24/09/2023
বিদেশি শিক্ষার্থী আকৃষ্টে নাগরিকত্বের সুবিধাসহ দক্ষিণ কোরিয়ার ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনায় যা আছে
১৬ই আগস্ট বুধবার দ্য কোরিয়ান হেরাল্ড ও দ্য স্টেট টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত কমতে থাকা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ঠিক রাখতে এবং বছরে তিন লাখ বিদেশি শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের পরিকল্পনা সমূহের মধ্যে রয়েছে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ক সরকারি নীতি বদল, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বৃত্তি বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের পড়ার সময়ে কাজের সুযোগ বাড়ানো, বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো, বিদেশি শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন চাকরির সময় বাড়ানো এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময় দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান করার সুযোগসহ নাগরিকত্বের সুযোগ রেখে ভিসা নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নিম্ন জন্মহার এবং প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে মেধা পাচার হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমনিতে শিক্ষার্থী সংকট বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী সংকট দেখা দিয়েছে বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তির বিষয়গুলোতে। বিদেশি শিক্ষার্থী দিয়েও এই সংকট কাটানো যাচ্ছে না।
Topik test পরীক্ষায় শিথিলতা : এত দিন সরকারি আইন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রথম বর্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীদের Test of proficiency in Korean (TOPIK)কোরীয় ভাষার দক্ষতা সম্পর্কিত পরীক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। বর্তমান আইনে টপিক পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীরা কিভাবে এ ভাষায় ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারবে, তা নিশ্চিতে সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনাও করেছে কোরীয় সরকার।
বৃত্তি বাড়ানো : বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রকৌশল, চিকিৎসা বিজ্ঞানে আকর্ষণ করতে বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। প্রতি বছর এসব বিষয়ে অধ্যয়নরত ২ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই কর্যক্রম চলবে।
দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আরও বলেন, এই বৃত্তির প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী নন, এমন ছয় হাজার জনকেও বৃত্তির আওতায় সহায়তা দেওয়া হবে। বৃত্তি সংক্রান্ত সকল বিষয়ের দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করবে দক্ষিণ