Eid Mubarak

Eid Mubarak

Share

Entertainment, video creator

19/01/2026

✨সত্য ঘটনা ✨
ভরা রোদ দুপুরে ছাদে গোসল করে চুল শুকাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি সিঁড়ির দিক থেকে এক অদ্ভুত ঠান্ডা বাতাস আসছে। অস্বস্তি লাগলো,তাই দ্রুত নিচে নেমে ঘরে চলে এলাম।।

এরপর থেকেই আমার শরীরে অজানা জ্বর দেখা দিলো—যে রকম জ্বর আমার জীবনে আগে কখনো হয়নি।

আম্মু বললো, এলাকার ফার্মেসির ডাক্তার চৌধুরী আঙ্কেলকে দেখাতে। ওষুধ খাওয়ার পরও কোনো উন্নতি হলো না। উনি পরামর্শ দিলেন মেডিকেলের এক ডাক্তারের কাছে যেতে।
আব্বু আমাকে নিয়ে এক ছোট্ট ক্লিনিকে গেলেন। সেদিন ডাক্তার দেরি করছিলেন, তাই সিরিয়াল দিয়ে আমরা অপেক্ষা করতে লাগলাম।

ক্লিনিকের পাশেই কবরস্থান। আব্বু বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। আমি অজান্তেই কবরস্থান থেকে একটা জবা ফুল ছিঁড়ে নিলাম। তখন মাগরিবের আজান হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় একজন বললো—
“মাইয়া, ফুল ছিঁড়ো না!”
আমি ঘুরে তাকালাম—কেউ নেই। বুকটা কেমন যেন দম বন্ধ হয়ে গেল। ফুল হাতে নিয়েই চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম। আব্বু যখন জিজ্ঞেস করলেন ফুল কোথা থেকে আনলাম, আমি ভয়ে কিছু বলতে পারলাম না।

সেই রাত থেকে জ্বর আরও বেড়ে গেল। মাথা ঘুরে দাঁড়াতে পারছিলাম না। আব্বুর কোলে ভর করেই বাসায় ফিরতে হলো।

পরদিন আব্বু হাস্পাতালে ভর্তি করালেন। ডাক্তার থেরাপি দিলেন, কিন্তু তেমন উন্নতি হচ্ছিল না। বিলও প্রচুর বেড়ে যাচ্ছিল। একসময় আব্বু আমাকে বাসায় নিয়ে এলেন।

এরপর এলাকার এক আন্টির কাছে গেলাম,উনি বললেন, “ওর উপর কিছু লেগেছে।”

জিজ্ঞেস করার পর আমি স্বীকার করলাম—“হ্যাঁ, আমি কবরস্থান থেকে ফুল ছিঁড়েছি মাগরিবের সময়।”

আমাদের পুরো পরিবার এক অদ্ভুত ভয়ের মধ্যে পড়ে গেল। জীবনে কখনো ভাবিনি, এমন ভয়ংকর কিছু আমাদের সঙ্গে ঘটতে পারে।

🌑

শুরুতে মনে হলো—সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু…

রাত গভীর হতেই শরীর আবার অদ্ভুতভাবে কাঁপতে শুরু করল।
আমার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করতে লাগলো, বুক ধড়ফড় করছিল। হঠাৎ দেখি—ঘরের কোণে ছায়ার মতো একটা লম্বা কালো অবয়ব দাঁড়িয়ে আছে।

আমি কিছু বলতে পারছিলাম না, শুধু চোখ দিয়ে তাকিয়ে রইলাম। আব্বু আম্মু কিছুই বুঝতে পারছিলেন না।।

হঠাৎ সেই ছায়াটা আমার দিকে এগিয়ে এলো, কানে ফিসফিস করে বললো—
👉 “তুই আমার জায়গা থেকে ফুল নিয়েছিস… তাই তোর ওপর আমার অধিকার!”

আমি জোরে চিৎকার করতে চাইলাম, কিন্তু গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হলো না।

😨 আম্মু কুরআন থেকে আয়াতুল কুরসি পড়তে শুরু করলেন। তখনই ছায়াটা মিলিয়ে গেল, কিন্তু আমার শরীর আরও দুর্বল হয়ে পড়ল।

পরদিন সকালে আন্টি এসে বললেন—
👉 “ জিন চায় তুমি ফুলটা ফেরত দাও।”

আব্বু তৎক্ষণাৎ আমাকে নিয়ে আবার সেই কবরস্থানের পাশে গেলেন। মাগরিবের সময় আমি ভয়ে ভয়ে সেই শুকনো জবা ফুলটা ফিরিয়ে রাখলাম। তারপর দোয়া পড়লাম।

অদ্ভুতভাবে—সেই রাত থেকে আমার জ্বর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলো। শরীর সুস্থ হলেও,মন আজও ভয়ে কেঁপে ওঠে।

কারণ, ঘুমের মধ্যে মাঝেমধ্যেই আমি এখনও সেই কালো ছায়াটাকে দেখি…
যেন সে অপেক্ষা করছে—আমি আবার কোনো ভুল করি।

(Collected)

03/09/2025
04/08/2025

(আমি আগাম ক্ষমা চাচ্ছি আপনাদের শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ করায়)

২০১৫ সালের ৩০ মে গ্রেপ্তার করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীকে। সেদিন বেলা ১১টার দিকে বনশ্রীর বাসা থেকে অফিসে যাওয়ার উদ্দেশে বের হওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। যদিও এর আগে তাকে তার অফিসে খোঁজ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি দল। সেখানে তাকে না পেয়ে অফিসের অন্য এক কর্মচারীকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

ওই তরুণ বলেন, ধরার পরপরই আমাকে টর্চার করা হয়, যতক্ষণ না তারা বুঝতে পারে যে আমি ভুল ব্যক্তি। মূলত তারা যাদের খুঁজছিলেন, তাদের কাউকেই আমি চিনতাম না। তাদের উপলব্ধির পর তারা আমার ওপর নির্যাতন বন্ধ করে। তবে আমাকে আট দিন ঘুমাতে দেয়নি। প্রথম দিনে প্রায় এক ঘণ্টা টর্চার করে এবং পরে রিমান্ড চলাকালীনও নির্যাতন চলে। তিনি বলেন, মোট ২৩-২৪ দিনের মতো রিমান্ডে ছিলাম, যা বিভিন্ন মামলায় ৫ থেকে ৭ দিন করে বিভক্ত ছিল। এরপর ১৬৪ ধারার জবানবন্দির সময় আমাকে একটি প্রস্তুতকৃত স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে মামলার বর্ণনা সাজানো ছিল। সেই স্ক্রিপ্টে উল্লেখ ছিল যে, আমাকে আমার বাবার বাসার গ্যারেজ থেকে আটক করা হয়েছে এবং আমাদের কেস পার্টনারদের মধ্যে ছয়-সাতজনকে ওই গ্যারেজ থেকে আটক করা হয়। কারও হাতে ছুরি, কারও হাতে বোমা—এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন আমরা একটি ব্যাংক ডাকাতির জন্য বের হয়েছি। তবে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে গিয়ে সত্যটাই বলি। শেষ পর্যন্ত মোট পাঁচটি মামলা হলো, যার ভিত্তিতে আমি ২৩ মাস জেল খাটলাম। এই ২৩ মাসের মধ্যে ডিটেনশন সেলে আট দিন আমাকে ঘুমাতে দেওয়া হয়নি।

জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আমি ব্যবসায় মনোনিবেশ করি। কারণ, আগের ঘটনাগুলোর কারণে চাকরি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমি আবারও বিপদের মুখোমুখি হই। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার ফোন দিয়ে জানায়, কালো গ্লাসওয়ালা মাইক্রোবাসে কিছু লোক আমাকে খুঁজতে এসেছে। আমি পালানোর সিদ্ধান্ত নিই, কিন্তু এর ফল হয় ভয়াবহ। র‌্যাব প্রথমে এক গাড়ি নিয়ে আসে, তারপর তিনটি গাড়ি নিয়ে আমার খোঁজে তল্লাশি চালায়। আমার শ্বশুরবাড়িতেও অভিযান চালানো হয়।

আমাকে না পেয়ে তারা আমার স্ত্রী ও শ্যালককে ধরে নিয়ে যায়। তিন দিন তারা র‌্যাব-১১ এর হেফাজতে ছিল। ওই সময় আমি নানাভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করি। তখন আমাকে বলা হয়, আমি ধরা দিলে আমার স্ত্রী এবং শ্যালককে ছেড়ে দেবে। তখন শর্ত দিই যে, আগে আমার স্ত্রী ও শ্যালককে মুক্তি দিতে হবে, তারপর আমি আত্মসমর্পণ করব। পরে আমার স্ত্রী এবং শ্যালককে ছেড়ে দেয়। এরপর আমি আমার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েই র্যাবের কার্যালয়ে আত্মসমর্পণ করি। আমাকে গ্রেপ্তার করার পর আমার ধারণা ছিল, তারা হয়তো কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেই ছেড়ে দেবে, কিন্তু আমি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় মামলা লিখে ফেলল, আমাকে আদালতে চালান করল, এবং জেলে পাঠাল।

আমার স্ত্রীকে তিন দিন ধরে আটক রাখা হয় র‌্যাব অফিসে। তাকে এমন একটি সেলে রাখা হয়েছিল, যেখানে টয়লেটের সাইডের দেয়াল ছিল না, শুধু সামনের দেয়াল ছিল। সেখানে সিসি ক্যামেরাও ছিল। সেই তিন দিনে তাকে ঘুমাতে দেওয়া হয়নি, খারাপ দৃষ্টিতে তাকানো, আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার, ‘জঙ্গির বউ’ ও ‘জঙ্গি মদদদাতা’ বলে গালাগাল করা হয়েছে।

তিন দিন পর স্ত্রী ছাড়া পেলেও এবার আমাকে গ্রেপ্তারের পর তিন মাস পরে জামিন দেওয়া হয়। জামিনের পরে ফের আলেপ উদ্দিন আমাকে স্ত্রীসহ তার অফিসে ডাকে। তার অফিসে যাই। সেখানে আলেপের চেম্বারে আমরা দুজন বসেছিলাম। সেই দিন আলেপ আমাকে কিছু নসিহত করে গেস্টরুমে পাঠিয়ে দিল এবং বলল, ‘আপনার স্ত্রীর সঙ্গে একটু ব্যক্তিগত কথা আছে।’ ১৫-২০ মিনিট পর আমার স্ত্রী গেস্টরুমে এলো। আমি প্রথমবার লক্ষ করলাম, তার চেহারা বিধ্বস্ত, ভেঙে পড়া, চোখ ছলছল করছে, হাঁটতে পারছে না। মনে হলো, এমন কিছু তাকে বলা হয়েছে, যা তাকে ভীত ও অমানষিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

এরপর কয়েকদিন কেটে গেল, কিন্তু আমি লক্ষ করতে লাগলাম যে, আমার স্ত্রী ক্রমশ মনমরা হয়ে যাচ্ছে, অন্যমনস্ক থাকছে। সে আমার সামনে থেকেও নেই, কথাগুলো শুনছে, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে না। বেঁচে থেকেও মৃতের মতো, প্রাণহীন, নিস্তেজ।

এরপর স্ত্রীকে এভাবে মনমরা হয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাপ দিতে থাকলাম। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী সব ঘটনা খুলে বলে। আমাকে ক্রসফায়ার এবং নির্যাতনের করা হবে—এমন ভয় দেখিয়ে স্ত্রীকে দুবার ধর্ষণ করা হয়েছে। শ্লীলতাহানিও করা হয়েছে।

প্রথমে ছোটখাটো ইঙ্গিতমূলক কথা বলত, যেমন—‘আপনি একা একা কেমন আছেন?’, ‘আপনার স্বামীকে সহজে বের করে আনার জন্য কি কিছু করা যায়?’, ‘আসুন, আমরা বসে কথা বলি।’ এ ধরনের কথাবার্তা দিয়ে সে মানসিক চাপে ফেলত। যখন আমি দ্বিতীয়বার গ্রেপ্তার হলাম, তখন আমরা আফতাবনগরে থাকতাম। গ্রেপ্তারের পর আমার স্ত্রী তার বাবার বাড়ি, পূর্ব গোড়ানে চলে যায়। আলেপ উদ্দিন তখন তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বলে, ‘আপনার বাসার ঠিকানা মামলায় দেওয়া আছে, তাই ইনভেস্টিগেশনের জন্য আপনাকে বাসায় আসতে হবে।’ এভাবে আমার স্ত্রীকে বাসায় ডেকে আনে। সেই দিনই প্রথমবার আলেপ শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। বাসার দারোয়ান তখন ছিল এবং আলেপ নিজেকে আমার খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে উপরে উঠে আসে। তবে আমার স্ত্রী দৃঢ়ভাবে প্রতিবাদ করে এবং আশপাশের ফ্ল্যাটগুলোতে মানুষ থাকার কারণে সে সফল হয়নি। এরপর আলেপ বারবার ফোন করে বোঝাতে থাকে, ‘আমি চাই আপনার স্বামী সহজেই বেরিয়ে আসুক। আমি চাই না সে আর কোনো হয়রানির শিকার হোক। আপনার সঙ্গে কথা বললে সব সহজ হয়ে যাবে।’ এভাবে সে আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে।

তিন মাস পর যখন আমি জামিনে মুক্তি পেলাম, তখন আবার আমাকে রিঅ্যারেস্ট করা হলো এবং থানায় নেওয়া হলো। এবার আলেপ পুরোপুরি পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিল। সে আমার স্ত্রীকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিল, ‘এখন সবকিছু আমার হাতে। চাইলে আমি তোমার স্বামীকে ছেড়ে দিতে পারি, আবার চাইলে নতুন মামলায় ফাঁসাতে পারি এবং চাইলে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করতে পারি।’ এই চাপের মুখে নিরুপায় করে আলেপ আমার স্ত্রীকে তার অফিসে ডাকে। অফিসে দেখা করার পর সে তার ব্যক্তিগত সাদা টয়োটা গাড়িতে করে তাকে নিয়ে যায়। মাঝপথে ইপিজেড পার হয়ে র‌্যাব অফিসার্স কোয়ার্টারে নিয়ে যায়। সেখানেই ঘটে সেই ভয়ংকর ঘটনা, যা আমার স্ত্রী অনেকদিন পর্যন্ত বলতে পারেনি। সেখানে সে আমার স্ত্রীকে প্রথমবার ধর্ষণ করে। ওই সময় আমার স্ত্রী আমাকে ঘটনা জানায়নি। ভেবেছে যদি আমি ভুল কিছু করে ফেলি। কিন্তু বের হয়ে আমি ঘটনা জানার পরে আলেপকে জিজ্ঞাসা করি। তখন সে উল্টো আমাদের ভয় দেখায়। মামলা, ক্রসফায়ারের ভয় দেখায়।

এরপর আমি জামিনে বের হই। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে আলেপ আমার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে ডিস্টার্ব করত। দেখা করতে চাইত। না করলে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিতে। তিনি বলেন, ওই সময়ে রোজার মাস ছিল। শবেকদরের দিন। আমি এতেকাফে বসেছিলাম মসজিদে। তখন আলেপ আমার স্ত্রীকে হুমকি দেয়। সামনের ঈদ মাটি করে দেবে। আমাকে মসজিদ থেকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারে দিয়ে দেবে। এমন নানা হুমকি-ধমকি দিয়ে আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রীকে তুলে নেয়। এরপর ওই কোয়ার্টারেই নিয়ে যায়। প্রথমবার তিনতলার সাত নম্বর রুমে নেওয়া হয়েছিল। এর পরেরবার নিচতলায় ঢোকার সময় বাম পাশে। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী আমাকে সব ম্যাপ থেকে দেখাইছে। ইচ্ছে ছিল মামলা করব। কিন্তু স্ত্রী অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করায় আর মামলা করা হয়নি।

আমার স্ত্রী আর এই ট্রমা থেকে বের হতে পারেননি। দিনের পর দিন কেবল কান্না করতেন। রাতে মোনাজাতে দুই হাত উঠিয়ে কান্না করতেন। ফ্লোরে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদতেন। মানুষটা আমাকে খুব ভালোবাসত। কি সুন্দর সংসার ছিল! সবসময় হাসিখুশি। বেশি চাওয়া-পাওয়ার ছিল না। কিন্তু সব শেষ করে দিল। বড় বড় মানসিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্তু উন্নতি হয়নি। তিনি বলেন, যখন আমার স্ত্রী হাসপাতালে। কথা বলতে পারতেন না। তখনো চোখ খুলে আমার দিকে তাকিয়ে কাঁদতেন। যেন ক্ষমা করে দিই। ঘটনার পর থেকে কখনো আর স্বাভাবিক হতে পারেননি। শুধু আমার কাছে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন।

আলেপ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক অভিযোগের প্রায় সব অভিযোগেই রয়েছে এমন নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা। কোথাও কোথাও বিকৃত কথাবার্তা বলে মানসিক পীড়নের অভিযোগও পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার অনেক ব্যক্তিই বলছেন, আলেপ বিকৃত রুচির মানুষ। সবসময় নারীদের নিয়ে নোংরা কথা বলতেন। ভুক্তভোগীদের পরিবারের নারী সদস্যদের নিয়েও নানা কুরুচিপূর্ণ কথা বলতেন।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আলেপ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সবচেয়ে মারাত্মক। স্বামীকে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণের তথ্য পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি অসংখ্য মানুষকে গুম ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। নিষ্ঠুরতম পন্থায় নির্যাতন করেছিল। ইলেকট্রিক শক দেওয়া, চোখ বেঁধে রাখা, উল্টো করে ঝুলিয়ে পেটানো সব তিনি করেছেন, বলেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, সবচেয়ে মারাত্মক যেটা করেছিলেন, গুম করে স্বামীকে হত্যার ভয় দেখিয়ে স্ত্রীকে রোজার মাসে রোজা ভাঙিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছিলেন। এর তথ্য-প্রমাণাদি আমাদের কাছে এসেছে।

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) আলেপ উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক আসামির স্ত্রীকে ভয় দেখিয়ে রোজা ভাঙিয়ে ধর্ষণ করার প্রমাণ পেয়েছে প্রসিকিউশন। ওই নারীকে একবার নয়, তিনি একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। বাংলাদেশ পুলিশের বরখাস্ত হওয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং র‌্যাবের সাবেক কোম্পানি কমান্ডার আলেপ উদ্দিনের লালসার শিকার হয়েছেন এমন অনেকে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অন্তত অর্ধশতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। যাদের তুচ্ছ কারণে গুম করা হয়েছিল। এরপর নানা বাহানায় বছরের পর বছর নির্যাতন করা হয়। ভেঙে দেওয়া হয় পারিবারিক বন্ধন। ব্যবসা-চাকরি হারিয়ে এসব মানুষ আজও দিশেহারা। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি কেউই।

আল্লাহর কাছে দুআ করি, আওয়ামী লীগ, তাদের সহযোগী এবং তাদের এসব অন্যায়ের সমর্থনকারী কেউ যেন দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি না পায়। এখনও যারা তাদের সমর্থন করে তারাও কেউ যেন দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি না পায়। তারা সবাই যেন সমূলে ধ্বংস হয়ে যায়। আমিন।

(অপরিচিত একজন লেখকের Timeline হতে। আমি কখনো অন্যের লেখা কপি করি না। আজকে করলাম দু'টি কারণে। প্রথমত বিবরণের গুরুত্ব। দ্বিতীয়ত, নিজ থেকে গুছিয়ে লেখার পর এমনকি অস্বাভাবিক থাকারও মানসিকতা আমার এখন নাই। আমি সিরিয়ায়, ইসরায়েলে, ভারতে আমাদের মেয়েদের সাথে ঘটা বীভৎস ঘটনাগুলি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। আমি এমন নারকীয়তার বিবরণ খুব কম পড়েছি)

06/04/2024

Eid❣️ Mobarak to all
ঈদ মোবারক❤️

21/02/2024

সবচেয়ে বড় অভাগা হলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তার চার বছরের শিশু বুলবুল যে রাতে মা/ রা গিয়ে ছিল, সে রাতে তার পকেটে একটা কানাকড়িও ছিল না।

অথচ কাফন,দাফন,গাড়িতে করে দেহ নেওয়া ও গোরস্থানে জমি কেনার জন্য দরকার ১৫০ টাকা, সে সময়ের ১৫০ টাকা মানে অনেক টাকা। এত টাকা কোথায় পাবে। বিভিন্ন লাইব্রেরীতে লোক পাঠানো হল। না, টাকার তেমন ব্যবস্থা হয়নি। শুধুমাত্র ডি. এম লাইব্রেরি দিয়েছিল ৩৫ টাকা। আরো অনেক টাকা বাকি। টাকা আবশ্যক।

ঘরে দেহ রেখে কবি গেলেন এক প্রকাশকের কাছে। প্রকাশক শর্ত দিল- এই মুহূর্তে কবিতা লিখে দিতে হবে। তারপর টাকা..

কবি মনের নীরব কান্না, যাতনা লিখে দিলেন কবিতায়.....

"ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে
আমার গানের বুলবুলি
করুন চোখে চেয়ে আছে
সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি"...

😢একজন সন্তান হারা পিতার কি নিদারুণ কষ্ট 😢

Photos from Eid Mubarak's post 12/02/2024

কুলাংগার প্রশাসন ও সন্ত্রাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে সবধরনের প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি।
আমার বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শেষ পর্যন্ত লড়তে শিখিয়েছে।কাপুরুষতার শিক্ষা দেইনি।

Shame on RU

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

http://www.Facebook.com/

Address


Dhaka
1207