18/10/2021
#ইনশাআল্লাহ_শীগ্রই_বের_হচ্ছে......
বাংলাদেশে এই প্রথম ও সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন...
োরআনুল_মাজিদ
পবিত্র মদীনা মুনাওয়ারা থেকে মুদ্রিত কোরআনের অনুকরণে ওয়াকফের চিহ্ন সম্বলিত ও ওয়াকফ-ইবতিদা,আয়াতে মুতাশাবিহাত এবং বিষয় ভিত্তিক আয়াতের চিহ্ন সংযুক্তকৃত।
#নাজারা_সবকি_খতমি সকল শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ উপকারী এই কোরআন।
োরআনের_মাধ্যমে শিক্ষার্থীগন সর্বোচ্চ দক্ষতা নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে সর্বোচ্চ সহযোগী হবে ইনশাআল্লাহ।
#এটি_বাংলাদেশের_একমাত্র_কোরআন যা আরব শাইখদের লাহান নকল করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সহযোগী হবে ইনশাআল্লাহ।
#কেন_এই_কোরাআন_অত্যন্ত_গুরুত্বপূর্ন_ও_জরুরী?
মেহেরবানী করে একটু মনোযোগ সহকারে পড়ুন..
পরম শ্রদ্ধেয় প্রিয় ভাই/বোন,
পবিত্র মদীনা মুনাওয়ারার "কোরআন রিভিউ বোর্ড" #লাজনাতুল_মাসাহিফ ও #লাজনাতুল_ইলমিয়্যাহ্ কর্তৃক সর্বোচ্চ গবেষণা ও তাহকিক পূর্বক #রেওয়ায়েতে_হাফস_আন_আসেম_মিন_ত্বরিকিশ_শা_ত্ববি_ইয়াহ এর যে কোরআনটি #মুজাম্মাউল_মালিক_ফাহাদ থেকে ছাপিয়ে বিশ্বব্যাপি বিতরণ করা হচ্ছে, ঐ কোরআনের সাথে আমাদের দেশের ছাপাকৃত কোরআন গুলোর মধ্যে একাধিক বিষয়ে, একাধিক স্হানে ব্যাপক অমিল পাওয়া যায়। যা পরিবর্তন বা সংশোধন করা সময়ের দাবি।
#যে_সমস্ত_বিষয়ে_মদিনার_কোরআনের সাথে আমাদের দেশের কোরআনের সমূহের অমিল রয়েছে তা হল:
১. ১নং পৃষ্ঠা
২. ওয়াকফের চিহ্ন সমূহ
৩. ওয়াকফে লাযেম
৪. মুয়ানাকা
৫. সাকতাহ
৬. হামজাতুল ওয়াসল
৭. কয়েকটি আয়াতের শেষ হরফের হরকত।
#সংক্ষিপ্ত_বিবরণ
১. #১নং_পৃষ্ঠা: অর্থাৎ আমাদের দেশে প্রকাশিত কোরআন গুলোতে সুরা ফাতিহার পৃষ্ঠা কে ২নং পৃষ্ঠা ধরা হয়েছে। আর মদীনা মুনাওয়ারা সহ আরব দেশে ছাপাকৃত কোরআন গুলোতে সুরা ফাতিহার পৃষ্ঠা কে ১নং পৃষ্ঠা ধরা হয়েছে।
২. #ওয়াকফের_চিহ্ন_সমূহ: আমাদের দেশে ছাপাকৃত কোরআন গুলোতে ওয়াকফের চিহ্ন দেওয়া হয়েছে মোট ১৪ টি। যেমন:
م,ط,ج,ز,ص,ق,قف,لا,صل,صلى, وقفة, وقف النبي,وقف غفران,وقف جبرئيل
পক্ষান্তারে মদিনা মুনাওয়ারা থেকে ছাপাকৃত কোরআন গুলোতে ওয়াকফের চিহ্ন হলো ৪টি। যেমন:
م,ج, صلى,قلى
উল্লেখ্য, অর্ধ শতাব্দিরও অধিক সময় যাবৎ তিলাওয়াতে কোরআনের উপর সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও গ্রহনযোগ্য ব্যাক্তি #শেখ_মুহাম্মদ_সিদ্দিক_আল_মিনশাবি #শেখ_মাহমুদ_খলিল_আল_হোসারি সহ প্রসিদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য আরব শাইখদের তিলাওয়াতের সময় ওয়াকফের অবস্থান মদিনার কোরআনের অনুকরণে।
বিঃদ্রঃ দুই দেশের কোরআনের মধ্যে ওয়াকফের চিহ্নের ব্যপক অমিলের কারণে (অর্থাৎ ১৪ ও ৪ টি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষ করে আরব শাইখদের লাহান নকল করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তিতে পরতে হয়।
কারন,এমন অনেক আয়াত আছে, যে আয়াত গুলোর মাঝে, আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে ওয়াকফের বিভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আরব দেশের কোরআন গুলোতে ঐ সমস্ত স্থানে ওয়াকফের কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি।
যেমন : সুরা বাকারা : আয়াত-১৪
বাংলাদেশে ছাপাকৃত :
وَإِذَا لَقُوا الَّذِينَ آمَنُوا قَالُوا آمَنَّا 'ج' وَإِذَا خَلَوْا إِلَىٰ شَيَاطِينِهِمْ 'لا' قَالُوا إِنَّا مَعَكُمْ 'لا' إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُونَ (14)
আরবদেশ ছাপাকৃত :
وَإِذَا لَقُوا الَّذِينَ آمَنُوا قَالُوا آمَنَّا وَإِذَا خَلَوْا إِلَىٰ شَيَاطِينِهِمْ قَالُوا إِنَّا مَعَكُمْ إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُونَ (14)
বাংলাদেশের কোরআন গুলোতে قَالُوا آمَنَّا এর পরে "ج, صلى" এবং شَيَاطِينِهِمْ ও إِنَّا مَعَكُمْ এর পরে "لا"
ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু আরবের কোরআন গুলোতে এই সমস্ত স্থানে ওয়াকফের কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয় নি।
৩. #ওয়াকফে_লাযেম: অর্থ্যাৎ যেখানে ওয়াকফ করা আবশ্যক, অন্যথায় অর্থের পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার আশংকা।
অথচ আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে এমন অনেক যায়গায় "ওয়াকফে লাযেমের" চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে, যে সমস্ত স্থানে আরবের কোরআন গুলোতে ওয়াকফের কোন চিহ্নই ব্যবহার করা হয় নি।যেমন: সুরা বাকারা: আয়াত-২৪৬
أَلَمْ تَرَ إِلَى الْمَلَإِ مِن بَنِي إِسْرَائِيلَ مِن بَعْدِ مُوسَىٰ إِذْ قَالُوا لِنَبِيٍّ
এখানে مُوسَىٰ এর পরে আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে "ওয়াকফে লাযেমের" চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আরবের কোরআন গুলোতে এখানে কোন ওয়াকফের চিহ্ন নেই, বরং তিন আলিফ মাদ্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
আবার এমন অনেক আয়াত রয়েছে, যেখানে আরবের কোরআনগুলোতে "ওয়াকফে লাযেমের" চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে,কিন্তু আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে ঐ স্থানে ওয়াকফে_লাযেমের চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যেমন: সুরা আনআ’ম:আয়াত-৩৬
إِنَّمَا يَسْتَجِيبُ الَّذِينَ يَسْمَعُونَ ۘ وَالْمَوْتَىٰ يَبْعَثُهُمُ اللَّهُ
এখানে ۘ يَسْمَعُونَ এর পরে আরবের সকল কোরআন গুলোতে "ওয়াকফে লাযেমের" চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে এখানে ওয়াকফে_লাযেমের চিহ্ন দেওয়া হয় নি।
উল্লেখ্য: আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে "ওয়াকফে লাযেমের" চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে ৮৬ টি।
আর আরবের কোরআন গুলোতে
"ওয়াকফে লাযেমের" চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে ২১টি।
৪. #মুয়ানাকাঃ আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে মুতাকাদ্দিমিন ও মুতাআখখিরীন ২ ভাবে বিভক্ত করে মুয়ানাকা এর সংখ্যা করা হয়েছে মোট ৩৪টি। আর আরব দেশের কোরআন গুলোতে মুয়ানাকা এর সংখ্যা হলো ৩ টি।
সুরা বাকারা- আয়াত-২
সুরা মা'য়িদা- আয়াত-২৬
সুরা মা'য়িদা- আয়াত-৪১
৫. #সাকতাহঃ সাকতাহ সম্পর্কে ইমাম জাজাইরী রহ. বলেনঃ এটি সহিহ রেওয়ায়েত দ্বারা প্রমানিত অর্থাৎ "বিছ-ছানাদিল মুতাওয়াতির" আমাদের নিকট পৌছেছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই সমস্ত যায়গায় সাকতাহ করে পড়তেন। মুকাদ্দামাতুল জাজাইরী সহ তাজভিদের সকল গ্রহণ যোগ্য কিতাব গুলোতে রয়েছে #রেওয়ায়েতে_হাফস_আন_আসেম_মিন_ত্বরিকিশ_শা_ত্ববি_ইয়াহ এর মধ্যে মোট সাকতাহ হলো ৬টি।এর মধ্যে ৪টি ওয়াজিব ও ২টি জায়েয। আরব দেশের কোরআন গুলোতে ওয়াজিব ৪টি ও জায়েয ১টি, মোট ৫টি উল্লেখ করা হয়েছে।কিন্ত আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে ওয়াজিব ৪টি ও জায়েয ২টি ছাড়া অতিরিক্ত আরো ৪টি, মোট ৮টি সাকতাহ ব্যবহার করা হয়েছে।
৬. #হামজাতুল_ওয়াসলঃ হামজাতুল ওয়াসল যুক্ত শব্দ দিয়ে যদি তিলাওয়াত শুরু করা হয় তাহলে "হামজাতুল ওয়াসল" কে হরকত যুক্ত করে উচ্চারণ করা হয়। আর যদি পূর্বের শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়া হয় তাহলে "হামজাতুল ওয়াসল" উচ্চারণে আসে না।
লেখার ক্ষেএে "হামজাতুল ওয়াসল" সব সময় সাকিন হয়।
কখনো "হামজাতুল ওয়াসল" এর উপরে বা নিচে যবর/যের/পেশ যুক্ত হয় না।
মদীনা মুনাওয়ারা সহ আরব দেশের সকল কোরআন গুলোতে "হামজাতুল ওয়াসলকে" সাকিন রাখা হয়েছে। কোন "হামজাতুল ওয়াসল" এর উপরে বা নিচে, যবর/যের/পেশ ব্যবহার করা হয় নি।
কিন্তু আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে "হামজাতুল ওয়াসল" লিখার ক্ষেএে কোন কোন যায়গায় সাকিন রাখা হয়েছে। আবার কোন কোন যায়গায় হরকত যুক্ত করা হয়েছে। যেমন:
প্রথম পৃষ্ঠার প্রথম ২ আয়াত-
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ( ) الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ( )
এখানে الْحَمْدُ ও الرَّحْمَنِ এই দুটি শব্দের ১ম আলিফ টি হলো "হামজাতুল ওয়াসল"। তাই উল্লেখিত দুটি আলিফের কোনটিতেই হরকত যুক্ত করা হয় নি।
কিন্তু আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে الْحَمْدُ এর আলিফের উপর যবর দেওয়া হয়েছে আর الرَّحْمَنِ এর আলিফটি সাকিন রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য,পুরো কোরআন মাজিদে "হামজাতুল ওয়াসল" দিয়ে আয়াত শুরু হয়েছে ২৫৪ যায়গায়। এর মধ্যে আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে ১৬৫ টি হামজাকে হরকত যুক্ত করা হয়েছে। বাকি ৮৯ টি হামজাকে সাকিন রাখা হয়েছে।
যা অবশ্যই নিয়ম বহির্ভূত।
কারন,
যদি অনারবদের সুবিধার্থে "হামজাতুল ওয়াসল"
এর উপরে/নিচে হরকত যুক্ত করা হয়,তাহলে সব জায়গায় হরকত ব্যবহার করা প্রয়োজন ছিল। অথবা নিয়ম অনুযায়ী সবগুলো সাকিন রাখা প্রয়োজন ছিল।
কিন্তু কিছু জায়গায় হরকতযুক্ত করা আর কিছু জায়গায় না করা । এটা অবশ্যই নিয়মের পরিপন্থি হওয়ার সাথে সাথে বাহ্যিক ক্ষেত্রেও দৃষ্টিকটুর।
৭. #কয়েকটি_আয়াতের_শেষ_হরফের_হরকত: আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে ৪টি শব্দ এমন রয়েছে, যে গুলোর শেষ হরফে "পেশ" এর পরিবর্তে "সাকিন" ব্যবহার করা হয়েছে।
সুরা আনফাল-আায়াত: ৬০
لَا تَعْلَمُونَهُمُ اللَّهُ يَعْلَمُهُمْ ۚ
সুরা হজ্ব- আয়াত:৭২
قُلْ أَفَأُنَبِّئُكُمْ بِشَرٍّ مِنْ ذَٰلِكُمُ ۗ النَّارُ وَعَدَهَا اللَّهُ
সুরা শুরা- আয়াত: ১৫
وَأُمِرْتُ لِأَعْدِلَ بَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ ۖ
সুরা শুরা- আয়াত: ১৫
لَا حُجَّةَ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ يَجْمَعُ بَيْنَنَا
উপরে উল্লেখিত
لَا تَعْلَمُونَهُمُ اللَّهُ/مِنْ ذَٰلِكُمُ ۗ النَّارُ/ بَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ رَبُّنَا/وَبَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ يَجْمَعُ
এই চারটি শব্দের শেষে "মিমের" মধ্যে "পেশ" হবে। যা উপরে দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু আমাদের দেশের কোরআন গুলোতে এই চারটি "মিমের" মধ্যে "সাকিন" দেওয়া হয়েছে।
যা বড় ধরনের একটি ভুল।
#উপরে_উল্লেখিত বিষয়গুলোর কারণে আমাদের দেশের কোরআন সামনে রেখে, আরব শাইখদের তিলাওয়াত শুনে অনুকরণ করার ক্ষেএে মারাত্মক ভাবে বিগ্নতা সৃষ্টি হয়।
#আলহামদুলিল্লাহ্ উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো সমাধান পূর্বক মদীনা মুনাওয়ারার কোরআনের হুবহু অনুকরনে ওয়াকফের চিহ্ন ব্যবহার করে এই কোরআনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
#বাংলাদেশের_প্রসিদ্ধ ক্বিরাত বিভাগগুলোতে দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যন্ত দক্ষতার সহিত ইলমে ক্বিরাতের খিদমাত আঞ্জাম দিয়ে আসা মহান খাদেমে কোরআনগণ আমাদেরকে এই কোরআন প্রকাশের প্রতি উৎসাহ প্রদান ও দিক নির্দেশনার সাথে সাথে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সহিত এই কোরআনের আদ্যপ্রান্ত প্রুফ দেখেছেন ও সংযোজিত নতুন বিষয়গুলো ব্যবহারের ক্ষেএে আমাদেরকে পরিপূর্ণ নেগরানী করেছেন।
তাদের প্রতি সীমাহীন কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। মহান রাব্বুল আ’লামীন কোরআনের এই খাদেমদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন, আমিন।
১.শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল-আযহারী
পরিচালক, মা’হাদুল ক্বিরাত বাংলাদেশ।
সভাপতি,আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত সংস্থা।
সদ্যস,আন্তর্জাতিক ক্বিরাত ও হিফ্জুল কোরআন
প্রতিযোগীতার বিচারক প্যানেল।
২.মাওলানা ক্বারী আব্দুল মা’বূদ সাহেব
ক্বিরাত বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার,
বসুন্ধরা, ঢাকা।
৩. মাওলানা ক্বারী মাঈনুদ্দীন সাহেব
ক্বিরাত বিভাগীয় প্রধান,
আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুমঐ মুঈনুল
ইসলাম, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।
৪. মাওলানা ক্বারী আব্দুল মালেক সাহেব
ক্বিরাত বিভাগীয় প্রধান,ফায়েজিয়া তাজউইদুল
কোরআন মাদ্রাসা, ইসাপুর চট্টগ্রাম।
৫. মাওলানা ক্বারী আব্দুল সামাদ সাহেব
ক্বিরাত বিভাগীয় প্রধান,
আল-জামেয়া আল-ইসলামিয়া, পাটিয়া, চট্টগ্রাম।
৬. মাওলানা ক্বারী আহমাদুল হক্ব সাহেব
সহকারী প্রধান, ক্বরিত বিভাগ,
আল-জামেয়া আল-ইসলামিয়া, পাটিয়া, চট্টগ্রাম।
৭. মাওলানা ক্বারী মুহাম্মদ ইসহাক সাহেব
নাযিম,ক্বিরাত বিভাগ,
ফয়েজিয়া তাজউইদুল কোরআন মাদ্রাসা,
ইসাপুর,চট্টগ্রাম।
#যে_সমস্ত_মুহতারাম_আসাতিযায়ে কিরাম ও আন্তর্জাতিক হিফজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হাফেজে কোরআনগণ আমাদেরকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।
১. শাইখ আব্দুল হক সাহেব
চেয়ারম্যান,
হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
২. হাফেজ বজলুল হক সাহেব
সিনিয়র সহসভাপতি,
হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
৩. ক্বারী নাজমুল হাসান সাহেব
চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ হিফজ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
৪. সাইয়্যেদ মাহফুজুর রহমান
চেয়ারম্যান,
রা’বিতাতুল হুফ্ফাজ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
৫. ক্বারী মোহাম্মদুল্লাহ বিন হাফিজ
ইমাম,দোহা, কাতার।
৬. ক্বারী ইলিয়াস লাহুরী
চেয়ারম্যান,হুফ্ফাজ কোরআন সংস্থা, বাংলাদেশ।
৭.ক্বারী শুয়াইব মোহাম্মদ আল-আযহারী
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক,
মারকাজ আল-মা’ছরাবী,বাংলাদেশ।
৮.ক্বারী নুরুজ্জামান কাসেমী
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক,
মা’ফাজুল কোরআন অনলাইন একাডেমি।
৯. ক্বারী মাহমুদুল হাসান
প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ হিফজ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
১০. একাধিকবার আন্তর্জাতিক হিফজ প্রতিযোগিতায়
চ্যাম্পিয়ান ও সকলের স্নেহভাজন
হাফেজ মোহাম্মদ যাকারিয়া
মহান রব্বুল আলামীন এই কোরআনের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে দুনিয়া ও আখেরাতের উত্তম প্রতিদান দান করুন, আমীন।
#কোরআনের_ফেরিওয়ালা
কোরআনের আলোয় আলোকিত হোক দেশ ও জাতি
প্রকাশক
জাফার আহমেদ নোমানী
সহকারী ইমাম
হযরত গোলাপ শাহ্ (র.) মাজার মসজিদ
গুলিস্তান, ঢাকা-১১০০
০১৭৮৮৮৫৬৬২৮,০১৯২০০৮২৯২৬
[email protected]