06/04/2026
আমাদের জীবনে যত দুশ্চিন্তা—তার বড় একটা অংশ রিজিক নিয়ে,
অথচ রিজিকের মালিক আল্লাহ নিজেই আমাদের জন্য তা নির্ধারণ করে রেখেছেন,না এক কণা কম হবে, না এক কণা বেশি। এই পৃথিবীতে যখন আমাদের রিজিক ফুরিয়ে যাবে তখন আমাদের মৃত্যু হবে।
সহীহ বুখারী-তে এসেছে, নবী ﷺ বলেছেন:
“যদি আমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করি, তবে তিনি আমাদের এমন জায়গা থেকেও রিজিক দেবেন, যা আমরা কল্পনাও করি না।”
সহীহ মুসলিম-এর আরেকটি হাদিসে এসেছে:
“রুহুল কুদুস আমার অন্তরে এ কথা প্রেরণ করেছেন যে, কোনো প্রাণী তার রিজিক পূর্ণ না করে মৃত্যুবরণ করবে না।”
তাই আমাদের অস্থির না হয়ে বিশ্বাস রাখতে হবে—
যা আমাদের জন্য নির্ধারিত, তা আমাদের কাছেই আসবে।
আমাদের করণীয়—
সৎ পথে থাকা, ধৈর্য ধরা এবং দোয়া করা।
কারণ আমাদের রিজিক কখনো পথ ভুলে না—
ঠিক সময়ে, ঠিক ঠিকানায় পৌঁছে যাবে ইনশাআল্লাহ। 🌿
28/10/2024
উসমান ইবনে আফফান মুসলিম জাতির জন্য সর্বপ্রথম আল কুরআনকে গ্রন্থাকারে সংকলন করেন (সংকলন. ২৩/৬৪৪-৩৫/৬৫৫) যা ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর ওফাতের প্রায় বিশ বছর পর।
27/10/2024
হে আমাদের মালিক, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনের ভাই-বোনদের রক্ষা করুন 😓
06/03/2022
🖤আারিফ আজাদ, প্রিয় একজন মানুষ 🖤
05/03/2022
মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে উত্তম চরিত্রের অধিকারী করে দিক। আমিন 🖤
05/03/2022
আমরা যারা দুনিয়াবি ব্যস্ততায়,চাকুরি,পরিবার,ক্যারিয়ার ইত্যাদির অজুহাতে দ্বীন পালন করিনা,ইসলাম নিয়ে পড়াশোনার সময় পাই না; মাত্র দুটো হাদিস আমাদের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ্।
১. হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের বলছেন-
"হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতের জন্য তুমি (অন্যান্য কাজ হতে) অবসর হও এবং ইবাদতে মন দাও, তাহলে আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর, তবে তোমার হাতকে ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর করব না।" [তিরমিযি: ২৬৫৪, ইবনে মাজাহ: ৪১০৭ (সহিহ)]
দুনিয়াতে এমন কোনো মানুষ পাওয়া যাবে না, যে এই জীবন নিয়ে পরিতৃপ্ত কিংবা যার মন সর্বদা প্রফুল্ল থাকে। প্রতিটি মানুষই জীবনের বিভিন্ন দিক থেকে ডিপ্রেশন ফেইস করছে, অনেকে নীরবে চোখের পানি ঝরাচ্ছে। সকল মানুষের মাঝে এমন একটা শ্রেণি আছে, যারা দুনিয়ার বিভিন্ন না-পাওয়ার বেদনার মাঝেও অন্তরে একপ্রকার প্রশান্তি নিয়ে জীবন কাটাচ্ছে। তারা কারা?
যারা আল্লাহর আনুগত্যে দিনাতিপাত করছে, সর্বাবস্থায় সবরের উপর অটল থাকছে এবং আখিরাতে উত্তম বিনিময়ের প্রত্যাশায় রয়েছে।
২. রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেন, "যার জীবনের চিন্তা (লক্ষ্য) হবে আখিরাত আল্লাহ্ তার অন্তরে সচ্ছলতা দিবেন। তার কর্মকাণ্ড গুছিয়ে দিবেন এবং দুনিয়া (নেয়ামত) অনুগত ও বাধ্য হয়ে তার নিকট আসবে। আর যার চিন্তা (লক্ষ্য) হবে দুনিয়া, আল্লাহ্ তার দুচোখের মাঝে দারিদ্র রেখে দিবেন, তার কর্মকাণ্ড বিক্ষিপ্ত করে দিবেন (ফলে সে অস্থিরতায় কাতরাবে) এবং দুনিয়া থেকে সে ততটুকুই অর্জন করতে পারবে, যা তার জন্য পূর্বনির্ধারিত।" [তিরমিযি: ২৪৬৫, সিলসিলা সহিহাহ: ৯৪৯-৯৫০ (সহিহ)]
ডিপ্রেশনে আছেন? সুখ দরকার? এই নেন প্রেসক্রিপশন। উপরের দুটো হাদিসের উপর কিছুদিন আমল করে দেখুন। এরপর নিজেই বুঝতে পারবেন, আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল আমাদের জন্য কত সহজ সমাধান বাতলে দিয়েছেন।
খুব সহজ একটি হিসাব বুঝতে হবে। আমরা পণ্য ক্রয় করতে কোথায় যাই? যেখানে পণ্য পাওয়া যায়--(দোকানে)--যাই।
এবার বলুন, সুখ-শান্তির মালিক কে? আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা।
সুতরাং শান্তির জন্য তাঁর কাছেই ফিরে আসতে হবে। এটিই চূড়ান্ত কথা। বাকি যত পথ ও পন্থাই অনুসরণ করুন-না কেন, সাময়িক ফূর্তি পেলেও দিনশেষে আপনি একাই হয়ে যাবেন।
ডিপ্রেশন আপনাকে পাকড়াও করবেই। ফিরে আসুন আল্লাহর দিকে। তিনি ব্যতীত আমাদের সত্যিকারের আপন বলতে কেউ নেই।।