06/11/2023
যদি কোনো ভিনদেশি শক্তি তোমার রাষ্ট্র দখল করে নিত তুমি তখন কী করতে? তুমি তখন সকল সম্ভাব্য উপায়ে এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যেতে।
আমি কুয়েতে দেখেছি— যদি এখন কুয়েতের যে কোন স্টারবাকসে যান, (চেইন কফি সপ যারা জায়নিস্টদের সাপোর্ট করে) দেখবেন কোনো দোকানে কোনো কাস্টমার নেই। ওদের সম্ভবত শ খানেক দোকান আছে। সবগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। এই গণহত্যা শুরু হওয়ার আগে এক কাপ কফি কেনার জন্য আমি মানুষকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। আর এখন সবগুলো দোকান সম্পুর্ণ ফাঁকা।
কৌশলগত যুদ্ধে তাদের ইতোমধ্যে পরাজয় ঘটেছে। একমাত্র যে যুদ্ধে তারা জয়লাভ করেছে তা হলো শিশু হত্যার যুদ্ধে।
আমাদের উম্মাহর নবজাগরণ বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে। আমার মনে আছে ১৯৭০ সালে কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র তিনজন ছাত্রী হিজাব পরতো। আমি জানি কারণ ওই তিন জনের একজন ছিল আমার বোন। এখন ৯০ শতাংশ মেয়ে হিজাব পরে।
তুরস্কের কথা ধরুন। ৮০ বছর যাবত তারা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছিলো। আর এখনকার তুরস্ক! আলহামদুলিল্লাহ! মাত্র দুইদিন আগে দশ লক্ষ মানুষ একত্রে গনহত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছিল। সেখানে উপস্থিত অধিকাংশ নারী ছিল হিজাব পরিহিত।
এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় আরবদের মাঝে ৮৪ থেকে ৯৯ শতাংশ মানুষ নিজেদেরকে ধার্মিক হিসেবে পরিচয় দেয়।
মোটকথা, উম্মাহর তরুণ তরুণীদের মাঝে নবজাগরণ ঘটে গেছে। আমরা আর আগের মতো দুর্বল নই।
এখন শুধু আমাদের বিশ্বাসঘাতক শাসকগুলো আমাদের পিছিয়ে রাখছে। এদের দিনও ঘনিয়ে এসেছে। মাত্র কয়েক বছর আগেই তো আরব স্প্রিংয়ের সময় ছয় জনের পতন হয়। মানুষ রাগে ফুঁসছে। বাকিদের বিদায় ঘন্টাও যে কোনো সময় বেজে উঠতে পারে।
উম্মাহর জন্য কল্যানকামী শাসকেরা এলে তখন আর কেউ আমাদের উপর এভাবে গনহত্যা চালানোর দুঃসাহস দেখাতে পারবেনা।
—ড. তারিক আস সুয়াইদান