23/02/2025
তোমাকে খুঁজছে কেউ! তুমি কি মামুন?
প্রিয় মামুন,
তোমার নামের সাথে যদি এই গল্প মিলে যায়, তাহলে শোনো, কেউ একজন তোমাকে আজও মনে রেখেছে!
‘‘আমার নাম জামিলা, বর্তমানে আমি ঢাকার বাইরে থাকি। তেজগাঁও শিল্প এলাকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমি অধ্যয়ন করেছি। এখানে পড়ার সময় আমি একজনকে খুব ভালোবাসতাম। তার বিষয়ে আমি তেমন কিছুই জানি না, শুধু তার নাম ছাড়া। তার নাম মামুন। সময়টা তখন ২০১৮ কিংবা ২০১৯ হবে। আমি তখন চতুর্থ শ্রেণীতে, আর মামুন সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
সে ক্রিকেট খেলতো—আমাদের স্কুলের মাঠে কিংবা পাশে থাকা সরকারি কোয়ার্টারের মাঠে। প্রায়ই ওকে খেলতে দেখতাম। দূর থেকে ওকে দেখতাম, কখনো সামনে গিয়ে কথা বলার সাহস হয়নি। বলতে পারেন, ওয়ান সাইড লাভ। মাঝে মাঝে ও মেয়েদের সাথে ব্যাডমিন্টনও খেলতো। আমি প্রতিদিন ওকে দেখতাম দূর থেকে।
একদিন, হঠাৎ ও বুঝে যায় যে আমি ওর দিকে তাকিয়ে আছি। তারপর ও এসে বলেছিল, ‘এই মেয়ে, এখানে কি? ক্লাস নাই? যাও, ক্লাসে যাও!’ আমি দৌড়ে চলে আসি। এরপর বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়ে যায়। পরীক্ষার পর আমি আমার পরিবারসহ গ্রামের বাড়ি চলে যাই। তারপর থেকে আর কখনো ওকে দেখার সুযোগ হয়নি। ওর সাথে যোগাযোগ তো দূরের কথা, ও এখন কোথায় আছে, কেমন আছে—কিছুই জানি না। শুধু জানি, আমি এখনো ওকে ভুলতে পারিনি।’’
আমাদের পক্ষ থেকে:
প্রিয় মামুন, যদি তুমি এই পোস্টটি দেখে থাকো, তাহলে দয়া করে আমাদের পেজে যোগাযোগ করো। কিংবা মামুনের কোনো বন্ধু, বিশেষ করে সাহাদাত, রমজান, যদি তোমরা এই পোস্টটি দেখো, তাহলে দয়া করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করো। তোমাদের বন্ধুর কেউ একজন এখনো তার পুরনো দিনের অনুভূতি বয়ে বেড়াচ্ছে, তাকে একটু সাহায্য করো!
💌 যোগাযোগ: সরাসরি আমাদের পেইজে
বন্ধুত্ব কখনো পুরোনো হয় না, ভালোবাসার অনুভূতি মুছে যায় না। সময়ের বাঁধা হয়তো অনেক কিছু কেড়ে নেয়, কিন্তু যদি কপালে থাকে, তবে পুরোনো বন্ধন ফিরে আসবেই।
💙 এই পোস্টটি শেয়ার করুন যেন মামুন কিংবা তার বন্ধুরা এটি দেখতে পায়! হয়তো একজন পুরোনো স্মৃতির মানুষ তার প্রিয়জনকে খুঁজে পাবে!
20/02/2025
বন্ধু সন্ধান অভিযাত্রা
আবারও হাত ধরে, বন্ধুত্বের পথচলা
প্রিয় প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আমাদের সকলের শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তেজগাঁও শিল্প এলাকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখানেই আমাদের পড়াশোনার হাতেখড়ি, এখানেই আমরা বানিয়েছি আজীবনের জন্য কিছু প্রিয় মুখ, কিছু অবিচ্ছেদ্য বন্ধন।
কিন্তু সময়ের স্রোতে সেই প্রিয় মুখগুলো হারিয়ে গেছে। স্কুল শেষ করে জীবন নানা পথে ছুটেছে, অনেকের সঙ্গেই আর কোনো যোগাযোগ নেই। প্রিয় বন্ধুরা কোথায়, কেমন আছে—এই প্রশ্ন হয়তো আমাদের অনেকেরই মনে উঁকি দেয়।
তাই, আমাদের পক্ষ থেকে একটি উদ্যোগ নিয়েছি – বন্ধু সন্ধান অভিযাত্রা।
এই উদ্যোগের কাজ হবে হারিয়ে যাওয়া পুরোনো বন্ধুদের খুঁজে বের করতে সহায়তা করা।
আপনি যদি আপনার কোনো স্কুলজীবনের প্রিয় বন্ধুকে খুঁজে পেতে চান, তাহলে আমাদের কাছে তথ্য দিন। হয়তো সেই বন্ধুও আপনার খোঁজ করছে!
তথ্য দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু বিষয়:
১. আপনার নিজের নাম: (যিনি সন্ধান চাচ্ছেন) ২. কোন সালে কোন শ্রেণীতে পড়েছেন: (প্রায় সময়কাল জানানো) ৩. বন্ধুর নাম: (সম্পূর্ণ নাম জানালে ভালো) ৪. বন্ধুর সাথে স্মরণীয় কোনো ঘটনা: (যা শুধু আপনাদের দুজনেরই জানা, বন্ধুটি পড়লেই চিনতে পারবে) ৫. বন্ধুর কোনো বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা পরিচিতি: (যেমন – খেলাধুলায় ভালো ছিল, ছবি আঁকতো, গান গাইতো, ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিল, কিংবা কোনো মজার ডাকনাম)
উদাহরণ:
নাম: রফিকুল ইসলাম রফিক সাল: ২০০৮ সালে ক্লাস ৭-এ পড়তাম বন্ধুর নাম: জহিরুল ইসলাম (ডাকনাম: জাহি) স্মরণীয় ঘটনা: আমরা দুজন একসাথে স্কুলের মাঠে লুকোচুরি খেলতাম, একবার স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেলায় গিয়েছিলাম। সেই ঘটনা বললেই ও চিনে ফেলবে। বিশেষ পরিচিতি: জাহি খুব ভালো ফুটবল খেলতো, সবাই ওকে স্কুলের মেসি বলত।
আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা খোঁজার চেষ্টা করব। আর এই পোস্টটি শেয়ার করুন যেন আপনার বন্ধুর কাছে পৌঁছাতে পারি।
বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক, স্মৃতির পাতায় হারিয়ে যাওয়া মুখগুলো ফিরে আসুক।
যোগাযোগ: সরাসরি পেইজে যোগাযোগ করুন
বন্ধু সন্ধান অভিযাত্রা তেজগাঁও শিল্প এলাকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ সোহেল (পেইজ এডমিন)
28/08/2024
অভিনন্দন বাংলাদেশী যুবাদের, প্রথম বারের মত সাফ অনু-২০ টাইটেল জেতার জন্য
20/09/2023
⛔⛔বিশেষ ঘোষণা⛔⛔
তেজগাঁও শিল্পএলাকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০১৫ ও ২০১৬ JSC ব্যাচ এর সকল প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে একটি পুনর্মিলন আয়োজন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
খুব দ্রুত তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। আপনারা যারা ২০১৫-২০১৬ সালের জেএসসির ছাত্র ছাত্রী ছিলেন তারা নিজ উদ্যোগে প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন।
আপনার অপেক্ষায় পুরানো সেই আঙ্গিনা। 🖤
25/12/2022
#একটি_মানবিক_সাহায্যের_আবেদন
সম্মানিত ভাই ও বোনেরা আসসালামু আলাইকুম।কেদারখোলা গ্রামের মৃত সোবান মিয়ার ছেলে মোঃ-ইকবাল হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ কোমড়ে ও পিঠের ব্যাথায় ভুগছেন। কিছু দিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে ডাক্তার পরিহ্মার রিপোর্ট দেখে বলছে তার মেরুদন্ড বাকা হয়ে গেছে ও কোমড়ের জয়েন্টের সমস্যা তাই ডাক্তার বলেছেন অতি দ্রুত অপারেশন করতে হবে। আপনাদের দোয়া ও আর্থিক সাহায্যের কামনা করছি।
মোঃ ইকবাল হোসেনের পরিবার খুবই অসহায় ও দরিদ্র কিছু আগে তার বাবা মারা গেছেন তাদের পক্ষে চিকিৎসার খরচ বহন করা কষ্টকর হয়ে পরেছে।
আপনাদের কাছে আকুল আবেদন ইকবালের চিকিৎসা করতে সাদ্য মত আর্থিক সাহায্য করুন
বিকাশঃ- 01734507400 পার্সোনাল।
নগদঃ- 01785532374 পার্সোনাল।
যোগাযোগঃ 01799973466(রুগি বড় ভাই তৈয়ব মিয়া)
প্রচারেঃ- সেবা ফাউন্ডেশন কেদারখোলা।
27/09/2022
2012 সালের ঘটনা। আমি তখন আপনাদের স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। স্কুলের ফটক দিয়ে ঢুকতেই হাতের বাম পাশের নিচ তলার যে ছোট রুমটা আছে?( বাতরুমের পাশে) সেই ক্লাসটা ছিলো আমার ক্লাস। সেই ক্লাসে বসে কত মজা করেছি কত সৃতি রয়েছে। তখন আমাদের স্কুলের একটা আতঙ্কের নাম ছিলো অঞ্জন স্যার। উনি ইংরেজি শিক্ষক ছিলো। দেখতে হেংলা পাতলা, চোখ গুলো মনে হয় বের হয়ে আসতেসে। লম্বাই প্রায় ৬ ফুটের কাছাকাছি। চুল গুলো ছিলো একে বারে ছোটো ছোটো এবং গোটা গোটা সাদা। সব সময় চোখে মুখে একটা রাগ বহন করতো। মোটা দেখতে একটা বেত নিয়ে আসতেন ক্লাসে। উনি ছিলেন সেই সকল স্টুডেন্টের জম যারা ঠিক মতন পড়াশোনা করতোনা। আমি ছিলাম তাদের একজন। ইংরেজিতে সব চাইতে দুর্বল ছিলাম। সম্ভবত পুরো স্কুলের মধ্যে আমি তার কাছ থেকে সব চাইতে বেশি মার ও বোকাঝকা খেয়েছি। উনাকে এতটাই ভয় পেতাম যে, যখনি উনি ক্লাসে ঢুকতেন মনে হতো আমার হৃদস্পন্দন কাপন শুরু হতো। এবং ক্লাসে এসে উনি আমাকেই প্রথম পড়া জিজ্ঞাসা করতো। পারতাম না।
একদিন হলো কি আমাদের একটা ক্লাস পরিক্ষা নেওয়া হয়েছিলো। পরিক্ষা দেওয়ার পরের দিন রেজাল্ট দিলো। পুরো ক্লাসের মধ্যে আমি সব চাইতে কম নাম্বার পেয়েছিলাম। উনি আমার রেজাল্টা সবার সামনে শুনিয়ে বললো ‘কাছে আয়, নিয়ে যা তোর খাতা’। আমার মনে হচ্ছিলো আজকে উনি আমাকে মেরেই ফেলবেন। আমি ভয়ে যাচ্ছিলাম না। উনি চিৎকার করে বলে উঠলেন ‘এই বেটা, আসছিস না কেনো?নাকি আমি তোর সামনে যাবো?’
আমি ভয়ে ভয়ে গেলাম সামনে। উনি আমাকে আমার খাতা টা আমার মুখের মধ্যে ছুড়ে দিয়ে বললো ‘আগামী কাল তোর বাবা মা সহ স্কুলে আসবি। এসে আগে আমার সাথে দেখা করবি।’’
স্কুল ছটি হওয়ার পর বাসাই চলে আসলাম। আমি ভয়ে বাসাই কিছু বলি নাই। বাসায় শুনলে বাবা মা ও বকবে। এভাবে ৩ দিন আমি স্কুলে যায় নাই। আমার মা আমাকে বললো ’ স্কুলে যাস না কেনো?’ পরে আমি সব বলে দিলাম। আমার বাবা কাজের চাপে থাকতো তাই উনি যেতে চাইলো না আমার সাথে। অন্য দিকে আমার মা সংসারের কাজের চাপ বেশী থাকাতে উনিও যেতে পারলো না। পরে আমার খালু রাজি হলো যাওয়ার জন্য। উনি ছিলেন একজন মুক্তি যোদ্ধা আর ততকালিন আমাদের স্কুলের সহ কারি প্রধান শিক্ষক ছিলেন তাহের স্যারের সাথে ছিলো বন্ধুত্ব পুর্ণসম্পর্ক। তাই উনাকে নিয়ে গেলাম। কিন্তু স্কুলের ভিতরে ঢুকতেই আমি অঞ্জন স্যার কে দেখতে পেয়ে ভয়ে দৌড় দিয়ে বাসাই চলে আসি। মা জিজ্ঞাস করাতে আমি বলি খালু স্কুলে ঢুকার পর উনাকে খুঁজে পাই নাই।
পরের দিন আমার সাথে বড় ভাইয়া গেলো। ঐদিন আর দৌড় দেয়নাই। আমার ভাইয়া স্যারের সাথে কথা বলে আমাকে ক্লাসে পাঠালো। পরে ভাইয়া চলে গেলো। ক্লাসে স্যার এসে আমাকে বললো ‘তোর বাবা মা কে আনতে বলসি,তুই তোর ভাইয়াকে আনসোস। রংবাজি করতে আসছিস স্কুলে? আমি উনার কথার কোনো উত্তর দেয় নাই।
এটি ছিলো উনাকে নিয়ে আমার ছোট্ট একটা ঘটনা।
এই মুহুর্তে যদি কেউ এসে বলে আমার জীবনে দেখা সেরা শিক্ষক কে? আমি নিঃসঙ্কচে বলবো ‘‘অঞ্জন স্যার’’
আমি উনার মধ্যে এমন এমন বৈশিষ্ট্য দেখেছি যা আজ অবদি কোনো শিক্ষকের মধ্যে দেখিনি।
উনি সকল শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে দূর্বল শিক্ষার্থীদের কে বেশি বেশি নজরে রাখতেন। উনি সকল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল শেষে ফ্রী কোচিং করাতেন। উনি ইংরেজিতে এতটাই দক্ষ ছিলেন যে উনি আমাদের এই সরকারি স্কুলটাকে ইংলিশ মিডিয়ামে পরিণত করার স্বপ্ন দেখতেন। ক্লাসে উনি কিভাবে ইংরেজি কথা বলতে হয় তা শিখাতেন। একজন আরেক জনের সাথে ইংরেজিতে কথা বলার প্রেক্টিস করাতেন। কিন্তু উনি বেশিদিন থাকতে পারলেন না আমাদের স্কুলে। উনি স্বরযন্ত্রনার শিকার হয়ে এই স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন।
যখন আমি ক্লাস সিক্সে উঠলাম? (২০১৩ সালে) তখন উনি বহিস্কার হন কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে।
তোমরা যারা বর্তমানে এই স্কুলে পড়ছো? তারা অধিকাংশই এই শিক্ষককে চিনবে না। আজ আমার খুব মনে পড়ছে উনার কথা। উনি বেচেঁ আছেন নাকি মারা গেছেন জানি না। আমার খুব ইচ্ছে হয় একটা বার উনার সাথে দেখা করার।
উনাকে একটা বার জড়িয়ে ধরার আর বলার ‘স্যার আপনার সেই দূর্বল শিক্ষার্থী যে ইংরেজিতে একদম দূর্বল ছিলো? সে আজ একজন হয়ে গেছে। আপনি ছিলেন আমার প্রথম অনুপ্রেরণা। আপনাকে খুব ভালোবাসি স্যার।
এত সময় নিয়ে শোনার জন্য আপনাদের সকলে অনেক অনেক ধন্যবাদ....
আপনিও আপনার প্রিয় শিক্ষক কে নিয়ে লিখে জানাতে পারেন। আমরা শুনবো আপনাদের কথা।
22/06/2022
সাধারণ জ্ঞান বাড়ানোর জন্য এই পেইজটি ফলো করতে পারেন।
General Knowledge
08/06/2022
আপনারা আপনাদের ফেইজবুকের আইডিতে আমাদের স্কুলের এই পেইজটি এড করেছেন তো?
না করে থাকলে এক্ষুনি করে নিন
06/06/2022
অনেকেই ভাবছেন এটা অফিসিয়াল স্কুলের পেইজ। আমি এর আগেও বলছি এখনো আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, এই পেইজটি স্কুলের কোনো শিক্ষক নিয়ন্ত্রন করেন না। এটি একান্তই একটি ফ্যান পেইজ যা আমি মোঃ সোহেল নিয়ন্ত্রন করি।
আমি ২০১৫ সালের প্রথম J.S.C ব্যাচ এর ছাত্র। স্কুলের প্রতি একটা আবেগের ফলে এই পেইজটি খুলেছিলাম। তবে কখনো ভাবিনি আপনারা এতটা সাড়া দিবেন। সকলের কাছে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত যে স্কুলের বর্তমান অবস্থার কোনো তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে পারছিনা বলে।
ধন্যবাদ...
06/06/2022
প্রিয় প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীরা, বর্তমানে কে কি অবস্থায় আছো? কে কে এখনো পড়াশোনা করছো আর কে কে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছো? কমেন্টে জানিয়ে দাও তোমার বর্তমান অবস্থা।
24/04/2022
জরুরী ঘোষণা।
সংগত কারণ বসত এবং সাধারন কিছু সমস্যার কারণে অনেকে জানিয়েছেন যেনো আমাদের মিটআপ এর ডেট টা একটু পিছানো হয়। কেননা ঈদের দিন অনেকে গ্রামের বাড়ি যাবে। আপনাদের সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আপাতত আমাদের মিটআপ ঈদের দিন হচ্ছে না। আমরা চাই যেনো সকলে আসতে পারে কেউ যেনো বাদ না যায়। হঠাৎ ডেট পরিবর্তনের জন্য সকলের কাছে আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
পরিবর্তিত সময় জনানো হবে। ততদিনে আপনারা আপনাদের চেনা পরিচিত বন্ধুবান্ধব দের খবরটা জানিয়ে দিন।
ধন্যবাদ...
16/04/2022
★★★ঘোষণা★★★
পবিত্র মাহে রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকল প্রাক্তনদের উদ্দেশ্যে একটি ঘোষণা। এই ঈদে সকল প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী র জন্য একটি মিট আপ এর আয়োজন করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি কোনো শিক্ষক এর তরফ থেকে করা হয় নি।বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীদের উদ্যোগে এই আয়োজন। আপনারা যারা পুরোনো বন্ধুবান্ধব / বান্ধবী দের সাথে মিট করতে চান? চলে আসুন ঐতিহাসিক তেজগাঁও শিল্প এলাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে। আপনার অপেক্ষাই থাকবে আপনার সেই অনেক দিন আগে হারিয়ে যাওয়া বন্ধু.....
বর্তমান সকল শিক্ষার্থীরা ও আসতে পারেন।
সময় সূচিঃ ঈদের দিন বিকাল ৩ ঘটিকা। স্কুল প্রাঙ্গনের সামনে। ঢাকা ১২০৮ তেজগাঁও শিল্প এলাকা।