21/01/2024
সাহিত্যিক প্রেমী যখন Chemistry lover...
বিজ্ঞান বিভাগের সকল শর্টকাট টেকনিক।
21/01/2024
সাহিত্যিক প্রেমী যখন Chemistry lover...
21/01/2024
রসায়ন বইয়ের কিছু সংকেত - নবম-দ্বশম শ্রেণী
রাসায়নিক নাম সংকেত
সালফিউরাস এসিড H2SO3
সালফিউরিক এসিড H2SO4
ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট MgCO3
ডলোমাইট CaCO3.MgCO3
ব্লিচ/ব্লিচিং পাউডার Ca(OCl)Cl
ফিটকিরি/পটাশ এলাম/ পটাসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট Al2(SO4)3.K2SO4.24H2O
জিপসাম CaSO4.2H2O
সিলিকন ডাইঅক্সাইড SiO2
গ্যালেনা PbS
বক্সাইট Al2O3.2H2O
ক্রোমাইট FeO.Cr2O3
উলফ্রামাইট FeWO4
রুটাইল TiO2
চালকোসাইট Cu2S
ক্যালসিয়াম সিলিকেট CaSiO3
ম্যাঙ্গানিজ সিলিকেট MnSiO3
ফেরাস সিলিকেট FeSiO3
ফেরাস অক্সাইড FeO
সিন্নাবার HgS
জিংক ব্লেন্ড ZnS
ক্যালামাইন ZnCO3
ম্যাগনেটাইট Fe3O4
হেমাটাইট Fe2O3
লিমোনাইট Fe2O3.3H2O
কপার পিরাইট(পাইরাইট) CuFeS2
সাগরের পানি NaCl
তাম্রমল CuCO3.Cu(OH)2
অলিয়াম/ওলিয়াম H2S2O7
ইথেন C2H6
ইথিন C2H4
প্রোপেন C3H8
বিউটেন C4H10
প্রোপিন C3H6
ইথাইন C2H2
প্রোপাইন C3H4
ফেনল/ কার্বলিক এসিড C6H5-OH
ন্যাপথাললিন C10H8
পেন্টেন C5H12
হেক্সেন C6H14
হেক্সাডেকেন C16H34
আইকোসেন C20H42
অকটেন C8H18
পলিথিন -[CH2-CH2]-n
ক্যালসিয়াম কার্বাইড CaC2
ভিনাইল ক্লোরাইড CH2=CHCl
টেট্রোফ্লোরোইথিন CF2=CF2
নাইলন HOOC-(CH2)4-COOH ও H2N-(CH2)6-NH2
ইথানয়িক এসিড CH3COOH
সাইক্লোহেক্সেন C6H12
অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট NH4HCO3
কস্টিক সোডা NaOH
কস্টিক পটাশ KOH
সাবান 3R-COONa
গ্লিসারল C3H5(OH)3
লরাইল অ্যালকোহল CH3-(CH2)10-CH2-OH
লরাইল হাইড্রোজেন সালফোনেট CH3-(CH2)10-CH2-O-SO3H
সোডিয়াম লরাইল সালফোনেট CH3-(CH2)10-CH2-O-SO3Na
হাইপোক্লোরাস এসিড HClO
কুইক লাইম CaO
ফরমালডিহাইড HCHO
কার্বনিক এসিড H2CO3
রসায়নিক বিয়ের গল্প:
গ্রুপ ১ এর পুত্র Na এর সাথে গ্রুপ ১৭ এর কন্যা F এর বিবাহ হতে চলেছে আজ!তারা ১টি ইলেকট্রন আদান প্রদানের মাধ্যমে NaF গঠন করবে!বরপক্ষ এলো!চারিদিকে কেমন থমথমে ভাব! Na কনে কে দেখে পুরাই শকড!যেখানে ফ্লোরিনের বসে থাকার কথা সেখানে আছে ক্লোরিন!চারিদিকে হইচই পড়ে গেল|জানা গেল ফ্লোরিন অন্য কারো জন্য পালিয়েছে|কন্যাপক্ষের কাকুতি মিনতিতে অবশেষে ক্লোরিনের সাথেই সোডিয়ামের বিয়ে হলো|তারা NaCl গঠন করল!কিন্তু গ্রুপ ১ এর H ও সেদিন থেকে মিসিং!
* * Na ও Cl একে অপরকে মানতে অসুবিধা হচ্ছিল,কিন্তু তারা দুজন দুজনকে ভালোবেসে অজান্তেই শক্তিশালী আয়নিক বন্ধন তৈরি করে!
* *
গ্রুপ ১ দের বাড়িতে কলিংবেল বাজছে!Cl দরজা খুলে দেয়|সে তো দেখেই অবাক |একে একে Li, Na,K,Rb,Cs,Fr সবাই আসে |দেখে হাইড্রোজেন আর ফ্লোরিন|
তাহলে তুই সেদিন ফ্লোরিনকে নিয়ে পালিয়েছিলি?(Na বলল)
হ্যা ভাইয়া ফ্লোরিন আর আমি একে অপরকে ভালোবাসতাম!তাই আমরা পোলার সমযোজী বন্ধন তৈরি করি!(H)
:তা তুই এখানে এসেছিস কেন?চলে যা এখান থেকে?(Na বলল)
তোমরা ছাড়া আমার আর কে আছে?আলাদা ধর্মের হয়েও তোমরা আমকে জায়গা দিয়েছ.প্লিজ মাফ করে দাও(H কেঁদে)
Na শুনে আর থাকতে পারলো না,বুকে নিল...
করোনা কালীন সময়ে অনলাইনে পড়ানো হচ্ছে :
# # ব্যাচ করে অথবা প্রাইভেটলি।
# # প্রতি মাসের ১ তারিখ নতুন ব্যাচ শুরু করা হয়।
১. নবম - দশম, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের সকল বিষয়।
২. আর্টস ও কমার্সের গনিত এবং বিজ্ঞান বিষয়।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বিজ্ঞান বিভাগের সকল বিষয়।
# # ৪৪ টা লেকচারে পুরা কোর্স কমপ্লিট।
আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন।
# # পেজের ইনবক্সে অথবা
আমার ফেসবুক আইডি'র ইনবক্সে।
# # ধন্যবাদ।।
ফেসবুক আইডি লিংক :
https://www.facebook.com/profile.php?id=100007104452415
পর্যায় সারণীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মৌল আমাদের সবসময়ই মনে রাখতে হয়।এর মধ্যে ৯ম -১০ম -একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য ৩০ টি মৌলের নাম মুখস্ত থাকতেই হয়।সবার পক্ষে সমান ভাবে এই মৌল গুলোর প্রকৃত নাম অনুযায়ী মনে রাখা সম্ভব না।প্রায় সকল শিক্ষার্থী কিছু সংক্ষিপ্ত ছন্দে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা করে।এবং এই পদ্ধতিটি বেশ কাজের।
আমি যতগুলো ছন্দ জানতাম সবগুলোই এখানে দিয়েছি।ছন্দগুলো আমার নিজের বানানো নয় অনেক আগে থেকেই এগুলো ব্যাবহার হয়ে আসছে। রসায়ন এর পুরো পর্যায় সারনি মনে রাখার একটা উপায় দেওয়া হল।
Group 1(A) / 1 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
H Li Na K Rb Cs Fr
ছন্দ : হা লি না কে রুবি সাইজে ফেলেছে
H -Hydrogen(হাইড্রোজেন )
Li – Lithium(লিথিয়াম)
Na -Sodium(সোডিয়াম)
K – Potassium(পটাশিয়াম )
Rb – Rubidium(রুবিডিয়াম)
Cs -Caesium(সিজিয়াম)
Fr – Francium(ফ্রান্সিয়াম)
Group 2(A)/ 2 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
Be Mg Ca Sr Ba Ra
ছন্দ: বিরানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে বাটিতে রাখ
Be -Beryllium (বেরিলিয়াম)
Mg -Magnesium (ম্যাগনেসিয়াম)
Ca -Calcium(ক্যালসিয়াম)
Sr -Stronsium(স্ট্রানসিয়াম)
Ba -Barium(বেরিয়াম)
Ra -Radium(রেডিয়াম)
Group 3(A)/ 13 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
B Al Ga In Tl
ছন্দ : বউ আমার গেছে ইন্ডিয়া থাইল্যান্ডে
B -Born (বোরোন)
Al -Aluminium (অ্যালুমিনিয়াম)
Ga -Gallium (গ্যালিয়াম)
In -Indium (ইন্ডিয়াম)
Tl -Thallium (থেলিয়াম)
Group 4(A) / 14 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
C Si Ge Sn Pb
ছন্দ : কুয়েত সিটিতে গেলে সোনা পাবে
C -Carbon (কার্বন)
Si -Silicon (সিলিকন)
Ge -Germanium (জার্মেনিয়াম)
Sn -Tin (টিন)
Pb -Lead (লেড বা সিসা)
Group 5(A)/ 15 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
N P As Sb Bi
ছন্দ :নি পার আছে সাপের বিষ
N -Nitrogen (নাইট্রোজেন)
P -Phosphorus (ফসফরাস)
As -A arsenic (আর্সেনিক)
Sb -Antimony (এন্টিমনি)
Bi -Bismath (বিসমাথ)
Group 6(A)/ 16 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
O S Se Te Po
ছন্দ: ও এস এসই তে পড়ে
O -Oxygen (অক্সিজেন)
S -Sulfur (সালফার)
Se -Selenium (সেলেনিয়াম)
Te -Tellurium ( টেলুরিয়াম)
Po – Polonlum (পোলেনিয়াম)
Group 7(A)/ 17 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
F Cl Br I At
ছন্দ: ফেল করলে বিরাট আগায় আটকাবে
F -Florin (ফ্লোরিন)
Cl -Chlorine (ক্লোরিন )
Br -Bromine ( ব্রোমিন
I -Iodine (আয়োডিন)
At -Astatine (অ্যাস্টেটাইন)
Group 8(A) / 18 / 0 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
He Ne Ar Kr Xe Rn
ছন্দ: হে না আর করিম যাবে রমনায়
He -Helium (হিলিয়াম)
Ne -Neon (নিয়ন)
Ar -Argon (আর্গন)
Kr -Krypton (ক্রিপ্টন)
Xe -Xanon (জেনন)
Rn -Radon (রাডন)
পারমানবিক সংখ্যা 21-30 এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
Sc Ti V Cr Mn Fe Co Ni Cu Zn
ছন্দ: শাহরুখ টাইটানিকে ভেসে কাল মনিষকে ফেলে কোয়েলকে নিয়ে কুয়াকাটা যাবে
Sc -Scandium (স্ক্যানডিয়াম)
Ti – Titanium (টিটেনিয়াম)
V -Vanadium (ভ্যানাডিয়াম)
Cr -Chromium (ক্রোমিয়াম)
Mn -Manganese (ম্যাঙ্গানিজ)
Fe -Iron (লোহা বা আয়রন)
Co -Cobalt (কোবাল্ট)
Ni -Nickel (নিকেল)
Cu -Copper (কপার)
Zn -Zinc (জিংক)
পারমানবিক সংখ্যা 39-48এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
Y Zr Nb Mo Tc Ru Rh Pd Ag Cd
ছন্দ: ইতি ও জেরিন নাইরোবিতে মোবাইল সহ রুথের রোড দিয়ে পালাবার সময় কাঁদছিল
Y -Yttrium (ইট্রিয়াম)
Zr -Zirconium (জিরকোনিয়াম)
Nb -Niobium (নিওবিয়াম)
Mo -Molybdenum (মলিবডেনাম)
Tc -Technitium (টেকনেসিয়াম)
Ru -Ruthenium(রুথেনিয়াম)
Rh -Rhodium( রোডিয়াম)
Pd -Palladium (প্যালাডিয়াম)
Ag -Silver(সিলভার)
Cd -Cadmium (ক্যাডমিয়াম)
পারমানবিক সংখ্যা 57-80এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
La Hf Ta W Re Os Ir Pt Au AG Hg
ছন্দ: লাকি ও হানিফ টাইজানিকে করে ওয়াবিতে এসে ইউরোপে প্লাটিনাম ও গোল্ড পাবে
La (57-71) -Lanthanum (ল্যানথানাইড সিরিজ)
Hf -Hafnium ( হাফনিয়াম)
Ta -Tantalum ( ট্যান্টালুম)
W -Tungsten ( টাংস্টেন)
Re -Rhenium (রেনিয়াম)
Os -Osmium (অসমিয়াম)
Ir -Eridium ( ইরিডিয়াম)
Pt -Platinum ( প্লাটিনাম)
Au -Gold (গোল্ড)
Hg -Mercury ( পারদ বা মাকারি)
পারমানবিক সংখ্যা 89-112এর মৌল
যেই মৌলগুলো indicate করে-
Ac Rf Db Sg Bh Hs Mt Ds Rg Cn
ছন্দ: আখির ছেলে রাফি ডুবাই সাগরে ভেসে হাফেজ আর মতিকে দেশে রেগে চিনেছে
Ac -Actinium
(অ্যাকটিনাইড সিরিজ )
Rf -Rutherfordium
(রাদারফোর্ডিয়াম)
Db -Dubnium(ডুবনিয়াম)
Sg -Seoborgium(সিওবোগিয়াম)
Bh -Bohrium(বোহরিয়াম)
Hs – Hassium(হ্যাসিয়াম )
Mt -Metnerium(মিটনেরিয়াম)
Ds -Damstadium(ডামস্টেডিয়াম)
Rg -Roentgenium(রন্টজেনিয়াম)
Cn-Copemicium(কপারনিসিয়াম)
*** বি দ্র : ১-৩০ পর্যন্ত মৌল এবং গ্রুপ- 1, 2, 13, 14, 15, 16, 17, 18 মুখস্থ রাখলে ইন্টারের জন্য যথেষ্ট।
৪১তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
৯-১০শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই থেকে
আশা করছি এই পোস্ট থেকে কমন পাবেন ইনশাল্লাহ ।
পদার্থবিজ্ঞান
১।প্রকৃতিতে বিদ্যমান মৌলিক বল কতটি ?
= ৪টি । মহাকর্ষ , তাড়িত চৌম্বক , দুর্বল নিউক্লিয়, সবল নিউক্লিয়
২।ঘড়ির কাঁটার গতি কীরুপ?
= পর্যাবৃত্ত গতি
৩।বোসন কণা করা নাম অনুসারে করা হয়েছে?
= সতেন্দ্রনাথ বোস
৪।কোন গাড়িতে হার্ড ব্রেক কষলে গাড়িটি না থেমে খানিকটা অগ্রসর হয় - এটি কোন ঘর্ষণ ?
= পিছলানো ঘর্ষণ
৫।কোন ঘর্ষণের কারণে প্যারাসুটের আরোহী ধীরে ধীরে মাটিতে নিরাপদে নেমে আসে?
= প্রবাহী ঘর্ষণ
৬। পৃথিবীর কোন বল সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ?
= সবল নিউক্লিয়
৭।কাজ কোন রাশি?
= স্কেলার
৮।তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান উপাদান কোনটি?
= কয়লা
৯। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কোনটি?
= মিথেন
১০।ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কোন বস্তুকে উপরে তুললে কোন বলের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়?
= অভিকর্ষ
১১। ছাদ থেকে ফেলা ইট/ পাথর , টান টান স্প্রীং এ কোন শক্তি থাকে?
= গতিশক্তি ( যখন স্থির থাকে তখন বিভব শক্তি )
১২। সর্বপ্রথম জোয়ার ভাটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কোথায় বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়?
= ফ্রান্সে
১৩।গলিত শীলাকে কী বলে?
= ম্যাগমা
১৪।ভূ- তাপীয় শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কোথায় বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়?
-= নিউজিল্যান্ড
১৫।বায়োমাস কী?
= সৌর শক্তির একটি অংশ সবুজ গাছ পালা দ্বারা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিরুপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে । এটি সাধারণত হাইড্রোজেন ও কার্বন দিয়ে গঠিত।
১৬। নবায়ন যোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস কোনটি?
= বায়োমাস
১৭। ঝরনার পানি নিচে পতিত হলে কোন শক্তির রুপান্তর হয়
= বিভব শক্তি গতিশক্তিতে
১৮। ১ অশ্ব ক্ষমতা = কত ওয়াট?
= ৭৪৬
১৯। কোন বৈদ্যুতিক বাতির গায়ে 60w লেখা থাকা অর্থ কী?
= বাতিটি প্রতি সেকেন্ডে ৬০ জুল তড়িৎ শক্তিকে তাপ ও আলোক শক্তিকে রুপান্তর করে
২০।বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের সময়ে উড়ানো বেলুনে কোন গ্যাস থাকে?
= হাইড্রোজেন
২১।পৃথিবী পৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের চাপ কত?
= ১০ নিউটন অথবা ৭৬ সে.মি. পারদ স্তম্ভের চাপ
২২।এভারেস্ট পর্বতশৃঙ্গের উপরে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমুদ্র সমতলের চাপের কত %?
= ৩০%
২৩। পদার্থের চতুর্থ অবস্থার না কী?
= প্লাজমা
২৪। প্লাজমা কী?
= অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস । প্লাজমার বড় উৎস সূর্য
২৫। তাপ ও কাজের একক কী?
= জুল। ১ক্যালরি = ৪.২ জুল ।
২৬। পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা কত?
= ২৭৩ কেলভিন
২৭।একজন সুস্থ মানুষের দেহের তাপমাত্রা কত?
= ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ৩৬.৮৯ সেলসিয়াস ।
২৮।রেল লাইন নির্মাণের সময় দুটো রেল যেখানে মিলিত হয় , সেখানে একটু ফাঁকা রাখা হয় কেন ?
= তাপীয় প্রসারণের জন্য রেল লাইনের বিকৃতি পরিহার করার জন্য
২৯।ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন?
= বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে ।
৩০। শব্দ কোন ধরনের তরঙ্গ?
= অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ
----------------------------------------------
দর্পণের ব্যবহার
---------------
সমতল দর্পন
-----------
১। সমতল দর্পণের সাহায্যে আমরা আমাদের চেহারা দেখি ।
২। চোখের ডাক্তারগন রোগীর দৃষ্টি শক্তি পরীক্ষা করার জন্য
বর্ণমালা পাঠের সুবিধার্থে দর্পন ব্যবহার করে থাকেন ।
৩। সমতল দর্পণ ব্যবহার করে পেরিস্কোপ তৈরি করা যায় ।যার
সাহায়ে ভীড়ের মধ্যে খেলা দেখা ,উঁচু দেয়ালের উপর দেখা,
শত্রু সৈন্যের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজে পেরিস্কোপ
ব্যবহার করা হয় ।
৪। পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে দুর্ঘটনা এড়াতে এটি ব্যবহার করা হয়
।
৫। বিভিন্ন আলোকীয় যন্ত্রপাতি যেমন-টেলিস্কোপ, ওভারহেড
প্রজেক্টর, লেজার তৈরি করতে ।
৬। নাটক, চলচ্চিত্র ইত্যাদির সুটিং এর সময় সমতল দর্পন দিয়ে
আলো প্রতিফলিত করে কোন স্থানের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করা হয় ।
------------------------------
-------------------------------------
অবতল দর্পন
-------------------
১। রুপচর্চা ও দাঁড়ি কাঁটতে ব্যবহার করা ।
২। দন্ত চিকিত্সকগণ ব্যবহার করেন
৩। টর্চলাইট, স্টিমার বা লঞ্চের সার্চলাইটে প্রতিফলক
হিসেবে।
৪। আলোক ও তাপশক্তি ইত্যাতি কেন্দ্রীভূত করে কোন বস্তুকে
উত্তপ্ত করতে , রাড়ার এবং টিভি সংকেত সংগ্রহে ব্যবহৃত হয় ।
যেমন ডিশ এ্যান্টেনা , সৌরচুল্লি টেলিস্কোপ এবং বাড়ার
সংগ্রাহক ইত্যাদিতে ।
৬। ডাক্তাররা চোখ, নাক, কান ও গলা পরীক্ষা করার জন্য ।
----------------------------------------------
-----------------------------------------------------
উত্তল দর্পন
----------------------
১। পিছনের যানবহন বা পথচারী দেখার জন্য গাড়ীতে এবং
বিয়ের সময় ভিউ মিরর হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
২। বিস্তৃত এলাকা দেখা যায় বলে দোকান বা শপিংমলে
নিরাপত্তার কাজে উত্তল দর্পন ব্যবহার করা হয় ।
৩।প্রতিফলক টেলিস্কোপ তৈরিতে এ দর্পন ব্যবহৃত হয় ।
৪। রাস্তার বাতিতে প্রতিফলক রুপে।
------------------------------------------
----------------------------------------
অবতল লেন্স
--------------
১। সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে
২। চোখের হ্রস ত্রুটি দূর করতে ।
--------
উত্তল লেন্স:
----------
১ । চোখের দীর্ঘ ত্রুটি দূর করতে।
----------
টরিক লেন্স
------------
নকুলন্ধা দূর করতে।
-------------------
বাই ফোকাল লেন্স
----------------------
১। চালশে ত্রুটি করতে।
------------------------------------
মানুষের চোখের লেন্স >> দ্বি-উত্তল
--------------------------------------------------
লেন্সের ক্ষমতার একক >>> ডায়াপ্টার ।
------------------------------------------
মানুষের স্পষ্ট দর্শনের দূরত্ব >> প্রায় ২৫সেমি।
---------------------------
দর্শানুভুৃতির স্থায়িত্বকাল >>> ০.১ সেকেন্ড।
--------------------------------------------------------
রড় কোষ ও কোণ কোষ কোথায় অবস্থিত >> রেটিনায় ।
------------------------------------
কোথায় আলো পড়লে এক প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি হয় ফলে
মস্তিকে দর্শনের অনুভুতি জাগে >> রেটিনায়।
---------------------
অ্যাকুয়াস হিউমার >>>> কর্ণিয়া ও চক্ষু লেন্সের মাঝে
অবস্থিত।
ভিট্রিয়াস হিউমার >>>>> রেটিনা ও চক্ষু লেন্সের মাঝে
অবস্থিত।
এগুলো থেকেই অশ্রু ঝরে।
------------------------------
মৌলিক বর্ণ কয়টি ?
-৩টি। ( নীল,সবুজ ,লাল, ,) মনে রাখার টেকনিক > আসল < আ>
আসমানী(নীল), স> সবুজ,,,, ল>>লাল
এই বর্ণগুলোকে মৌলিক বর্ণ বলা হয় কারণ এগুলোর জন্য চোখের
রেটিনার কোণ কোষে ৩টি আলাদা আলাদা সংবেদী কোণ
কোষ আছে ।
---------------------
চোখের ত্রুটি প্রধানত দুই প্রকার । যথা
১.হ্রস দৃষ্টি ত্রুটি
২. দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি
-------------------------
আলোর প্রতিসরণের কিছু উল্লেখ কিছু ব্যবহার
-------------------------------------
১।দেখার কাজে (চোখের দর্শন ক্রিয়া)
২। ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা
৩। মাইক্রোস্কোপ দিয়ে অতিক্ষুদ্র জিনিস বড় করে দেখা ,
টেলিস্কোপের সাহায্য দূরের জিনিস কাছে দেখা ।
৪। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ও টেলিকমিউনিকেশনে যে অপটিক্যাল
ফাইবার ব্যবহার করা সেটাও প্রতিসরণের কারণে ।
৫। েএ্যাকুরিয়ামে মাছ দেখায়
৭। চোখের দৃষ্টি ত্রুটি করতে।
৮। গোধুলির কারণ
৯। পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা
১০। চাঁদ দিগন্ত রেখার কাছে অনেক বড় দেখা
-------------------------------------------------------
পূর্ণ অভ্যন্তরীন প্রতিফলনের কিছু ঘটনা
---------------------------------------
১। মরীচিকা
২। অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক সংকেত
৩। হীরক উজ্জল দেখা
-------------------
বিক্ষেপণ কিছু ঘটনা
--------------
১। আকাশ নীল দেখা
২। সমুদ্র নীল দেখা
---------------------------------------
দর্পন প্রধানত দুই প্রকার । যথা
১. সমতল দর্পন
২।গোলীয় দর্পন
আবার গোলীয় দর্পন দুই প্রকার
১. অবতল
২. উত্তল দর্পন
------------------
দুটি গোলীয় পৃষ্ট দ্বারা সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক
মাধ্যমকে লেন্স বলে।
লেন্স দুই প্রকার । যথা
১. উত্তল লেন্স বা অভিসারী লেন্স
২. অবতল লেন্স বা অপসারী লেন্স।
---------------------------------------
প্রতিবিম্ব দুই প্রকার । যথা
১. বাস্তব প্রতিবিম্ব
২. অবাস্তব প্রতিবিম্ব।
-----------------------------------
নীল আলোর বিক্ষেপন বেশি ।
বেগুনি আলোর প্রতিসরণ বেশি
লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি।
বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম।
-------------------
রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো >>> প্রিজমের মতো কাজ
করে।
ছয়টি পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যকে >> প্রিজম
বলে
রংধনু সৃষ্টির কারণ >>> বৃষ্টির কণা
-----------------------------------------------------------------------
দিনের বেলায় গাছের পাতা সবুজ দেখায় কারণ
--- পাতার ক্লোরোফিল সবুজ বাদে সকল বর্ণকে শোষণ করে।
একটি লাল ফুলকে সবুজ আলোতে রাখলে কেমন দেখাবে ?
- কালো
সবুজ আলোতে একটি হলুদ ফুলকে কেমন দেখাবে ?
- কালো ।
শহরের রাস্তাায় ট্রাফিক লাইটে যে ক্রম অনুসারে আলো
জ্বলে
-- লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
-------------------------------
ফটোগ্রাফিক প্লেটে কিসের আবরণ আছে?
- সিলভার ব্রোমাইড বা সিলভার আয়োডাইড ।
আয়নার পেছনে কিসের প্রলেপ দেয়া হয়
- সিলভার
------------------
বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়
-- আয়ানোষ্ফিয়ার।
////
১. প্রশ্ন : প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হওয়ার কারণ কী?
উত্তর : উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি।
২. প্রশ্ন : আকাশে মেঘ থাকলে গরম বেশি লাগে কেন?
উত্তর : মেঘ ভূপৃষ্ঠের তাপ বিকিরণে বাধা দেয় বলে।
৩. প্রশ্ন : পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে বস্তুর ওজন কেমন?
উত্তর : শূন্য।
৪. প্রশ্ন : পাহাড়ে ওঠা কষ্টকর কেন?
উত্তর : অভিকর্ষজ বলের বিপরীতে কাজ করার জন্য।
৫. প্রশ্ন : কোন রংয়ের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়?
উত্তর : কালো।
৬. প্রশ্ন : কয়টি পদ্ধতিতে তাপ পরিবহন হয়?
উত্তর : ৩টি।
৭. প্রশ্ন : সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে কোন পদ্ধতিতে?
উত্তর : বিকিরণ পদ্ধতিতে।
৮. প্রশ্ন : কঠিন পদার্থে তাপ কোন পদ্ধতিতে প্রবাহিত হয়?
উত্তর : পরিবহন পদ্ধতিতে।
৯. প্রশ্ন : তরল পদার্থে তাপ কোন পদ্ধতিতে প্রবাহিত হয়?
উত্তর : পরিচলন পদ্ধতিতে।
১০. প্রশ্ন : গ্রীষ্মকালে কোন ধরনের কাপড় পরিধান করা ভালো?
উত্তর : সাদা।
১১. প্রশ্ন : শীতকালে কেন কালো কাপড় পরিধান করা ভালো?
উত্তর : কালো কাপড় তাপ শোষণ করে বলে।
১২. প্রশ্ন : রেল লাইনে দুটি পাতের মধ্যে কেন ফাঁকা রাখা হয়?
উত্তর : তাপ বৃদ্ধির ফলে প্রসারিত হয়ে যেন বেঁকে না যায়।
১৩. প্রশ্ন : শীতকালে ভেজা কাপড় তাড়াতাড়ি শুকায় কেন?
উত্তর : বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকে বলে।
১৪. প্রশ্ন : কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
উত্তর : কঠিন মাধ্যমে।
১৫. প্রশ্ন : চাঁদে কোনো শব্দ করলে শোনা যায় না কেন?
উত্তর : বাতাস নেই বলে।
১৬. প্রশ্ন : শূন্য ঘরে শব্দ জোরে হয় কেন?
উত্তর : শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ ক্ষমতা কম বলে।
১৭. প্রশ্ন : সমুদ্রের গভীরতা কী দিয়ে পরিমাপ করা হয়?
উত্তর : প্রতিধ্বনি দিয়ে।
১৮. প্রশ্ন : কম্পনাঙ্ক বাড়লে শব্দের তীক্ষ্মতা কী হয়?
উত্তর : বাড়ে।
১৯. প্রশ্ন : তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়লে শব্দের তীক্ষ্মতা কী হয়?
উত্তর : কমে।
২০. প্রশ্ন : বিদ্যুৎ চমকাবার কিছুক্ষণ পরে শব্দ শোনা যায় কেন?
উত্তর : আলোর গতি শব্দের গতির চেয়ে বেশি।