৪ জুন ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা। সবার জন্য শুভকামনা
University Help Desk 2020-21
We are helping university admission aspirates by giving information about public university admissio
🟣ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আপডেট🟣
৮ বিভাগে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত
💙অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে আসলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। The Daily Campus এর নিউজে বলা হয়েছে,
🎁ঢাবিতে এ বছর 100 নাম্বারের পরীক্ষা হবে। রিটেন 30 + MCQ 50 + SSC ও HSC ২০ = 100
🎄অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন অনলাইনে নয়, সরাসরি হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। শিক্ষার্থীদের রেজাল্টের পর ভর্তির তারিখ জানানো হবে। তবে, ডিসেম্বরের দিকে পরীক্ষা হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির মিটিংয়ের পর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এখন ডিনস কমিটির সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে যাবে।
🎯সূত্র জানায়, করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের নিজস্ব বিভাগে নেওয়ার কথাও হয়েছে। অর্থাৎ যে শিক্ষার্থী যে বিভাগের, তারা সেই বিভাগে পরীক্ষা দেবে। এর ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ঢাকায় আসতে হবে না।
🪀এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা ভর্তি পরীক্ষা নেব। আমাদের সকল অনুষদের ডিন এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন। প্যানডেমিক সিচুয়েশন বিবেচনা করে রেজাল্টের পর ডিসেম্বরে আমরা ভর্তি পরীক্ষা নেব।’
🧶অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনদিনই মতামত দেওয়া হয়নি। আমরা অনলাইনে নেব না, সরাসরি পরীক্ষা নেব।’
🎭🎭তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে চাই। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এ বিষয়ে আরো আলোচনা হবে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে হয়তবা বিভাগভিত্তিক হিসেবে পরীক্ষা নিয়ে নেব, যাতে শিক্ষার্থীদের ঢাকায় না আসতে হয়।’
এবারের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় থাকছেনা এসএসসি ও এইচএসসির রেজাল্টের উপর মার্কস ।
বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা: সমন্বিত ভর্তিতে থাকছে না বুয়েট, আলাদা পরীক্ষা বাংলাদেশে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত যে ভর্তি পরীক্ষার ঘোষণা দেয়া হয়েছে তাতে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। তারা আলাদা করে আগের মতই পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন।
19/02/2020
কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা: ঢাবি-বুয়েটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২৬ ফেব্রুয়ারি
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে (সমন্বিত) ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটসহ বড় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় আসবে কিনা তা আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জানা যাবে। ওইদিন ইউজিসিতে (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব উপাচার্যদের নিয়ে একটি সভা ডাকা হয়েছে। সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে প্রাথমিক খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়ার প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের একটি নম্বর (স্কোর) দেওয়া হবে। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের শর্তানুযায়ী আলাদা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আবেদন আহ্বান করবে। এর ভিত্তিতে নতুন করে আর পরীক্ষা না নিয়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরকে বিবেচনা করে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।
প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাবনার ভিত্তিতে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব উপাচার্যদের নিয়ে সভা ডাকা হয়েছে। ওই সভার আলোকেই পুরো বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। ইউজিসির একজন কর্মকর্তা বলেন, নতুন এই পদ্ধতিতে এখনো অনাগ্রহ থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত জানাতে হবে।
প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে আগে যেভাবে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে তার প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে থেকে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার বিষয়গুলোর জন্য তিন দিনে তিনটি পৃথক ভর্তি পরীক্ষা (অভিন্ন প্রশ্ন) হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের নিয়ে তিনটি শাখার জন্য পৃথক তিনটি কেন্দ্রীয় পরীক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন্দ্র থাকবে। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি তাদের পরীক্ষা নেওয়ার সামর্থ্যের বেশি আবেদন জমা পড়ে, তখন মেধা অনুযায়ী (উচ্চমাধ্যমিক ফল) নিকটতম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীর একটি স্কোর বা নম্বর নির্ধারণ করে দেওয়ার পর কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কাজ শেষ হবে।
খসড়ায় বলা হয়, ভর্তি পরীক্ষার পরের কাজটি করবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত পদ্ধতিতে (তারা যেভাবে উপযুক্ত মনে করে) নিজ নিজ প্রয়োজনীয় শর্ত যুক্ত করে পৃথকভাবে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার নম্বরকে বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা পরিষদ (একাডেমিক কাউন্সিল) বা ভর্তি কমিটি প্রয়োজনীয় শর্তারোপ করার সুযোগ পাবে। বিশেষায়িত বিভাগগুলো যেমন, স্থাপত্য, চারুকলা ও সংগীত বিষয়ের জন্য প্রয়োজনমতো শুধুমাত্র ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার নম্বরকে যুক্ত করেই মেধাতালিকা করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তি এবং আর্থিক ব্যয় কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই গুচ্ছ বা সমন্বিতভাবে ভর্তি পরীক্ষার নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তারই আলোকে কোনো ঝামেলা ছাড়াই গত বছর সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভিত্তিতে বা সমন্বিতভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এখন আসন্ন শিক্ষাবর্ষ থেকে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়েই কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইউজিসি। যদিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।
তারা তাদের নিজেদের শিক্ষা পরিষদে সিদ্ধান্ত নিয়ে এ বিষয়ে চূড়ান্ত জানাবে। এর মধ্যে বুয়েটের যুক্তি হলো তাদের আগে বলা হয়েছিল একই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একেকটি গুচ্ছ করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইউজিসি কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার কথা বলছে। ফলে শিক্ষা পরিষদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারবে না। এই বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যেও মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বলছে, গুচ্ছভিত্তিক পরীক্ষার উদ্যোগই ভালো ছিল। আবার কেউ কেউ বলছেন কেন্দ্রীয় পরীক্ষাই ভালো হবে।
ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, নতুন এই পদ্ধতিতে কেউ আপত্তি করছে না। অনেকেই এখন ইতিবাচক। তাদের বক্তব্য হলো তাদের কিছু প্রক্রিয়াগত বিষয় আছে। তবে যে কয়টা বিশ্ববিদ্যালয় রাজি হবে, তাদের নিয়েই এগোবেন।
বর্তমানে দেশে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। তবে ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এগুলোতে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে প্রায় ৬০ হাজার আসন রয়েছে। পরীক্ষা দেয় কয়েক লাখ শিক্ষার্থী।
18/02/2020
#সমন্বিত_ভর্তি_পরীক্ষার_ব্রেকিং_নিউজ
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন্দ্রীয়ভাবে কোন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে, সে বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
তাতে বলা হয়েছে, কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার জন্য তিনটি পৃথক কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি করা হবে। এই তিন শাখায় তিন দিন আলাদাভাবে পরীক্ষা হবে। দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র থাকবে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর (স্কোর) ও মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করবে। ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পছন্দের কেন্দ্রে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে পারবে।
কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির কাজ হবে; কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করা। এরপর সেই ফলাফলের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।
শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত পদ্ধতিতে (কিংবা যেভাবে তারা উপযুক্ত মনে করে) তাদের প্রয়োজনীয় শর্ত সংযোজন করে আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। শিক্ষার্থীরা তখন শর্তপূরণ সাপেক্ষে তাদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন করে আর পরীক্ষা নেবে না। শর্ত পূরণ হলে, কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার স্কোর বিবেচনায় নিয়ে তারা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের পুরনো পদ্ধতি ধরে রাখতে চাইলে: ইউজিসি চেয়ারম্যান এক অনুষ্ঠানে এর সমালোচনা করেন। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নতুন পদ্ধতি নিয়ে এখন আর সরাসরি দ্বিমত করছে না।
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েটসহ ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে ইউজিসির এক বৈঠকের পর জাননো হয়, এ বছর থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে (সমন্বিত) ভর্তি পরীক্ষা নিতে সবাই সম্মত হয়েছে। এরপর ইউজিসি থেকে পরীক্ষা পদ্ধতির খসড়া প্রস্তাবনাটি গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠানো হয়।
তাতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে আগে যেভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে, তার প্রতি ‘সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই’ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা হবে।
⊞ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ‘অভিজ্ঞ এবং জ্যেষ্ঠ’ শিক্ষকদের নিয়ে কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার জন্য পৃথক পৃথক তিনটি কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি গঠন করা হবে।
⊞ উচ্চ মাধ্যমিক ফল প্রকাশের পরপরই কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির নির্ধারিত তারিখে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করবে। তিন শাখায় ( মানবিক, ব্যবসা, বিজ্ঞান এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ইউনিট) চার দিন আলাদাভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
⊞ প্রত্যেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র থাকবে। ছাত্র-ছাত্রীরা অভিন্ন প্রশ্নে তাদের পছন্দ অনুযায়ী কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে।
⊞ কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি তাদের সামর্থ্যের (পরীক্ষা নেওয়ার) অতিরিক্ত আবেদন জমা পড়ে, তাহলে মেধাক্রম অনুযায়ী নিকটতম অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
⊞ কেন্দ্রীয় এই ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের একটি স্কোর তৈরি করে দেবে কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি।
⊞ পরে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় আলাদাভাবে ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।সেখানে তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শর্ত যোগ করতে পারবে।
⊞ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন করে আর পরীক্ষা নিতে পারবে না। কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত স্কোর বিবেচনা করেই তাদের শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।
⊞ তবে স্থাপত্য, চারুকলা ও সংগীতের মত বিশেষায়িত বিভাগগুলো তাদের প্রয়োজনমত ব্যবহারিক পরীক্ষা নিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার স্কোর যুক্ত করে মেধাতালিকা তৈরি করতে হবে।
যে যে গ্রুপ থেকে HSC পরীক্ষা দেবেন ওই গ্রুপের সাবজেক্ট অনুযায়ী পরীক্ষা দেবেন । চাইলে বিভাগ পরিবর্তন ও করা যাবে।
যেমন : বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা গণিত , পদার্থ , জীববিজ্ঞান , রসায়ন ইত্যাদি বিষয় থাকবে ।
মানবিক বিভাগ ও বিভাগ পরিবর্তন এর শিক্ষার্থীরা বাংলা , ইংরেজি ও সাধারণজ্ঞান, IQ ( বুদ্ধিমত্তা) বিষয়ে পরীক্ষা দেবেন।
B ও D ইউনিটের ( মানবিক ও বিভাগ পরিবর্তন ) MCQ + WRITTEN
আর ব্যবসায় বিভাগের শিক্ষার্থীরা বাংলা , ইংরেজি সহ তাদের বিভাগের বিষয় গুলো অনুযায়ী পরীক্ষা হবে । পরীক্ষা হবে MCQ ও লিখিত ।
ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই খসড়া নিয়ে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের আপত্তি আছে কি না, তা ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই জানাতে বলা হয়েছে।
“প্রাথমিক এই খসড়া সামনে নিয়ে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হবে। তারা বসে দেখবে- কোথায় আর কী কী লাগবে, কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে, খুঁটিনাটি সব বিষয় দেখে তারা সিদ্ধান্ত নেবে।”
কোনো বিশ্ববিদ্যালয় আপত্তি জানালে কী হবে জানতে চাইলে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, “এখন পর্যন্ত কারো আপত্তি নেই। তবে প্রত্যেকেরই নিজস্ব ম্যাকানিজম আছে। সেই ম্যাকানিজমে যদি কোনো বাধা, অসুবিধা বা আপত্তি থাকে এবং রাজি না হয়, সেটা এই মাসের মধ্যেই জানাতে হবে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা বলছেন, শিগগিরই এ বিষয়ে তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিষদের (একাডেমিক কাউন্সিল) সভায় আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
কারও আপত্তি থাকলেও চলতি বছরই এ পদ্ধতি চালুর ওপর জোর দিয়ে অধ্যাপক শহীদুল্লাহ বলেন, “আমাদের যেটা দায়িত্ব, সেটা আমরা পালন করব। আমরা কারো জন্য বসে থাকতে পারব না। আমরা এবারই কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেব, যে কয়জন থাকবে সে কয়জনকে নিয়েই নেব। যতদূর পারি, জনগণের দুর্ভোগ থেকে রক্ষায় মডার্ন এই পদ্ধতিতে এগোব।”
ইউজিসির একাধিক সূত্র জানায়, শেষ পর্যন্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়েই কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাবে ইউজিসি। শেষ পর্যন্ত যদি কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অপারগ হয়, তাহলে তাদের বাদ রেখে বাকিদের নিয়েই এ বছর নতুন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে এই পরীক্ষাকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বলা হলেও এখন এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা’ ইংরেজিতে এর সংক্ষেপ করে বলা হচ্ছে সিএটি বা ক্যাট (সেন্ট্রাল অ্যাডমিশন টেস্ট)।
প্রাথমিকভাবে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ভিত্তিতে এই পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হলেও উপাচার্যদের কেউ কেউ ৫০ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং ৫০ নম্বরের বহুনির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ) পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন নেওয়া হবে। আর ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে নভেম্বরের মধ্যে। এ বিষয়ে ইউজিসির একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তির কাজটির জন্য শিগগির বিভিন্ন কমিটি গঠন করে দেওয়া হবে। কমিটিগুলোই এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে।
তাই, এটা এখন নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, এ বছরই সমন্বিত অর্থাৎ CAT হতে যাচ্ছে। যে পরীক্ষার ফলাফলে একাডেমিক রেসাল্ট অর্থাৎ জিপিএ অনেক ভুমিকা রাখবে।
আর যেহেতু একটি মাত্র পরীক্ষাতেই তোমার সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদালয়ের পরীক্ষা হয়ে যাচ্ছে, তাই আশা করি বুঝতেই পারছো যে, এই একটি পরীক্ষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে।
এই পরীক্ষাটিতে তারাই ভালো করবে যারা কিনা কৌশলগত ভাবে পড়াশোনা করবে এবং সেই সাথে CAT এর মুল সিলেবাস এবং প্রশ্ন কাঠামো অনুসারে পড়াশোনা করবে।
কোচিং জগতে প্রায় সকল কোচিং তাদের বিগত সালের শিট এবং কোর্স আউটলাইন দিয়ে প্রতিষ্ঠান চালানোতে আগ্রহী। তারা পরিবর্তনে আগ্রহী নয়। তাই অনেকেরই এই CAT নিয়ে দ্বিমত করার এটিই কারণ।
"মেরিট প্লাস" সেক্ষেত্রে বাস্তববাদী এবং শিক্ষার্থী বান্ধব সিদ্ধান্তে আগ্রহী এবং সেই জন্যে CAT পরীক্ষার আসল সিলেবাস এবং প্রশ্ন প্যাটার্ন ভিত্তিক ক্লাস নেওয়া, মডেল টেস্ট ও লিখিত পরীক্ষার জন্য শুরু থেকেই আলাদা ভাবে প্রস্তুতি দিয়ে থাকবে।
মেরিট প্লাস" নিয়মিত ভাবেই নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির ধারণা ক্লাস এবং HSC 2020 এর শিক্ষার্থীদের অনুরোধে তাদের সাব্জেক্ট ভিত্তিক আলাদা আলাদা একাডেমিক ক্লাস।
এর পরবর্তী ক্লাস / সেমিনার গুলোতে চলে আসো- চান্স তৈরি করে নাও, তোমার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ের!
বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন-
০১৯৭৩৭৮৮৭৫০-৬৫
#সফলতা_কি?
SSC, HSC দুটোতেই ডাবল গোল্ডেন পেয়েও ফার্স্ট টাইম কোথাও চান্স পাইনি। কিন্তু সেকেন্ড টাইম ঠিকি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে দেখিয়ে দিয়েছি। আসলে ধৈর্য্য শক্তি না থাকলে কোনদিন ও এটা সম্ভব হতো না।
এমন কোনো ক্লাশের এক্সাম ছিলো না যেখানে আমার একচেটিয়া ডমিনেশন ছিল না! প্রাইমারি বা সেকেন্ডারি স্টেইজের সমস্ত পরিক্ষায় ফার্স্ট বয় ছিলাম। হাইয়ার সেকেন্ডারিতেও একচেটিয়া ডমিনেশন! দুটোতেই পেয়েছিলাম গোল্ডেন এ প্লাস!
আমার ফ্যামিলি, বন্দুরা, গার্ডিয়ানমহলে তখন একটা কথাই আলোচিত হচ্ছিলো যে আমি ভবিষ্যতের ঢাবিয়ান হতে যাচ্ছি! বাট প্রবলেমটা হচ্ছে, আমি না ঐ পরিক্ষায় ডিরেক্ট ফেইল করেছিলাম! বাস্তবতাটা তখনই বুঝেছিলাম... যাঁরা এতদিন প্রশংসায় ভাষিয়েছে তারাঁই এখন অবজ্ঞা, অপমান, তুচ্ছ- তাচ্ছিল্য করা শুরু করলো! যখন আমার বাড়ীতে কোনো রিলেটিভ বেড়াতে এসে জিজ্ঞাসা করতো, ও কোথায় এ্যাডমিট হয়েছে? তখন আমি দ্রুতো পালিয়ে যেতাম ওখান থেকে... হয়ত বাথরুম বা কোনো আড়ালে যেতাম চোখের জল ফেলতে...!
যখন রাস্তা দিয়ে বিশেষ প্রয়োজনে দোকানে যেতাম তখন পরিচিতো কেউ অসংখ্য লোকের মধ্যে বলে উঠতো, কিরে কোনো ভার্সিটিই ভাগ্যে জুটলো না!... শুধু শুধু বাবার টাকা খরচ করিস আর রাজার হালে চলিস ক্যান! যখন সবার চাপে ন্যাশনালে ভর্তি হতে গেলাম সেই আগের কলেজে তখন আবার টিচার ভেবেছিলো সনদ উঠায়তে গেছিলাম... যখন প্রিন্সিপাল, প্রিয় শিক্ষকেরা জিজ্ঞাসা করলো কোন ভার্সিটিতে হইলো, তখন চোখ দিয়ে পানিগুলো অবিশ্রান্তভাবে গড়িয়ে পড়েছিলো। ঐদিন উত্তর দিতে পারি নাই আমি... কোনো কথা বলতে পারি নাই... জাস্ট চলে এসেছিলাম বাসায়!
রুমের দরজা নক করে ইচ্ছামতো মন খুলে কেদেঁছিলাম! মনস্থির করেছিলাম I will try as a second timer... ব্যাপক পড়াশুনা, কখন রাত হতো বা দিন হতো জানতাম না।
মনের ভিতরে একটাই গান ছিল, আমাকে ভার্সিটিতে যুদ্ধে টিকেই সমালোচকদের দাতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে...!!! অনেক অধ্যাবসায়, ব্যাপক সাধনা, বিরামহীন তপস্যা, সীমাহীন অপমান, শতশত নির্ঘুম রাতের পর অবশেষে লাল সূর্য উদিত হয়েছিলো... স্বপ্নের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে লোক প্রশাসনে টিকে গেলাম! রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে চান্স পেলাম! সত্যিই সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা জ্ঞাপন করেছিলাম... যখন দুঃসময়ে সবাই দূরে সরে গিয়েছিলো সবাই নতুন করে আপন করে নিলো! শুধু একটা চান্সই পারে মর্যাদার লড়াইয়ে সফল হতে! মোদ্দাকথা হচ্ছে, প্রথমবার ব্যার্থ হয়ে বসে থাকা যাবে না।
বাংলা ছিলো আমার দুর্বলতা। অনেক জায়গায়তেই কোচিং করেছি। কাটিয়ে উঠতে পারিনি। শেষমেষ পড়েছিলাম ফাইজুল্লাহ ভাইয়ের কাছে। বাংলার দুর্বলতা কাটিয়ে উঠেইছিলাম সেই সাথে পেয়েছিলাম এডমিশন কাপানোর মন্ত্র। আর বাস্তবতা হলো ভাইয়ের কাছে পড়া আমরা সবাই এ্যাডমিশনে ডমিনেট করেছি!!! ভালো ভালো সাবজেক্টে চান্স পেয়েছি। ভাইয়ের “MERIT PLUS” কোচিং এর কাছে আমরা সবাই কৃতজ্ঞ আর সেই কৃতজ্ঞতা থেকেই আজকের এই লেখা।
সেকেন্ড টাইমারদের আমি একটা কথাই বলবো, সময় নষ্ট না করে সেকেন্ড টাইমারদের জন্যে বেস্ট কোচিং “MERIT PLUS”
- এ ভর্তি হয়ে যাও। সফল হবা ইনশাআল্লাহ । এই কোচিং টি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো কোচিং । এই কোচিং ই সবচেয়ে ভালো গাইডলাইন দেয় । এই “MERIT PLUS” - কোচিং ই একমাত্র কোচিং যেটি প্রত্যেকটি লেকচারের সলভ শিট দেয় । শিক্ষকরা অনেক অভিজ্ঞ এবং সবচেয়ে বেশী যে জিনিস টা আমাকে এই কোচিং এর থেকে সাহায্য করেছে , সেটি হলো এই কোচিং এর শিক্ষকরা খুবই আন্তরিক, যোগ্যতাসম্পন্ন এবং আমার সফলতাকে তারা নিজেদের সফলতা হিসেবে নিয়ে খুব ডেডিকেশন এর সাথে পড়িয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত ওনারা ক্লাস নেয়। ক্লাস সংখ্যা অন্যান্য কোচিং থেকে অনেক বেশি। আমি সিওর সার্ভিস এর দিক দিয়ে ও সবচেয়ে এগিয়ে এই “MERIT PLUS” কোচিং টি, যার প্রমাণ আমরা।
সবশেষে বলবো লক্ষ্য থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হবে না! শেষ চেস্টা করেই দেখ! সঠিক প্রিপারেশন নিলে সফল হবে নাইন্টি নাইন পার্সেন্ট!
And it is the last message - সমালোচনা, অপমান দূরে ঠেলে সফল হও, সামনে এগিয়ে যাও...........
#সমন্বিত_বিশ্ববিদালয়_ভর্তি_বিশ্লেষণ_পার্ট_২
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা কতোটা যুক্তিসংগত?
এবার অসুবিধাগুলোকে একটু বিশ্লেষণ করে দেখা যাক।
কিছুদিন আগে ঘোষণা এসেছে আগামী (২০২০-২০২১) শিক্ষাবর্ষ থেকে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে একটা ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে দেশে এখন ৫০ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যারা আলাদা আলাদা করে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে থাকে। এতে করে শিক্ষার্থীদের অনেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করতে হয়, হয়রানি বাড়ে, ভোগান্তি হয় পাশাপাশি অনেক অর্থেরও অপচয় হয়।
আরো বলা হয়েছে পরীক্ষা হবে ২ বা ৩ দিনে অর্থাৎ বিজ্ঞান, কলা, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষা হবে আলাদা দিনে। SSC, HSC এর ফলাফলের উপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার সিট বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেলা হবে।
পরীক্ষায় MCQ আর থাকবে না এর পরিবর্তে পরীক্ষা নেয়া হবে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ভিত্তিতে।
বিশ্লেষণ:
দেশে মোট ৫০ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও এসবে মোট আসন সংখ্যা প্রায় ৫৫,০০০ যার মধ্যে বিজ্ঞানের আসনসংখ্যা প্রায় ৩০,০০০। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে
প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫-৭ লক্ষ পরীক্ষার্থী। গতকাল এই ঘোষণা আসার পর থেকেই শিক্ষার্থী থেকে অভিভাবক পর্যায়ে পরিচিত প্রায় সবাই অনেক খুশি। আমি উদাসীন মানুষ, হুট করে খুশি হতে বা মন খারাপ করতে পারি না বরং কিছু সময় ভাবতে হয়। এক নজরে দেখে নেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রধান কি কি সুবিধা ও অসুবিধা হতে পারে। আমি যেসব উল্লেখ করেছি এর বাহিরে আরো সুবিধা বা অসুবিধা থাকতে পারে।
অসুবিধাসমূহঃ
১। পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়বে।
এই তিন সেক্টরে পরীক্ষার নিয়ম, নম্বর বণ্টন, সিলেবাস সবই আলাদা। HSC পরীক্ষার পর হাতে সময় থাকে প্রায় ২.৫-৩ মাস। এই ক্ষুদ্র সময়ে পরীক্ষার্থীদের পক্ষে এতোসব আয়ত্ত করা প্রায় সাগরে হাবুডুবু খাবার ন্যায় হবে।
২। পরীক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে যাবে।
সাধারণত যেকোনো কারণেই হোক একটিমাত্র পরীক্ষা যেহেতু, ভয় ও নার্ভাসনেসের চোটেই অনেকের পরীক্ষা খারাপ হয়ে যাবে। যার ফলে তার হাতে জাতীয় বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত আর কোনো অপশনই থাকবে না। ২০১৫ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বুয়েট, মেডিকেলের পর হতো। তখন দেখতাম নিজের ১০০ জন স্টুডেন্টের মধ্যে ৩০-৪০ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেতো আর ২০১৬-২০১৯ পর্যন্ত পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সবার আগে হওয়ায় সে সংখ্যা কমে ১৫-২০ এ এসেছে। যারা চান্স পাচ্ছে না তারা ঠিকই আবার জাহাঙ্গীরনগর, রাবি, চবি’র ভর্তি পরীক্ষায় প্লেস করছে। এর কারণ তাহলে অভিজ্ঞতা ছাড়া আর কি হতে পারে?
SSC, HSC তে প্রতি বিষয়ে প্রতি পেপারে আলাদা করে পরীক্ষা দিয়ে আসা একজন শিক্ষার্থী হুট করে জীবনে প্রথম সব বিষয় মিলিয়ে ১/১.৫ ঘণ্টার পরীক্ষায় ভালো করবে? আজীবন টেস্ট খেলে আসা একজনকে দিয়ে কি আপনি প্রথম টি-২০ ম্যাচেই ৬০ বলে সেঞ্চুরি আশা করেন?
৩। একবার যে খারাপ করবে সে আর ভালো করার কোনো চেষ্টাই করবে না।
সাধারণত বর্তমানে কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা সেপ্টেম্বরে শুরু হয় আর শেষ হয় প্রায় ডিসেম্বর মাসে। অর্থাৎ কেউ সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের পরীক্ষায় খারাপ করে পূর্বে করা ভুলত্রুটি শুধরে নভেম্বর-ডিসেম্বরের পরীক্ষায় ভালো করতো। এখন সে সুযোগটা আর থাকবে না। তাই, সে চেষ্টা করাটাই ভুলে যাবে, পরবর্তী ৫-৬ বছর এমনকি আজীবন হতাশায় ভুগবে।
৫। পরবর্তী সময়ের প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষায় ভয় পাবে।
যে বিষয় দেখে আমরা কখনো ভয় পাই সেই ভয়টা কিন্তু আজীবনই রয়ে যায়। যেমনঃ সাপের ভয়, রক্ত, ভূতের ভয়। যে এই পরীক্ষায় খারাপ করবে সে পরবর্তী সময়ে চাকুরীর পরীক্ষাতেও হীনমন্যতায় ভুগবে। 'পারবো কি পারবো না'-এই ভয় সবসময় তাকে তাড়িয়ে বেড়াবে।
৫। বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় পছন্দক্রমে বিশাল ঝামেলার সম্মুখীন হবে।
এই সেশনে (২০১৯-২০) কৃষির সমন্বিত পরীক্ষায় ৭ কৃষি ভার্সিটি ও সেসবের প্রায় ৫০ টি বিষয় একবারে সিলেক্ট করতে বলা হয়েছিলো আর এই সিলেকশনেই সবার অবস্থা খারাপ ছিলো। সেখানে এবার ৫০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটিতে গড়ে ২০ টি করে বিষয় ধরলেও প্রায় ১০০০+ বিষয়ের চয়েস লিস্ট অনলাইনে সাবমিট করতে হবে। যেখানে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ক্রম পছন্দ করতে গিয়েই অনেকে ভুল করে সেখানে ১০০০+ বিষয় সিলেকশনে কি হতে পারে একটু চিন্তা করে দেখুন।
৬। নির্বাচন পদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ।
বলা হয়েছে পরীক্ষা নেওয়া হবে লিখিতভাবে। আর এসবের খাতা দেখবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। বুঝতে পারছেন নিশ্চই কি বলতে চাইছি! এক এক শিক্ষার্থীর লেখার মান একেকরকম। খাতা দেখার ধরনেও ভিন্নতা আছে। একই প্রশ্নের উত্তরে জগন্নাথের একজন শিক্ষক ২ এর মধ্যে ১.৫ দিতে পারেন আবার সেই উত্তর যদি শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ দেখেন সেখানে ২ বা ১ দিতে পারেন। ভর্তি পরীক্ষায় যেখানে ০.০১ নম্বরের জন্য চান্সই হয় না সেখানে নম্বরের এই ভ্যারিয়েশন কি করতে পারে আন্দাজ করতে পারছেন? আর এই ভ্যারিয়েশন তো এক প্রশ্নে না, প্রায় সব প্রশ্নের উত্তরেই হবে। বুয়েটে এই সমস্যা দূর করার জন্য যে ১২,০০০ জন পরীক্ষা দেয় তাদের সবার একটা নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর শুধু একজন শিক্ষকই মূল্যায়ন করেন। অর্থাৎ মোট ৬০ টি প্রশ্নের উত্তর ৬০ জন শিক্ষক আলাদা করে ১২,০০০ জনের খাতাই দেখেন।
৭। পছন্দের বিষয় পাবে না।
এখন যেটা হয় অনেকেই অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে অপেক্ষাকৃত ভালো ও পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হয়। নতুন নিয়মে ভর্তিকৃত বিষয় নিয়ে মন খারাপ থাকবে, আগ্রহহীন ভাবে পড়বে। অনেকেই এক বছর পর প্রাইভেটে ভর্তি হবে বাকিরা শুরু থেকেই বিসিএস-এ ফাইট দেওয়ার প্রস্তুতি নিবে। দেশের বাহিরে যেমন অধিক মেধাবীরা নিজ আগ্রহে এলিট সাবজেক্ট ফিজিক্স পড়ে, আর আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়জন নিজ ইচ্ছায় ফিজিক্স পড়ে? হিসাব করতে না পারলে খোঁজ নিয়ে দেখুন পাশ্চত্যের এই এলিট সাবজেক্ট ৮০ টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ব্র্যাক আর উত্তরা ছাড়া আর কোথাও আছে কি না! থাকবেই বা কেনো, কেউ পড়তে চাইলে না থাকবে।
৮। অভিভাবকের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করবে।
যেহেতু একটি মাত্র পরীক্ষা তাই কেউই রিস্ক নিতে চাইবে না। যার সহায় সম্বল নেই বা যে কোচিং না করে ঘরে বসেই প্রস্তুতি নিতো সেও কোনো না কোনো কোচিং-এ ভর্তি হবে। যে এলাকায় কোচিং করতো সে ঢাকায় আসবে। ঢাকায় স্টুডেন্ট বেশী আসার কারণে হোস্টেল খরচ বাড়বে। এই ২-৩ মাসে এতোকিছুর জন্য সমস্ত টাকার যোগান দিতে হবে অভিভাবকের।
৯। যে কথাটা প্রথমেই বলা দরকার ছিলো!
সমন্বিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম হলো প্রতিবছর নতুন এক বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব পাবে। যেমন গেলো বছর দায়িত্বে ছিলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বছর দায়িত্বে থাকবে শের-ই-বাংলা বা বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। সব বিশ্ববিদ্যালয় মিলে সমন্বিত পরীক্ষা হলে তখন তো আর এই নিয়ম সম্ভব না কারণ তখন দায়িত্ব ঘুরে আসতে সর্বনিম্ন ৫০ বছর লাগবে। তাই, প্রশ্ন প্রণয়ন ও ভর্তির দায়িত্ব চলে যেতে পারে ইউজিসি আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে। তখন ঠিক কি কি হতে পারে তা না হয় নিজেই ভেবে নিন।
তবুও সবকিছু বিবেচনা করল যেটা বলব সেটা হচ্ছে, এই অসুবিধাগুলো থাকা স্বত্তেও এই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষাই হওয়া উচিত। আর এটি শুরু হলে কিছু দিনের মধ্যেই এটার প্রাথমিক ভুলগুলোকে যখন কাটিয়ে উঠবে তখন অবশ্যই অনেক কার্যকরী হবে বলে আশা রাখা যায়।
কাজেই আমার মতে এসকল অসুবিধার কথা চিন্তা না করে পড়াশোনায় ফোকাস দেওয়া উচিত কারণ পরীক্ষা কিভাবে আয়োজিত হবে এটা তুমি কন্ট্রোল করতে পারছো না, কিন্তু তুমি যেটা পারছো সেটা হলো তোমার একাডেমিক যোগ্যতাকে বৃদ্ধি করা, যেটাই কিনা তোমাকে শেষ পর্যন্ত চান্স পাওয়াবে।
আর এই বিশ্লেষণের পার্ট ১ যেখানে সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সেটি তুমি এই https://www.facebook.com/groups/Somonnito/ লিঙ্কে পাবে।
তোমাদের সকলের জন্য শুভ কামনা।
সোহান রানা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
০১৯৭৩৭৮৮৭৬১
সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষাঃ সেকেন্ড টাইমারদের কি হবে?
ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাব আসলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাফ জানিয়েছে তারা এর অন্তর্ভুক্ত হবে না। অর্থাৎ এই ০৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা আলাদা ভর্তি পরীক্ষা নিবে।
ইউজিসি জোর করলেও অন্তত এই বছরের জন্য এই ০৫ বিশ্ববিদ্যালয় কথা শুনবে না। এখন এই ০৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সেকেন্ড টাইম আছেই শুধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাই বাকি ৪ টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সেকেন্ড টাইমারদের মাথা ব্যাথার কারণ নেই। আমার যতোটুক মনে হয় BUTex, CUET, KUET, RUET-ও অন্তত এই বছরের জন্য সমন্বিত পরীক্ষা পদ্ধতিতে আসতে চাইবে না কারণ তারা অনেকটাই BUET কে ফলো করে তাই দেখবে BUET কোন পথে এগোয়।
ইউজিসি জোর করলে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাটাগরিতে এই ০৪ বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে আলাদা একটি ভর্তি পরীক্ষা নিতে পারে যেমনটি হতো ২০০৩ সাল পর্যন্ত। ২০০৩ সাল পর্যন্ত CUET, KUET, RUET এর নাম ছিলো BIT.
BIT সমূহের ভর্তি পরীক্ষা তখন একত্রে BUET নিতো অনেকটা এখনকার মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার মতন। অপরদিকে BUP, MIST তে যেহেতু কোটা আছে প্রায় ৫৫% তাই তারাও এই পদ্ধতিতে আসবে না বা আসতে পারবে না।
এগুলো বাদে এখন যেসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাকি থাকে সেগুলোর পরীক্ষা নিয়ে দুটো ধারণা করা যেতে পারেঃ
১। বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিবে।
২। সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই তিন ক্যাটাগরিতে মোট ০৩ টি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিবে। এখন এই দুই ক্যাটাগরির যে ফরম্যাটেই ভর্তি পরীক্ষা নিক না কেনো প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই সেকেন্ড টাইম আছে, শুধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া। এখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কি করবে সেটা পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত আসা ছাড়া বলা সম্ভব নয়। তবে আমার ধারণা যেহেতু এটি ঢাকায় আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার পরের দিনই পরীক্ষা নিয়ে নেয় তাই তারাও চাইবে আলাদা থাকতে।
অর্থাৎ যদি ক্যাটাগরি ০১ ফলো করা হয় তাহলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে সেকেন্ড টাইমারদের কারণ সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় তারাই রাজি না, যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুই ফার্স্ট টাইমাররা পরীক্ষা দিতে পারবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে সেকেন্ড টাইমাররা শুধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, BUP, মেডিকেল ও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। আর যদি ক্যাটাগরি ০২ ফলো করা হয় তাহলে সেকেন্ড টাইমাররা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, BUP, মেডিকেল ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে।
অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে সেকেন্ড টাইমাররা লাভবান হবে।
গত তিন দিন যাবত ইনবক্সে আসা বেশকিছু প্রশ্ন। এখন দেওয়া যাক ইনবক্সে আসা প্রশ্নগুলোর উত্তর:
১। এই বছর সেকেন্ড টাইমাররা পরীক্ষা দিতে পারবে কিনা?
উত্তর: অবশ্যই পারবে কারণ এ নিয়ে যেহেতু কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি তাই এখন হুট করেই সেকেন্ড টাইমার বন্ধ করবে না। প্রথমত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় সেকেন্ড টাইম বন্ধ করলে আগের বছর ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে অথবা ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরপরই বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয়। বিগত সময় যারা বন্ধ করেছে তারা এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছে। দ্বিতীয়ত সেকেন্ড টাইম বন্ধ করা বা চালু রাখা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্মিলিত কোনো সিদ্ধান্ত নয়, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ একক। যেমন দেশে সর্বপ্রথম সেকেন্ড টাইম বন্ধ করে BUET ২০০৩ সালে। এরপর KUET, CUET, DU এর হাত ধরে এই পদ্ধতি বর্তমানে চট্টগ্রাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পৌঁছেছে।
২। সমন্বিত পরীক্ষা যেহেতু তারমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও পরীক্ষা দিতে পারবো কি?
উত্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী সেকেন্ড টাইম পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। এমনকি যারা যোগ্যতা থাকা সত্বেও এই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেনি বা যেকোনো এক ইউনিটে বা শুধু সাত কলেজে আবেদন করেছে তারাও আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বছর কোনো ইউনিটে আবেদন করতে পারবে না। এমনকি IBA তেও নয়।
৩। পরীক্ষা পদ্ধতি কেমন হবে?
উত্তর: ইউজিসি কর্তৃক আসা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ০১ বা ০২ যে ক্যাটাগরিতেই পরীক্ষা হোক না কেনো পরীক্ষা নেওয়া হবে লিখিত পদ্ধতিতে। আমার সবচেয়ে বড় ভয় এখানেই কারণ এই নিয়মে যে কোন পর্যায়ের ভ্যারিয়েশন আসবে তা কল্পনার বাহিরে (পূর্বের পোস্টে উল্লেখ করেছি)। সবার উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা যায় না। গেলো বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম লিখিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিয়েছে আর এতেই কিছু পরীক্ষার্থীর ফল খারাপ হওয়ায় আবেদনকৃত প্রায় ২৫০ জনের মধ্যে শুধু লিখিত অংশে নম্বর বৃদ্ধি হইছে ৫০ জনের অর্থাৎ শতকরা ২০ জনের লিখিত অংশে ফল পরিবর্তিত হয়েছে। এই যদি হয় শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান তাহলে স্বল্প প্রস্তুতিতে সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত নিয়ম ঠিক কি পরিমাণ দুর্যোগ বয়ে আনবে তা সম্ভবত কেউ আন্দাজ করতে পারছে না। আমি সবাইকে বুলেট আকারে লিখতে পরামর্শ দিবো, বোর্ড পরীক্ষার মতো খাতা না ভরিয়ে এক্সাক্ট উত্তরটুকু লিখে আসতে। খাতায় কাটাকাটি, ঘষামাজা না করাই শ্রেয়। আর সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ থাকবে হাতের লেখা স্পষ্ট, সুন্দর ও বোধগম্য করার জন্য। এটা বোর্ড পরীক্ষা নয় যে শিক্ষক বসে আছেন 'A+' দেওয়ার জন্য। এমনও হতে পারে হাতের লেখায় বিরক্ত হয়ে পুরো খাতা ভালো করে নাও মূল্যায়ন করতে পারেন।
৪। মেডিকেল বা SUST এর মতো নম্বর কাটবে কিনা?
উত্তর: মেডিকেলে সেকেন্ড টাইমারদের মোট নম্বর থেকে ০৫ নম্বর কাটা যায়। যারা সরকারী মেডিকেল বা ডেন্টালে ভর্তি থেকে আবার পরীক্ষা দিবে তাদের ৭.৫ নম্বর কাটা হয়। SUST-এ SSC ও HSC এর জিপিএ দ্বয়ের যোগফলকে ২.৭ দ্বারা গুণ করা হয় যেখানে ফার্স্ট টাইমারদের ক্ষেত্রে ৩.০ দ্বারা গুণ করা হয়। নতুন নিয়মে সেকেন্ড টাইমারদের নম্বর কাটা যাবে কিনা তা নির্ভর করবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কমিটিতে কারা আছেন। উদাহরণস্বরূপ জাফর ইকবাল স্যার থাকলে নম্বর কাটা যাবে কারণ উনি সম্ভবত SUST এর পথে হাঁটবেন।
৫। এই পদ্ধতি কি এই বছর থেকেই কার্যকর হবে?
উত্তর: ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বছর থেকেই কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এখন ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রস্তাব বা সিদ্ধান্তের সাথে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের মতের অমিল হলে সে এই নিয়ম থেকে বেরিয়েও যেতে পারে। গতবছর যেমন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা থেকে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শেষ পর্যন্ত বের হয়ে গেছে।
৬। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মতো প্রি-সিলেকশন থাকবে কিনা?
উত্তর: ৬। গেলো বছর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম হলো আসন সংখ্যার ১০ গুণ পরীক্ষার্থীকে তারা সুযোগ দেয়। তাই প্রায় ৩৫৫১ সিটের বিপরীতে তারা প্রায় ৩৫৫১০ জনকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিয়েছিলো। নতুন নিয়মে যেহেতু পরীক্ষার সংখ্যা একেবারেই কমে যাচ্ছে তাই প্রি-সিলেকশনের প্রশ্নই ওঠে না।
সকল আপডেট এই গ্রুপটিতে সবার আগে দেওয়া হবে। তাই তুমি তোমার বন্ধুদেরকেও এই গ্রুপে এড দিয়ে দাও যাতে ওরাও সঠিক সময়ে সকল সঠিক তথ্যগুলো পেয়ে উপকৃত হতে পারে। এবং যে কোনো প্রয়োজনে চাইলেই যোগাযোগ করতে পারো। ধন্যবাদ।
সোহান রানা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
০১৯৭৩৭৮৮৭৬১
#সমন্বিত_এবার_থেকেই
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে এবার থেকেই। দুই দিনেই শেষ হবে সব পরীক্ষা। অর্থাৎ মাসব্যাপী আর সারা দেশ ঘুরে ঘুরে পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। আর ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া হবে অনলাইনে। দেশজুড়ে একযোগে দুই দিনেই শেষ হবে সব পরীক্ষা। পরীক্ষার আয়োজন করা হবে সকাল-বিকালে।
প্রথম দিন সকালে বিজ্ঞান বিভাগের রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও গণিত এবং বিকেলে চিত্রাঙ্কন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন সকালে মানবিক ও ব্যবসায় বিভাগের বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। আর বিকেলে শুধু ব্যবসায় বিভাগের জন্য অ্যাপটিটিউট (স্বাভাবিক জ্ঞান) বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তবে এখনো যেটা মনে হচ্ছে এর নীতিমালার অনেক পরিবর্তন আসবে। বিষয়টি চূড়ান্ত করতে আগামী সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে আবারও ইউজিসিতে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রস্তাবে না থাকলেও আবেদনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় আর একাধিক বিষয় নির্বাচনের অপশন রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। যেগুলোর ব্যাপারে আসলে এখনই কিছু বলা মুশকিল। যাই হোক, নতুন ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাবে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আয়োজনে হবে ভর্তি পরীক্ষা।
তবে, পরীক্ষার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা নির্দিষ্ট করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিষয়ের অপশন চেয়ে আবেদন আহ্বান করা হবে। প্রতিটি গুচ্ছের জন্য অপশনসহ মেরিট লিস্ট তৈরি করা হবে। মডিউল সিস্টেমে দুই দিন পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর প্রতিটি গুচ্ছের মেরিট লিস্ট তৈরি করা হবে। তারপর অপশন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের প্লেসমেন্ট লিস্ট তৈরি করে সেন্ট্রাল মনিটরিং কমিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
প্লেসমেন্ট লিস্ট প্রকাশ করার পর শিক্ষার্থীদের দুই দিনের মধ্যে বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারণ করে সেন্ট্রাল মনিটরিং কমিটিকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জানাতে বলা হবে। ডিপার্টমেন্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত হলে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুরু হবে। ঢাকায় বড় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসংক্রান্ত একটি বুথ তৈরি করা হবে।
বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় ইউজিসি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জানুয়ারি দেশের সব ক্যাটাগরির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠক করে ইউজিসি।
ইউজিসির তথ্য মতে, দেশে বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৪৬টি।
তবে সত্যিই বলতে এতদিন আসলে বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাধার কারণেই সরকার এবং রাষ্ট্রের অভিভাবকের প্রত্যাশা সত্ত্বেও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব হয়নি। তবে বেশিরভাগ ভিসি যেহেতু একমত পোষণ করেছেন তাই কেউই স্রোতের বাইরে যাবেন না বলে মনে করেন তারা।
তারা এটাও বলেছেন, যেহেতু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমে পরীক্ষার পাইলটিং হয়ে গেছে তাই শিক্ষকদের ইতিবাচক মত থাকলে সারা দেশে এটা প্রবর্তন কঠিন কাজ হবে না।
ইউজিসির কর্মকর্তারা জানান, পরীক্ষা সমন্বিত হবে না গুচ্ছ- সেটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বিদ্যমান ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় ৬ ধরনের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। এগুলো হচ্ছে : সাধারণ, কৃষি, প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মেডিকেল এবং বিশেষায়িত।
এর মধ্যে ১০টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৬টি, ১৫টি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় আর কৃষি ও কৃষি সম্পৃক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ৭টি, যেগুলোয় চলতি শিক্ষাবর্ষের ভর্তিতে পরীক্ষামূলকভাবে সমন্বিত পরীক্ষা নেয়া হয়।
এ ছাড়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ৪টি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষা ও গবেষণা হয়ে থাকে। বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আরও আছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি, জাতীয় এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হবে। ভর্তিচ্ছুরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করবেন। তবে গুচ্ছ ভর্তির সিদ্ধান্ত হলে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যে ভাগ করে আবেদন নেয়া হবে।
আলাদা পরীক্ষায় মেধাতালিকা অনুযায়ী নির্বাচিতদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। ভর্তি সংক্রান্ত কাজের জন্য ঢাকায় বড় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অফিস খোলা হবে।
প্রস্তাবে পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান ইউজিসির সদস্য অথবা বড় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি থাকবেন। অন্য ভিসিরা সদস্য হিসেবে থাকবেন।
সদস্য সচিব ভিসিদের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হবে। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতে প্রশাসনিক এবং কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে। ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসন সংখ্যা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হবে। তার ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।
উভয় কমিটির কয়েকজন সদস্য মিলে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটি বিভিন্ন বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি, ভিন্ন ভিন্ন গুচ্ছের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে আবেদনপত্র আহ্বান ও যাচাই-বাছাইকরণ, শিক্ষার্থীদের নামের পাশে কোড দেয়া, মেধাতালিকা তৈরি করবে।
এ ছাড়া স্থানীয় কমিটিতে খাতা দেখা এবং ফলাফল প্রক্রিয়ায় সাব-কমিটি গঠন করা হবে। কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা গ্রহণের আগে এসব কমিটি গঠন করা হবে। অন্যদিকে স্থানীয় কমিটি পরীক্ষা নেয়া, খাতা মূল্যায়নে কোডিং, ফল প্রণয়ন প্রক্রিয়াকরণ ও তা যথাস্থানে পাঠানোর কাজ করবে।
সব মিলিয়ে এখনো অনেক কিছুই বাকি আছে তবে হবে যে এটা প্রায় নিশ্চিত।
তাই উচিত এখন থেকেই সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা তৈরি করা আর মানষিক ভাবে তৈরি হয়ে থাকা।
সকল আপডেট এই গ্রুপটিতে সবার আগে দেওয়া হবে। তাই তুমি তোমার বন্ধুদেরকেও এই গ্রুপে এড দিয়ে দাও যাতে ওরাও সঠিক সময়ে সকল সঠিক তথ্যগুলো পেয়ে উপকৃত হতে পারে।
সোহান রানা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
০১৯৭৩৭৮৮৭৬১
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1215