04/03/2023
ডা.জুবায়ের & ডা.তিশা -Doctor Couple
Born to serve the humanity and to lead quality life.
04/03/2023
প্রতিটি রক্তদাতা এক একজন যোদ্ধা।
রক্তদাতার যথাযথ সম্মান দেওয়া শিখুন।।।কারন তার শরীরের রক্ত আপনার বা আপনার কাছের মানুষটার শরীরে বহমান।।।
রাত ১১.৩০ এ তুলা ভিডিও।একজন মানুষের জীবনের মূল্য হয়তো এরাই সব থেকে ভালো বুঝতে পারে।
GP days. Epi 2
://youtube.com/
নিরাপদ মাতৃত্ব প্রতিটি মায়ের মৌলিক অধিকার।
আরো ক্লিয়ার দেখতে ক্লিক করুন https://youtube.com/
সবার জন্য শিক্ষনীয়।
22/10/2022
ডেঙ্গু নিয়ে এত সতর্কতা কেন
জ্বর কোন রোগ নয়, বরং রোগের উপসর্গ। একটা সময়ে জ্বর আসলে বলা হতো জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল খেতে, শরীর স্পঞ্জ করতে এবং বেশী বেশী তরল জাতীয় খাবার খেতে; পাচ-সাতদিনে জ্বর না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে। ধরে নেয়া হতো ভাইরাসজনিত জ্বরে তেমন কিছু হয়না। সাতদিনে ভালো হয়ে যায়।
২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহ পরিস্থিতি এই ধারনা বা ভাবনা পরিবর্তন করে দিয়েছে। এখন জ্বরকে কোনভাবেই অবহেলা করা যাবেনা, কোনভাবেই না।
ডেঙ্গু তো আগেও ছিল, তবে এখন কেন এত সতর্কতা?
ডেঙ্গু ভাইরাস ৪ ধরনের। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এর ৪ টি সেরোটাইপ (ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩, ডেন-৪)এবং প্রত্যেকটি সেরোটাইপই বাংলাদেশে আছে। ডেঙ্গু জ্বর দুই ধরনের ক্লাসিক্যাল বা সাধারণ ডেঙ্গু জ্বর ও রক্তক্ষরনজনিত ডেঙ্গু জ্বর। কেউ যদি প্রথমবারের মত ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তিনি সাধারনত ক্লাসিক্যাল বা সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরে ভুগবেন। দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তক্ষরনজনিত ডেঙ্গু জ্বর হয়। তবে এখানেও আছে একটি জটিল সমীকরণ। প্রথমবার ডেন-১ দিয়ে আক্রান্ত হলে আপনার শরীরে ডেন-১ এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি হবে। ফলে পরবর্তীতে ডেন-১ এ এক্সপোজড হলে আপনার ডেংগু হবেনা। কিন্তু বিপত্তি ঘটবে তখনই যদি প্রথমবার ডেন-১ এবং দ্বিতীয়বার ডেন-১ ছাড়া অন্য কোন সেরোটাইপ দ্বারা আক্রান্ত হন। ধরুন আপনি দ্বিতীয়বার ডেন-২ দিয়ে আক্রান্ত হলেন, তখন কি হবে? আপনার শরীরে ডেন-২ প্রবেশ করার ৪৮ ঘন্টা পর হতে ডেন-১ এর বিরুদ্ধে তৈরীকৃত এন্টিবডি রক্তে আসবে যা ডেন-২ সেরোটাইপের সাথে ঠিকই বন্ধনে যুক্ত হবে কিন্তু নিষ্ক্রিয় করতে পারবেনা বরং রক্তের শ্বেতকণিকার মধ্যে ঢুকে বংশবিস্তার করবে এবং আরো অনেক শ্বেতকণিকা জড়ো করে বিভিন্ন ধরনের সাইটোকাইন নিঃসৃত করে রক্তক্ষরণ ঘটাবে। একে বলে Original antigenic sin। এই Original antigen হচ্ছে ডেন-১, যেটা দিয়ে আপনি প্রথমবার (কয়েক মাস বা কয়েকবছর আগে) আক্রান্ত হয়েছিলেন।
২০১৮ সালের আগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি তো এত খারাপ ছিলনা, এখন কেন?
২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ডেন-৩ সেরোটাইপের প্রাধান্য বেশী ছিল। ২০০৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত যা ডেন-১ বা ডেন-২ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়েছিল। ২০১৮ সালে ডেন-৩ আবার ফিরে আসে প্রবলভাবে এবং প্রতিস্থাপন করে অন্যগুলোকে। এতে করে একটা বড় সংখ্যার মানুষ বিশেষ করে যারা ২০০৩ থেকে ২০১৭ এর মধ্যে জন্মগ্রহন করেছে, তারা ডেন-৩ দ্বারা প্রথমবারের মত আক্রান্ত হয়। অর্থাৎ ডেন-৩ আক্রমন করার জন্য একটি নতুন প্রজন্মকে পায়।ফলে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। এদের মধ্যে অনেকের ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু হয় এবং যারা আগে অন্য সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়েছিল, তাদের রক্তক্ষরনজনিত ডেংগু হয় ও অনেকেই প্রান হারায় । অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ও মারা গেছেন ও যাচ্ছেন।
অনেক কারণে জ্বর হতে পারে। টেস্ট না করলে আপনি কখনো জানবেননা আপনার ডেঙ্গু আছে কিনা বা কখনো হয়েছিল কি না। তাই জ্বর আসার ৭২ ঘন্টার মধ্যে যে টেস্ট দুটি অবশ্য অবশ্যই করাবেন তা হচ্ছে, NS1 for Dengue এবং CBC। ভুলেও এ কথা বলবেননা আপনার কখনো ডেংগু হয়নি। বেশিরভাগ সময় আমরা জ্বরকে অবহেলা করি, কবে কোন এক সময় আপনি ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন আপনি নিজেও জানেননা। মনে রাখবেন, দ্বিতীয়বার আপনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে মৃতুমুখে পতিত হতে পারেন।
আমাদের করণীয়ঃ
• নিজের বাড়ি, বাড়ির আশপাশ নিজে উদ্যোগ নিয়ে পরিস্কার করুন, ঝোপ-ঝাড় কেটে ফেলুন।
• বাড়ির অব্যবহৃত টয়লেট একদিন পর পর ফ্ল্যাশ করুন।
• পানিতে গাছ রাখলে, সেই পানি একদিন পরপর পরিবর্তন করুন।
• শিশুদের শরীরের উন্মুক্ত অংশে মস্কুইটো রিপেলেলেন্ট লাগান।
• রাস্তায় চলার পথে ডাবের খোসা, টায়ার, পাত্র পড়ে থাকতে দেখলে তা তুলে ফেলে দিন। আপনার এই কাজে অন্যের জীবন বাচবে এবং একই ঘটনা ঘটবে আপনার ক্ষেত্রেও।
• প্রতিদিন এরোসল দিয়ে ঘরের প্রতিটি কোণা স্প্রে করুন। স্প্রে করার সময় ঘরের পর্দাগুলো ঝেরে নিন।
• গরমের দোহাই দিয়ে মশারী না টানিয়ে ঘুমাবেননা। পারলে দিনের বেলা ঘুমালেও মশারী টানান।
আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন।
ডাঃ নুসরাত সুলতানা
সহযোগী অধ্যাপক
ভাইরোলজী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।
আমাদের নিজেদের ভিতর আরও ভালো কমিউনিকেশন বিল্ড আপ করার জন্য কমেন্টে দেওয়া লিংকে গিয়ে গ্রুপ জয়েন করুন আর আমাদের সাথে বিপদে আপদে পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করার রাস্তা তৈরি করুন।
ডাক্তার স্যার গ্রুপে আমন্ত্রণ রইলো।
গ্রুপে জয়েন করুন এবং নিজেদের কথা বলুন।
ডাক্তার হিসেবে সামাজিক দায় বদ্ধতা থেকে এটা আমার লেখা উচিত বলে মনে করি।
প্রসংগ : #ডাবের_পানি।
আমাদের দেশের ম্যাক্সিমাম মানুষ এটা কে ঐশ্বরিক কিছু মনে করে থাকেন।এটা যেন সর্ব রোগের মহৌষধ ।
বমি করলে ডাবের পানি, পায়খানা করলে ডাবের পানি। ঘেমে গেলে ডাবের পানি। আবার অনেকে মনে করে এটা খেলে শৌর্য বীর্য বাড়ে।
মজার কথা হলো Coconut water is very much poor in Sodium. তবে সেটা potassium এ বেশ Fortified. আমরা যে খাবার Saline খাই সেখানে যে পরিমান Sodium থাকে সেটা Coconut water দিয়ে পূরন করতে গেলে ৪ টা ডাব খাওয়াতে হবে। এদিকে Sodium কারেক্ট করতে গিয়ে বডিতে potassium হয়ে যাবে ৪ গুণ। যেটা অবশ্যই ভাল কিছু হবে না আপনার হৃদয়ের জন্য।
এবার আসেন দামের কথায় আসি। একটা ডাবের দাম ঢাকায় এখন ১০০ টাকা যেটা সবচেয়ে ছোট। আর একটা Orsaline এর দাম ৫ টাকা। যেখানে সব রকমের লবন যেমন Sodium , Potassium মানুষের শরীরের সাপেক্ষে সমসত্ত্ব করে বানানো হইছে।
এখন চিন্তা করেন সারাদিন ঘেমে কিংবা বমি করে আপনি বেশ কিছু Sodium loss করে ফেলছেন বডি থেকে। এই Sodium এর ঘাটতি পূরন করতে আপনি ৫ টাকার স্যালাইন খেলেন। এই স্যালাইন আপনার সোডিয়াম যতটুকু কারেক্ট করবে, সেই পরিমান কারেক্ট ডাব খেয়ে করতে গেলে লাগবে ৪০০ টাকার ডাব। সাথে তো আছে Potassium বেড়ে যাবার ভয়। Heart এর রোগী কে ডাব খাওয়ায়ে মেরে ফেলার ইতিহাস ও চোখে দেখা। আর ডাবে স্যালাইনের চেয়ে প্রায় ৩ গুন Carbohydrates থাকে। মানে Diabetic দের জন্য এইটা কে তরল না বলে গরল বলাই শ্রেয়!
তাই অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়া হলে ৫ টাকার একটা স্যালাইন খান। ডাবের এই হাইপের জন্যই আজ ডাব ওয়ালাদের এই সিন্ডিকেট। এটা সত্যিকার অর্থেই স্যালাইনের থেকে কম কার্যকর এবং আলাদা কোন স্বাস্থ্য সুবিধা এতে নেই।আর ব্যাপার টা তো এমনো না ,যে চুমুকে চুমুকে বেহেস্তের খাবারের মতো স্বাদ পরিবর্তন হয়।
©ডা. সওগাত এহসান
21/10/2022
আসুন আজ কিছু মশা নিয়ে আপনাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলোচনা করি।।
এই তথ্যগুলো প্রত্যেকের জানা প্রয়োজন।। ©
অনেকের কাছে বর্ষাকাল প্রিয় হলেও মাথায় রাখতে হবে এই সময় মশার উপদ্রবও বাড়ে। আর মশার কামড়ে শুধু ডেঙ্গু নয় হতে পারে চিকনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া-সহ নানান রোগ।
তাই মশাবাহিত রোগ থেকে দূরে থাকতে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল মশাবাহী ছয়টি রোগ সম্পর্কে।
এনকেফালাইটিস: ‘কিউলেক্স’ নামক মশার মাধ্যমে ছড়ায় এই রোগ। যার প্রকোপ সবচাইতে বেশি এশিয়া মহাদেশে, বিশেষত জাপানে। এর উপসর্গ হল জ্বর ও মাথাব্যথা। আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি আড়াইশ জনের মধ্যে একজনের দেখা দেয় খিঁচুনি, মানসিক ভারসাম্যহীনতা এবং ‘প্যারালাইসিস’ বা অসাড়তা। টিকাই এই রোগের সবচাইতে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
জিকা ভাইরাস: এই রোগের বাহক মশার বৈজ্ঞানিক নাম ‘এইডেস অ্যালবোপিকটাস’। ‘এশিয়ান টাইগার মসকুইটো’ নামেও এর পরিচিতি আছে লোকমুখে। জিকা ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ হল চোখ লাল হয়ে যাওয়া, অবসাদ এবং পেশিতে ব্যথা। আশার কথা হল এই ভাইরাসে আক্রান্ত সিংহভাগ রোগী সুস্থ হয়ে যায় কোনো রকম মারাত্বক জটিলতা ছাড়াই। গর্ভবতী কোনো নারী এই ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার হলে, মায়ের কাছ থেকে সন্তানের মাঝেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে জিকা ভাইরাস।
সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সবসময় ফুল শার্ট ও প্যান্ট পরতে হবে। মশারি ব্যবহার করতে হবে, ‘মসকুইটো রেপেলেন্ট’ ব্যবহার করতে হবে। মোট কথা, মশার কামড় থেকে দূরে থাকতে হবে।
ডেঙ্গু জ্বর: গতবছর বর্ষাকালে এই রোগের ভয়াবহতা আমরা সবাই দেখেছি। ‘এডিস অ্যাজিপ্টাই’ মশার কামড়ের মাধ্যমে এই রোগের জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করে। সংক্রমণের শিকার হওয়ার পর রোগের উপসর্গ দেখা দিতে তিন থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। উপসর্গগুলো ‘ফ্লু’ বা মৌসুমি সর্দিজ্বরের মতো, যা আবার কয়েকদিন পরেই ভালো হয়ে যায়। এই রোগ থেকে বাঁচতেও করণীয় একই, মশা থেকে বাঁচতে হবে।
পীতজ্বর: ‘ইয়েলো ফিভার’ নামে পরিচিত এই রোগের বাহকও ‘এডিস অ্যাজিপ্টাই’, যার প্রাদুর্ভাব মূলত আফ্রিকা ও আমেরিকায় সবচাইতে বেশি। জ্বর, মাথাব্যথা, জন্ডিস, পেশি ব্যথা ইত্যাদি এই রোগের লক্ষণ প্রধান উপসর্গ। সংক্রমণের চার থেকে সাত দিনের মধ্যেই রোগ সেরে যায়। তবে কিছু রোগীকে নাক, মুখ ও পাকস্থলির রক্তপাতে ভুগতে দেখা যায়। যেসব দেশে এই রোগের প্রকোপ আছে সেখানে যাওয়ার আগে এর টিকা নিতে হবে।
চিকনগুনিয়া: আমাদের দেশে এই রোগের ভয়ানক প্রকোপ খুব বেশিদিন পুরানো নয়। মশার কামড়ের মাধ্যমে শরীরে রোগের জীবাণু প্রবেশের দুই থেকে ১৪ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ চোখে পড়া শুরু হয়। জ্বর, মাথাব্যথা, ত্বকের র্যাশ, বমিভাব ও বমি ইত্যাদি ছাড়াও শরীর ব্যথা, বিশেষত, হাড়ের জোড়ে ব্যথা হওয়া এর বিশেষ লক্ষণ। রোগ সেরে যাওয়ার পরও এই জোড়ের ব্যথা সপ্তাহ, মাস কিংবা বছরব্যাপী ভোগাতে পারে। আর এই রোগের বাহকও ওই ‘এডিস অ্যাজিপ্টাই’ মশা।
ম্যালেরিয়া: স্ত্রী ‘অ্যানোফিলিস’ মশা মানবদেহে ম্যালেরিয়ার জীবাণু ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে থাকা পরজীবী জীবাণু প্রথমে মশাকে আক্রান্ত করে। পরে ওই মশা সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে তার শরীরেও জীবাণু প্রবেশ করে। উপসর্গের মধ্যে আছে জ্বর, কাপুনি, মাথাব্যথা।
সঠিক সময়ে এই রোগগুলোর চিকিৎসা করা না হলে প্রায় সবগুলোই প্রাণঘাতি হওয়ার ক্ষমতা রাখে। তাই মশার কামড় থেকে বাঁচতে অ্যারোসল, মশারি, কয়েল, ধুপ, ‘মসকুইটো রেপেলেন্ট’ ইত্যাদি সাধ্য অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। মশার বংশবিস্তার হতে পারে এমন স্থান ধ্বংস করতে হবে।
আজ এতটুকুই।।। এই রকম তথ্যবহুল পোস্ট পড়তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।। আপনার বন্ধু বান্ধব কাছের মানুষদের ইনভাইট দিয়ে তাদেরও জানার সুযোগ করে দিন।
আপনাদের জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা❤️❤️❤️
20/10/2022
ডেংগু নিয়ে কিছু সুপরামর্শঃ
ডেঙ্গু রোগটি ভাইরাসজনিত। সাধারণত, জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে।
ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ—জ্বর। ৯৯ থেকে ১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠতে পারে। জ্বর টানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেওয়ার পর আবারও আসতে পারে। এর সঙ্গে শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা যায়।
কখন হাসপাতালে যেতে হয়ঃ
ডেঙ্গু হলে কী ধরনের চিকিৎসা নেবেন, বাসায় না হাসপাতালে থাকবেন—নির্ভর করে এর ধরন বা ক্যাটাগরির ওপর। ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ধরন বা ক্যাটাগরি আছে—‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’। প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী ‘এ’ ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়াই যথেষ্ট।
‘বি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া লাগতে পারে। কিছু লক্ষণ, যেমন পেটে ব্যথা, বমি, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, অন্তঃসত্ত্বা, জন্মগত সমস্যা, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো।
‘সি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। এতে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে।
বাড়িতে কী করবেনঃ
পরিপূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
প্রচুর তরলজাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন পান করুন একটু পরপর।
ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ আটটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে। কিন্তু কোনো ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি–সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন, ক্লোফেনাক, আইবুপ্রোফেন–জাতীয় ওষুধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় এ–জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
যা করবেন নাঃ
ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্লাটিলেট এখন আর মূল বিষয় নয়। প্লাটিলেট হিসাব নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
প্লাটিলেট কাউন্ট ১০ হাজারের নিচে নামলে বা শরীরের কোনো জায়গা থেকে রক্তপাত হলে প্রয়োজন বোধে প্লাটিলেট বা ফ্রেশ রক্ত দেওয়া যেতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি খুবই কম দেখা যায়।
অনেকে বলেন, পেঁপেপাতার জুস ইত্যাদি খেলে প্লাটিলেট বাড়ে। আসলে এসবের কোনো ভূমিকা নেই। জ্বর কমে যাওয়ার পর সংকটকাল পেরিয়ে গেলে আপনা থেকেই প্লাটিলেট বাড়তে শুরু করে।
জ্বরের শেষের দিকে রক্তচাপ কমে যেতে পারে অথবা মাড়ি, নাক, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। এ রকম হলে প্রয়োজনে শিরাপথে স্যালাইন দেওয়া লাগতে পারে। এসব ক্ষেত্রে তাই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।
©ডা. আফসানা বেগম: সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ, ইউনাইটেড হাসপাতাল, ঢাকা
19/10/2022
আসসালামু আলাইকুম ।
আপনাদের চিকিৎসা সেবা নিয়ে ভাবনা,জিজ্ঞাসা এবং পরামর্শ জানার জন্যই আমাদের পথচলা শুরু।
আপনাদের নিয়েই এই জীবন নামের পথের শেষ অবধি যেতে চাই।
আমাদের চোট্ট প্রয়াসে আমাদের এই পেজ ফলো করে এবং পোস্ট সমূহে লাইক, কমেন্ট করে আমাদের পথ চলার সাথি হবেন।।।
নিজেদের পরিচিতজন দের সাথেও পেজটি শেয়ার করে তাদের উপকৃত করবেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
আল্লাহ কাকে কখন কার উপকারে আনে তা একমাত্র রাব্বে কারিম ই জানেন।
আবেদনেঃ
ডা, আব্দুল্লাহ জুবায়ের
ডা, তানজিনা আক্তার তিশা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
West Malibagh
Dhaka