16/11/2023
তওবার সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া
রাসুলুল্লাহ সা.বলেন, ‘যদি কেউ সকাল-সন্ধ্যায় বিশ্বাসের সঙ্গে এই দোয়া পাঠ করে,তাহলে সে জান্নাতি
কুরআন শিক্ষা সম্পর্কিত একটি পেইজ
16/11/2023
তওবার সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া
রাসুলুল্লাহ সা.বলেন, ‘যদি কেউ সকাল-সন্ধ্যায় বিশ্বাসের সঙ্গে এই দোয়া পাঠ করে,তাহলে সে জান্নাতি
রাতের জন্য দুইটি আয়াতই যথেষ্ট || সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত || Sura bakara রাতের জন্য দুইটি আয়াতই যথেষ্ট bakara #সুরাবাকারা #সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
26/10/2023
https://youtu.be/gLf2S_99giM?si=Z9BDCL9j32GAnH0y
অন্তর শীতল করা তিলাওয়াত|| সুরা আর-রহমান|| sura ar-rahman https://pixabay.com/videos/
26/10/2023
কবরবাসীদের মধ্যে এমনকিছু লোক থাকবেন যাদের গুনাহের সংখ্যা নেকির সংখ্যার চেয়ে কম। অতএব, ওয়াদামতো এমন ব্যক্তির কবরকে প্রশস্ত করে দেয়া হবে, তার বিছানা হবে জান্নাতের বাগিচা, তার কবর হবে জান্নাতের একটা শাখার মতো। এভাবে বছরের পর বছর ধরে সেই ব্যক্তি পরম শান্তিতে দিনাতিপাত করতে থাকবে।
তারপর হঠাৎ!!
একদিন তার কবর থেকে ফুলের গন্ধ, সুন্দর বিছানা, আলো-বাতাস ইত্যাদি নিয়ামতগুলো একে একে উঠিয়ে নেয়া হবে।
যে মালাইকা (ফেরেশতা) গণ তাকে খুব সম্মান করতেন,
তাদের মধ্যেও চলে আসবে ভাবলেশহীনতা।
লোকটি অবাক হয়ে জানতে চাইবে যে কেন তার সাথে হঠাৎ এমন আচরণ করা হচ্ছে। উত্তরে বলা হবে- " আপনি যে সকল সন্তান দুনিয়ায় রেখে এসেছেন, তাদেরকে ঠিকমতো মানুষ করেননি, তাদেরকে দ্বীন শিখাননি, যেটা আপনার জন্য ফরজ ছিলো।
এখন তারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে প্রতিদিন হাজার রকম গুনাহের কাজ করে চলেছে।
আর সেই পাপ থেকে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আপনার একাউন্টেও জমা হচ্ছে ক্রমাগত। এভাবে তাদের কুকর্মের সংখ্যা আপনার নেকিকে ছাড়িয়ে গেছে।"
একথা শুনে সেই ব্যক্তি শুধু আফসোসই করতে থাকবেন। আর কিছুই করতে পারবেন না। কারণ তার ভাল আমলের একাউন্ট বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু খারাপ আমলের একাউন্ট এখনো সচল। ফলে দিন দিন কবরে পাওয়া নিয়ামতগুলো চলে যাচ্ছে, আর আযাব আসতে শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়া কেবলই একমুখী। কতকাল চলবে, কতটা ভয়াবহ আকার নেবে- কেউ আচ করতে পারিনা।।
আরেক ধরণের মানুষ থাকবে যাদের নেক আমল খারাপ আমলের চেয়ে কম। তাই কবরে প্রবেশ করার পর তাতে সাপ-বিচ্ছু, আগুনের পোষাক, আগুনের বিছানা, মাটি সংকীর্ণতা, আযাব ইত্যাদি থাকবে। সাথে জাহান্নামের সাথে একটি দরজা ঐ লোকের কবরের সাথে কানেক্টেড থাকবে। জাহান্নামের হাওয়া সেখান দিয়ে আসতে থাকবে।
এভাবে শাস্তি ভোগ করতে করতে একদিন তিনি দেখবেন শাস্তিগুলো কেমন জানি একটা একটা করে কমে যাচ্ছে!!
এরপরে একসময় শাস্তির পরিবর্তে শান্তির বাগান হয়ে উঠবে তার কবর। নিয়ামত দিয়ে ভরে উঠতে সেই কবরের জীবন। সুবহান আল্লাহ্!
তিনি অবাক হয়ে কারণ জানতে চাইবেন। তাকে বলা হবে- "দুনিয়াতে আপনি যেসকল সুসন্তান রেখে এসেছেন, তারা আজ বড় হয়েছে তাদের নেক 'আমল আর ইস্তেগফার আপনার বদ কর্মকে ছাড়িয়ে গেছে।"
একথা শুনে লোকটি খুব আনন্দিত হবে। লোকটির মৃত্যু হলে তার খারাপ কাজের একাউণ্ট বন্ধ হয়ে গেল, কিন্তু তিনি ভাল কাজের একাউন্ট যে রেখে এসেছিলেন, তা আজও সচল আর তার প্রতিদান পেয়েই চলেছেন।
____
এরকমভাবে মানুষদের সন্তানদের কর্মফলের বেশ কিছু অংশ মৃত্যুর পরেও প্রভাবিত করবে।
বাকিটা আপনার চয়েস--
সন্তানকে ঈমানদার করে গড়ে তুলবেন নাকি সেকুলার, সুশীল আর তথাকথিত মুক্তমনা করে গড়ে তুলবেন।
সন্তানকে নামাজ শিখাবেন নাকি দুনিয়ায় বিরাট ‘স্ট্যাটাসওয়ালা' করে গড়ে তুলবেন।
সন্তানকে শুধু দুনিয়ার জন্য গড়ে তুলবেন নাকি দুনিয়া-আখিরাত দুটোরই জন্য - সেটা অনেকাংশে আপনার হাতেই।
.
.
যেভাবে গড়ে তুলবেন, সেভাবেই বড় হবে।
..
তার কানে আর বুলিতে কুরআন এর আয়াত তুলে দিলে সে সেটাকেই ভালবাসতে শিখবে, আবার গান-বাজনা, বেহুদা জিনিসপত্র ইত্যাদির ভালোবাসা ঢুকিয়ে দিলে সেটাই তার জীবনের অংশ হয়ে যাবে।
.
.
এত কিছু জানার পরও যদি সন্তানকে ‘আল্লাহু আকবার',"লা~ ইলাহা ইল্লাল্লাহ" না শিখিয়ে হাবিজাবি গান-বাজনা-নাচ, মুভি-সিনেমা, উন্মত্ত দুনিয়ামুখিতা ইত্যাদির মধ্যে মানুষ করেন জেনেশুনে, তাহলে আপনি তো হক নষ্টকারী।
.
.
প্রত্যেক সন্তান ফিতরাতের উপর অর্থাৎ ইসলামের উপর জন্ম নেয়। আপনি সেটা নষ্ট করে দিলেন। আর এর পরিণতি তো উপরের ঘটনায় পরিষ্কার।
.
তারপরও সজ্ঞানে যদি এমন করেন, জেনেশুনে নিজের পায়ে কুড়াল মারেন, তাহলে আপনার জন্য একরাশ করূণা।
.
সন্তানের হক নষ্ট করবেন না, প্লিজ। সব বাবা মা এর কাছে অনুরোধ।
অনেক বাবা-মা আছেন। অনেকেরই বাচ্চা আছে। সময় থাকতেই সচেতন হোন।
~সংগৃহীত
প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করলো। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্য কেউ টপকে তাদের আক্রমণ করতে পারবে না।
গ্রেট ওয়াল নির্মাণের প্রথম একশো বছরের মধ্যেই চীনারা তিন বার আক্রান্ত হয়। আশ্চর্যের বিষয় কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেওয়াল টপকানোর বা ভাঙার প্রয়োজন হয় নাই। কারণ প্রত্যেকবারই আক্রমণকারীরা দেওয়াল পাহারারত রক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সামনের গেট দিয়ে ঢুকে গেছে। চীনারা অনেক পরিশ্রম করে মজবুত দেওয়াল তৈরি করেছিল। কিন্তু তারা দেওয়াল পাহারা দেওয়া রক্ষীদের চরিত্র মজবুত করার জন্য কোন পরিশ্রমই করেনি।
তাহলে দেখা যাচ্ছে দেওয়াল মজবুত করার থেকে চরিত্র মজবুত করার প্রশ্নটিই আগে আসে। শুধু দেওয়াল মজবুত করার ফলাফল শূন্য।
তাই অনেক আগেই একজন প্রাচ্যদেশীয় দার্শনিক বলে গেছেন তুমি যদি কোন সভ্যতা ধ্বংস করতে চাও তাহলে তিনটি কাজ কর-
(ক) যে জাতিকে পদানত করতে চাও তার পারিবারিক গঠন আগে ধ্বংস করো। পারিবারিক গঠন ধ্বংস করতে হলে সংসারে মায়ের ভূমিকাকে খাটো করে দেখাও যাতে সে গৃহবধূ পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।
(খ) শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দাও। এটা করতে হলে শিক্ষককে প্রাধান্য দিও না। সমাজে তার অবস্থান নিচু করে দেখাও যাতে তার ছাত্ররাই তাকে উপহাস করে।
(গ) তরুণ সমাজ যেন অনুসরণ করার মত কোন রোল মডেল না পায়। তাই তাদের জ্ঞানীদের নানাভাবে অপমান কর। রোল মডেলদের নামে অসংখ্য মিথ্যা কুৎসা রটাও যাতে তরুণ সমাজ তাদের অনুসরণ করতে দ্বিধাবোধ করে।
(প্রাথমিক শিক্ষা সংবাদের ওয়াল থেকে নেয়া)
আমরা আজ এত এত ব্যস্ত যে আল্লাহর জন্য পাচটা মিনিট খরচ করার সময় নেই!!!
নিজেকে কবরে রেখে দুনিয়াকে কল্পনা করে দেখুন
কোথাও কিছু থেমে নেই আপনার জন্য।
23/04/2022
মাসজিদ আল-হারামের ইমাম শাইখ মাহির রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন:
১. প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।
২. প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।
৩. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।
তিনি আরো বলেন, এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)
আল্লাহ্ সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
01/04/2022
যে কুরআন তিলাওয়াত করে না তার উদাহরণ মাকাল ফলের ( যে ফল দেখতে সুন্দর ভিতরে কদাকার) মত। [বুখারি- ৭৫৬০]