18/03/2026
বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নির্বাচন করা হয় কঠোর একাডেমিক মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রের কোনো দপ্তর নয়, এটি একটি বৌদ্ধিক প্রতিষ্ঠান। এখানে জ্ঞান উৎপাদন হয়, সমালোচনামূলক চিন্তা ....
UNITY, DIGNITY, RIGHTS
18/03/2026
বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নির্বাচন করা হয় কঠোর একাডেমিক মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রের কোনো দপ্তর নয়, এটি একটি বৌদ্ধিক প্রতিষ্ঠান। এখানে জ্ঞান উৎপাদন হয়, সমালোচনামূলক চিন্তা ....
I got over 420 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
02/02/2026
পদন্নোতির দাবিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংকের মানব বন্ধন। পদন্নোতির দাবিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংকের মানব বন্ধন।Btn voice , btn voice is a motivational & emotional & educational video uploaded chanel. I hope you wil...
I got over 2,650 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
ব্যাংকার দিয়ে আন্দোলন সম্ভব না,গুগল ফর্ম পূরণে সময় নেই, কাজে ব্যস্ত; অপেক্ষা শুধু অন্যরা এসে দাবি আদায় করে দেবে
ব্যাংকার সমাজের দাবি আদায়ের আন্দোলন বারবার মুখ থুবড়ে পড়ে একটি জায়গায় এসে-নিজেদের অনাগ্রহ ও উদাসীনতায়। মুখে সবাই বঞ্চনার কথা বলেন, বৈষম্যের কথা বলেন, পদোন্নতি না হওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করেন; কিন্তু সেই ক্ষোভকে সংগঠিত শক্তিতে রূপ দেওয়ার সময় এলেই সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আশ্চর্যের বিষয়, একটি গুগল ফর্ম পূরণ করার মতো ন্যূনতম অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও অনেকে বলেন-“সময় নেই”, “কাজের চাপ”, “দেখি পরে”।
আন্দোলন কি কারো একার দায়িত্ব? নাকি কিছু মানুষ এগিয়ে আসবে, রাস্তায় নামবে, ঝুঁকি নেবে, আর বাকিরা দূর থেকে সুবিধা ভোগ করবে-এই মানসিকতাই কি আমাদের চূড়ান্ত বাস্তবতা?যে দাবি আদায়ের পেছনে সম্মিলিত অংশগ্রহণ নেই, সেই দাবি কখনোই শক্তিশালী হয় না। অফিসের চেয়ার আঁকড়ে বসে, নীরব দর্শকের ভূমিকায় থেকে কোনো অধিকার আদায় হয় না।
আজ যারা বলেন “অন্যরা করুক”, কাল তারাই আবার প্রশ্ন তোলেন,কেন কিছুই হচ্ছে না?অথচ আন্দোলনের প্রথম ধাপই যদি উপেক্ষিত হয়, তাহলে ফলাফল নিয়ে হতাশ হওয়ার অধিকারও থাকে না। ব্যাংকারদের যদি সত্যিই নিজেদের অধিকার দরকার হয়, তবে অপেক্ষার সংস্কৃতি ভেঙে অংশগ্রহণের সাহস দেখাতে হবে। নইলে স্বীকার করতেই হবে,ব্যাংকার দিয়ে আন্দোলন সত্যিই সম্ভব নয়।
২০২৪ এর শূণ্য পদ থেকে ৩১/১২/২০২৪ ভিত্তিক পদোন্নতি এবং নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদন এর পর দ্বিতীয় দফা ৩১/১২/২৫ ভিত্তিক পদোন্নতি দিতে হবে
ব্যাংকিং খাতে পদোন্নতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে অচলাবস্থা বিরাজ করছে, তা আজ একটি কাঠামোগত সমস্যায় রূপ নিয়েছে। বছরের পর বছর শূন্য পদ থাকা সত্ত্বেও সুপার নিউমেরারি পদোন্নতি সমন্বয় এর অজুহাত,নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের অপেক্ষায় পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়েছে। এর ফলে একদিকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র হতাশা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে বাস্তবসম্মত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান হিসেবে দুই দফায় পদোন্নতি কার্যকর করাই হতে পারে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পথ। প্রথম দফায় ২০২৪ সালের শূন্য পদ থেকে ৩১/১২/২০২৪ তারিখ ভিত্তিক পদোন্নতি অবিলম্বে প্রদান করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে যারা একই পদে থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, এই পদোন্নতির মাধ্যমে তাদের বঞ্চনা কিছুটা হলেও লাঘব হবে এবং প্রশাসনিক কাঠামোতে গতি ফিরে আসবে। একই সঙ্গে এটি কর্মকর্তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটিকে পদোন্নতি বন্ধ রাখার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা সমীচীন নয় বরং নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর দ্বিতীয় দফায় ৩১/১২/২০২৫ তারিখ ভিত্তিক পদোন্নতি প্রদান করতে হবে। এতে ভবিষ্যৎ কাঠামোর সঙ্গে পদোন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
পদোন্নতি কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও নিয়মের আলোকে কর্মীদের ন্যায্য অধিকার। সময়মতো এই অধিকার বাস্তবায়ন না হলে শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভই বাড়ে না, পুরো প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও শৃঙ্খলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই অজুহাতের রাজনীতি পরিহার করে ২০২৪ সালের শূন্য পদ থেকে ৩১/১২/২০২৪ ভিত্তিক পদোন্নতি এবং নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর দ্বিতীয় দফায় ৩১/১২/২০২৫ ভিত্তিক পদোন্নতি-এই দুই দফার সুস্পষ্ট রোডম্যাপই হতে পারে বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের কার্যকর ও টেকসই সমাধান।
৩১/১২/২০২৪ ও ৩১/১২/২০২৫ ভিত্তিক পদোন্নতি পে স্কেল কার্যকরের আগেই ২ দফায় দিতে হবে
দীর্ঘদিনের বৈষম্য, বিলম্ব ও অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে ব্যাংকার সমাজ আজ ঐক্যবদ্ধ। সুপার নিউমেরারি পদোন্নতি সমন্বয় ও নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের অজুহাতে পদোন্নতি আটকে রাখা আর চলবে না। ৩১/১২/২০২৪ ও ৩১/১২/২০২৫ ভিত্তিক সকল যোগ্য কর্মকর্তার পদোন্নতি পে স্কেল কার্যকরের আগেই ২ দফায় প্রদান করতে হবে-এটাই আমাদের ন্যায্য ও অটল দাবি।
এই দাবি বাস্তবায়নে আর কোনো টালবাহানা সহ্য করা হবে না। অবিলম্বে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ও সময়সূচি ঘোষণা না হলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি কঠোর আন্দোলনে রূপ নিতে বাধ্য হবে। এর দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।
এটি কোনো একক গোষ্ঠীর দাবি নয়-এটি বঞ্চিত ব্যাংকারদের সম্মিলিত আওয়াজ।
এখন সিদ্ধান্ত নিন-নয়তো আন্দোলনের মুখোমুখি হন।
Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
22/01/2026