24/08/2022
তালাক কেন হচ্ছে জানার জন্য গত ৯ মাস ধরে আমি ২৪৫ জন তালাক প্রাপ্ত পুরুষ ও মহিলার সাথে কথা বলেছি, কেন তালাক হলো।
এর ৭২% তালাক হয়েছে ভুলবুঝা বুঝি একে অপরকে অসন্মান।
আর ১৮℅ তালাকের কারণ পরকীয়া। ১০% তালাক স্ত্রীর উচ্চ বিলাশিতার কারনে। ৭৮℅ তালাক হয়েছে মেয়ের কারণে। ২২℅ পুরুষের দোষে।
মজার বিষয় হলো ৯২℅ তালাক প্রাপ্ত মহিলা পুরুষ তালাকের পরে অনুতপ্ত তারা বলছে সিদ্ধান্তটি ভুলছিলো।
তালাক প্রাপ্ত ৮৯℅ মেয়েদের আর বিয়ে হচ্ছে না।
০৪℅ মেয়ে বিয়ের প্রতি অনিহা। ০৭℅ মেয়ে পথভ্রষ্টা। ছেলেদের মধ্যে ৮৫ ℅ বিয়ে করে সংসার করছে।
১৩℅ ছেলে বিয়ের প্রতি অনিহা। ০২ ℅ ছেলে পথভ্রষ্ট।
আরো মাজার বিষয় হলো ৬৭℅ ছেলেই কুমারি মেয়ে বিয়ে করেছে। আর মেয়েরা কুমার ছেলে পেয়েছে ০০১℅।
আমি তালাকের বিরুদ্ধে তাই এই জরিপ করেছি।
যারা দাম্পত্য জিবন নিয়ে হতাশ তাদের পরামর্শকের কাজ করতে চাই। চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
প্লিজ তালাক দেওয়ার এগে ভাবুন আবার ভাবুন দেখুন সমযতা করা যায় কিনা।
সততার পথেই সঠিক পথ যা আল্লাহ পছন্দ করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পরে ১২℅ মেয়ের আবারও তালাক হয়েছে।
৮৯% মেয়ে দ্বিতীয় সংসারে অসুখি।
অপর দিকে মাত্র ০২℅ ছেলের আবারও তালাক হয়েছে আর অসুখি ০৩℅ পুরুষ। অবাক করা বিষয় হলো দ্বিতীয় তালাক দেওয়া ছেলেদের স্ত্রী হয়েছিল কোন তালাক প্রাপ্ত মহিলা।
আর বিধ্বা মহিলাকে বিয়ে করে চরম সুখি ৯৩℅ পুরুষ। আশা করি বুঝতে পারছেন।
সংগ্রহীত ❣️
28/05/2022
জান্নাতের সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত সাহাবী হযরত তালহা (রা:) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবিরা (রা.) এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা (রা.) বাসায় চলে যান।
অথচ নবীজী (সা:) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন। অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই কথা নবীজীর কান পর্যন্ত পৌঁছালো।
নবীজী সাহাবিদের বললেন:-
আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা (রা.) যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহা (রা.) কে একথা জানিয়ে দেয়া হল। ফজরের নামাজ শেষ। তালহা (রা.) বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। এক পর্যায়ে নবীজী সা. তালহাকে ডাকলেন।
নবীজী সা. অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন, তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি..?
আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি..?
একথা শুনে তালহা কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা:) আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সা:) বললেন,তাহলে তালহা ! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন..?
তালহা কেঁদে কেঁদে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা:)! আমার ও আমার স্ত্রীর সতর ঢাকার জন্য একটি মাত্র কাপড় আছে। ওটা পরে যখন আমি নামাজ পড়ি; আমার স্ত্রী তখন উলঙ্গ থাকেন। স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন উলঙ্গ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সা:)। ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায়, আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌঁড়ে চলে যাই।
তালহার (রা.) কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কাঁদছেন।
নবীজীর দাঁড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়ছে। সাথে সাথে নবীজী সা. তালহাকে (রা.) জানিয়ে দিলেন,তালহারে ! নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে।
আল্লাহু আকবার! (মুসনাদে আহমদ)
•
দেখুন একটা মাত্র কাপড় ছিল তালহা (রা:) এবং তার স্ত্রীর। তারপরও আল্লাহর প্রতি কোন অনুযোগ ছিল না তাঁদের , না পাওয়ার বেদনা তাঁদেরকে পেরেশান করতো না! আর আমাদের কত প্রয়োজন? কত চাওয়া? চাওয়ার কোন অংশ বাকি! এর পরেও অতৃপ্তি! আহা! এজন্যই আল্লাহ বলেন, "বেশি বেশি পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে; যতক্ষণ না তোমরা কবরের সাক্ষাৎ পাবে"। (সূরাহ আত তাকাছুর ১-২)
19/04/2022
জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোশারফ রুবেল ভাই আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন! দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি, আল্লাহ যেন রামজান মাসের উসিলায় উনাকে জান্নাত দান করেন 🤲
08/03/2022
আপনি যদি ১০০ টি লাল পিঁপড়া এবং ১০০ টি কালো পিঁপড়া একসঙ্গে একটি জারের মধ্য রাখেন তবে কিছুই হবে না।
কিন্তু এবার যদি জারটি একটু ঝাকুনি দেন তবে লাল পিঁপড়া ও কালো পিঁপড়া একে অপরকে হত্যা করা শুরু করবে।
লাল বিশ্বাস করবে কালো তার শত্রু।
আর কালো বিশ্বাস করবে লাল তার শত্রু কিন্তু বাস্তবে শত্রু সেই ব্যক্তি যিনি জারকে নাড়িয়েছিলেন।
আমাদের সমাজে এবং ব্যক্তি জীবনেও এমন সত্য ঘটনা ঘটে। তাই একে অপরের সাথে লড়াইয়ের পূর্বে আমাদের নিজেদের জিজ্ঞাসা করতে হবে: কে জারকে নাড়িয়েছিলেন?
সংগৃহিত.......
13/01/2022
চোখের সামনে কোন গর্ভবতী কুকুর দেখলে, হাতে সময় থাকলে অবশ্যই একটা রুটি, কেক অথবা বিস্কুট খাইয়ে যাবেন। শহরজুড়ে নারী কুকুরগুলো এখন গর্ভবতী। সবারই শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয়েছে। যার দরুণ হাঁটা চলা ও খাদ্য সংগ্রহে বিশেষ অসুবিধা হচ্ছে ওদের। একটু সময় পেলে পাশে বসে খাইয়ে দিবেন দেখবেন বুকটা জুড়ে কত প্রশান্তি লাগে। কারন প্রতিটা গর্ভবতী মা ই জানে গর্ভকালীন সময়টা কত কষ্টের, হোক সে মানুষ বা প্রাণী।🙂
07/01/2022
কিয়ামতের দিন আল্লাহ একজন ব্যক্তিকে ডেকে এনে তার গুনাহ গুলো স্মরন করাবেন। একের পর এক তার গুনাহগুলো যখন তিনি মনে করাতে থাকবেন, লোকটি চেহারা কালো করে মাথা নীচু করে থাকবে। সে নিশ্চিত হয়ে যাবে তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত। এরপর আল্লাহ বলবেন, তোমার সবগুলো গুনাহকে সাওয়াবে পরিবর্তন করে দেয়া হল। তুমি জান্নাতে চলে যাও।
লোকটি তখন খুশিতে বলে উঠবে, আল্লাহ আমার তো আরও গুনাহ আছে, ওগুলোতো বলা হলো না। ওগুলোও সাওয়াব দিয়ে পাল্টে দিন না !
বান্দা আর রবের এই কথোপকথনের বর্ননা দিতে আল্লাহর রাসুল (ﷺ) হেসে দিলেন। - সুনান তিরমিযি
দুনিয়ার জিন্দেগীতেও আমার আপনার সামনে এরকম অনেক নিরাশ হতাশ মানুষ আসে, যারা হয়তো অসুস্থ চিকিৎসা করার টাকা নেই, হয়তো বেকার চাকরী পাচ্ছে না, ঋনগ্রস্থ ঋন শোধের উপায় নেই।
এই মানুষগুলোর কষ্টগুলো পারলে দুর করে দিন। তার জন্য যেটা অসম্ভব ছিল, হয়তো আপনার জন্য খুব সহজ। আপনি ইচ্ছে করলেই হয়তো তার চাকুরীর ব্যবস্থা করতে পারবেন। আপনার নিজের বা সম্মিলিত উদ্যোগে হয়তো কারো লোন পরিশোধ বা চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
এর বিনিময়ে আপনি সম্ভবত কিছুই পাবেন না তাদের কাছ থেকে। কেবল আনন্দাশ্রু মিশ্রিত একখানা কৃতজ্ঞতার হাসি হয়তো পাবেন। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর একখানা দৃশ্য হয়তো দেখার ভাগ্য জুটবে, যেখানে তার চোখের পানিই আপনাকে বুঝিয়ে দিবে সে আপনার কারনে আজ কতটা খুশি।
তবে নিজেকে একটু উপরের হাদিসে বর্নিত এই লোকটির জায়গায় রেখে কল্পনা করুন তো। যদি আপনিই সেই ব্যক্তিটি হন! দুনিয়াতে আপনার এই আমলের উসিলায় যদি আপনার জন্যও একই রকম ফায়সালা হয়। সবদিক থেকে নিরাশ আপনাকে যখন সর্বোচ্চটুকু দেয়ার ঘোষনা দেয়া হবে, আপনার আনন্দ আর খুশির তীব্রতা কি আপনি নিজেই এখন অনুমান করতে পারবেন?
'যে ব্যক্তি কোন ভাইয়ের দুনিয়াবী বিপদকে দুর করে দিবে, আল্লাহ তা'আলা তার কিয়ামতের দিনের বিপদ দুর করে দিবেন।' [সহিহ মুসলিম]
15/12/2021
রিজিক সন্ধান করতে তেল দিয়ে চরিত্র নোংরা না করে পরিশ্রম করে পোশাক নোংরা করাটাই উত্তম! ✊✌️
16/11/2021
দুইটাই প্রাতিষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠান
দুইটার গন্তব্য ও দুই দিকে 😊
30/10/2021
খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজের কাছে দুটি প্রদীপ ছিল। একটি তিনি ব্যবহার করতেন ব্যক্তিগত লেখালেখির সময়, অন্যটি রাষ্ট্রীয় নথিপত্রের বেলায়। দ্বিতীয়টি কেবলমাত্র রাষ্ট্রীয় কাজেই ব্যবহার করতেন তিনি, ব্যক্তিগত কাজে এটা জ্বালিয়ে একটি বর্ণও লেখেননি।
কতই না চমৎকার ও শিক্ষণীয় এক জীবনাদর্শ, যারা আসলেই চিন্তাশীল ও শিক্ষাগ্রহণে ইচ্ছুক তাদের জন্য।
ইসলামি ইতিহাস