11/09/2024
আজ আমরা অফিশিয়ালি পেইজের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি, এবং Shkscasm পেইজ এখন থেকে আমাদের এবং আপনাদের স্মৃতিস্বরূপ রয়ে যাবে।
আমাদের এই যাত্রা খুবই সুন্দর ছিলো। একসাথে অনেককিছু পার করা। আজ থেকে হয়তো এই পেইজ থেকে পোস্ট আসবে না কোনো, কিন্তু যখনই কেউ এই পেইজে আসবে সে দেখবে আমাদের পথচলা, আমাদের আনন্দ, আমাদের দ্রোহ এবং আরও অনেককিছু।
আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি, আমরা সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করেছি, যখনই আমরা দেখি আমাদের পেইজের লোগো অনেকের প্রোফাইল পিকচার, অজান্তেই আমাদের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠে, হাসিটা হয় আত্মতৃপ্তির।
এই আনন্দকে সাথে করেই আমরা বিদায় জানাচ্ছি। বিদায়বেলায় অ্যাডমিনদের কিছু কথাও সংযুক্ত আছে তাদের ছবির সাথে।
বিদায় মানেই শেষ নয়, বিদায় মানে এক নতুন যাত্রা।
Signing off
10/09/2024
যখন আমি পেইজের দায়িত্বে আসি, তখন পেইজে তেমন কোনো পোস্ট ছিলো না। সো, বলাই যায়, শুরু থেকেই শক্সাজমের সাথে আমার পথ চলা।
প্রথমেই বলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পেইজ কালচার নিয়ে। মোটামুটি সব পেইজই রিচ পাওয়ার জন্য কন্ট্রোভার্শাল টপিক, এক্সপোজ, টক্সিসিটি হেন তেন নিয়ে পোস্ট করে যেটা আমার কাছে অবশ্যই দৃষ্টিকটু। আমরা এইসব অসুস্থ ট্রেন্ড থেকে দূরে ছিলাম কি না, সেটা আপনাদের থেকে কেউ ভালো জানে না।
আমাদের চেষ্টা ছিলো প্রতিনিয়তই কোয়ালিটি কনটেন্ট আপলোড করা পাশাপাশি ইন্সটিটিউটের সকল অশিক্ষার্থীবান্ধব কাজের বিরুদ্ধে কথা বলা। আমরা এটা কেনো করেছি? কারণ, আমাদের কনসার্নের মূল জায়গা ছিলো (এবং থাকবে) আমাদের স্কুলের স্টুডেন্টরা। কারণ, স্টুডেন্টরাই SHKSC এর প্রাণ। সুতরাং, আমরা স্কুলের শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিলাম এবং সবসময় থাকবো।
স্কুলের সাথে সম্পর্ক শেষ হওয়ার কথা ছিলো গতবছরই। কিন্তু স্কুলের সাথে শেষ সূত্র হিসেবে এই পেইজটা ছিলো, আজ এখান থেকেও বিদায় নিচ্ছি। সম্পর্ক ছেদ করা সবসময়ই বেশ খানিকটা কষ্টের, কিন্তু এই কষ্টকে ছাপিয়ে যাবে আমার সংগ্রহ করা সব অভিজ্ঞতা।
- Icarus
10/09/2024
আজকে আমাদের পেইজের ১১১১ তম দিন। চলে যাওয়ার কি সুন্দর মূহুর্ত, তাই না?। তবে চলে যাওয়ার আগে আপনাদের সাথে এই পেইজের সাথে আমার যাত্রা শুরুর গল্প বলতে চাই।
আমাদের এই পেইজটা খোলা হয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু তেমন পোস্ট করা হয় নাই তখন। কিন্তু এসএসসি পরীক্ষার পর একটা বড় ছুটি পেলাম। তখন আমি shksc short stories নামে পুরোনো একটা পেইজ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একটা short story পেইজ খোলার চিন্তা করলাম, যেখানে আমাদের শক্সচিয়ানদের অনেক স্মৃতি থাকবে পোস্ট হিসেবে। সেটায় আপনাদের রেসপন্স পেয়েছি, কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না। তারপর ভাবলাম স্যারদের ফিচার করা উচিত। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মনে স্যারদের স্মৃতি হিসেবে তাদের বলা কথাগুলোই থাকে। তাই ভাবলাম স্যার-ম্যাডামদের বলা কথাগুলোও স্মৃতির পাতায় থাক। সেক্ষেত্রে আপনাদের অনেক ভালো রেসপন্স ছিলো।
আমার এ যাত্রায় ৩ জন সঙ্গী ছিলো। বলা বাহুল্য তারা না থাকলে এই পেজ এই পর্যন্ত আনা অসম্ভব হতো। তাদের এই পেইজ সম্পর্কে অনূভুতি শীঘ্রই তারা আপনাদেরকে জানাবে।
আমরা ৪ জন মিলে পেইজের পোস্টগুলোকে আরো বৈচিত্র্যপূর্ণ করে তুলি। মাঝখানে অনেক মিমস, ফিচার ভিডিও পোস্ট করা হয়। কিন্তু তারপরে পেইজ হয়ে যায় মরুভূমি।
মূলত আমাদের সবার কলেজের প্রেশারের কারণে তেমন একটা পোস্ট করা হয়ে ওঠে না। যেদিন আমার কলেজের টার্ম এক্সামের রেজাল্ট দিয়েছিল সেদিন অভিভাবক মিটিংয়ে একজন প্রিন্সিপালকে কোচিং শুরু করার অনুরোধ করে। তিনি এ প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তখন আমার মাথায় একটা প্রশ্ন আসলো, "নটর ডেম কলেজ যদি কোচিং না করিয়ে এত ভালো রেজাল্ট করতে পারে, তাহলে আমার স্কুল কোচিং করায় কোন যুক্তিতে?" স্কুলের এই কোচিং ব্যবস্থা যে কত ছাত্র-ছাত্রীর সময় ও তাদের বাবা-মার অর্থ নষ্ট করছে এক্ষেত্রে আওয়াজ তোলা তো উচিত। তখন এই পেইজে প্রথম কোচিং বিরোধী পোস্ট দিয়ে দেই। সেটায় আপনারা একমত পোষণ করেছিলেন।
তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে আমরা সার্কাজম থেকে সরে আসবো। পেইজে শুধু সিরিয়াস পোস্ট করবো।
তখন থেকে আমরা স্কুলের সিস্টেমের বিরূদ্ধে কথা বলতে থাকি।
এ সংক্রান্ত পোস্টগুলো তখন ছিল শুধুই মনের আক্ষেপ। কিন্তু এই আক্ষেপ যে প্রতিবাদে রূপ নেবে কে জানতো?
আমাদের আক্ষেপের সেই রূপটাকে আপনারা সফল করেছেন।
এই পেজটা আমরা চালিয়েছিলাম জুনিয়রদের প্রতি এক প্রকার দায়িত্ববোধ থেকে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। এখন আপনাদের কাছে বিদায় চাচ্ছি।
আপনাদের স্মৃতির পাতায় জায়গা পাবো কিনা জানিনা। তবে এই পেজের ঐতিহ্যে আমার একটা ক্ষুদ্র চিহ্ন আছে। এটাই আমার জন্য অনেক।
We have 3k followers. So...
Love you 3000❤️.
Sadman Mahmud.
09/09/2024
25.08.2021
এই তারিখটা সেদিনের যেদিন এই পেইজ ক্রিয়েট করা হয়, আজ এই পেইজের বয়স ৩ বছর ১৫ দিন। অসীম পর্যন্ত যাওয়ার স্বপ্ন সবাই দেখে, আমরাও তার ব্যতিক্রম নই, কিন্তু অসীম পর্যন্ত যেতেই বা পারে কয়জন। আমরা অসীমে যাওয়ার ব্যর্থতাতেই খুশি, কেননা এই ব্যর্থতাও আমাদের মনে করাবে আমাদের এই ৩ বছর ১৫ দিনের কথা।
পেইজটা যতোটা আমাদের, ততোটা কিংবা তার চেয়েও বেশি আপনাদের। শেষবারের মতো, এই পেইজের জন্য আপনাদের অনুভূতি ব্যক্ত করবার আহবান রইলো। চলে যাওয়ার আগে, আপনাদের অনুভূতিই হোক আমাদের ভবিষ্যৎ যাত্রার সারথি।
09/09/2024
ফার্মের মোড়- কোনাপাড়া রোডে যাতায়াতকালে অনেক মানুষের ডিসকাশন শোনা হয়। যেমনটা গত ক'দিন আগে স্কুলের কয়েকজন সচেতন অভিভাবকের কথা শোনার সৌভাগ্য হয়েছিলো।
আজকে তাদের কথাগুলোই ফুটিয়ে তুলবো, সময় ফুরিয়ে আসছে আমাদের।
নেপোলিয়ন বলেছিলেন " তোমরা আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের শিক্ষিত জাতি উপহার দেবো"। এদেশে শিক্ষার ব্যাপক প্রসারে আমাদের বাবা-মায়েরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় অনেক শিক্ষিত, নো ডাউট। তবে নেপোলিয়ন যেমন আদর্শবান শিক্ষিত প্যারেন্টস চেয়েছিলেন তেমনটা কি হতে পেরেছি? আমরা আমাদের সন্তানের লেখাপড়ার ভার দিয়ে রেখেছি প্রতিষ্ঠানের উপর। স্কুল থেকে সন্তান বাসায় আসলে তাকে আবার হয়তো কোনো স্যারের বাসায় পাঠিয়ে দেই। সেখান থেকে এসে সন্তান বিছানায় নিজের শরীর এলিয়ে দিতে গিয়ে দেখে তার জন্য গৃহ শিক্ষক অপেক্ষা করছে! এসব কিছুর আয়োজন কেবলমাত্র সন্তানকে "শিক্ষিত" করতে হবে বলে। দিনশেষে এতো আয়োজন সফল হয় না কেননা আপনি সন্তানকে কেবল ফিজিক্স শিখিয়েছেন। মূল্যবোধ, আদর্শ শিক্ষাদান দেয়ার কথা তো অভিভাবকদের। প্রতিষ্ঠান, গৃহশিক্ষকের হাতে সন্তানকে বুঝিয়ে দিয়ে একেবারে নির্ভার থাকার অবকাশ কি আদৌ আছে? ভেবে দেখবেন।
স্টার জলসা, জি বাংলা কিংবা হালের ফেইসবুক রিলসে মগ্ন না থেকে সে সময়টুকু একটু বাচ্চাকে দিবেন। বাবাদের প্রতি অনুরোধ সন্তানকে আরেকটা গৃহ শিক্ষকের কাছে পাঠাবেন সে জন্য টাকা ইনকামের কথা একটু কম ভেবে ছেলে মেয়েটার জন্য সুন্দর বই উপহার দিবেন। তাদের সাথে আপনার ছেলেবেলার গল্প করবেন। সন্তানদের প্রতি অনুরোধ, বাবা-মায়ের বকা খেয়ে পড়তে বসার চেয়ে নিজে নিজে চেষ্টা করবে।
প্রকৃত শিক্ষার্থীদের পড়তে বসতে বলা লাগে না, তারা স্বেচ্ছায় নিজ তাগিদে পড়াশোনা করে। সে শিক্ষার্থী হওয়ার চেষ্টা জারি থাকুক❤️
19/08/2024
প্রিয় ছাত্রজনতা,
স্কুলের নিরাপত্তার স্বার্থে সবাই পরবর্তী ঘোষণা আসার আগ পর্যন্ত ফার্মের মোড় অবস্থান করবেন আগামীকাল (২০শে আগস্ট) সকাল ৯টায়।
একটা স্বার্থান্বেষী মহল নিজেরা স্কুলে হামলা করে সেই দায় ছাত্রদের উপর চাপাতে পারে। তাই কেউ ভাঙচুর, হামলার চেষ্টা চালালে শক্ত হাতে রুখে দিন। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া হবে। আমাদের দুর্নীতি বিরোধী শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচী সকাল ৯ টায় ফার্মের মোড়ে শুরু হবে ইন শা আল্লাহ।
Inkilab Zindabad
19/08/2024
প্রতিটা আন্দোলনের দুইটা পক্ষ থাকে, সত্য এবং মিথ্যার দ্বন্দে দুইপক্ষের ক্ল্যাশ হয়। আমাদের আন্দোলনের ক্ষেত্রেও দুই পক্ষের মানুষ আছে। এক পক্ষ বলছে, আমরা কালকে আন্দোলনে যাবো না কারণ হচ্ছে, অথোরিটি দাবি মেনে নেয়ার জন্য একমত হয়েছে। আর দ্বিতীয় পক্ষে আমরা যারা রয়েছি, আমরা চাই আগামীকাল শান্তিপূর্ণ অবস্থানের মাধ্যমে দাবি আদায় করতে এবং আমাদের প্রতিনিধি ও অ্যালুমনাইরা অথোরিটির সাথে কথা বলে অডিট রিপোর্ট চেক করবে। অডিট রিপোর্ট চেক করার মাধ্যমে আমরা দেখবো সমস্যাগুলো কিভাবে সমাধান করা যায়। প্রতিটা জিনিস যদি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হয়, তাহলে আমাদের সব স্টুডেন্টরা বাসায় চলে যাবে।
ঐ পক্ষের দাবির সমস্যা হচ্ছে, যখন তারা বলছে অথোরিটি সব কথা মেনে নিছে, তখনও আমাদের কাছে তাদের মুখের কথা বাদে আর কোনো লিগাল কাগজ নেই, যার মাধ্যমে আমরা ভরসা পাবো আমাদের দাবি আসলেই মানা হবে। এবং এর মাধ্যমে আমরা আরও বুঝবো যে অনিয়মগুলো স্কুলে আর কখনো ব্যাক করবে না, আর টিচারদের বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারটাও নিশ্চিত হবে।
এজন্যই, আমরা আগামীকাল স্কুলে অবস্থান করবো এবং একই সাথে উনাদের সাথে গিয়ে কথা বলবো, এবং উনাদের দিয়ে লিগাল ডকুমেন্ট সাইন করাবো। যাতে করে পুনরায় স্কুলে কোচিং কিংবা অন্যান্য অনিয়ম চালানো হলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারি। লিগাল ডকুমেন্ট না থাকলে পুনরায় স্কুলে এইসব অনিয়ম চালানোর সুযোগ অথোরিটি পেয়ে যাবে। এর জন্য আমরা আগামীকাল স্কুলের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করবো। সুতরাং, আগামীকাল সকাল ৯ টা বাজে সবাই স্কুলের সামনে আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করছি।
19/08/2024
আগামীকালের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্য কয়েকজন মোল্লা সাহেবের দালাল উঠেপরে লেগেছে। স্টুডেন্টদের ন্যায্য দাবি এরা বিকিয়ে দিতে চায়।
এইসব মোল্লা সাহেবের দালাল এখন মোল্লা সাহেবের কথামতো পোস্ট দিচ্ছে কালকের আন্দোলন তারা বয়কট করবে, স্টুডেন্টদের মধ্যে থেকেই এরা স্টুডেন্টদের সাথে বেইমানি করছে।
কিন্তু, আমাদের আন্দোলন চলবেই, যতোদিন না দাবি আদায় হয়।
কাল দেখা হচ্ছে, সকাল ৯ টায়, সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে
18/08/2024
শক্সচের প্রিন্সিপাল, মোল্লা সাহেবের অনিয়মের বিরুদ্ধে এখন পোস্ট দিলেই যারা বলছেন উনি নাকি সব দাবি মেনে নিছেন, তারা এই বিবৃতিটা মনোযোগ দিয়ে পড়েন। মোল্লা সাহেব ৪৮ ঘন্টা সময় নিয়েছিলেন, সব দাবি বাস্তবায়নের দৃশ্যমান কাজ শুরু করার, কিন্তু ৪৮ ঘন্টা পার হওয়ার অনেক পরেও আমরা আমাদের দাবির দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখতে পাইনি।
যেহেতু আমাদের দাবি এখনো মানা হয়নি, তাই আগামী ২০ আগস্ট মঙ্গলবার, সামসুল হক খান স্কুলঅ্যান্ড কলেজের সামনে সকাল ৯ টা থেকে বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ন অবস্থান সমাবেশের ঘোষণা দেয়া হলো।
শিক্ষক নামী অমানুষদের কোনোরূপ ছাড় নয়, সবাই নিজেদের পরিচিতদের জানিয়ে দিন। সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনিয়মের আর ঠাঁই নাই।
18/08/2024
ডেমরা এলাকার উন্নয়নের কান্ডারি, (ফেইক) ডক্টরেট ডিগ্রিধারী, শিক্ষা ব্যবসায়ী (নিজেই স্কুলের এক জায়গায় entrepreneur লিখে রেখেছে নিজেকে) মোল্লা সাহেব ৯ আগস্ট তারিখ সকালে, স্টুডেন্টদের স্কুলের সামনে জড়ো হতে দেখেই অতি দ্রুত তাদের সব দাবি মেনে নিয়ে কয়েকটা ফটোকপি করা কাগজ (যেখানে উনার সিল মারা) স্কুলের ওয়ালে লাগিয়ে দেন। তো, ভালো কথা, স্টুডেন্টরা সরল মনে উনাকে বিশ্বাস করে চলে যায়। উনি ওখানে বলেছিলেন, ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই সব দাবী মেনে নিবেন এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন এ বিষয়ে। খুবই ভালো কথা।
কিন্তু, আজকে কলেজে ব্যাচ-২৬ এর ক্লাস শুরু হয়, স্কুলেও ক্লাস চলতে থাকে। মোল্লা সাহেবের পোষ্য শিক্ষকরা, ক্লাসে ক্লাসে স্টুডেন্টদের ভয় দেখানো শুরু করে, যে ক্লাসরুমে ঠিকমতো পড়ানো হবে না, সিলেবাস শেষ হবে না, পরীক্ষায় খারাপ করবে স্টুডেন্টরা এবং হেন তেন। কোচিং বন্ধ করানোর যৌক্তিক দাবি উনারা মেনে নেয়ার পর এই নাটক শুরু করছেন।
তাদের লজ্জা থাকলে এটলিস্ট নির্লজ্জ্বের মতো এভাবে স্টুডেন্ট এবং অভিভাবকদের জিম্মি করতে পারতো না। সাধারণ ক্লাসে না পড়িয়ে, কোচিং এর অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য এইসব হুমকি ধামকি যেসব শিক্ষকরা দিচ্ছে, তারা শিক্ষক নয় বরং ব্যবসায়ী এবং শিক্ষক শব্দটার প্রতি কলঙ্ক।
স্টুডেন্টরা, আপনাদের ক্লাসরুমে এমন কিছু বলা হলে, নিজেরা ওখান থেকেই প্রতিবাদ করবেন, সমন্বিত প্রতিবাদের সামনে তারা কিছুই করতে পারবে না, কারণ তারা সবদিক থেকেই ভুল।
14/08/2024
POV: Molla and Apar are the same.