27/09/2023
খাদ্য বিষক্রিয়া/বিষ খাওয়া, ব্যক্তিদের প্রাথমিক ব্যবস্থাপনা।
বিষের ধরনঃ সাধারনত আমাদেরদেশে যে সমস্ত বিষ সহজে পাওয়া যায় ঃ
০১.কিটনাশক।
০২.কেরসিন।
০৩.পেট্রল, ডিজেল।
০৪. হারপিক।
০৫.ইদুর বা ছাড়পোকার ঔষধ ইত্যাদি।
বিষ খাওয়া ব্যক্তি যদি অজ্ঞান না হয় তাহলে তাকে তিনটি প্রশ্ন করতে হবে আর যদি অজ্ঞান থাকে তাহলে আপনজন বা কাছে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছথেকে জেনে নিতে হবে।
০১.কি ধরনের বিষ খেয়েছে।
০২.কতটুকু খেয়েছে।
০৩.কখন খেয়েছে।
ব্যক্তিটি যদি একা পড়ে থাকে কাছা কাছি অন্যকাউকে দেখা না যায় এবং অজ্ঞান অবস্থায় থাকে তখন কিভাবে বুঝবো বিষ খেয়েছে কিনা?
বিষক্রিয়ার লক্ষণঃ আমরা দেখবো তার কাছা কাছি বিষের কোন বোতল পরে আছে কিনা মুখে বিষ লেগে আছে কিনা মুখ শরির জামা কাপড় ইত্যাদি থেকে বিষের গন্ধ আসে কিনা। আর যদি ভিকটিমের জ্ঞান থাকে তখন দেখা যাবে মাথা ঝিমঝিম করে বলবে, তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব থাকবে, প্রচন্ড খিচুনি দেখা দিবে।
বিষ খেলে করনীয়ঃ তিন ধরনের ম্যনেজমেন্ট হবেঃ
০১.ন্যচারাল ম্যনেজমেন্ট।
০২.ইকুইপমিন্টাল ম্যনেজমেন্ট।
০৩.মেডিসিনাল ম্যনেজমেন্ট।
ন্যচারাল ও ইকুইপমিন্টাল ম্যনেজমেন্টঃ
স্টমাক ওয়াসঃ ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় যে কোন ভাবে যদি কোন ব্যক্তি বেশি পরিমান বিষ খেয়েফেলে তখন দ্রæত তার স্টমাক ওয়াস করাতে হবে, এবং যত দ্রæত সম্ভব হাসপাতালে নিতে হবে।
স্টমাক ওয়াস করার যন্ত্রটির নামঃ স্টমাক ওয়াস টিউব।
স্টমাক ওয়াস টিউবের ০৪টি অংশঃ
০১.ফানেল।
০২.মাউথ হ্যান্ডেল।
০৩.পাম্প।
০৪.রাবার টিউব।
স্টমাক ওয়সের জন্য প্রস্তুতিঃ প্রথমে রোগীকে বেডে শুয়াইয়া মুখ ফাক করে গল নালীতে ধীরে ধীরে রাবার টিউব প্রবেশ করাইতে হবে। রোগীর মুখে আগেই মাউথ হ্যান্ডেল পড়াইয়া নিতে হবে। ফানেলের মাধ্যমে পানি ঢালতে হবে এবং রোগীকে বমি করাতে হবে।
যদি স্টমাক ওয়াস টিউব না থাকে, তা হলে যে ভাবেই হোক বমি করাতেই হবেঃ
০১.মুখের ভিতর আঙ্গুল দিয়ে বমি করানো যেতে পারে।
০২.ডিমের সাদা অংশ দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে বমি হতে পারে।
মেডিসিনাল ম্যনেজমেন্টঃ রবিন মার্ফি রেপার্টরীর -টক্সিসিটি- অধ্যায় থেকে রুব্রিক দেখে মেডিসিন নির্বাচন করতে হবে।
বিঃদ্রঃ বিষ খাওয়ার ৩ ঘন্টা পূর্বেই স্টমাক ওয়াস করাতে হবে। এবং কেরসিন ও সালফিউরিক এসিড খাইলে বমি বা স্টমাক ওয়াস করানো উচিৎ নয়। বিষয়টি যন্তসহকারে আরো স্টাডি করা প্রয়োজন।
ডা.আব্দুল আলিম
01318578639