বি এন পি নামা
Your Eyes
✨ “I want to show you, through my own eyes, the words your heart longs to see through yours.” ✨
হাসিনা ও এরশাদ যেভাবে জেনারেল জিয়া হত্যার পরিকল্পনা করে।
অলস বিত্তবান
আল মাসউদ
আম্মার সাথে কথা বলতে বলতে নরদা থেকে ফিরছিলাম।মনটা হালকা বিষন্ন ছিল।বাসের টিকেট পাইনি।তারথেকে বেশী খারাপ লাগছিল আগামীকাল এর বাড়ি যাওয়ার জার্নির কথা মনে করে।ফোনে কথা বলতে বলতে বসুন্ধরার দিকে এগোচ্ছিলাম।আম্মা কথা শোনাচ্ছিল খুব।যমুনার সামনে এসে দাড়াতেই একটা ফ্রেন্ড কে ফোন দিলাম কয়েকবার।কলটা না ধরায় বিরক্তি আরো বাড়লো।২-৪ মিনিট এদিক ওদিক দেখে হঠাৎ মনে হলো মাস্ক আনিনি।ফুটপাতের হকারের কাছে গিয়ে বাহারী ধরনের মাস্ক দেখছিলাম।কালো-লাল আরো কত রকমের মাস্ক।আমি ২ টা কালো মাস্ক নিয়ে চলে আসবো এমন সময় পাশের হকার বলে উঠলো মামা ২ টায় মাত্র ৮ টাকা লাভ হবে।আমি তো হতভম্ভ!।কিনলাম ১০ টাকা দিয়ে তার মধ্যে ৮ টাকাই লাভ?।কিছু একটা বলতে যাবো তখন দেখলাম যে কথাটা অন্য কাউকে বলেছে!আমি সংবরন করে পাশ কাটিয়ে চলে আসতে চাইলাম।কিন্তু কৌতুহল হয়ে দাড়ালাম কিছুক্ষণ। হকারের সাথে কোর্ট, টাই পরা এক মধ্যবয়সী লোকের কথা হচ্ছে।ভদ্রলোক হয়ত বড় কোন চাকরি করেন।সৌখিন সভাবের লোক হয়ত।খেয়াল করলাম এ বয়সেও তিনি শার্ট,প্যান্ট ইস্রি করে পরেন,চোখে কালো চশমা আর বা হাতে সিকো ৫ ঘড়ি।বুঝলাম কিছুটা উচ্চ বংশের লোক তিনি।তিনি ফুটপাতে এসে হকারদের সাথে ২০ টাকার কটন বার নিয়ে দর কষাকষি করছেন।হকার তাকে বললো স্যার ২ টা ৪০ টাকা দিয়েন।উনি মিনিট পাচেক দেখে শুনে তারপর বললো ৩০ টাকা দিবো।হকার কথাটা এভাবে বললো"স্যার ৩২ টাকায় কেনা,২ টা ব্যাচলে ৮ টাকা লাভ হইবো,মিথ্যা কইয়া ব্যবসা করি না,এর কমে পারুম না।"ভদ্রলোক তার কথায় অনড়।তিনি ৩০ টাকার বেশি দিবেন ই না।শেষ মেষ তাদের নিলাম ৩৫ টাকায় শেষ হলো।ভদ্রলোক কটন বার নিয়ে পারসোনাল জিপ এ উঠে চলে গেল।আমি হকারের দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিলাম।হকার বুঝলো যে আমি ঘটনাটা দেখলাম।হকারটাও আমার দিকে মুচকি হাসি দিয়ে বললেন"দেখলেন মামা বড়লোক!টাকা পয়সা তো গুইল এর থাহে,৫ টাহা দিতে এত কষ্ট হয় বড়লোক দের,দেহেন গিয়া বান্ধুবি বাচ্চার জন্য লাখ টাকা খরচ করতাছে,তহন হিসেব করে না,হিসেব করে ফুটপাতে আইলে,গরীবের পেটে লাথি না মারলে এনাদের মত বড়লোকদের ভাল্লাগে না---এভাবে মিনিট ২-১ বকবক করলেন।আমি আর কিছু না বলে আবার মুচকি একটা হাসি দিয়ে পাশ কাটিয়ে চলে আসলাম।বুঝলাম আমার মত মনযোগী শ্রতা খুব বেশি পান না হকারটা।আমি চলে আসার পরেও হকারটা বিরবির করতেছিল।আমি শুনতে পাইনি ওইভাবে।যা কোলাহল বসুন্ধরা তে।আমি ঘাটপার যাচ্ছিলাম হেটে আর ভাললাম"উনি কেমন রকমের মানুষ,উনি কি বড়লোক কৃপন নাকি গরীব মিতব্যয়ী!। হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠলো-ধরলাম!ওপাশ থেকে-কই তুমি কল দিলানা যে,এই তোমার ৪০ মিনিট?আমি হাসি দিয়ে কথা কন্টিনিউ করলাম🤣
#আসুন পজিটিভিটি ছড়াই
নেগিটিভিটি ফিরিয়ে নেই
বাতায়ন
আল মাসউদ
জীবন নামক আশ্রয়স্থলের জানালাগুলো কিভাবে রাখেন।জীবনের ঘরের কয়টা জানালাই বা রেখেছেন?আচ্ছা,নির্দিষ্ট করে বলি,পশ্চিম দিকের জানালাটা কতটা খুলে রাখেন,কিংবা দক্ষিন দিকের জানালা টা কতটা খুলে রাখেন অথবা বাকি দুই পাশের জানালা কিভাবে, কতটা উন্মুক্ত রাখেন!জীবনে কি খুব গরম চলছে?অতিরিক্ত কষ্টে, শোকে হাঁপিয়ে উঠেছেন?তাহলে দক্ষিন দিকের কর্নারের জানালাটা আস্তে করে খুলে দিন।দক্ষিনের ঠান্ডা স্নিগ্ধ হাওয়া আপনার আপদমস্তক শরীরসহ মনকে প্রশান্ত করবে।এতটা সময় ধরে জানালাটা খুলে রাখুন যতক্ষন না প্রযন্ত আপনি বাতাসের বিপরীত প্রতিক্রিয়া অনুভব করেন।আবার একটা সময় দেখবেন আপনার জীবন খুবই মন্থর গতিতে চলছে।দক্ষিনের ঠান্ডা বাতাসে আপনি রীতিমতো কাঁপছেন।তৎক্ষনাৎ কাজ করুন,দক্ষিনের জানালাটা বন্ধ করে চুপটি করে ঘরে বসে থাকুন।মৃদু আলোর একটা আগুন জালান।খানিকক্ষণ এটা জালিয়ে রাখুন, আবার নিজের পুনরুজ্জীবন ফিরে পাবেন।এভাবে বেশিক্ষণ আগুন জালালে দেখবেন ঘরটা অতিরিক্ত ধোয়া,গন্ধে আর বাতাসের গোংয়ানি তে মাতিয়ে তুলছে সবকিছু।এইবার উত্তরের জানালা টা খুলে দিন তো।শীতের কর্কশ ঠান্ডা বাতাস এই গন্ধ,ধোয়াকে আর বাতাসের আর্তনাদকে গোগ্রাসে গিলবে।একটা সময় পর ঘরে আর এসব কিচ্ছু থাকবে না।হয়ত শীতের ঠান্ডা বাতাসে একটু কাবু হবেন।তাড়াতাড়ি কাজ করুন কম্বল বের করুন,এটার নিচে প্রস্থান করুন। হাতে এক কাপ গরম কফি নিন।দেখুনতো আবার কফি তৈরী করার জন্য আগুন জালাতেই হলো।আচ্ছা এইবার পুর্ব আর পশ্চিমের জানালা খুলে দিন তো।কফির অতিরিক্ত গরম বাস্প হয়ে আকাশে উড়ে যাক দূর নীলিমায়।বেশিরভাগ মানুষের জীবনে এমন চারটা জানালা থাকা আবশ্যক যেখান থেকে গরম ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হবে সবসময়। মানুষ তার ইচ্ছেমতো জানালাগুলোকে খুলবে, নিজের সময়কে স্থির করবে আবার ইচ্ছে হলেই বন্ধ করে দিবে।এভাবে যার জীবন বাতাসের সাথে ওঠানামা করে,অতিরিক্ত কষ্ট, দুঃখ, বেদনা কর্পুর এর মত জানালা থেকে বেরিয়ে মেঘের সাথে মিলিয়ে যায়,তারাই রাতে নিশ্চিন্তে অতি আদুরে ঘুম দেয়।আর যারা জীবনের বাতায়নগুলোকে ঠিক সময়ে উন্মুক্ত করতে পারেনি তারা অনেকেই আজ রাস্তায়, পথে,প্রান্তরে কিংবা পাগলা গারদে দিন কাটায়।শরীর আর মনকে একই সুতোঁতে বাধুন।যাই ঘটে যাক জীবনে শুধু নিজেকে বলুন“সবকিছু ঠিক আছে” আর জানালাগুলো খুলে দিন।বেরিয়ে যাক সব গ্লানি,কষ্ট,বেদনা, খারাপ সময় আর ফিরে আসুক আসমানী প্রশান্তির বানী।জীবনকে প্রশান্ত করে কোলো অন্ধকারকে বাক্সবন্দি করে নিয়ে যাক মেঘের কাছে। মেঘ ওই কালো অন্ধকারকে বৃষ্টি বানিয়ে শান্তির বানীসরুপ ফিরিয়ে দেক জমিনে।উর্বর হোক জমিন।উপকার পাক সমগ্র মানবজাতি।জমিনের সব ফুল আপনার জন্য ফুটুক।ফুলের সুঘ্রান মধ্যরাতে দখিনা নরম বাতাসের সাথে আপনার ঘরে প্রশান্তি ছড়াক।আপনি একটু শান্তিতে ঘুমান।
is Well
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
KURIL BISSOROAD, KHILKHET<DHAKA
Dhaka