ডিকার্বক্সিলেশন বিক্রিয়া কি?
ডিকার্বক্সিলেশনঃ জৈব এসিডের
(R - COONa) সোডিয়াম লবণকে সোডালাইম {NaOH(CaO)} দ্বারা উত্তপ্ত করলে অ্যালকেন (R-H) প্রস্তুত হয়।
জৈব এসিড থেকে অ্যালকেন প্রস্তুতির এ বিক্রিয়াকে ডিকার্বক্সিলেশন বিক্রিয়া বলে।
এ বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অ্যালকেনে, বিক্রিয়ক এসিডের লবণ থেকে একটি কার্বন পরমাণু কম থাকে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়।
R-COONa+NaOH(CaO) ---->R-H + Na₂CO₃(CaO)
যেমনঃ সোডিয়াম ইথানয়েট কে সোডালাইম সহ উত্তপ্ত করলে মিথেন উৎপন্ন হয়।
CH₃COONa + NaOH(CaO) -----> CH₄ +
Na₂CO₃(CaO)
এ বিক্রিয়ায় উৎপন্ন মিথেনে বিক্রিয়ক সোডিয়াম ইথানয়েট থেকে একটি কার্বন কম থাকে।
এ বিক্রিয়ার মাধ্যমে জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু হ্রাস করা যায়।
BD Science CLUB
বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের সাফল্যের অনুপ্রেরণা
মাইটোসিস কোষ বিভাজন ও এর পর্যায়সমূহ,,,
আশা করি ভিডিওটি ভালো লাগবে।
27/07/2021
কঠিন জিনিস করার চেষ্টা করুন। আপনার যদি মনে হয় যে, আপনি পাড়বেন না তবুও চেষ্টা করুন। কারণ কঠিন চেষ্টা করলেই সহজ আরও বেশি সহজ হয়ে যাবে।
16/07/2021
আজ ৪ টা গ্রহ সমান রেখায় চলে আসছে
01/07/2021
দেহকোষের "আত্মহত্যা"
দেহের কোষও যে আত্মহত্যা করে - তা আবিষ্কার করেই সিডনি ব্রেনার এবং তার আরো দুজন সহকর্মী ২০০২ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
সেল সুইসাইড বা দেহকোষের আত্মহত্যার প্রক্রিয়াটি ঘটে - মাতৃগর্ভে থাকার সময় মানুষের দেহের আকৃতি গঠনের সময়। যখন তার হাত ও পায়ের আঙুল, দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ এবং মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ তৈরি হয় ।
এর ব্যাখ্যা করে বব ওয়াটারস্টোন বলছিলেন. "দেহকোষের আত্মহত্যা হচ্ছে একটা জীববৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। যে দেহকোষগুলো প্রয়োজনীয় নয় - সেগুলো প্রোগ্রামের মত আগে থেকেই নির্থারিত থাকে। প্রোগ্রাম সক্রিয় হয়ে উঠে কোষটাকে মেরে ফেলে। "
"এটা খুবই প্রয়োজনীয় একটা প্রক্রিয়া। যদি কোষের মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কাজ না করে, যদি দেহকোষের আত্মহত্যার প্রক্রিয়াটি কার্যকর হয়ে উঠতে না পারে - তাহলে আপনার দেহে কয়েক রকমের ক্যান্সার হতে পারে। এসব গবেষণায় সি এলিগ্যান একের পর এক অবদান রেখেছে।"
" জিন কিভাবে কাজ করে তা আমরা সি এলিগ্যানের ভেতর দিয়ে অনেক দ্রুতগতিতে জানতে পেরেছি - মানবদেহকোষের মাধমে যা জানতে অনেক সময় লাগতো।"
২০০৬ সালে সি এলিগ্যান নিয়ে কাজ করে আরো দুজন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পান।
এমনকি মহাশূন্যের চরম পরিবেশেও মধ্যে দেহকোষ কিভাবে কাজ করে তা জানার ক্ষেত্রেও সি এলিগ্যান ব্যবহৃত হয়েছে।
লিস্কো বলছেন, "মহাশূন্যে স্পেস শাটলের মধ্যেও জীববৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালাতে সি এলিগ্যান ব্যবহৃত হয়েছে। পৃথিবীর প্রথম প্রাণী হিসেবে মহাশূন্যে তা প্রজনন এবং বংশবৃদ্ধি করতেও সক্ষম হয়েছে।"
২০০৩ সালের ফেব্রয়ারিতে স্পেস শাটল কলম্বিয়া পৃথিবীতে ফিরে আসার সময় বিস্ফোরণের ধ্বংস হয়ে যায়। নভোচারীদের সবাই নিহত হন। কিন্তু বেঁচে ছিল সি এলিগ্যানগুলো।
গর্ডন লিস্কোবলছিলেণ, "বিস্ফোরণের পর সি এলিগ্যান ভর্তি পাত্রগুলোর কয়েকটি মাটিতে খুঁজে পাওয়া যায়। সেগুলো পরীক্ষা করে দেখা যায়, পোকাগুলো জীবিত আছে। এটা একটা আশ্চর্য ব্যাপার যে ওই বিস্ফোরণের পরও তারা টিকে থাকতে পেরেছে।"
লিস্কোর কথায় - সিডনি ব্রেনার নিশ্চয়ই এগুলো জানতে পারলে খুবই গর্বিত হতেন।
"কিন্তু আমার মনে হয়, সে হয়তো এটাও বলতো যে "ঠিক আছে, এবার বলো - এর পরে কি হতে পারে?"
08/06/2021
আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত মেম্বারগণ,,,,
সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে প্রত্যেক জেলায় আমাদের ক্লাবের কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিটি বিভাগ থেকে একজন করে দায়িত্ববান বিভাগ সমন্বয়ক/Coordinator নেয়া হবে।
শুধুমাত্র বিভাগ সমন্বয়কগণই এডমিন ও মডারেটর হবে এবং তাদের মাধ্যমেই আমাদের ক্লাব এবং গ্রুপ ও পেজ পরিচালিত হবে।
আমাদের ক্লাব রেজিষ্ট্রেশনের কার্যক্রম চলছে তাই আপনি যদি বিভাগ সমন্বয়ক হতে চান তাহলে ১২/০৬/২১ইং তারিখের মধ্যে নিম্নোক্ত ফরমেট পূরণ করে আবেদন করার আহবান করা হলো। কমেন্ট বক্সের লিংকেও আবেদন করতে পারবেন।
আহবানেঃ পরিচালক BD SCIENCE CLUB
সমন্বয়ক আবেদন ফর্ম
নামঃ
শ্রেণীঃ
বিষয়ঃ
প্রতিষ্ঠানঃ
ঠিকানাঃ
যে বিভাগে কাজ করতে ইচ্ছুকঃ
কোনো ক্লাব বা সংগঠনে যুক্ত থাকলে তার নামঃ
01/06/2021
মুসলিম বিজ্ঞানী পর্বঃ৩
বিষয়ঃ "মুসলিম জীববিজ্ঞানী, নিউরোলজিস্ট ও মনোবিজ্ঞানী"
✅আজিজ সানজার, নোবেল পুরস্কার জয়ী প্রথম মুসলিম
✅আহমাদ রেজা দেফর (1948-), ইরানী ফার্মাসোলজিস্ট
✅ইবনে শিরিন (654-728)
✅আল-কিন্দি, সাইকোথেরাপি ও সংগীত থেরাপিতে অগ্রদূত
✅আলী ইবন সাহল রব্বান আল-তাবারী, মনস্তাত্ত্বিক , ক্লিনিকাল সাইকিয়াট্রিক এবং ক্লিনিকাল সাইকোলজি এর অগ্রদূত
✅আহমেদ ইবনে সাহল আল-বাখি, মানসিক স্বাস্থ্য, জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান, জ্ঞানীয় থেরাপি, সাইকোফিজিওলজি এবং সাইকোসোমেটিক ঔষধ এর অগ্রগামী
✅আল ফারাবী, সামাজিক মনোবিজ্ঞান এবং চেতনার অগ্রদূত
✅আলী ইবন আব্বাস আল-মাজুসি (হালি আব্বাস), নিউরোআনোটোমি এর অগ্রদূত, নিউরোবায়োলজি এবং নিউরোফিজিওলজি
✅আবুল কাসিম আল জাহরাউয়ি , নিউরোসার্জারির অগ্রদূত
✅হাসান ইবনে আল-হাইসাম, নিরক্ষীয় মনোবিজ্ঞান, সাইকোফিজিক্স, ঘটনাবলী এবং ভিজ্যুয়াল ধারণা এর প্রতিষ্ঠাতা
✅আল বিরুনী, প্রতিক্রিয়া সময় এর অগ্রদূত
✅ইবনে সিনা, নিউরোসাইকাট্রি, চিন্তা পরীক্ষা, আত্ম-সচেতনতা এবং আত্ম-উপলব্ধির অগ্রদূত
ইবনে যুহর, স্নায়ুবিজ্ঞান ও নিউরোফার্মাকোলজির অগ্রদূত
✅ইবনে রুশদ,পারকিনসন রোগের অগ্রদূত
✅ইবনে তুফায়েল, তবুল রাসা এবং প্রকৃতি বনাম পুষ্টিকর এর অগ্রদূত
✅সৈয়দ জিয়াউর রহমান, পরিবেশ ফার্মাকোভিলেজেন্সর অগ্রদূত
✅মোহাম্মদ সামির হোসেন, তত্ত্ববিদ, লেখক এবং মুসলিম বিজ্ঞানী
30/05/2021
মুসলিম বিজ্ঞানী পর্বঃ ১
জাবির ইবনে হাইয়ান
মুসলিম বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ান আল-আজদি আস সুফি আল-ওমাবি। আরবের দক্ষিণাংশের বাসিন্দা আজদি গোত্রের হাইয়ান ছিলেন তার পিতা। চিকিৎসক পিতার সন্তান হলেও সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে উমাইয়া খলিফা তার পিতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে বাল্যকালে তিনি চরম দুঃখ-কষ্টের সম্মুখীন হন। শৈশবে কুফায় বসবাস করলেও পিতার মৃত্যুর পর তিনি দক্ষিণ আরবে স্বগোত্রে ফিরে আসেন। কুফায় বসবাসের সময় তিনি রসায়ন শাস্ত্র গবেষণায় বিশেষ মনোযোগী হন। ওই পরিপ্রেক্ষিতে কুফায় একটি রসায়ন গবেষণাগারও প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা ওই গবেষণাগারকে পৃথিবীর প্রথম রসায়নাগার বলে অভিহিত করেছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে তিনিই প্রথম বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে রসায়নের প্রাথমিক প্রক্রিয়াগুলো চর্চা করার উপায় উদ্ভাবন করেন। রসায়ন শাস্ত্রের পাশাপাশি তিনি চিকিৎসা, খনিজ পদার্থ বিশেষত পাথর, দর্শন, যুদ্ধবিদ্যা জ্যামিতি, জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ে অবদান রাখেন। তিনি প্রায় ২ হাজার বই রচনা করেন। এর মধ্যে চিকিৎসা বিষয়ে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৫০০।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka