Mahfuj private page
This page is my first and private page. It's my personal life history.
দুইটা গল্পঃ
১। ইয়াহু নামমাত্র দামে গুগলকে কিনে ফেলার প্রস্তাব পেলেও কিনেনি।
২। নোকিয়া এন্ড্রোয়েডকে কিনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলো।
শিক্ষণীয়ঃ
১। সময়ের সাথে নিজেকে আপডেট রাখুন, নয়তো আপনি অচলের হিসেবে নাম লেখাবেন।
২। কোন রিস্ক না নেওয়াটা হচ্ছে বড়ো রিস্ক। নতুন রিস্ক গ্রহণ করুন এবং সব সময় আপডেট থাকুন।
আরো দুইটা গল্পঃ
১। গুগল দুইটা সম্ভাবনাময়ী প্রজেক্ট ইউটিউব এবং এন্ড্রোয়েডকে কিনে নিয়েছে।
২। ফেসবুকে কিনে নিয়েছে ইন্সট্রাগ্রাম এবং হোয়াটসএপকে।
শিক্ষণীয়ঃ
১। শত্রুকে ঘৃণা না করে তার সাথে সংযুক্ত হয়ে আরো শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করুন।
২। দ্রুত এগিয়ে যান এবং শত্রুকে প্রতিহত করার চেষ্টা করুন।
আরো দুইটা গল্পঃ
১। বারাক ওবামা একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন।
২। এলন মাস্ক ছিলেন একজন লকার রুম গার্ড।
শিক্ষণীয়ঃ
১। ব্যাক্তিকে তার পূর্বের কাজের মাধ্যমে যাচাই করবেন না।
২। আপনার বর্তমান অবস্থা আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না। ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে আপনার চেষ্টা এবং পরিশ্রম।
আরো দুইটা গল্পঃ
১। কর্নেল স্যান্ডার্স ৬৫ বছর বয়সে KFC প্রতিষ্ঠা করেন।
২। জ্যাক মা কেএফসিতে চাকুরির আবেদন করেও কম যোগ্যতা সম্পন্ন মনে করায় চাকুরি পাননি।
শিক্ষণীয়ঃ
১। বয়স শুধু একটি সংখ্যা মাত্র, আপনি যে কোন বয়সেই সফল হতে পারেন।
২। কখনো হার মানবেন না। তারাই হেরে যায় যারা মেনে নেয়।
শেষ দুইটা গল্পঃ
১। Ferrari এর মালিক একজন ট্রাক্টর তৈরি করার কারিগরকে অপমান করেছিলেন।
২। সেই ট্রাক্টর তৈরি করার কারিগর Lamborghini প্রতিষ্ঠা করেন।
শিক্ষণীয়ঃ
১। কাউকে অবজ্ঞা করবেন না।
২। সফলতা হচ্ছে সর্বোত্তম প্রতিশোধ।
আপনি যে কোন বয়সেই সফল হতে পারেন। এর জন্য কোন বয়স কিংবা কোন ব্যাকগ্রাউন্ড বাধ্যতামূলক নয়।
আজকের দিনে ভদ্র মানেই হলো তুমি ভীতু!
নিরীহ মানেই হলো তুমি দুর্বল!!
সৎ মানেই হলো তুমি বোকা!!!
আর স্পষ্ট বাদি মানেই তুমি শত্রু????
তোমাকে দেখার অসুখটা আজকাল এতটাই বেড়েছে যেনো শ্বাস কষ্টে ভোগা মানুষের মতো একটুখানি অক্সিজেনের অভাবে এই বুঝি শেষ হয়ে যাচ্ছি। চৈত্রের প্রখর রোদে যেমন জমিন ফেটে চৌচির হয় তারচেয়েও বেশী চৌচির বুকের জমিন!এই যান্ত্রিক শহর,হুইসেল বাজিয়ে নীড়ে ফেরা শেষ ট্রেন,পরিচিত গান সবকিছুই বিরক্তির মনে হচ্ছে।কেবল এতটা দিন ধরে তোমাকে না দেখে বেঁচে থাকাটা মিরাক্কেল মনে হচ্ছে।অদৃশ্য কোনো শক্তি যদি তোমাকে দেখার যন্ত্রণার তীব্রতাটাকে একবার তোমার অনুভূতির সাথে মিশিয়ে দিতো তবে বুঝতে কতটা পুড়ছি রোজ।এইযে চারিদিকে এত রং এর ছড়াছড়ি তোমাকে ভাবতে গেলে সব রং কুৎসিত মনে হয়।কি অদ্ভুত ভাবে জড়িয়ে গেছি তোমাতে- আহ!
জীবনে কিছু করতে চাইলে নাইটকোচ এর ড্রাইভারের মতো হতে হবে।
অনেক শিক্ষনীয় বিষয় আছে নাইটকোচ ড্রাইভারের মধ্যে ......
হানিফ কোম্পানীর একটি বাস রংপুর শহরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করল। বাসটির ৪২ টি সিট যাত্রীতে পূর্ণ। বাসের হেলপার,কন্টাকটার এবং ড্রাইভার সাহেব বেশ খুশি মনে ‘বিসমিল্লাহ...’ পড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেন।
ড্রাইভারের পিছনের সিটে দু’জন মাঝবয়সী লোক বসেছেন। তাদের একজন আজকের ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ পত্রিকা পড়তে শুরু করলেন। পত্রিকার পাতাগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে উল্টানোর এক পর্যায়ে তার চোখ দু’টো বিনোদন পাতায় আটকে গেল। হালের উঠতি এক নায়িকা স্বল্প বসন পরিহিত ছবিতে তার নয়ন দু’টি থমকে গেছে। তার নয়নের এরূপ কড়া দৃষ্টি দেখে তার পাশের জনও পত্রিকার পাতার দিকে তাকালেন। তিনিও মোহগ্রস্থ হলেন। তিনি একবার সামনের দিকে তাকান আর একবার আড়চোঁখে পত্রিকায় দৃশ্যমান স্বল্প বসনের সেই নায়িকার দিকে তাকান।
এভাবেই এক সময় বাসটি গাজীপুর অতিক্রম করল। মাঝের দিকে বসেছেন দুই তরুন-তরুনী। তারা সম্ভবত নববিবাহিত দম্পতি। যাত্রী ভর্তি এই বাসেও তাদের ভালোবাসাময় দুষ্টামী থেমে থাকে না। এরই ফাঁকে মেয়েটি লজ্জা,শঙ্কা আর খানিকটা ভয়ার্ত দৃষ্টি নিয়ে চারদিকে তাকায়,এই বুঝি কেউ দেখে ফেললো...
বাসটি যমুনা সেতুতে এসে পড়ল। যমুনা সেতুতে বাসটি আসা মাত্রই বাসের যাত্রীদের মধ্যে হঠাৎ চাঞ্জল্য লক্ষ্য করা গেল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন যুবক জানালায় তার দুই হাত এলিয়ে তার উপর থুঁতনি রেখে, এক দৃষ্টিতে যমুনার কালো জলের যৌবনের জোঁয়ার দেখতে লাগল। দূর নদীতে দেখা যায়, হারিকিনের টিমটিম আলো। হয়তো নৌকার মাঝি, মাছভর্তি নৌকা নিয়ে খুশির চোটে প্রিয়ার আলিঙ্গন পাবার দূর্নিবার ইচ্ছা নিয়ে পাড়ের দিকে ছুটছে। ঠিক তখনই যুবকটির মনে আপনা থেকেই বেজে উঠল আব্বাস উদ্দিনের সেই গান, ‘মাঝি বাইয়া যাও রে...’
এভাবে আরো খানিকটা পথ চলে বগুড়া পার হবার পর পিছনের দিক থেকে এক বাচ্চার কান্নার শব্দ ভেসে এলো। কান্নার শব্দে বাচ্চাটির মায়েরও ঘুম ভেঙ্গে যায়। পিঠে মৃদু থাপ্পড় দিতে দিতে মা বলে,
‘ওরে আমার বাবাটা! স্বপ্ন দেখছো, ভয় পাইছো। এইতো আম্মু তোমার পাশে আছি। ঐ যে দেখ চাঁদ। জানালা দিয়ে চাঁদ দেখ।’
আড়াই বছরের বাচ্চাটি আচমকা কান্না থামিয়ে অবাক হয়ে আকাশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার কান্না থেমে যাওয়ায় আশ্বস্ত হন মা। কিন্তু কিছুক্ষণ বাদেই বাচ্চাটি বলে, ‘দেখছো আম্মু, চাঁদটাও আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে। চাঁদটা আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে কেন?’
এই ‘কেন’ এর কোনো উত্তর হয় না। একটি বাসে এতোকিছু হচ্ছে কিন্তু তার কোনো কিছুই বাসের ড্রাইভারটিকে স্পর্শ করে না। সে যেমন স্বল্প বসনার সেই মডেলকে দেখতে যেমন নিজ আসন ত্যাগ করে না। ঠিক তেমনি যমুনার কালো জলও তাকে আকৃষ্ট করতে পারে না। আর ঠিক সেকারণেই গভীর রাত পেরিয়ে সবার যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন সবাই নিজেকে বাসসমেত রংপুর বাসষ্ট্যান্ডে আবিষ্কার করতে পারে।
আর সবার মত ড্রাইভার সাহেবও যদি সেই নববিবাহিত দম্পতির দুষ্টামো দেখার জন্য মুখিয়ে উঠতেন, তবে সেই বাসটি আর কখনোই রংপুরে পৌঁছাতো না। হয়তো তা যমুনার অতল খাঁদে হারিয়ে যেত...
জীবন একটি চলন্ত বাসের মত। জীবনে চলতে গিয়ে অনেক মানুষের সাথেই পরিচয় হয়। নানা জন, নানান কথা বলে। কেউবা পিঠ চাপড়ে উৎসাহ দেয়। আর কেউবা ঠোঁটের কোনায় বাঁকা হাসি দিয়ে উপহাস করে। পিঠ চাপড়ানোর মুহুর্তটা যতোটানা অনুপ্রেরণা দেয় , বাঁকা হাসিটা তার চেয়ে সহস্রাধিক গুন বেশি জ্বালা দেয়। সেই জ্বালা স্মরণ রাখলে মুশকিল। আর কখনো জীবনের গন্তব্যে স্থলে পৌঁছানো হবে না। জীবন নামক বাসটি কোন এক খাঁদের কিনারাতেই থমকে থাকবে।
জীবনে কিছু করতে চাইলে নাইটকোচের বাসের ড্রাইভারদের মত হওয়া প্রয়োজন। বাসের ভিতরে যাই ঘটুক ড্রাইভারের যেমন তাতে কোন-ই যায় আসে না। তেমনি আমাদের আশে-পাশের মানুষ যাই বলুক না কেন, সেগুলো গায়ে মাখানো যাবে না। তবেই একদিন দেখবেন, আপনার ‘বাস’ নামক জীবনখানি সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে।
মুর্খের সাথে তর্ক করো না
মূল্য হারাবে নিজে।
মুর্খ জানে না, কেন সে মুর্খ
মুর্খতা মানে কী যে!
সে কিছু মানে না, সে কিছু বোঝে না
বলে যায় নিজ কথা।
তর্কে না গিয়ে তার সাথে ভালো
নিরাপদ নিরবতা।
মন্দের সাথে দ্বন্দ্বে যেয়ো না
জিতে যাবে সেই শেষে!
যে করেই হোক খুঁচিয়ে পেঁচিয়ে
নেচে-কুঁদে, কেঁদে-হেসে।
বোকা, বে-তমিজ, বে-আদব তাই
পারবে না তার সাথে।
তোমাকে হারাতে নিজেকে আঘাত
করবে সে নিজ হাতে।
অবুঝের কাছে আবেগ বলো না
বুঝবে না তার মানে।
নিজ মন গড়া অর্থ ব্যাখ্যা
সাজাবে সে সবখানে।
এমন মানুষ তোমার জীবন
তছনছ দিবে করে।
তাকে যেতে দাও, অথবা নিজেই
চুপিসারে যাও সরে।
আমি চঞ্চল কিন্তু বেয়াদব নই
আমি নিম পাতা কোন সুগন্ধি ফুল নই
কারণ আমি তেতো হলে ও উপকারী
সবার চোখে খারাপ হতে পারি
কিন্তু কখনো কারো খারাপ চাই নি
আমাকে খারাপ ভাবাটা আপনার অভ্যাস
আর আমাকে চিনতে না পাড়াটা আপনার ব্যর্থতা
কারণ আমি মানুষ টা এমন
আপনার চিন্তা ভাবনা যেমন
ততোখন আপনি ভদ্র তা পাওয়ার যোগ্য
আমি প্রতিহিংসা নয় প্রতিযোগিতাই বিশ্বাসী
আমি ও সফল হতে চাই তবে কারো ক্ষতি করে নয়
কারণ সেই সফলতার কোন দাম নেই
আমি ধোকা নয় ভালোবাসাই বিশ্বাসী
আমি ছোট ছোট ভুলে হাল ছেড়ে দেয় নয়
সেই ভুল গুলো কে শুধরে নিয়ে নতুন করে এগিয়ে যেতে চাই,,,,,
আমি ঘৃণা নয়
সবার ভালোবাসার
মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই
আপনার সমাজে নয়
আমার সমাজে আমি দামী
তাই আমার আমি টাকে বড্ড ভালো বাসি,,,,
আমাদের পরিচিত মানুষদের মধ্যে অনেক ধরনের মানুষ দেখা যায়। কিছু মানুষ অলস, কিছু মানুষ পরিশ্রমী। আপনার পরিচিত গন্ডির মধ্যে কোন মানুষগুলো সবচেয়ে পরিশ্রমী – তা ভেবে বের করুন। এবং সেই মানুষগুলোর সাথে সবচেয়ে বেশি সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।
গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা বেশিরভাগ সময়ে যে ধরনের মানুষের সাথে চলি, নিজেরাও অনেকটা তাদের মত হয়ে উঠি। কাজেই, আপনি যদি বেশিরভাগ সময়ে পরিশ্রমী মানুষের সাথে থাকেন, তবে আপনার নিজের মাঝেও পরিশ্রম করার ইচ্ছা আর অভ্যাস সৃষ্টি হবে।
কাক হচ্ছে একমাত্র সেই পাখি যে
ঈগলের ঘাড়ের উপর বসে ঠোকর মেরে তাকে বিরক্ত করতে পারে ! এত সাহস অন্য কোনো পাখির নেই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঈগল কিন্তু কাকের সাথে লড়াই করে বা তাকে মেরে ফেলতে যেয়ে নিজের সময় ও শক্তির অপচয় করে না। ঈগল যেটা করে সেটা হচ্ছে, সে দ্রুত গতিতে উপরে উঠতে থাকে। অতি উচ্চতায় অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে এবং ঈগলের প্রচণ্ড গতির কারণে কাক দুর্বল হয়ে পড়ে এবং টিকতে না পেরে ঈগলের ঘাড় হতে দ্রুত খসে পড়ে যায়!
ঠিক তেমনিভাবে, আপনার জীবন চলার পথে কাছের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব রূপী অনেক কাক আপনার পিছনে ঠোকর মেরে আপনার জীবনকে ব্যহত করবে। এদের সাথে লড়তে যেয়ে সময় এবং শ্রম অপচয় করার কোন দরকার নেই। আপনার চুড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কাজের গতি আর পরিশ্রম আরও বাড়িয়ে দিন। দেখবেন, আপনার গতির সাথে তাল মেলাতে না পেরে এইসব কাকেরা দুর্বল হয়ে এমনিতেই ঝড়ে পড়ে যাবে।
Collected
পৌরুষের দশটি নিয়ম কী?
* সবসময় ঘড়ি পরুন।
* আপনার জুতার যত্ন নিন।
* অধীনস্তদের নিচু চোখে দেখবেন না, কখনো নিজের চাইতে বেশী ভাববেন না।
* অন্যের চাইতে নিজের প্রতি কঠোর হন।
* সঠিক সময় উপস্থিত হন।
* অধিকতর পরিশ্রম করুন যতটা আপনি পারবেন বলে ভাবছেন।
* সৎ সাহসী হোন।
* কখনো অপচয় করবেন না- না টাকা, না খাবার, না আবর্জনা।
* যদি অভিযোগ করার শক্তি থাকে তবে দাঁড়ান, অপরের দুঃখ দূর করুণ।
* সহনশীল হোন। তা যেন অপররের লাঠি না হয়, যা দিয়ে সে তার অধীনস্তদের আঘাত করবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Dinajpur, Rangpur
Dhaka
1348