SSC 2002 AND HSC 2004 STUDENTS OF BD

SSC 2002 AND HSC 2004 STUDENTS OF BD

Share

We are the students of the batch SSC 2002 & HSC 2004. Only those who are the candidates of SSC 2002 and HSC 2004 can be friends or members.

Our main goal and purpose is to promote friendship. We all believe in equality and equal rights..

26/05/2021

কোনো শাসক কিংবা নেতার মোটেও উচিত নয়......

07/05/2021

উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যঃ
অঃ- ফেছবুক প্রাইভেট গ্রুপ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটা বয়সী বা যে কোন একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়, সমাজ, মণ্ডলী, জনসাধারণ, যৌথ অধিকার, যৌথ ভোগ, সম্প্রদায়, গোষ্ঠী, দল, জনসমাজ নিয়ে গঠিত হয়। সুতরাং গ্রুপ যে কেউই খুলতে পারে কিন্ত সবার অধিকার সমান হয়। এই গ্রুপটা সকল এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি ২০০৪ সালের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সর্বদাই উন্মক্ত থাকিবে বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং যেকোন সিন্ধান্ত একা কেউ নিতে পারবে না, অধিকাংশ পরিচালনা পর্ষদের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ ও সর্বজন গৃহীত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে কোনো সিন্ধান্ত নিতে হবে। সুতরাং এই গ্রুপে থাকা সকল সদস্যের লেখা, পোষ্ট, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার তার নিজস্ব স্বাধীনতা। শুধুমাত্র সংগ্রহীত বিষয়ের কিছু হলে উল্লেখ্য করে দিতে হবে " #সংগ্রহীত" এবং যে কোন ধরনের লিঙ্ক শেয়ারের ক্ষেত্রে সেটা কোন মতেই লিঙ্কের কন্টেন্ট পোষ্টে শো করানো যাবেনা সেজন্য লিঙ্কের বিষয়ের সাথে সাদৃশ্য বা নিজের কোন ছবি দিয়ে যথাযথ ক্যাপশন সহ পোষ্ট করা যাবে।

আঃ- আর নিয়ম কানুন তেমন কিছুই আপাতত নেই, শুধু মাত্র ICT ACT 2018, BANGLADESH / ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ ( বিশেষ করে ২০১৮ সনের ৪৬ নং আইন ) মেনে আমরা সবাই সমস্ত কাজকর্ম চালাবো এই আশা ব্যক্ত করছি। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে আমার লেখা, পোষ্ট, কমেন্ট, লাইক শেয়ার, কাউকে কোন কথার উওর দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের সামাজিক মর্যাদা, পারিবারিক দীক্ষা ও বাবা-মা হতে শিক্ষার মানদন্ড বুঝায়, যেটা কারো জন্যই সুখকর নয়। সবাই স্বাধীন ভাবে শালীনতা/ মার্জিত/ সুন্দর/ শোভন/ সভ্যতার সাথে তার মতামত প্রকাশ করতে পারবে। অন্যকে সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কারো কোন ভুলের জন্য আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজে অনুতপ্ত হয়ে সবার উদ্দেশ্য পোষ্ট করেন তার জন্য তবে সে ভুল মার্জনীয় (একাধিকবার নয়)। অন্যান্য নিয়ম কানুন পরবর্তীতে আসতে পারে।

ইঃ- আমরা যারা এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি ২০০৪ সালের ছাত্রছাত্রী ছিলাম সেই সব বন্ধুদের নিয়ে বন্ধুত্তের অঠুট বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সারা জীবন একসাথে চলা আমাদের অঙ্গীকার, যেখানে থাকবে না কোন রেষারেষি, রাজনীতি, পেঠনীতি, লিঙ্গ বৈষম্য, অন্যের উপর ক্ষমতার দাপট দেখানো। ক্ষমতার জোরে বন্ধুদের নেটওয়ার্ক থেকে কাউকে বিচ্ছিন্ন না করা, কোন ধরণের বিচার বহির্ভূত সিন্ধান্ত না নেওয়া, বন্ধুদের টাকা নিজের মত করে খরচ না করা।

ঈঃ- গ্রুপ ক্রিয়েটর বা মডারেটর হিসাবে সুপার পাওয়ার দেখানো বা অন্যকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা এই সব কিছুই এইগুরুপের উদ্দেশ্য বহির্ভূত। এখানে সবাই বন্ধু এবং বন্ধুদের মতই আচরন করবে এবং অন্যের কাছে থেকে সেটাই প্রত্যশা থাকবে।

উঃ- সাধ্যমতো একে অপরের বিপদে-আপদে, সুখে-দুক্ষে এগিয়ে আসার চেষ্টা করা। সারাদিনের কর্ম ব্যস্ততাময় জীবনের পরে দিনশেষে পোষ্ট, লাইক, কমেন্টের মাধ্যমে মজার আড্ডায় মেতে উঠা এবং সুন্দর সুন্দর লেখা বা বিষয়বস্তু শেয়ার করা। পরিশেষে আমরা সবাই জেনো কমপক্ষে একজন ভালো নতুন বন্ধু পাই ও প্রত্যেকেই একজনের হলে ও উপকারে আসি।

ঊঃ- আপাতত লক্ষ্য ও ব্যস্ততা, কমপক্ষে ৫০ জন ( দ্রুত সেবা প্রদান বা পোষ্ট অনুমোদন করা) মডারেটর নির্বাচন করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে সারা বাংলাদেশ থেকে! মডারেটরদের যা থাকতে হবেঃ- নিঃসন্দেহ ভালো মন মানুষিকতা, ভালো চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা বা লেখালেখির হাত, অবশ্যই ধান্দাবাজ না!!! সেই সঙ্গে যদি কেউ ভালো ব্যাবসা বা জব করেন তবে তো কোন কথাই নাই কারন এদের মন মানুষিকতা ভালো এবং ধান্দাবাজ না। এমন আগ্রহী কেউ থাকলে SSC 2002 AND HSC 2004 STUDENTS OF BD পেজ ইনবক্সে বা এইখানে মেসেজ দিবেন এইটাই আশা করছি।

ঋঃ- এছাড়া সব বন্ধুদের মতামত কে প্রাধান্য দিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আশা করছি সবাই সাথে থাকবে।

06/05/2021

জীবন যা শেখায় নাঃ ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের গল্প মানুষ আর মননভেদে নানা রকম। একেক জনের গল্প একেক রকম হলেও সবার জীবন সামনে এগিয়ে চলছে। কেউ বা ধীরে আবার কেউ বা দ্রুত-সবাই সামনে এগোনোর প্রচেষ্টায় প্রহর গুনছে। জীবন থেকে কিছু বাস্তব শিক্ষা নিতে পারেন।

১. জীবন সব সময়ই সচল। আপনি এখন যে কর্মস্থলে কাজ করছেন ভাবছেন আপনি ছাড়া সব অচল। আসলে কিন্তু না। আপনি যদি আজ কাজ ছেড়ে দেন তাহলে কর্মস্থলে সাময়িক সমস্যা তৈরি হবে, কিন্তু খুব দ্রুত আপনার উপস্থিতি সবাই ভুলে যাবে। তেমনি আজ আপনি হয়তো বন্ধুমহলে বেশ জনপ্রিয়। আপনাকে ছাড়া কোনো আড্ডাই জমে না। জেনে রাখুন, আপনি না থাকলেও আড্ডার রং কোনো অংশেই মলিন হবে না।
২. কোনো কিছুই জীবনে চিরস্থায়ী নয়। আবেগ, অনুযোগ কিংবা অভিযোগ-কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সামাজিক সম্পর্কগুলো সব সময়ই এক রকমের গাঢ় হবে না। আজ আপনার কাছে যাকে ভালো লাগছে, কালকে তাকে আপনার ভালো না-ও লাগতে পারে। আজ যিনি প্রশংসা করছেন, কাল তিনি আপনার কঠোর সমালোচক হতেই পারেন।
৩. নিজেকে কখনোই অন্যদের সঙ্গে তুলনা করবেন না। নিজেকে নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শিখুন। বন্ধুর ভালো চাকরির খবর শুনে নিজেকে হেয় করবেন না, বন্ধু উৎসাহ দিয়ে নিজের পথ গোছানোর চেষ্টা করুন।
৪. আর্থিক স্বাধীনতা আপনার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেয়। ধার করার অভ্যাস কিংবা ঋণে নিজেকে জড়াবেন না। চেষ্টা করুন নিজের হাতে আয় করতে। যতটা আয় করবেন, তা বুঝে ব্যয় করতে শিখুন। প্রয়োজনের বাইরের ব্যবহারের জিনিসপত্র কেনা থেকে বিরত থাকুন। অভিজ্ঞতা অর্জনের চেষ্টা করুন। দামি মুঠোফোনে যতটা আনন্দ মেলে হয়তো মঞ্চনাটক দেখার অভিজ্ঞতা আরও আনন্দ দেবে। বস্তুগত আনন্দের চেয়ে অভিজ্ঞতা, স্মৃতি জমানোর দিকে মনোযোগ দিন।
৫. যত বড়ই দুঃখ আসুক না কেন, তা মলিন হবেই। প্রেমিককে হারানোর বেদনা, ভালো চাকরির সুযোগ বা পরীক্ষায় ভালো ফল-নানা কারণে ব্যর্থতা আর শোক জীবনে আসতে পারে। জেনে রাখুন, সব দুঃখই ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকে। একদিন সব দুঃখ কাটিয়ে সাধারণ জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা।
৬. শুধু পরিশ্রমেই জীবনে সাফল্য আসে না। পরিশ্রমের সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সৃজনশীলতাকে যোগ করতে হয়। বছরের পর বছর একই কাজ করতে করতে জীবনকে কখনোই একঘেয়েমির বৃত্তে আটকে ফেলবেন না। সিদ্ধান্ত নিয়ে ঝুঁকি নিতে শিখুন। ঝুঁকি নেওয়ার একটা সুবিধা হচ্ছে, আপনি জানেন না সামনে কী আসবে। এই অচেনা আর অজানা পথ সামনে নতুন দ্বার খুলে দেয়।
৭. সাফল্য কিংবা ব্যর্থতাই জীবনের সবকিছু না। সময়কে নান্দনিক উপায়ে রাঙিয়ে বেঁচে থাকাই জীবন।
৮. অন্যের মতামতকেই জীবনের সব বলে ভাববেন না। একই বই কারও কাছে ভালো লাগতে পারে, কারও কাছে খারাপ লাগতে পারে। তেমনি আপনার কাজ কারও কাছে ভালো লাগতে পারে, কারও কাছে খারাপ লাগতে পারে-সব সময় নিজের সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমে কাজ করুন।
৯. মুঠোফোন বা সামাজিক দুনিয়াই জীবনের সব না। বন্ধুর সাফল্যের ছবি ফেসবুকে দেখে মন খারাপ হতেই পারে আপনার। আবার দিনের অনেকটা সময় মুঠোফোনের পেছনে ব্যয় করার ফল কিন্তু ইতিবাচক হয় না। নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন। নিজের শখকে গুরুত্ব দিন।
১০. নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আপনাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আপনার পথ আপনাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আপনাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখনোই বসে থাকবেন না।

প্রতীকী এই ছবির মতো জীবনে অনেক সময় উল্টো সাঁতারও দিতে হয়!!

সুত্রঃ প্রথমআলো, ২৫ এপ্রিল ২০১৮

03/05/2021

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ ( ২০১৮ সনের ৪৬ নং আইন )
ষষ্ঠ অধ্যায়, অপরাধ ও দণ্ড
পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ
২৪। (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়া-
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন, বা
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,-
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া,
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি,
(ই) অপর কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার রূপ ধারণ করিয়া কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka Zero Point, Shohid Nur Hossain Circle
Dhaka
1000