19/08/2023
🌐প্রাইমারিতে মোট ১১ লাখ আবেদনকারীর মাত্র ১%
প্রার্থীর চাকরি পাওয়ার বিষয়ে জরুরী জরুরী কথা!!
_____________________________________
_____________________________________
✅ প্রাথমিকে মোট আবেদন: ১১ লাখ ৪০ হাজার!
📌📌পদসংখ্যাঃ আনুমানিক ১০ থেকে ১২ হাজার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
(★★পদসংখ্যা অনেক বাড়ার সম্ভাবনা আছে। কারন বিগত সার্কুলারে নিয়োগ প্রাপ্তদের একটা বড় অংশ অন্য জবে চলে গেছেন বা যাবেন, পাশাপাশি অনেকে এই বছরের শেষ দিকে অবসরে যাবেন।যেই সংখ্যাটা ৩থেকে ৫ হাজারের কম হবে না।তাই সার্কুলারে সুনির্দিষ্ট পদসংখ্যা উল্লেখ নেই।)
_______________________
⏩১ম ধাপ (রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ) আবেদনকারী: ৩,৬০,৭০০ জন!
⏩২য় ধাপ (খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ) আবেদনকারী ৪,৩৯,৪৩৮ জন!
⏩৩য় ধাপ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) আবেদনকারী ৩,৪০,০০০ জন!
_______________________________________
♦️আপনার কম্পিটিশন হবে কাদের সাথে??
💥💥প্রাইমারি পরীক্ষায় যেহেতু উপজেলা ভিত্তিক মেধা তালিকা হয় তাই আপনাকে জানতে হবে আপনার উপজেলার সব ধরনের প্রার্থীদের সম্পর্কে। কারন আপনার প্রতিযোগিতা কিন্তু সারা দেশের প্রার্থী এমনকি পুরো জেলার প্রার্থীদের সাথেও না।শুধু আপনার উপজেলার প্রার্থীরাই আপনার প্রতিযোগী!!
♦️♦️ প্রাইমারিতে প্রত্যেক উপজেলায়ই মোট ৫ ধরণের আবেদনকারী প্রার্থী আছে।এরাই মূলত আপনার প্রতিযোগী।এর মধ্যে ৩ ও ৪ নং টাইপের মধ্যেই হবে মূল প্রতিযোগিতা।
📌টাইপ-১ প্রার্থী:
_____________
✍️প্রাইমারিতে যারা আবেদন করেছে সবাই কিন্তু আসল কম্পিটিটর না।কারণ এর মধ্যে প্রায় ৮০-৮৫% প্রার্থী পরীক্ষাটা শুধু দেয়ার জন্যই দেয়।হয়তো ২/৪ টা বই কিনে নিজে নিজে যা বুঝে তাই পড়ে।সিলেবাস সম্পর্কেও তাদের বিস্তারিত বা পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেই।অর্থাৎ সারাদেশে এই ধরনের প্রার্থীর সংখ্যাই বেশি। এরাই হলো টাইপ-১ প্রার্থী।এদের নিয়ে খুব বেশি ঘাবড়ানোর কিছুই নেই।
------
📌টাইপ-২ প্রার্থী:
______________
✍️এই ধরণের প্রার্থীরা সাধারণ প্রস্তুতির ব্যাপারে বেশ সিরিয়াস।কিন্তু সমস্যা হলো এদের বেসিক অনেক দুর্বল।
পাশাপাশি এদের মধ্যে অনেকেরই বয়স ৩০ এর আশেপাশে এবং এখনো কোনো সরকারি চাকরি হয়তো পায়নি। তাই জীবীকার জন্য অলরেডি কোনো না কোনো বেসরকারি চাকরিতে কর্মরত।আর মেয়েদের মধ্যে অনেকেই বিবাহিত যারা ঘর সংসার সামলেও পড়াটা ঘুছিয়ে নেবার অনেক চেষ্টা করেন কিন্তু হয়ে উঠে না।
এর মূল কারন তীব্র ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এরা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক ও রুটিন অনুযায়ী পড়তে না পারার কারনে এরা পিছিয়ে পড়ে।অর্থাৎ পড়ার গতি ধরে রাখতে পারে না।
এরা আপনার মৃদু প্রতিদ্বন্দ্বী।এদের নিয়ে খুব বেশি ঘাবড়ানোর কিছুই নেই।
------
📌টাইপ-৩ প্রার্থী:
______________
✍️এরা মূলত দেশের বিভিন্ন নাম করা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের ছাত্র,যারা ভালো সাব্জেক্ট এ পড়াশুনা শেষ করেছে।সাথে এদের বেসিকও সুপার ক্লিয়ার।তাই এরা অনেক চাকরির প্রিলি,রিটেন,ভাইভা ফেস করেছে যার মধ্যে কোথাও না কোথাও তার কনফার্ম জব হবে।
এমনকি একাধিক জায়গায়ও চাকরি হয়ে যেতে পারে।কিন্তু আপাতত একটা পার্মানেন্ট সরকারি চাকরির জন্য এরা এই পরীক্ষায়ও এটেন্ড করবে।এদের এই চাকরি পাওয়াটা মোটামুটি কনফার্ম।
এদের মোট সংখ্যাটা খুবই কম।এরা হবে আপনার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী।এদের কথা সিরিয়াসলি মাথায় রাখবেন।
------
📌টাইপ-৪ প্রার্থী:
______________
✍️এই ধরণের প্রার্থীরা অনেক সিরিয়াসলি পড়াশোনা করেন। প্রতিদিন রুটিন মাফিক ৮/১০ ঘন্টা পড়াশোনা করেন, পাশাপাশি এদের বেসিকও অনেক ভালো। আর এর সাথে তারা দুর্বল সাব্জেক্ট বা টপিকগুলো কারো কাছে প্রাইভেট পড়ে বা কোচিং করে ঠিক করে নিয়েছেন।পাশাপাশি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মডেল টেস্ট ও অন্যান্য টেস্ট দিয়ে শুধরে নিচ্ছেন কনফিউশানগুলো ও ছোটখাটো ভুল গুলো যার ফলে এরাও হয়ে উঠছে তীব্র প্রতিযোগী।এদের নিয়ে অবশ্যই চিন্তার ব্যাপার আছে চাকরি পেতে হলে!!
📌টাইপ-৫ প্রার্থী:
______________
✍️যারা শুধু আবেদন করেই শেষ।এরপরে আর কোন কিছুর কোন খবরই রাখেনি।আর সত্যি বলতে এই পরীক্ষা নিয়ে তাদের তেমন কোনো মাথাব্যাথাও নেই।প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদনকারীদের মধ্যে এই ধরনের প্রার্থীও প্রচুর রয়েছেন।
-------
💥💥💥আপনি এর মধ্যে কোন টাইপ এর প্রার্থী???