13/01/2024
নজদী-তাইমী ফেতনা মোকাবেলায় হিন্দুস্তানের উলামায়ে কেরাম (১৫)
(১ম অংশ)
ইবনে তাইমিয়ার বড় বড় কুফরী আক্বিদার মধ্যে জঘন্য পর্যায়ের একটি কুফরী আক্বিদা হলো জাহান্নাম নি:শেষ হওয়ার আক্বিদা। এ বিষয়ে মাওলানা ইদ্রিস কান্ধলভী তার বিখ্যাত তাফসীর মায়ারিফুল কুরআনে বিস্তারিত খন্ডন করেছেন। মাওলানা ইদ্রিস কান্ধলভীর আলোচনাটি লম্বা হলেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো নিচে তুলে ধরছি।
মূল আলোচনাটি সূরা আনআ'মের ১২৮ নং আয়াতকে কেন্দ্র করে। যেখানে আল্লাহ তায়ালা কাফের জিন ও ইনসানের চিরস্থায়ী জাহান্নামে অবস্থানকে নিজ ইচ্ছার সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। এই আয়াত থেকে কি কখনও এই অর্থ নেয়া সম্ভব যে, আল্লাহর ইচ্ছায় এক সময় জাহান্নাম নি:শেষ হয়ে যাবে? মূল আলোচনায় যাওয়ার পূর্বে সূরা আন'আমের ১২৮ নং আয়াত ও তার অনুবাদ দেখে নেয়া যাক।
وَيَوْمَ يِحْشُرُهُمْ جَمِيعًا يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ قَدِ اسْتَكْثَرْتُم مِّنَ الإِنسِ وَقَالَ أَوْلِيَآؤُهُم مِّنَ الإِنسِ رَبَّنَا اسْتَمْتَعَ بَعْضُنَا بِبَعْضٍ وَبَلَغْنَا أَجَلَنَا الَّذِيَ أَجَّلْتَ لَنَا قَالَ النَّارُ مَثْوَاكُمْ خَالِدِينَ فِيهَا إِلاَّ مَا شَاء اللّهُ إِنَّ رَبَّكَ حَكِيمٌ عَليمٌ
যেদিন আল্লাহ সবাইকে একত্রিত করবেন, হে জিন সম্প্রদায়, তোমরা মানুষদের মধ্যে অনেককে অনুগামী করে নিয়েছ। তাদের মানব বন্ধুরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা পরস্পরে পরস্পরের মাধ্যমে ফল লাভ করেছি। আপনি আমাদের জন্যে যে সময় নির্ধারণ করেছিলেন, আমরা তাতে উপনীত হয়েছি। আল্লাহ বলবেনঃ আগুন হল তোমাদের বাসস্থান। তথায় তোমরা চিরকাল অবস্থান করবে; কিন্তু যখন চাইবেন আল্লাহ। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রজ্ঞাময়, মহাজ্ঞানী। [সুরা আন’য়াম - ৬:১২৮]
মাওলানা ইদ্রিস কান্ধলভী সূরা আন-আ'মের ১২৮-১৩৫ নং আয়াতের তাফসীরে লিখেছেন,
" পূর্বের আয়াতে আল্লাহ তায়ালা মুমিন ও কাফেরের উদারহণ দিয়েছেন। সেখানে বলেছেন, যেসব কাফেররা মুসলমানদের সাথে বাক-বিতণ্ডা করে, তাদের সাথে ঝগড়া - ফাসাদ করে, তারা মূলত: শয়তানের প্ররোচনায় এগুলো করে। এরপর এই আয়াতগুলিতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ক্বিয়ামতের দিন শয়তান ও মানুষকে একত্র করবেন। শয়তানদেরকে বলবেন, তোমরা অনেক মানুষকে বিভ্রান্ত করেছো। এরপর যারা শয়তানের অনুসরণ করেছে, তারা শয়তানদের কথার জবাব দিবে। এরপর শয়তান, জিন ও ইনসান সবার জন্য চূড়ান্ত শাস্তির ফয়সালা করা হবে।
সুতরাং আল্লাহ তায়ালা বলেন, (যেদিন আল্লাহ তায়ালা জিন ও ইনসান সবাইকে একত্র করবেন), যাতে একজন আরেকজনের প্রশ্নোত্তর ও কথোপকথন শুনতে পারে। সেদিন আল্লাহ তায়ালা সবাইকে একত্র করে বলবেন, হে জিন জাতী, (শয়তানের দল), তোমরা মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করার ক্ষেত্রে কোন সীমা-পরিসীমা অবশিষ্ট রাখোনি। অসংখ্য মানুষকে ধোঁকা ও প্রবঞ্চনার মাধ্যমে নিজেদের অনুসারী বানিয়েছো। আর এভাবে নিজেদের অনুসারীদের বড় একটি দল তৈরি করেছো। এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা জিনদেরকে সরাসরি সম্বোধন করবেন এজন্য যে, ধোঁকা ও প্রতারণার ক্ষেত্রে তারা মূল। মানুষের মধ্যে যারা শয়তানের অনুসরী হয়েছে, তাদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে নিবে। তারা বলবে, হে পরওয়ার দিগার, নি:সন্দেহে আমরা অপরাধী। দুনিয়াতে আমরা একে-অপরের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছি। অর্থাৎ জ্বিন ও মানুষ একে-অপরের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছি। জ্বিন মানুষকে উপকৃত হওয়ার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, মানুষ জ্বিনদের নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে, তাদের আনুগত্য স্বীকার করেছে। মানুষ জ্বিন থেকে এভাবে উপকৃত হয়েছে যে, জ্বিনেরা মানুষের প্রবৃত্তি পূজা ও কামনা-বাসনা পূরণের আশ্চর্যজনক নানা ফন্দি-ফিকির শিখিয়েছে। তাদের প্রবৃত্তিপূজা ও কামনা-বাসনাকে সৌন্দর্য্যমন্ডিত ও সুসজ্জিত করে তাদের সামনে উপস্থাপন করে তাদেরকে মুগ্ধ করেছে। এভাবে আমরা তাদের মাধ্যমে খুব মৌজ-মাস্তি করেছি। দুনিয়ার সাময়িক কাম-বাসনাকে পরকালের চিরস্থায়ী শান্তি-সুখের উপর প্রাধান্য দিয়েছি। এমনকি আমরা নিজেদের প্রবৃত্তিপূজা ও কাম-বাসনা চরিতার্থ করার জন্য বহু কষ্ট-ক্লেশ করেছি। এভাবে আমরা জ্বিন-শয়তানের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছি।
উল্টো দিকে আমাদের মাধ্যমে জ্বিন-শয়তানরা এভাবে উপকৃত হয়েছে যে, জ্বিন-শয়তানরা যখন দেখল যে, মানুষ আমাদেরকে তাদের নেতা বানিয়েছে। তারা সবাই আমাদের হুকুম ও ইশারার দাসে পরিণত হয়েছে। আমাদের নির্দেশনা তাদের মধ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এবং আম্বিয়া ও নবী-রাসূলগণ ও তাদের উত্তরসূরীদের হিদায়াত ও দিক-নির্দেশনার প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপও করছে না। এভাবে আমরা উভয়ই দুনিয়ার জীবন আনন্দ - আহ্লাদে কাটিয়ে আজকের দিনে উপস্থিত হয়েছি। যা আপনি আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এবং একে প্রতিশ্রুতি দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন।
অর্থাৎ ক্বিয়ামতের দিন চলে এসেছে। যাকে আমরা অস্বীকার করতাম। মিথ্যা প্রতিপন্ন করতাম। আজ সেই দিন আমাদের সামনে চলে এসেছে। আমাদের চোখের সামনে থেকে পর্দা সরে গিয়েছে। এখন যেই ফয়সালা দিবেন, সেটি আপনার মর্জি।
তখন আল্লাহ তায়ালা কাফের জিন ও মানুষকে বলবেন, তোমরা যখন তওবা ছাড়াই দুনিয়ার জীবন সমাপ্ত করে আমার সামনে উপস্থিত হয়েছো, এখন তোমাদের সকলের ঠিকানা জাহান্নাম। অনুসরণকারী, অনুসরণীয়, খাদেম, মাখদুম সকলেই একই সাথে জাহান্নামে একত্রিত হবে। দুনিয়াতে তারা যেমন একত্রে ছিলো, একইভাবে দোজখেও এক সাথে থাকবে। দুনিয়াতে তাদের একত্রে অবস্থান ও একে-অপরের সাথে ওঠা-বসা যেমন তাদের আনন্দ-ফূর্তির মাধ্যম ছিলো, একইভাবে দোজখে তাদের একত্রে অবস্থান তাদের লাঞ্চনা ও অপদস্তের মাধ্যম হবে। আর এই উত্তপ্ত আগুনের দোজখে তোমরা চিরস্থায়ী অবস্থান করবে। যেখান থেকে মুক্তি ও নাজাতের কোন পথ নেই। তবে আল্লাহ তায়ালা যদি কাউকে বের করতে চান। তবে সেটি ভিন্ন কথা।
উদ্দেশ্য হলো, কাফেরদের জন্য দোজখের চিরস্থায়ী ও সদা-সর্বদা আজাব চলমান থাকবে। তবে এটি আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ তায়ালা চাইলে তিনি কাফেরদের আজাবকে মওকুফ করা সম্ভব, তবে তিনি কাফেরদের জন্য চিরস্থায়ী ও সদা-সর্বদা আজাবের ইচ্ছা পূর্বেই করেছেন। যার সংবাদ তিনি পবিত্র কুরআনের অসংখ্য আয়াতে উল্লেখ করেছেন। এবং প্রত্যেক যুগের নবী-রাসূলগণের মাধ্যমে এই সংবাদ পৌঁছে দেয়া হয়েছে যে, কাফেররা সদা-সর্বদা জাহান্নামে থাকবে। তারা কখনই জাহান্নাম থেকে বের হতে পারবে না।
মোটকথা, "তথায় তোমরা চিরকাল অবস্থান করবে; কিন্তু যখন চাইবেন আল্লাহ।" এখানে কিন্তু আল্লাহ তায়ালা যখন চাইবেন, এই কিন্তু যোগ করার দ্বারা কাফেরদের চিরস্থায়ী জাহান্নামী হওয়ার বিষয়টিকে আরও শক্তিশালী ও জোরালাভাবে উপস্থাপন করা উদ্দেশ্য। অর্থাৎ তোমরা সদা-সর্বদা জাহান্নামে পড়ে থাকবে। তোমাদের জাহান্নামের শাস্তির কোন অন্ত নেই। বাঁচার কোন রাস্তা নেই। তবে যদি আল্লাহ চান তাহলে এর অন্ত হতে পারে। ( কিন্তু সেই পথটিও তোমাদের জন্য রুদ্ধ, ফলে চিরস্থায়ী জাহান্নামে তোমাদের সদা-সর্বদা চরম লাঞ্চনা আর আজাবই তোমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য)। আয়াতের উদ্দেশ্যের সার-মর্ম হলো, যাও তোমাদের সবার ঠিকানা সদা-সর্বদা জাহান্নাম। তোমরা অনন্তকাল সেখানেই থাকবে। তবে আল্লাহ তায়ালা যদি কখনও চান তোমরা বের হতে পারতে। তবে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের মতো আল্লাহ ও তার রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্নকারীদের জন্য মুক্তির ব্যবস্থা করবেন? বরং তোমাদের মতো কাফেরদের জন্য অকাট্য বিধান পূর্বেই ফয়সালা হিসেবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। নিশ্চয় আপনার প্রভূ মহা-প্রজ্ঞাময়। তার কোন কাজই ইলম ও হিকমত শূন্য নয়। সুতরাং. কাফেরদের চিরস্থায়ী শাস্তির মধ্যেও হিকমত ও প্রজ্ঞা রয়েছে। তাদের সমস্ত পাপাচার ও অন্যায়ের পুংখানুপুংখ জ্ঞান রাখেন তিনি। যেই পর্যায়ের অপরাধ সেই পর্যায়ের শাস্তির বিধানও তিনি দিয়েছেন। সুতরাং কাফেরদের জন্য চিরস্থায়ী জাহান্নামের যেই শাস্তির বিধান আল্লাহ তায়ালা দিয়েছেন, এটিই তাদের জন্য সবচেয়ে প্রজ্ঞা, হিকমত ও যথার্থ বিধান।
সমস্ত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের এ বিষয়ে ইজমা রয়েছে যে, মুমিনদের পুরষ্কার তথা জান্নাত এবং কাফেরদের আজাব তথা জাহান্নাম চিরস্থায়ী ও অনন্তকাল থাকবে। মুমিনগণ সদা-সর্বদা জান্নাতে থাকবে এবং কাফেররা সদা-সর্বদা জাহান্নামে থাকবে। মুমিনদের পুরষ্কার এবং কাফেরদের শাস্তি কখনও শেষ হবে না।
তবে পথভ্রষ্ট ফেরকা জাহমিয়াদের আক্বিদা হলো, কিছুকাল পরে জান্নাত ও জাহান্নাম উভয়টিই ধ্বংস হয়ে যাবে। ইবনে তাইমিয়া হাম্বলী ও তার খাস ছাত্র ইবনুল কাইয়্যিমের মাজহাব হলো, জান্নাতের পুরষ্কার তো চিরস্থায়ী হবে, মুমিনগণ সদা-সর্বদা জান্নাতে থাকবেন (যেমনটি আহলে সুন্নতের মাজহাব), তবে তাদের মতে দোজখের শাস্তি চিরস্থায়ী নয়। তাদের মতে, একটি লম্বা সময় পর্যন্ত কাফেরদের উপর শাস্তি হবে যাকে আল্লাহ তায়ালা খুলুদ বা চিরস্থায়ী শব্দ দ্বারা বুঝিয়েছেন। তবে একসময় আল্লাহর রহমত ও দয়ায় কাফেরদের উপর শাস্তি শেষ হয়ে যাবে। (যেমনটি জাহমিয়াদের মাজহাব)।
ইবনে তাইমিয়ার এ মতটি সম্পূর্ণভাবে একটি বিচ্ছিন্ন মত। সমস্ত আহলে সুন্নতের ইজমার সম্পূর্ণ বিপরীত। বরং পবিত্র কুরআনের অসংখ্য দ্ব্যর্থহীন - সুস্পষ্ট আয়াত ও হাদীসের সম্পূর্ণ বিপরীত। যা আমরা শীঘ্রই আলোচনা করব। মোটকথা, জান্নাত ও জাহান্নামের বিষয়ে ইবনে তাইমিয়ার এই মতবাদ অর্ধেক আহলে সুন্নত এবং অর্ধেক জাহমী। যা সুস্পষ্ট অকাট্য কুরআনের বিপরীত। শরীয়তের এই সকল অকাট্য বক্তব্য এমন পর্যায়ের যে এখানে কোন ধরণের তা'বীলেরও সুযোগ নেই। আর ইবনে তাইমিয়া ও ইবনুল কাইয়্যিম যেসব দুর্বল ও জাল হাদীস পেশ করেছে এবং পূর্ববর্তীদের কিছু সম্ভাবনাময় বক্তব্যকে দলিল বানাবার চেষ্টা করেছে, এগুলো কুরআন - সুন্নাহের দ্ব্যর্থহীন অকাট্য বক্তব্যের বিপরীতে কোন মূল্যই রাখে না। সুতরাং তাদের এসব অসার দলিলের জওয়াব দেয়ার কোন প্রয়োজনও নেই।
পবিত্র কুরআনের আয়াত
প্রথম পারায় এই আয়াতের আলোচনা হয়েছে যে, "যারা অন্যায় করে এবং তাদের অন্যায়ের সীমা পরিপূর্ণ হয়ে যায়, তারা জাহান্নামী। সেখানে তারা চিরস্থায়ী থাকবে।"
এছাড়া পূর্বে বেহুদা ইয়াহুদীদের এই বক্তব্যও আলোচনা করা হয়েছে যেখানে তারা বলবে, আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন সামান্য কয়েক দিনই স্পর্শ করবে।
সুতরাং যে ব্যক্তি একথা বলে যে, কিছু কাল পরে জাহান্নাম নি:শেষ হয়ে যাবে কিংবা জাহান্নামের শাস্তি শেষ হয়ে যাবে, তার এই বক্তব্য ইয়াহুদীদের ঐ বক্তব্যের মতো যেখানে তারা বলেছে, আমাদের শুধু অল্প কিছু দিন জাহান্নামের আগুনে থাকতে হবে। যতদিন বনী ইসরাইল গো-বৎস পূজা করেছিল শুধু ততোদিন আজাব ভোগ করতে হবে। এরপর নাজাত পেয়ে যাব। আল্লাহ তায়ালা কুরআনের উক্ত আয়াতের ইয়াহুদীদের এই বক্তব্য খন্ডন করেছেন। তিনি বলেছেন, ইয়াহুদীদের এই বক্তব্য সম্পূর্ণ ভুল। ইয়াহুদীরা বরং সদা-সর্বদা জাহান্নামে থাকবে। এবং এই মূলনীতিও বলে দিয়েছেন যে, কাফের সদা-সর্বদা জাহান্নামে থাকবে। কখনও সেখান থেকে বের হতে পারবে না। ইয়াহুদীদের সাথেও এই মূলনীতির আলোকেই বিচার করা হবে। আর ইয়াহুদীদের সাথে আল্লাহ তায়ালা কোন প্রতিশ্রুনি দেননি যে, তারা শুধু কিছুকালের জন্য জাহান্নামে থাকবে। সুতরাং জাহান্নামের নি:শেষ হওয়ার বিষয়ে ইবনে তাইমিয়ার মতবাদটি ইয়াহুদীদের মত।"
(মায়ারিফুল কুরআন, খ: ৩, পৃ: ১৮-২১)
এরপর মাওলানা ইদ্রিস কান্ধলভী পবিত্র কুরআনের ৫৭টি আয়াত উল্লেখ করেছেন কাফেরদের চিরস্থায়ী জাহান্নামী হওয়ার বিষয়ে। এরপর তিনি পরবর্তী কয়েক পৃষ্ঠা ইবনে তাইমিয়ার আরও স্পষ্ট খন্ডন করেছেন। আগামী পোস্টে বাকী অংশ উল্লেখ করব ইনশা আল্লাহ।
মাওলানা ইদ্রিস কান্ধলভী খুব স্পষ্ট ভাষায় ইবনে তাইমিয়ার ইয়াহুদীবাদী এজেন্ডা তুলে ধরেছেন। কীভাবে মুসলমানদের মাঝে ইবনে তাইমিয়া ইয়াহুদীদের জঘন্য কুফরী আক্বিদা প্রতিষ্ঠার চেস্টা করেছেন সেটি তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।