৃত্তি আর উপবৃত্তির টাকা দিল।বুয়েট, কুয়েট আর রুয়েটের ফরম তুললাম।ঢাকা ভার্সিটির টা তুলতে পারি নি দুবার কিভাবে ঢাকা আসব এজন্য।সব জায়গায় একা যেতাম।কুয়েটে সিএসই আসার পর অনেকেই বলল ভর্তি হয়ে যেতে।কেউ আমাকে ভর্তির টাকা দিচ্ছিল না।বিশ্বাস করেন আপু,আমার কোন উপায় ছিল না।

আমি মায়ের গয়না চুরি করলাম। চিঠি লিখে রেখেছিলাম,'মা,আমার কিছু করার ছিল না'।কোন জুয়েলার আমার কাছ থেকে কিনে নি।কিছু আন্দাজ করেছিল বোধ হয়।কোন পথ না পেয়ে আমি ডিসিশন নিয়ে নিলাম সুইসাইডের।এভাবে আমি শেষ হতে পারব না।খুব কাঁদলাম।হুট করে আমার মায়ের কথা মনে হল,এমন পরিবারে আমার মায়ের টিকে থাকতে না জানি তাহলে কত কষ্ট করতে হয়েছে।মা কে জড়িয়ে ধরে আমার জীবনের প্রথম আর শেষ চাওয়াটা চাইলাম,আমাকে ভর্তি করায়া দাও।মা তখন নিজের গয়না বিক্রি করে আমাকে টাকা দিলেন।

এর পর বাবা একদিন বাজারে গেলেন।সেখানে সবাই ডেকে ডেকে উনাকে আমাকে নিয়ে এলাকার সবার গর্বের কথা বললেন।তারপর আপু,কিভাবে বলব....বাবা হুট করে আমার রুমে এসে...আপু,আব্বু আমার পা ধরে কান্না শুরু করলেন।আমি ছাড়াতেই পারছিলাম না।বাবা আমাকে নিয়ে প্রথমবারের মত গর্ব করলেন।আমাকে বললেন,আমার সাথে প্রথম ক্লাসের সময় সাথে যাবেন।আমি খুশিতে সবাইকে ফোন দিই।আমি সার্থক,আমি আমার বাবার মেয়ে হতে পেরেছি।বাবা আমাকে ভালভাবে পড়ালেখা করতে বলেছেন...."

মেয়েটা কোন ভাবে কান্না চেপে রাখছিল।তারপর বলল,"সিএসই তে পড়লে যে শুরু থেকেই ল্যাপটপ লাগে,আমি জানতাম না।বাবা অবশ্য বলেছেন কষ্ট হলেও কিনে দিবেন।আমি ডিপার্টমেন্ট এ ল্যাপটপ এর জন্য আবেদন করেছি।সারাজীবন নিজের পড়ালেখার সব নিজেই চালিয়েছি,এখন আর আব্বুকে প্রেশার দিতে চাই না...ফোনেই কোডের কাজ টা চালিয়ে নিচ্ছি।"

অনেকেই আমার কাছে নক দিয়ে জানতে চাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রিপারেশন কিভাবে নিবো?

লেখাটি প্রোফাইলে সেইভ করে, কিংবা শেয়ার করে রেখে দেন। আজ থেকে মোটিভেশন চাইলে এটা পড়বেন, দেখবেন আপনার লাইফটা কতটা Blessed.

আমাদের কাছে এই মেয়ে হচ্ছে Real Hero. এই Hero কে শ্রদ্ধা ও শুভকামনা!

#সংগৃহীত

( যিনি লিখেছেন, তার জন্য 🥰 )

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Paterbag, Shia Mosjid Road, South Dania-Dhaka
Dhaka