08/07/2024
দৃশ্যপট ১: আপনি কোম্পানিতে চাকরি করেন।
মানুষ: কোম্পানিতে চাকরি করো! 🫤 সরকারি চাকরি পাও নাই বাবা?
দৃশ্যপট ২: আপনি সরকারি চাকরি করেন এবং সৎ (ঘুষ খান না)।
মানুষ: কেমন চাকরি করেন! মসজিদে ১০ বস্তা সিমেন্ট দিতে পারেন না! অমুককে ১০ হাজার টাকা সাহায্য দিতে পারেন না। কিপটা.... ইত্যাদি
দৃশ্যপট ৩: আপনি সরকারি চাকরি করেন এবং ঘুষ খান।
মানুষ (যাদের সাহায্য করবেন): আহ! লোকটা যেন ফেরেস্তা।
যখন চুরি করে ধরা খাবেন, তখন কি হবে সেটা আপনি জানেন।
যারা সরকারি চাকরির পেছনে আমরা দৌড়াই, তারা সবাই সরকারি পে-স্কেল সম্পর্কে জানি। মুখে স্বীকার না করলেও আমাদের মাথায় একটা চিন্তা থাকে যে, বেতন দিয়ে কি হবে! বেতনের বাইরেরটা দিয়েই আরামসে চলে যাবে। যদি এরকম চিন্তা আমাদের মাথায় না থাকত, তাহলে কোটা আন্দোলনের মত পে-স্কেল নিয়েও কয়েক দফা আন্দোলন আমরা দেখতে পেতাম।
দূর্নীতি কমাতে নতুন পে-স্কেল এনে,সরকারের উচিত দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা। অবশ্য যে সরিষা দিয়ে ভূত তাড়াবো সেই সরিষাতেই যদি ভূত থাকে তাহলে আর কিছুর করার নেই।
বি: দ্র: উপরের লেখাগুলি আমার নিছক চিন্তা মাত্র। কারো সাথে মিল থাকলে তা কেবলই কাকতালীয়।